Category: পড়াশুনা

  • HSC Result 2025 with Marksheet – Bangladesh Education Board Result Check Guide

    HSC Result 2025 with Marksheet – Bangladesh Education Board Result Check Guide

    HSC Result 2025 with Marksheet – Bangladesh Education Board Result Check Guide! বাংলাদেশের এইচএসসি (HSC) পরীক্ষার ফলাফল প্রতি বছর লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। এই ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা জানতে পারে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স এবং ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষার দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করতে পারে। HSC Result 2025 with Marksheet অনলাইনে পাওয়া যাবে শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এছাড়াও SMS পদ্ধতি, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট, রি-স্ক্রুটিনি আবেদনসহ সব কিছুই এখন সহজে ঘরে বসে করা সম্ভব।

    HSC Result 2025 with Marksheet
    HSC Result 2025 with Marksheet

    এই ব্লগে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব—

    • HSC Result 2025 প্রকাশের তারিখ ও সময়

    • মার্কশিটসহ ফলাফল দেখার অফিসিয়াল পদ্ধতি

    • অনলাইন ও SMS-এ ফলাফল চেক করার ধাপ

    • প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল দেখার নিয়ম

    • রি-স্ক্রুটিনি আবেদন প্রক্রিয়া

    • বোর্ডভিত্তিক তথ্য ও পাসের হার

    HSC Result 2025: ফলাফল প্রকাশের তারিখ ও সময়

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণামতে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ২০২৫ প্রকাশ করা হবে ১৬ অক্টোবর ২০২৫ সকাল ১০টা।
    সকালেই প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন। এরপর শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, SMS ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের মাধ্যমে তাদের রেজাল্ট জানতে পারবে।


    কেন মার্কশিটসহ ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ

    ফলাফল দেখার সময় অনেক শিক্ষার্থী শুধু GPA জানলেও, প্রকৃত মার্কশিট থেকে বোঝা যায় কোন বিষয়ে কত নম্বর পাওয়া গেছে, কোন বিষয়ে উন্নতির প্রয়োজন, এবং কোন বিষয়ে ভবিষ্যতে মনোযোগ দিতে হবে।
    বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় অনেক প্রতিষ্ঠান বিষয়ভিত্তিক নম্বর চায়। তাই HSC Result 2025 with Marksheet পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।


    অনলাইনে HSC Result 2025 with Marksheet দেখার নিয়ম

    মার্কশিটসহ ফলাফল অনলাইনে দেখতে হলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে। ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া হলো:

    ধাপ ১: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

    মার্কশিটসহ ফলাফল দেখার জন্য সঠিক ওয়েবসাইট হলো:
    https://www.educationboardresults.gov.bd
    অথবা
    https://www.eboardresults.com

    দ্বিতীয় ওয়েবসাইট (eboardresults.com) ব্যবহার করলে সবচেয়ে দ্রুত ও বিস্তারিত মার্কশিট পাওয়া যায়।


    ধাপ ২: ফলাফল টাইপ নির্বাচন করুন

    ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

    • Examination: HSC/Alim

    • Year: 2025

    • Board: আপনার শিক্ষা বোর্ড (Dhaka, Rajshahi, Comilla, Jessore, Chittagong, Barisal, Sylhet, Dinajpur, Madrasah, Technical)

    • Roll Number: আপনার রোল নম্বর

    • Registration Number: মার্কশিট পেতে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে হবে

    • Security Key: প্রদত্ত ক্যাপচা কোডটি সঠিকভাবে দিন


    ধাপ ৩: Individual Result নির্বাচন করুন

    “Result Type” থেকে Individual Result নির্বাচন করে Submit করুন। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে আপনার পূর্ণাঙ্গ HSC Marksheet 2025 প্রদর্শিত হবে। এতে প্রতিটি বিষয়ের আলাদা আলাদা নম্বর, GPA, এবং Total Grade উল্লেখ থাকবে। চাইলে এটি প্রিন্ট করে রাখতে পারেন।


    SMS-এর মাধ্যমে HSC Result 2025 জানার নিয়ম

    যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে বা অনলাইন সাইটে ভিড় বেশি হয়, তবে SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানা একটি কার্যকর বিকল্প। SMS পাঠাতে হবে নিচের ফরম্যাটে:

    HSC <space> Board <space> Roll <space> Year

    উদাহরণ:

    HSC DHA 123456 2025

    এই মেসেজটি 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    মাদ্রাসা বোর্ড (Alim) এর জন্য:

    ALIM MAD 123456 2025

    কারিগরি বোর্ডের জন্য:

    HSC TEC 123456 2025

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ফিরতি SMS-এ ফলাফল পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে, SMS পদ্ধতিতে সাধারণত GPA দেখানো হয়, বিস্তারিত মার্কশিট পাওয়া যায় না। বিস্তারিত মার্কশিটের জন্য অনলাইন ওয়েবসাইটই ব্যবহার করতে হবে।


    প্রতিষ্ঠানভিত্তিক HSC ফলাফল দেখার নিয়ম

    প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা EIIN নম্বর জানা থাকলে পুরো প্রতিষ্ঠানের ফলাফল একসাথে দেখা সম্ভব। এজন্য https://www.eboardresults.com সাইটে গিয়ে “Institution Result” অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর EIIN নম্বর দিয়ে সার্চ করলে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর রেজাল্ট PDF আকারে ডাউনলোড করা যাবে। এটি সাধারণত স্কুল বা কলেজ প্রশাসনের জন্য উপযোগী।


    রি-স্ক্রুটিনি বা পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন পদ্ধতি

    যেসব শিক্ষার্থী মনে করেন তাদের প্রাপ্ত নম্বর প্রত্যাশার তুলনায় কম এসেছে বা কোনো ভুল মূল্যায়ন হয়েছে, তারা পুনঃনিরীক্ষণের (Re-Scrutiny) জন্য আবেদন করতে পারবেন।

    • আবেদন শুরু: ১৭ অক্টোবর ২০২৫

    • আবেদন শেষ: ২৩ অক্টোবর ২০২৫

    • আবেদন মাধ্যম: শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল ব্যবহার করে

    • ফি: প্রতি বিষয়ের জন্য আনুমানিক ১২৫ টাকা

    আবেদন শেষে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বোর্ড পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করে। এটি অনলাইনে দেখা যায়, এবং বোর্ড আলাদা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেয়।


    বোর্ডভিত্তিক ফলাফল ও পাসের হার

    ২০২৫ সালের HSC পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১২,৫১,১১১ জন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০,৫৫,৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে প্রায় ১.৩৫ লক্ষ এবং কারিগরি বোর্ডে প্রায় ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।

    • আনুমানিক গড় পাসের হার: ৮৩%

    • GPA-5 প্রাপ্ত শিক্ষার্থী: প্রায় ১ লক্ষের বেশি

    • ঢাকা বোর্ডে সর্বাধিক GPA-5 প্রাপ্ত

    • রাজশাহী, যশোর ও কুমিল্লা বোর্ডেও তুলনামূলক ভালো ফলাফল দেখা গেছে

    এই পরিসংখ্যান শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফলাফল প্রকাশের দিন আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করবে।


    ফলাফল ও মার্কশিট জানার পর করণীয়

    ১. ফলাফল যাচাই করুন: কোনো অসঙ্গতি থাকলে দ্রুত রি-স্ক্রুটিনির আবেদন করুন।
    ২. ভর্তি প্রস্তুতি নিন: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তির সময়সূচি সম্পর্কে খোঁজ নিন।
    ৩. ভবিষ্যতের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: কোন বিষয়ে পড়তে চান, কোন ক্যারিয়ার বেছে নিতে চান তা নির্ধারণ করে প্রস্তুতি শুরু করুন।
    ৪. মার্কশিট সংরক্ষণ করুন: ভবিষ্যতের জন্য অনলাইনে পাওয়া মার্কশিট প্রিন্ট করে রেখে দিন।


    SEO এবং LSI Keywords

    এই ব্লগ পোস্টে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের (SEO) জন্য প্রাকৃতিকভাবে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ LSI Keywords যুক্ত করা হয়েছে:

    • HSC Result 2025 with Marksheet

    • HSC result online Bangladesh

    • education board result BD

    • HSC result 2025 check

    • HSC result with marks

    • এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৫ মার্কশিটসহ

    • Bangladesh HSC Marksheet

    • eboardresults.com HSC result

    • HSC result by SMS

    • HSC result 2025 Bangladesh Education Board

    এই কীওয়ার্ডগুলো Google ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনে ব্লগটিকে ভালোভাবে র‍্যাংক করতে সহায়তা করবে।


    উপসংহার

    HSC Result 2025 with Marksheet শিক্ষার্থীদের জন্য শুধুমাত্র একটি ফলাফল নয়, বরং ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। মার্কশিটের মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক নম্বর জানা যায়, যা পরবর্তী ভর্তি প্রক্রিয়া ও পরিকল্পনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক ওয়েবসাইট ব্যবহার করে সময়মতো ফলাফল দেখা এবং প্রয়োজনে পুনঃনিরীক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে ভালো পন্থা।

    শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলা যায়—ফলাফল যাই হোক, এটি কেবলমাত্র এক ধাপ। ভবিষ্যতের পথচলায় আত্মবিশ্বাস, পরিকল্পনা ও পরিশ্রমই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

  • HSC Result 2025: এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৫ দেখার সহজ নিয়ম

    HSC Result 2025: এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৫ দেখার সহজ নিয়ম

    বাংলাদেশে প্রতি বছর এইচএসসি (HSC) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ঘটনা। শিক্ষাজীবনের অন্যতম বড় ধাপ হিসেবে এই ফলাফল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করে। ২০২৫ সালের এইচএসসি ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সমাজের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই ব্লগে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব HSC Result 2025 প্রকাশের তারিখ ও সময়, ফলাফল দেখার অনলাইন ও SMS পদ্ধতি, রি-স্ক্রুটিনি আবেদন প্রক্রিয়া, বোর্ডভিত্তিক ফলাফলের চিত্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা।

    HSC Result 2025
    HSC Result 2025

    HSC পরীক্ষার গুরুত্ব

    HSC বা Higher Secondary Certificate পরীক্ষা বাংলাদেশের শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফল নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে, কোন বিষয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবে এবং ভবিষ্যতের পেশাগত জীবনে কোন পথে অগ্রসর হবে। এজন্যই পরীক্ষার ফলাফল দিনটি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য এক বিশেষ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়।

    ২০২৫ সালে HSC, Alim ও BM/Vocational সহ মোট ১২ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, পাশাপাশি মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।


    এইচএসসি ফলাফল ২০২৫ প্রকাশের তারিখ ও সময়

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণামতে, HSC Result 2025 প্রকাশিত হবে ১৬ অক্টোবর ২০২৫, সকাল ১০:০০ টায়। সেদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন। এরপর শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, এসএমএস ও প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবে।


    অনলাইনে HSC Result 2025 দেখার নিয়ম

    বর্তমান সময়ে অনলাইনে ফলাফল জানা সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই ফলাফল দেখা যাবে:

    ধাপ ১: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন

    ধাপ ২: প্রয়োজনীয় তথ্য দিন

    • Examination: HSC/Alim নির্বাচন করুন

    • Year: 2025

    • Board: সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করুন (Dhaka, Rajshahi, Comilla, Jessore, Chittagong, Barisal, Sylhet, Dinajpur, Madrasah, Technical)

    • Roll Number: পরীক্ষার রোল নম্বর দিন

    • Registration Number: ঐচ্ছিক হলেও দিলে ফলাফল আরও নির্ভুলভাবে পাওয়া যায়

    • Security Key: প্রদত্ত ক্যাপচা কোডটি দিন

    ধাপ ৩: Submit করুন

    সমস্ত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পর “Submit” বাটনে ক্লিক করুন। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ফলাফল স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে। প্রয়োজনে প্রিন্ট করে রাখা যেতে পারে।


    SMS-এর মাধ্যমে HSC ফলাফল জানার নিয়ম

    যদি ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে অথবা অনলাইন সাইটে ভিড়ের কারণে প্রবেশে সমস্যা হয়, তবে SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল দেখা একটি কার্যকর বিকল্প। যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে নিচের ফরম্যাটে মেসেজ পাঠাতে হবে:

    HSC <space> Board <space> Roll <space> Year

    উদাহরণ:

    HSC DHA 123456 2025

    এই মেসেজটি 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।

    মাদ্রাসা বোর্ডের জন্য (Alim):

    ALIM MAD 123456 2025

    কারিগরি বোর্ডের জন্য (Technical):

    HSC TEC 123456 2025

    কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ফিরতি SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল পাওয়া যাবে। প্রতিটি SMS-এর জন্য নির্ধারিত চার্জ প্রযোজ্য।


    প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল দেখার নিয়ম

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা তাদের প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে একসাথে সব শিক্ষার্থীর ফলাফল দেখতে পারেন। এজন্য https://www.eboardresults.com সাইটে গিয়ে “Institution Result” অপশনটি বেছে নিতে হবে। এরপর EIIN নম্বর দিয়ে সার্চ করলে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর ফলাফল দেখা যাবে এবং এটি PDF আকারে ডাউনলোডও করা যাবে।


    রি-স্ক্রুটিনি (পুনঃনিরীক্ষণ) আবেদন পদ্ধতি

    কোনো শিক্ষার্থী যদি মনে করে তার প্রাপ্ত নম্বর প্রত্যাশার তুলনায় কম এসেছে বা ভুলভাবে মূল্যায়িত হয়েছে, তবে সে রি-স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করতে পারে। ২০২৫ সালে রি-স্ক্রুটিনি আবেদন করা যাবে ১৭ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত।

    আবেদন করার নিয়ম:

    • শুধুমাত্র টেলিটক মোবাইল ব্যবহার করে আবেদন করা যাবে।

    • প্রতিটি বিষয়ের জন্য নির্ধারিত ফি (সাধারণত ১২৫ টাকা) প্রযোজ্য।

    • আবেদন সম্পন্ন হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বোর্ড পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশ করবে।


    বোর্ডভিত্তিক ফলাফল ও পাসের হার

    ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১২,৫১,১১১ জন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অংশগ্রহণ করেছে প্রায় ১০,৫৫,৩৯৮ জন।

    প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পাসের হার আনুমানিক ৮৩%। সর্বাধিক GPA-5 প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ঢাকা বোর্ডে। রাজশাহী, যশোর ও কুমিল্লা বোর্ডেও ভালো ফলাফল করার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশের পর প্রতিটি বোর্ডভিত্তিক বিস্তারিত পরিসংখ্যান শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশ করবে।


    ফলাফল জানার পর করণীয়

    এইচএসসি ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ করণীয় বিষয় রয়েছে:

    1. ফলাফল যাচাই: ফলাফলে কোনো গড়মিল বা অসঙ্গতি থাকলে দ্রুত রি-স্ক্রুটিনির জন্য আবেদন করা উচিত।

    2. ভর্তি প্রস্তুতি: বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ও বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তির সময়সূচি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত।

    3. ক্যারিয়ার পরিকল্পনা: ভবিষ্যতে কোন বিষয়ে পড়াশোনা করতে চাও তা নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী লক্ষ্য ঠিক করা প্রয়োজন।

    4. মনোবল বজায় রাখা: প্রত্যাশিত ফল না পেলে হতাশ না হয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য মনোযোগী হওয়া দরকার।


    উপসংহার

    HSC Result 2025 শুধুমাত্র একটি ফলাফল নয়; এটি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই ফলাফলের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষায় অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই সঠিকভাবে ফলাফল দেখা, প্রয়োজনে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা এবং ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নেওয়াই এই সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলা যায়—ফলাফল যাই হোক না কেন, এটি একটি নতুন যাত্রার সূচনা মাত্র। লক্ষ্য স্থির করে সঠিক পথে এগিয়ে গেলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।

  • “এ-কার” বা “ে” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৬

    “এ-কার” বা “ে” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৬

    “এ-কার” বা “ে” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৬! বাংলা শব্দ গঠন শেখার জন্য প্রত্যেকটি “কার” এর ব্যবহার অবশ্যই আপনার বাচ্চাকে জানতে হবে। তাই এ পোস্টে আমরা শিখবো “এ-কার যোগে শব্দ গঠন, এ কার যোগে শব্দ, এ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ, এ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ” । শব্দ গঠন শেখা শেষে অনুশীলন করার জন্য নিচে শূন্যস্থান পূরণ দেয়া হল যা আপনার বাচ্চার জন্য খুবই জরুরি। চলুন শুরু করা যাকঃ

    এ কার যোগে শব্দ গঠন

    নিচে ১০ টি শব্দ গঠন লিখা হলো যা এ কার দিয়ে গঠন হয়েছেঃ

    ১. লে + বু = লেবু,

    ২. দে + শ = দেশ,

    ৩. কে + শ = কেশ,

    ৪. মে + ষ = মেষ,

    ৫. শে + ষ = শেষ,

    ৬. বে + ল = বেল,

    ৭. রে + ল = রেল,

    ৮. ছে + লে = ছেলে,

    ৯. মে + য়ে = মেয়ে,

    ১০. খে + লা = খেলা ।

     

    এ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ

    নিচে এ কার যোগে দুই অক্ষরের প্রায় ২০ টি শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. মে  + খে = মেখে,

    ২. যে + তে = যেতে,

    ৩. ঠে +  লা = ঠেলা,

    ৪. বে + লা = বেলা,

    ৫. চে + য়ে = চেয়ে,

    ৬. ধে + য়ে = ধেয়ে,

    ৭. তে + ড়ে = তেড়ে,

    ৮. ছে + ড়ে = ছেড়ে,

    ৯. বে + ণু = বেণু,

    ১০. দে + খা = দেখা,

    ১১. তে + ল = তেল,

    ১২. লে + খা = লেখা,

    ১৩. শে + খা = শেখা,

    ১৪. মে + ঘ = মেঘ,

    ১৫. লে + জ = লেজ,

    ১৬. লে + প = লেপ,

    ১৭. বে + শ = বেশ,

    ১৮. মে + ঘ = মেঘ,

    ১৯. ধে + নু = ধেনু,

    ২০. রে + খা = রেখা ।

     

    এ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ

    নিচে এ কার যোগে তিন অক্ষরের কিছু সহজ শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. বে + হা + লা = বেহালা,

    ২. বে + লু + ন = বেলুন,

    ৩. বে + ত + ন  = বেতন,

    ৪. বে + কা + র  = বেকার,

    ৫. বে + তা + র = বেতার,

    ৬. অ + নে + ক = অনেক,

    ৭. আ + দে + শ = আদেশ,

    ৮. আ + পে + ল = আপেল,

    ৯. সে + ব + ক = সেবক,

    ১০. পে + য়া + রা = পেয়ারা ।

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “এ কার” বা “ে” দিয়ে দুই অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. লে —-

    ২. দে —-

    ৩. কে —-

    ৪. মে —-

    ৫. শে —-

    ৬. বে —-

    ৭. রে —-

    ৮. ছে —-

    ৯. মে —-

    ১০. খে —-

     

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “এ কার” বা “ে” দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. বে —- লা

    ২. বে —- ন

    ৩. বে —- ন 

    ৪. বে —- র 

    ৫. বে —- র

    ৬. অ —- ক

    ৭. আ —- শ

    ৮. আ —- ল

    ৯. সেব —-

    ১০. পেয়া —-

    উক্ত পোস্টে আমরা শিখলাম “এ কার” বা “ে” দিয়ে দুই ও তিন অক্ষরের শব্দ গঠন। উপরের দুটি অনুশীলন খাতায় লিখে আপনার বাচ্চাকে বার বার অভ্যাস করান। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুণ বা আমাদেরর মেইল করুণ। পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে ও ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

  • সিরাজউদ্দৌলা নাটকের MCQ প্রশ্ন উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬

    সিরাজউদ্দৌলা নাটকের MCQ প্রশ্ন উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬

    সিরাজউদ্দৌলা নাটকের MCQ প্রশ্ন উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬ – Sirajuddaula Natok MCQ Question and Answer PDF 2026! “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকটি বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এই নাটকটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পাঠ্য। এখানে আমরা “সিরাজউদ্দৌলা” নাটকের উপর ভিত্তি করে ১০০টিরও বেশি MCQ প্রশ্ন ও উত্তর সংকলন করেছি যা শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।

    সিরাজউদ্দৌলা নাটকের প্রশ্ন উত্তর MCQ জ্ঞানমূলক ২০২৪

    সিরাজউদ্দৌলা নাটকের MCQ প্রশ্ন উত্তর ২০২৬

    প্রথম অধ্যায়: ১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকটি কার লেখা?

    • ক) মুনীর চৌধুরী
    • খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • গ) মহম্মদ রফিকুল ইসলাম
    • ঘ) কazi নজরুল ইসলাম
    • উত্তর: খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    ২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মূল চরিত্র কে?

    • ক) সিরাজউদ্দৌলা
    • খ) আলীবর্দী খান
    • গ) মীর জাফর
    • ঘ) রবার্ট ক্লাইভ
    • উত্তর: ক) সিরাজউদ্দৌলা

    ৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কতটি পর্ব আছে?

    • ক) দুই
    • খ) তিন
    • গ) চার
    • ঘ) পাঁচ
    • উত্তর: গ) চার

    ৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কে সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে?

    • ক) মীর মদন
    • খ) মোহনলাল
    • গ) মীর জাফর
    • ঘ) উমিচাঁদ
    • উত্তর: গ) মীর জাফর

    ৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে প্রধান প্রতিপক্ষ কে?

    • ক) মোহনলাল
    • খ) আলীবর্দী খান
    • গ) মীর মদন
    • ঘ) রবার্ট ক্লাইভ
    • উত্তর: ঘ) রবার্ট ক্লাইভ

    দ্বিতীয় অধ্যায়: ৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মাতা কে ছিলেন?

    • ক) আমিনা বেগম
    • খ) লুৎফুন্নিসা
    • গ) মেহেরুন্নিসা
    • ঘ) গুল রুখ
    • উত্তর: ক) আমিনা বেগম

    ৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?

    • ক) ১৭৫৫
    • খ) ১৭৫৬
    • গ) ১৭৫৭
    • ঘ) ১৭৫৮
    • উত্তর: গ) ১৭৫৭

    ৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের সেনাপতি কে ছিলেন?

    • ক) মোহনলাল
    • খ) মীর মদন
    • গ) মোহন সিং
    • ঘ) মীর জাফর
    • উত্তর: ক) মোহনলাল

    ৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফর কিসের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়েছিল?

    • ক) মুর্শিদাবাদের নবাব হওয়ার
    • খ) দিল্লির সিংহাসন পাওয়ার
    • গ) মোহনলালের হত্যার
    • ঘ) সিরাজউদ্দৌলাকে বন্দী করার
    • উত্তর: ক) মুর্শিদাবাদের নবাব হওয়ার

    ১০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধের ফলাফল কি ছিল?

    – ক) সিরাজউদ্দৌলার বিজয় – খ) মীর জাফরের পরাজয় – গ) ব্রিটিশদের বিজয় – ঘ) আলীবর্দী খানের মৃত্যু –

    উত্তর: গ) ব্রিটিশদের বিজয়

    তৃতীয় অধ্যায়:

    ১১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রটি কিভাবে বর্ণনা করা হয়েছে?

    – ক) ভীরু ও দুর্বল – খ) শক্তিশালী ও সাহসী – গ) নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী – ঘ) উদার ও দয়ালু

    উত্তর: খ) শক্তিশালী ও সাহসী

    ১২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের শেষে সিরাজের কি পরিণতি হয়?

    – ক) তিনি পালিয়ে যান – খ) তাকে হত্যা করা হয় – গ) তাকে বন্দী করা হয় – ঘ) তিনি আত্মহত্যা করেন

    উত্তর: খ) তাকে হত্যা করা হয়

    ১৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের মূল প্রতিপক্ষ কারা ছিল?

    – ক) মীর জাফর ও মোহনলাল – খ) আলীবর্দী খান ও মীর মদন – গ) রবার্ট ক্লাইভ ও উমিচাঁদ – ঘ) মোহনলাল ও রবার্ট ক্লাইভ

    উত্তর: গ) রবার্ট ক্লাইভ ও উমিচাঁদ

    ১৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফরকে বিশ্বাসঘাতক কেন বলা হয়?

    – ক) তিনি সিরাজকে হত্যা করেন – খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন – গ) তিনি মোহনলালকে হত্যা করেন – ঘ) তিনি আলীবর্দী খানকে হত্যা করেন

    উত্তর: খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন

    ১৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর মদন কিভাবে মারা যান?

    – ক) পলাশীর যুদ্ধে – খ) রবার্ট ক্লাইভের হাতে – গ) মোহনলালের সাথে লড়াইয়ে – ঘ) সিরাজউদ্দৌলার আদেশে

    উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধে

    চতুর্থ অধ্যায়:

    ১৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজউদ্দৌলার চরিত্রের মধ্যে কোন গুণটি বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে?

    – ক) সাহসিকতা – খ) কুটিলতা – গ) দয়ালুতা – ঘ) ধৈর্য্য –

    উত্তর: ক) সাহসিকতা

    ১৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজউদ্দৌলার প্রধান দুর্বলতা কি ছিল?

    – ক) অতিরিক্ত আস্থা – খ) অতিরিক্ত ক্ষমতা – গ) অতিরিক্ত ধৈর্য্য – ঘ) অতিরিক্ত কুটিলতা

    উত্তর: ক) অতিরিক্ত আস্থা

    ১৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর মুর্শিদাবাদের নবাব কে হন?

    – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) আলীবর্দী খান

    উত্তর: গ) মীর জাফর

    ১৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফর ও উমিচাঁদের ষড়যন্ত্রের প্রধান উদ্দেশ্য কি ছিল?

    – ক) সিরাজকে বন্দী করা – খ) সিরাজকে হত্যা করা – গ) ব্রিটিশদের সাহায্য করা – ঘ) মুর্শিদাবাদের নবাব হওয়া

    উত্তর: ঘ) মুর্শিদাবাদের নবাব হওয়া

    ২০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে আলীবর্দী খানের মৃত্যু কবে ঘটে?

    – ক) পলাশীর যুদ্ধের আগে – খ) পলাশীর যুদ্ধের পরে – গ) সিরাজের মৃত্যুর পরে – ঘ) সিরাজের মৃত্যুর আগে

    উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধের আগে

    দ্বিতীয় অধ্যায় 

    ২১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের স্ত্রী কে ছিলেন?

    • ক) আমিনা বেগম
    • খ) লুৎফুন্নিসা
    • গ) মেহেরুন্নিসা
    • ঘ) গুল রুখ
    • উত্তর: খ) লুৎফুন্নিসা

    ২২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কে সিরাজের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ব্রিটিশদের সাহায্য করেন?

    • ক) উমিচাঁদ
    • খ) মীর মদন
    • গ) জগৎ শেঠ
    • ঘ) মীর জাফর
    • উত্তর: ঘ) মীর জাফর

    ২৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে কোন ঘটনা সিরাজের পতন ঘটায়?

    • ক) পলাশীর যুদ্ধ
    • খ) আলীবর্দী খানের মৃত্যু
    • গ) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা
    • ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র
    • উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ২৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে উমিচাঁদের ভূমিকা কি ছিল?

    • ক) সিরাজের প্রধান সেনাপতি
    • খ) ব্রিটিশদের দালাল
    • গ) মীর জাফরের সহযোগী
    • ঘ) আলীবর্দী খানের পরামর্শদাতা
    • উত্তর: খ) ব্রিটিশদের দালাল

    ২৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর মদনের মৃত্যু কিভাবে হয়?

    • ক) সিরাজের আদেশে
    • খ) যুদ্ধক্ষেত্রে
    • গ) ব্রিটিশদের হাতে
    • ঘ) আত্মহত্যা করে
    • উত্তর: খ) যুদ্ধক্ষেত্রে

    ২৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজউদ্দৌলার মৃত্যু কবে ঘটে?

    • ক) ১৭৫৬
    • খ) ১৭৫৭
    • গ) ১৭৫৮
    • ঘ) ১৭৫৯
    • উত্তর: খ) ১৭৫৭

    ২৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভ কোন দেশের প্রতিনিধি ছিলেন?

    • ক) ফ্রান্স
    • খ) পর্তুগাল
    • গ) ইংল্যান্ড
    • ঘ) নেদারল্যান্ডস
    • উত্তর: গ) ইংল্যান্ড

    ২৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকের পটভূমি কোন যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে?

    • ক) পলাশীর যুদ্ধ
    • খ) পানিপথের যুদ্ধ
    • গ) বক্সারের যুদ্ধ
    • ঘ) হালদারার যুদ্ধ
    • উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ২৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে প্রধান চরিত্র সিরাজের মূল গুণ কি ছিল?

    • ক) সাহস
    • খ) ধূর্ততা
    • গ) নিষ্ঠুরতা
    • ঘ) ধৈর্য্য
    • উত্তর: ক) সাহস

    ৩০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে আলীবর্দী খানের মৃত্যু কিভাবে ঘটে?

    • ক) পলাশীর যুদ্ধে
    • খ) স্বাভাবিক মৃত্যুর মাধ্যমে
    • গ) সিরাজের হাতে
    • ঘ) ব্রিটিশদের হাতে
    • উত্তর: খ) স্বাভাবিক মৃত্যুর মাধ্যমে

    তৃতীয় অধ্যায়:

    ৩১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন রাজ্যের নবাব ছিলেন? – ক) দিল্লি – খ) মুর্শিদাবাদ – গ) কলকাতা – ঘ) হায়দ্রাবাদ – উত্তর: খ) মুর্শিদাবাদ

    ৩২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফরের পুত্রের নাম কি ছিল? – ক) মীরন – খ) মীর কাসিম – গ) মীর মদন – ঘ) মীর মোশাররফ – উত্তর: ক) মীরন

    ৩৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার নাম কি ছিল? – ক) আলীবর্দী খান – খ) মীর মদন – গ) হায়দার জং – ঘ) মোহাম্মদ মোতাওয়াল্লি – উত্তর: গ) হায়দার জং

    ৩৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজের সেনাপতির নাম কি ছিল? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: ক) মোহনলাল

    ৩৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজকে কে হত্যা করে? – ক) মীর মদন – খ) মীর জাফর – গ) মোহনলাল – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: খ) মীর জাফর

    ৩৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মাতা কে ছিলেন? – ক) আমিনা বেগম – খ) লুৎফুন্নিসা – গ) মেহেরুন্নিসা – ঘ) গুল রুখ – উত্তর: ক) আমিনা বেগম

    ৩৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল? – ক) সিরাজকে হত্যা করা – খ) সিরাজকে বন্দী করা – গ) বাংলা বিজয় করা – ঘ) মীর জাফরকে সাহায্য করা – উত্তর: গ) বাংলা বিজয় করা

    ৩৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়? – ক) ১৭৫৫ – খ) ১৭৫৬ – গ) ১৭৫৭ – ঘ) ১৭৫৮ – উত্তর: গ) ১৭৫৭

    ৩৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফরকে বিশ্বাসঘাতক বলা হয় কেন? – ক) তিনি সিরাজকে হত্যা করেন – খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন – গ) তিনি মোহনলালকে হত্যা করেন – ঘ) তিনি আলীবর্দী খানকে হত্যা করেন – উত্তর: খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন

    ৪০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর কে নবাব হন? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: গ) মীর জাফর

    চতুর্থ অধ্যায়:

    ৪১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন পরিবারের সদস্য ছিলেন? – ক) মোঘল পরিবার – খ) আওয়ধি পরিবার – গ) তুর্কি পরিবার – ঘ) ইরানি পরিবার – উত্তর: ক) মোঘল পরিবার

    ৪২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে আলীবর্দী খানের কোন মেয়েকে সিরাজ বিয়ে করেন? – ক) আমিনা বেগম – খ) লুৎফুন্নিসা – গ) মেহেরুন্নিসা – ঘ) গুল রুখ – উত্তর: খ) লুৎফুন্নিসা

    ৪৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার পেশা কি ছিল? – ক) রাজা – খ) সেনাপতি – গ) ব্যবসায়ী – ঘ) জমিদার – উত্তর: খ) সেনাপতি

    ৪৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের চরিত্রটি কেমন? – ক) সাহসী ও কৌশলী – খ) দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ – গ) নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী – ঘ) ধূর্ত ও কপট – উত্তর: ক) সাহসী ও কৌশলী

    ৪৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের প্রধান কারণ কি ছিল? – ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – খ) রবার্ট ক্লাইভের কৌশল – গ) সিরাজের অযোগ্যতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    ৪৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৪৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর বাংলা কার হাতে চলে যায়? – ক) মীর মদন – খ) মীর জাফর – গ) রবার্ট ক্লাইভ – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: গ) রবার্ট ক্লাইভ

    ৪৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: ক) মোহনলাল

    ৪৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের পর ব্রিটিশদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিল? – ক) মীর জাফর – খ) মীর মদন – গ) মোহনলাল – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: খ) মীর মদন

    ৫০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন রাজবংশের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন? – ক) মোঘল – খ) তুর্কি – গ) ইরানি – ঘ) আওয়ধি – উত্তর: ক) মোঘল

    পঞ্চম অধ্যায়:

    ৫১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধের কারণ কি ছিল? – ক) ব্রিটিশদের আধিপত্য – খ) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – গ) সিরাজের সাহসিকতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: খ) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    ৫২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের পর বাংলা কতদিন ব্রিটিশ শাসনে ছিল? – ক) ১০০ বছর – খ) ১৫০ বছর – গ) ২০০ বছর – ঘ) ২৫০ বছর – উত্তর: গ) ২০০ বছর

    ৫৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফরের পুত্রের নাম কি ছিল? – ক) মীরন – খ) মীর কাসিম – গ) মীর মদন – ঘ) মীর মোশাররফ – উত্তর: ক) মীরন

    ৫৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার নাম কি ছিল? – ক) আলীবর্দী খান – খ) মীর মদন – গ) হায়দার জং – ঘ) মোহাম্মদ মোতাওয়াল্লি – উত্তর: গ) হায়দার জং

    ৫৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজকে কে হত্যা করে? – ক) মীর মদন – খ) মীর জাফর – গ) মোহনলাল – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: খ) মীর জাফর

    ৫৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মাতা কে ছিলেন? – ক) আমিনা বেগম – খ) লুৎফুন্নিসা – গ) মেহেরুন্নিসা – ঘ) গুল রুখ – উত্তর: ক) আমিনা বেগম

    ৫৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল? – ক) সিরাজকে হত্যা করা – খ) সিরাজকে বন্দী করা – গ) বাংলা বিজয় করা – ঘ) মীর জাফরকে সাহায্য করা – উত্তর: গ) বাংলা বিজয় করা

    ৫৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়? – ক) ১৭৫৫ – খ) ১৭৫৬ – গ) ১৭৫৭ – ঘ) ১৭৫৮ – উত্তর: গ) ১৭৫৭

    ৫৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে মীর জাফরকে বিশ্বাসঘাতক বলা হয় কেন? – ক) তিনি সিরাজকে হত্যা করেন – খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন – গ) তিনি মোহনলালকে হত্যা করেন – ঘ) তিনি আলীবর্দী খানকে হত্যা করেন – উত্তর: খ) তিনি ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে সিরাজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেন

    ৬০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর কে নবাব হন? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: গ) মীর জাফর

    ষষ্ঠ অধ্যায়:

    ৬১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন পরিবারের সদস্য ছিলেন? – ক) মোঘল পরিবার – খ) আওয়ধি পরিবার – গ) তুর্কি পরিবার – ঘ) ইরানি পরিবার – উত্তর: ক) মোঘল পরিবার

    ৬২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে আলীবর্দী খানের কোন মেয়েকে সিরাজ বিয়ে করেন? – ক) আমিনা বেগম – খ) লুৎফুন্নিসা – গ) মেহেরুন্নিসা – ঘ) গুল রুখ – উত্তর: খ) লুৎফুন্নিসা

    ৬৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার পেশা কি ছিল? – ক) রাজা – খ) সেনাপতি – গ) ব্যবসায়ী – ঘ) জমিদার – উত্তর: খ) সেনাপতি

    ৬৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের চরিত্রটি কেমন? – ক) সাহসী ও কৌশলী – খ) দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ – গ) নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী – ঘ) ধূর্ত ও কপট – উত্তর: ক) সাহসী ও কৌশলী

    ৬৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের প্রধান কারণ কি ছিল? – ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – খ) রবার্ট ক্লাইভের কৌশল – গ) সিরাজের অযোগ্যতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    ৬৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৬৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর বাংলা কার হাতে চলে যায়? – ক) মীর মদন – খ) মীর জাফর – গ) রবার্ট ক্লাইভ – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: গ) রবার্ট ক্লাইভ

    ৬৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: ক) মোহনলাল

    ৬৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের পর ব্রিটিশদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিল? – ক) মীর জাফর – খ) মীর মদন – গ) মোহনলাল – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: খ) মীর মদন

    ৭০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন রাজবংশের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন? – ক) মোঘল – খ) তুর্কি – গ) ইরানি – ঘ) আওয়ধি – উত্তর: ক) মোঘল

    সপ্তম অধ্যায়:

    ৭১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের প্রধান কারণ কি ছিল? – ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – খ) রবার্ট ক্লাইভের কৌশল – গ) সিরাজের অযোগ্যতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    ৭২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৭৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের মৃত্যুর পর বাংলা কার হাতে চলে যায়? – ক) মীর মদন – খ) মীর জাফর – গ) রবার্ট ক্লাইভ – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: গ) রবার্ট ক্লাইভ

    ৭৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন? – ক) মোহনলাল – খ) মীর মদন – গ) মীর জাফর – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: ক) মোহনলাল

    ৭৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের পর ব্রিটিশদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিল? – ক) মীর জাফর – খ) মীর মদন – গ) মোহনলাল – ঘ) উমিচাঁদ – উত্তর: খ) মীর মদন

    ৭৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন রাজবংশের সাথে সম্পর্কিত ছিলেন? – ক) মোঘল – খ) তুর্কি – গ) ইরানি – ঘ) আওয়ধি – উত্তর: ক) মোঘল

    ৭৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৭৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন পরিবারের সদস্য ছিলেন? – ক) মোঘল পরিবার – খ) আওয়ধি পরিবার – গ) তুর্কি পরিবার – ঘ) ইরানি পরিবার – উত্তর: ক) মোঘল পরিবার

    ৭৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার নাম কি ছিল? – ক) আলীবর্দী খান – খ) মীর মদন – গ) হায়দার জং – ঘ) মোহাম্মদ মোতাওয়াল্লি – উত্তর: গ) হায়দার জং

    ৮০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার পেশা কি ছিল? – ক) রাজা – খ) সেনাপতি – গ) ব্যবসায়ী – ঘ) জমিদার – উত্তর: খ) সেনাপতি

    ৮১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের চরিত্রটি কেমন? – ক) সাহসী ও কৌশলী – খ) দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ – গ) নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী – ঘ) ধূর্ত ও কপট – উত্তর: ক) সাহসী ও কৌশলী

    ৮২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের প্রধান দুর্বলতা কি ছিল? – ক) অতিরিক্ত আস্থা – খ) অতিরিক্ত ক্ষমতা – গ) অতিরিক্ত ধৈর্য্য – ঘ) অতিরিক্ত কুটিলতা – উত্তর: ক) অতিরিক্ত আস্থা

    ৮৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের প্রধান কারণ কি ছিল? – ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – খ) রবার্ট ক্লাইভের কৌশল – গ) সিরাজের অযোগ্যতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    ৮৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৮৫. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন পরিবারের সদস্য ছিলেন? – ক) মোঘল পরিবার – খ) আওয়ধি পরিবার – গ) তুর্কি পরিবার – ঘ) ইরানি পরিবার – উত্তর: ক) মোঘল পরিবার

    ৮৬. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার নাম কি ছিল? – ক) আলীবর্দী খান – খ) মীর মদন – গ) হায়দার জং – ঘ) মোহাম্মদ মোতাওয়াল্লি – উত্তর: গ) হায়দার জং

    ৮৭. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার পেশা কি ছিল? – ক) রাজা – খ) সেনাপতি – গ) ব্যবসায়ী – ঘ) জমিদার – উত্তর: খ) সেনাপতি

    ৮৮. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে রবার্ট ক্লাইভের চরিত্রটি কেমন? – ক) সাহসী ও কৌশলী – খ) দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ – গ) নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী – ঘ) ধূর্ত ও কপট – উত্তর: ক) সাহসী ও কৌশলী

    ৮৯. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের প্রধান দুর্বলতা কি ছিল? – ক) অতিরিক্ত আস্থা – খ) অতিরিক্ত ক্ষমতা – গ) অতিরিক্ত ধৈর্য্য – ঘ) অতিরিক্ত কুটিলতা – উত্তর: ক) অতিরিক্ত আস্থা

    ৯০. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের পতনের প্রধান কারণ কি ছিল? – ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা – খ) রবার্ট ক্লাইভের কৌশল – গ) সিরাজের অযোগ্যতা – ঘ) উমিচাঁদের ষড়যন্ত্র – উত্তর: ক) মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতা

    অষ্টম অধ্যায়:

    ৯১. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন যুদ্ধের জন্য পরিচিত? – ক) পলাশীর যুদ্ধ – খ) পানিপথের যুদ্ধ – গ) বক্সারের যুদ্ধ – ঘ) হালদারার যুদ্ধ – উত্তর: ক) পলাশীর যুদ্ধ

    ৯২. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজ কোন পরিবারের সদস্য ছিলেন? – ক) মোঘল পরিবার – খ) আওয়ধি পরিবার – গ) তুর্কি পরিবার – ঘ) ইরানি পরিবার – উত্তর: ক) মোঘল পরিবার

    ৯৩. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার নাম কি ছিল? – ক) আলীবর্দী খান – খ) মীর মদন – গ) হায়দার জং – ঘ) মোহাম্মদ মোতাওয়াল্লি – উত্তর: গ) হায়দার জং

    ৯৪. সিরাজউদ্দৌলা নাটকে সিরাজের বাবার পেশা কি ছিল? – ক) রাজা – খ) সেনাপতি – গ) ব্যবসায়ী – ঘ) জমিদার – উত্তর: খ) সেনাপতি

    ৮১টি সিরাজউদ্দৌলা নাটকের (MCQ) জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর ২০২৬

     

    প্রশ্ন-১. সিকান্দার আবু জাফর কত সালে জন্মগ্রহণ করেন? 

    উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর ১৯১৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন ।

    প্রশ্ন-২. সিকান্দার আবু জাফর কোন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন? 

    উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর ‘সমকাল’ সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ।

    প্রশ্ন-৩. মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে সিকান্দার আবু জাফর কোন পত্রিকা সম্পাদনা করেন?

    উত্তর: মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতা থেকে সিকান্দার আবু জাফর ‘সাপ্তাহিক অভিযান’ পত্রিকা সম্পদনা করেন।

    প্রশ্ন-৪. সিকান্দার আবু জাফর কত তারিখে মারা যান?

    উত্তর: সিকান্দার আবু জাফর ১৯৭৫ সালের ৫ই আগস্ট মারা যান।

    প্রশ্ন-৫. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের রচয়িতা কে? 

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের রচয়িতা সিকান্দার আবু জাফর ।

    প্রশ্ন-৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকটি কোন যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত? 

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকটি পলাশির যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত ।

    প্রশ্ন-৭. পলাশির যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?

    উত্তর: পলাশির যুদ্ধ ১৭৫৭ সালে সংঘটিত হয় ।

    প্রশ্ন-৮. পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষে কতজন সৈন্য ছিল? 

    উত্তর: পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের পক্ষে তিন হাজার সৈন্য ছিল ।

    প্রশ্ন-৯. পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের কামান ছিল কতটি? 

    উত্তর: পলাশির যুদ্ধে ইংরেজদের কামান ছিল আটটি।

    প্রশ্ন-১০. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে কতটি অঙ্ক রয়েছে?

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে চারটি অঙ্ক রয়েছে।

    মূলপাঠ: সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

    প্রশ্ন-১১. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম দৃশ্যে কোন সালের কথা উল্লেখ আছে?

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম দৃশ্যে ১৭৫৬ সালের কথা উল্লেখ আছে ।

    প্রশ্ন-১২. ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের যুদ্ধে ইংরেজদের ক্যাপ্টেন কে ছিলেন? 

    উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গের যুদ্ধে ইংরেজদের ক্যাপ্টেন ছিলেন ক্লেটন।

    প্রশ্ন-১৩. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম সংলাপ কার?

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের প্রথম সংলাপ ক্যাপ্টন ক্লেটনের ।

    প্রশ্ন-১৪. ব্রিটিশ পক্ষে কে যুদ্ধ করে জীবন দিতে প্রতিজ্ঞা করেছিল? 

    উত্তর: ব্রিটিশ পক্ষে ক্যাপ্টেন ক্লেটন যুদ্ধ করে জীবন দিতে প্রতিজ্ঞা করেছিল।

    প্রশ্ন-১৫. “ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ” —উক্তিটি কাদের প্রতি করা হয়েছিল?

    উত্তর: “ভিক্টরি অর ডেথ, ভিক্টরি অর ডেথ’— উক্তিটি ব্রিটিশ ও বাঙালি সৈন্যদের প্রতি করা হয়েছিল ।

    প্রশ্ন-১৬, নবাবের সৈন্যরা কোন ছাউনি ছারখার করে দিয়েছে?

    উত্তর: নবাবের সৈন্যরা পেরিন্স পয়েন্টের সমস্ত ছাউনি ছারখার করে দিয়েছে।

    প্রশ্ন-১৭. নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী কোন খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে? 

    উত্তর: নবাবের গোলন্দাজ বাহিনী শিয়ালদহের মারাঠা খাল পেরিয়ে ছুটে আসছে।

    প্রশ্ন-১৮. ‘আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসঙ্গত’— উক্তিটি কার?

    উত্তর: ‘আত্মসমর্পণ করাই এখন যুক্তিসঙ্গত’— উক্তিটি হলওয়েলের ।

    প্রশ্ন-১৯. হলওয়েল কে?

    উত্তর: হলওয়েল হলেন কোম্পানির ঘুষখোর ডাক্তার ।

    প্রশ্ন-২০: সিরাজউদ্দৌলা রায়দুর্লভকে কামানের গোলায় কার বাড়ি উড়িয়ে দিতে বলেন?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা রায়দুলর্ভকে কামানের গোলায় গভর্নর ড্রেকের বাড়ি উড়িয়ে দিতে বলেন ।

    প্রশ্ন-২১. নবাব কলকাতা শহরের নতুন নাম কী দিয়েছিলেন?

    উত্তর: নবাব কলকাতা শহরের নতুন নাম দিয়েছিলেন আলিনগর

    প্রশ্ন-২২. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কাকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেছিলেন?

    উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা মানিকচাঁদকে আলিনগরের দেওয়ান নিযুক্ত করেছিলেন ।

    প্রশ্ন-২৩. সিরাজউদ্দৌলা কাকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা মানিকচাঁদকে কলকাতার দেওয়ান নিযুক্ত করেন।

    প্রশ্ন-২৪. ইংরেজরা পরাজিত হয়ে কোন জাহাজে আশ্রয় নেয়?

    উত্তর: ইংরেজরা পরাজিত হয়ে ফোর্ট উইলিয়াম জাহাজে আশ্রয় নেয় ।

    প্রশ্ন-২৫. ড্রেক কাকে কয়েদখানায় বন্দির হুমকি দেয়? 

    উত্তর: ড্রেক মার্টিনকে কয়েদখানায় বন্দির হুমকি দেয় ।

    প্রশ্ন-২৭. শওকত জঙ্গের পিতার নাম কী?

    উত্তর: শওকতজঙ্গের পিতার নাম সৈয়দ আহমদ খান শওকত জঙ্গ ।

    প্রশ্ন-২৮. উমিচাঁদ কোথা থেকে বাংলাদেশে এসেছে?

    উত্তর: উমিচাঁদ লাহোর থেকে বাংলাদেশে এসেছে।

    প্রশ্ন-২৯. ‘এ যে ড্রেক সাহেবের চিঠি’— উক্তিটি কার? 

    উত্তর: ‘এ যে ড্রেক সাহেবের চিঠি’- উক্তিটি ঘসেটি বেগমের ।

    প্রশ্ন-৩০. ঘসেটি বেগম নবাব সিরাজউদ্দৌলার কে ছিলেন? 

    উত্তর: ঘসেটি বেগম নবাব সিরাজউদ্দৌলার খালা ছিলেন ।

    প্রশ্ন-৩১. নবাব সিরাজউদ্দৌলার পূর্ণ নাম কী? 

    উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা পূর্ণ নাম— মির্জা মুহাম্মদ সিরাজউদ্দৌলা

    প্রশ্ন-৩২. লবণের ইজারাদার কে?

    উত্তর: লবণের ইজারাদার কুঠিয়াল ইংরেজ।

    প্রশ্ন-৩৩. সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানিকে কীসের ইজারা দিয়েছেন? 

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানিকে লবণের ইজারা দিয়েছেন ।

    প্রশ্ন-৩৪. সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতির নাম কী?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার সেনাপতির নাম মিরজাফর।

    প্রশ্ন-৩৫. মিরজাফর কে?

    উত্তর: মিরজাফর ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি বা সিপাহসালার

    প্রশ্ন-৩৬. ফরাসি অধিকৃত এলাকা কোনটি? 

    উত্তর: ফরাসি অধিকৃত এলাকা চন্দননগর ।

    প্রশ্ন-৩৭. মিরজাফর কী ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন?

    উত্তর: মিরজাফর পবিত্র কোরআন শরিফ ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন ।

    প্রশ্ন-৩৮. কে আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল? 

    উত্তর: আল্লাহর কালাম ছুঁয়ে ওয়াদা করেছিল মিরজাফর।

    প্রশ্ন-৩৯. কাকে ঘুষ দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করা হয়? 

    উত্তর: নন্দকুমারকে ঘুষ দিয়ে চন্দননগর ধ্বংস করা হয়।

    প্রশ্ন-৪০. কে অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন?

    উত্তর: মিরজাফর অগ্নিগিরির মতো প্রচণ্ড গর্জনে ফেটে পড়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলেন।

    প্রশ্ন-৪১. মিরজাফরের সামনে তলোয়ার উন্মোচন করেছিলেন কে? 

    উত্তর: মিরজাফরের সামনে তলোয়ার উন্মোচন করেছিলেন মোহনলাল ।

    প্রশ্ন-৪২. মানিকচাঁদ কত টাকা খেসারত দিয়ে মুক্তি পেয়েছিল? 

    উত্তর: মানিকচাঁদ দশ লক্ষ টাকা খেসারত দিয়ে মুক্তি পেয়েছিল ।

    প্রশ্ন-৪৩. ‘আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।”— উক্তিটি কার? 

    উত্তর: “আমাদের কারো অদৃষ্ট মেঘমুক্ত থাকবে না শেঠজি।”— উক্তিটি মিরজাফরের।

    প্রশ্ন-৪৪. কে নাচ-গানে মশগুল থাকতেই ভালোবাসত?

    উত্তর: মিরন নাচ-গানে মশগুল থাকতেই ভালোবাসত ৷

    প্রশ্ন-৪৫. কোম্পানির প্রতিনিধি কোথা থেকে এসেছিল? 

    উত্তর: কোম্পানির প্রতিনিধি কাশিমবাজার থেকে এসেছিল ।

    প্রশ্ন-৪৬. ‘চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র।’ —উক্তিটি কার? 

    উত্তর: ‘চারিদিকে শুধু অবিশ্বাস আর ষড়যন্ত্র’— উক্তিটি রায়দুর্লভের ।

    প্রশ্ন-৪৭. রবার্ট ক্লাইভ কাকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন? 

    উত্তর: রবার্ট ক্লাইভ উমিচাঁদকে সেরা বিশ্বাসঘাতক বলেছেন ।

    প্রশ্ন-৪৮. কার অনুপস্থিতির কারণে কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্ভব নয়? 

    উত্তর: উমিচাঁদের অনুপস্থিতির কারণে কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সম্ভব নয় ।

    প্রশ্ন-৪৯. চুক্তি অনুযায়ী মিরজাফর মসনদে বসলেও রাজ্য চালাবে কে? 

    উত্তর: চুক্তি অনুযায়ী মিরজাফর মসনদে বসলেও রাজ্য চালাবে কোম্পানি ।

    প্রশ্ন-৫০. “মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছেন সেনাপতি” – এখানে সেনাপতির নাম কী?

    উত্তর: “মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে সেনাপতি’— এখানে সেনাপতির নাম মোহনলাল ।

    প্রশ্ন-৫১. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের দৃশ্যসংখ্যা কত?

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের তৃতীয় অঙ্কের দৃশ্যসংখ্যা চারটি ।

    প্রশ্ন-৫২. সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম কী?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার মায়ের নাম আমিনা বেগম।

    প্রশ্ন-৫৩. সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম কী? 

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার স্ত্রীর নাম লুৎফুন্নিসা।

    প্রশ্ন-৫৪. সিরাজউদ্দৌলা তাঁর নানার মৃত্যুশয্যায় কোন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন? 

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলা তাঁর নানার মৃত্যুশয্যায় শরাব স্পর্শ না করার প্রতিজ্ঞা করেছিলেন ।

    প্রশ্ন-৫৫. মোহনলালের তথ্য মতে, নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্য সংখ্যা কত ছিল?

    উত্তর: মোহনলালের তথ্যমতে, নবাব সিরাজউদ্দৌলার সৈন্যসংখ্যা ছিল পঞ্চাশ হাজারের বেশি ।

    প্রশ্ন-৫৬. ঐতিহাসিক পলাশি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

    উত্তর: ঐতিহাসিক পলাশি গঙ্গা (ভাগীরথী) নদীর তীরে অবস্থিত।

    প্রশ্ন-৫৭. ‘আমাদের প্রাণ থাকতে নবাবের কোনো ক্ষতি হবে না’— উক্তিটি কার?

    উত্তর: ‘আমাদের প্রাণ থাকতে নবাবের কোনো ক্ষতি হবে না’- উক্তিটি মিরমর্দানের।

    প্রশ্ন-৫৮. নবাবের পক্ষে যুদ্ধের হুকুম প্রদান করেন কে? 

    উত্তর: নবাবের পক্ষে যুদ্ধের হুকুম প্রদান করেন মিরজাফর।

    প্রশ্ন-৫৯. মিরজাফরের গুপ্তচর কে?

    উত্তর: মিরজাফরের গুপ্তচর উমর বেগ।

    প্রশ্ন-৬০. সিরাজের কোন সেনাপতি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করেন?

    উত্তর: সিরাজের সেনাপতি নৌবে সিং হাজারি যুদ্ধে প্রথম মৃত্যুবরণ করেন ।

    প্রশ্ন-৬১. রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম কী? 

    উত্তর: রাইসুল জুহালার প্রকৃত নাম নারান সিং।

    প্রশ্ন-৬২. সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর কে ? 

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার প্রধান গুপ্তচর হলো নারান সিং ।

    প্রশ্ন-৬৩. নারান সিংহকে হত্যা করা হয়েছিল কার নির্দেশে? 

    উত্তর: নারান সিংহকে হত্যা করা হয়েছিল ক্লাইভের নির্দেশে।

    প্রশ্ন-৬৪. সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম কী?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার শ্বশুরের নাম ইরিচ খাঁ ।

    প্রশ্ন-৬৫. ‘ইনি কি নবাব, না ফকির’— উক্তিটি কার? 

    উত্তর: “ইনি কি নবাব, না ফকির’- উক্তিটি ক্লাইভের ।

    প্রশ্ন-৬৬. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে কে আত্মহত্যা করতে চায়? 

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকে উমিচাঁদ আত্মহত্যা করতে চায় ।

    প্রশ্ন-৬৭. মিরজাফর ক্লাইভকে কোন রাজ্যের মালিকানা দেন? 

    উত্তর: মিরজাফর ক্লাইভকে চব্বিশ পরগণা রাজ্যের মালিকানা দেন ।

    প্রশ্ন-৬৮. নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোথায় বন্দি হন?

    উত্তর: নবাব সিরাজউদ্দৌলা ভগবানগোলায় বন্দি হন ।

    প্রশ্ন-৬৯. কত টাকার বিনিময়ে মোহাম্মদি বেগ সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে?

    উত্তর: দশ হাজার টাকার বিনিময়ে মোহাম্মদি বেগ সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে।

    প্রশ্ন-৭০. সিরাজউদ্দৌলাকে নতুন নবাবের দণ্ডাজ্ঞা শোনাতে এসেছিল কে? 

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলাকে নতুন নবাবের দণ্ডজ্ঞা শোনাতে এসেছিল মিরন।

    প্রশ্ন-৭১. কার নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়?

    উত্তর: ক্লাইভের নির্দেশে সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করা হয়।

    প্রশ্ন-৭২. সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম কী?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার হত্যাকারীর নাম মোহাম্মদি বেগ।

    প্রশ্ন-৭৩. ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের শেষ সংলাপ কার? 

    উত্তর: ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের শেষ সংলাপ মোহাম্মদি বেগের।

    ■ টীকা ও চরিত্র পরিচিতি: সিরাজউদ্দৌলা নাটকের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর

     

    প্রশ্ন-৭৪. সিরাজউদ্দৌলার নানার নাম কী ?

    উত্তর: সিরাজউদ্দৌলার নানার নাম আলিবর্দি খাঁ ।

    প্রশ্ন-৭৫. নবাব আলিবর্দি খাঁর প্রিয়পাত্র কে ছিলেন?

    উত্তর: নবাব আলিবর্দি খাঁর প্রিয়পাত্র ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা ।

    প্রশ্ন-৭৬. ঘসেটি বেগম আমিনা বেগমের কোন পুত্রকে পোষ্যপুত্র রাখেন?

    উত্তর: ঘসেটি বেগম আমিনা বেগমের পুত্র একরামউদ্দৌলাকে পোষ্যপুত্র রাখেন।

    প্রশ্ন-৭৭. আমিনা-জয়েন উদ্দিন দম্পতির কয়টি সন্তান ছিল? 

    উত্তর: আমিনা-জয়েন উদ্দিন দম্পতির তিনটি সন্তান ছিল ।

    প্রশ্ন-৭৮. কে নবাবের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সেনাপতি ছিলেন? 

    উত্তর: মোহনলাল নবাবের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সেনাপতি ছিলেন ।

    প্রশ্ন-৭৯. রাজবল্লভ কে ছিলেন?

    উত্তর: রাজবল্লভ ছিলেন নবাবের বিশ্বাসঘাতক এবং অর্থলোলুপ মন্ত্রী ।

    প্রশ্ন-৮০. কত সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ প্রতিষ্ঠিত হয়?

    উত্তর: ১৭০৬ সালে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ প্রতিষ্ঠিত হয় ।

    প্রশ্ন-৮১. কত সালে আলিনগরের সন্ধিচুক্তি সম্পাদিত হয়?

    উত্তর: ১৭৫৭ সালে আলিনগরের সন্ধিচুক্তি সম্পাদিত হয় ।

  • বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬ PDF – Bilashi Golpo MCQ 2026

    বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬ PDF – Bilashi Golpo MCQ 2026

    বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর জ্ঞানমূলক ২০২৬ PDF – Bilashi Golpo MCQ Question and Answer 2025! “বিলাসী” শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি সংক্ষিপ্ত গল্প যা গ্রামীন সমাজের পটভূমিতে রচিত। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিলাসী একজন দরিদ্র পরিবারের মেয়ে, যার জীবনের মূল লক্ষ্য ছিল স্বাবলম্বী হওয়া। সে সেলাই কাজ করে পরিবারকে সহায়তা করত। সুধাংশু নামক এক যুবকের সঙ্গে তার প্রেম হয়, কিন্তু সেই প্রেম প্রতারণায় পরিণত হয় যখন সুধাংশু অন্য একজন মেয়েকে বিয়ে করে।

    বিলাসী এই প্রতারণার পরেও জীবনে থেমে থাকেনি। সে তার জীবনের প্রতিকূলতাকে অতিক্রম করে শহরে যায় এবং সেখানে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। তার এই সংগ্রামের মধ্যে নারীর অধিকার, স্বাবলম্বিতা এবং আত্মনির্ভরতার বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে। বিলাসী গল্পটি নারীর সংগ্রাম এবং সমাজের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তার দৃঢ়তার প্রতিচ্ছবি হিসেবে রচিত। গল্পের শেষে বিলাসীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হলেও তার সাহস এবং আত্মবিশ্বাস তাকে একটি নতুন জীবনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

    বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬

    বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

    1. বিলাসী গল্পের লেখক কে?
      • a) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • b) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • c) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • d) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

      উত্তর: b) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    2. বিলাসী কোন গ্রামের মেয়ে?
      • a) কলিকাতা
      • b) বরিশাল
      • c) পটনা
      • d) অজানা

      উত্তর: d) অজানা

    3. গল্পের শুরুতে বিলাসী কোথায় কাজ করত?
      • a) একটি স্কুলে
      • b) একটি কারখানায়
      • c) একটি জমিদার বাড়িতে
      • d) একটি দোকানে

      উত্তর: c) একটি জমিদার বাড়িতে

    4. বিলাসী গল্পের মূল প্রতিপাদ্য কি?
      • a) সমাজের শোষণ
      • b) ভালোবাসার নিগূঢ় রূপ
      • c) মানসিক দ্বন্দ্ব
      • d) সবগুলি সঠিক

      উত্তর: d) সবগুলি সঠিক

    5. বিলাসীর জীবনের প্রধান সংঘাত কি ছিল?
      • a) অর্থনৈতিক সংকট
      • b) প্রেমের প্রতারণা
      • c) সামাজিক বাধা
      • d) পারিবারিক কলহ

      উত্তর: b) প্রেমের প্রতারণা

    6. গল্পে বিলাসীর চরিত্রের পরিবর্তন কি নির্দেশ করে?
      • a) নারীর ক্ষমতায়ন
      • b) সামাজিক অগ্রগতি
      • c) মানসিক দৃঢ়তা
      • d) প্রাকৃতিক সৌন্দর্য

      উত্তর: c) মানসিক দৃঢ়তা

    7. বিলাসীর ভালোবাসার গল্পটি কিভাবে শেষ হয়?
      • a) সুখী পরিণয়ে
      • b) বিষাদে
      • c) অনিশ্চিত অবস্থায়
      • d) পুনর্মিলনে

      উত্তর: b) বিষাদে

    8. গল্পে বিলাসীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
      • a) ধৈর্য
      • b) সাহস
      • c) নির্ভরতা
      • d) কৌশল

      উত্তর: b) সাহস

    9. বিলাসী গল্পটি কোন ধরনের সাহিত্যিক কাজ?
      • a) উপন্যাস
      • b) নাটক
      • c) ছোটগল্প
      • d) প্রবন্ধ

      উত্তর: c) ছোটগল্প

    10. গল্পে বিলাসীর জীবনের প্রধান শিক্ষা কি?
      • a) অর্থের মূল্য
      • b) ভালোবাসার মর্ম
      • c) সংগ্রামের প্রয়োজন
      • d) বিশ্বাসের শক্তি

      উত্তর: d) বিশ্বাসের শক্তি

    11. বিলাসী কোন ধরনের পরিবেশে বাস করত?
      • a) শহুরে
      • b) গ্রামীণ
      • c) উপকূলীয়
      • d) পাহাড়ী

      উত্তর: b) গ্রামীণ

    12. বিলাসীর জীবনে প্রধান পরিবর্তন কখন আসে?
      • a) চাকরি পাওয়ার পর
      • b) প্রেমে প্রতারিত হওয়ার পর
      • c) পরিবার ছেড়ে যাওয়ার পর
      • d) শিক্ষিত হওয়ার পর

      উত্তর: b) প্রেমে প্রতারিত হওয়ার পর

    13. বিলাসী গল্পটি কোন সময়ের প্রেক্ষাপটে লেখা হয়েছে?
      • a) ব্রিটিশ আমল
      • b) মুক্তিযুদ্ধের সময়
      • c) স্বাধীনতার পর
      • d) মুঘল আমল

      উত্তর: a) ব্রিটিশ আমল

    14. বিলাসীর প্রেমিকের নাম কি?
      • a) রমেশ
      • b) সুধাংশু
      • c) অরুণ
      • d) রাজীব

      উত্তর: b) সুধাংশু

    15. গল্পে বিলাসীর মুখ্য সংকল্প কি ছিল?
      • a) প্রেমে সফল হওয়া
      • b) অর্থ উপার্জন করা
      • c) সামাজিক মর্যাদা অর্জন করা
      • d) শিক্ষিত হওয়া

      উত্তর: c) সামাজিক মর্যাদা অর্জন করা

    16.  গল্পে বিলাসীর পরিবারের আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল?
      • a) ধনী
      • b) মধ্যবিত্ত
      • c) গরীব
      • d) অজানা

      উত্তর: c) গরীব

    17. বিলাসী গল্পে কোন বিশেষ উৎসবের উল্লেখ করা হয়েছে?
      • a) দুর্গাপূজা
      • b) পহেলা বৈশাখ
      • c) কালীপূজা
      • d) সরস্বতীপূজা

      উত্তর: a) দুর্গাপূজা

    18. বিলাসীর প্রেমিকের পেশা কি ছিল?
      • a) ডাক্তার
      • b) শিক্ষক
      • c) কৃষক
      • d) ব্যবসায়ী

      উত্তর: d) ব্যবসায়ী

    19. বিলাসী কেন তার গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে চেয়েছিল?
      • a) ভালো শিক্ষা পেতে
      • b) ভালো চাকরি পেতে
      • c) প্রেমিকের সাথে থাকতে
      • d) সামাজিক বাধা থেকে মুক্তি পেতে

      উত্তর: d) সামাজিক বাধা থেকে মুক্তি পেতে

    20. বিলাসীর গল্পে প্রধান প্রতিপক্ষ কে ছিল?
      • a) তার বাবা
      • b) সমাজের নিয়ম
      • c) তার প্রেমিক
      • d) তার শিক্ষিকা

      উত্তর: b) সমাজের নিয়ম

    21. গল্পে বিলাসীকে কি ধরনের কাজ করতে দেখা যায়?
      • a) দর্জি কাজ
      • b) কৃষি কাজ
      • c) গৃহপরিচারিকার কাজ
      • d) কারখানার কাজ

      উত্তর: c) গৃহপরিচারিকার কাজ

    22. বিলাসী গল্পের প্রধান বার্তা কি?
      • a) সম্পদশালী হওয়া
      • b) শিক্ষার গুরুত্ব
      • c) সামাজিক শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই
      • d) প্রেমের মহিমা

      উত্তর: c) সামাজিক শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই

    23. বিলাসীর প্রেমিকের আচরণ কেমন ছিল?
      • a) বিশ্বস্ত
      • b) মিথ্যাবাদী
      • c) সহানুভূতিশীল
      • d) নিরপেক্ষ

      উত্তর: b) মিথ্যাবাদী

    24. গল্পে কোন ঘটনা বিলাসীকে সবচেয়ে বেশি আঘাত দেয়?
      • a) প্রেমিকের প্রতারণা
      • b) পরিবারের দারিদ্র্য
      • c) সমাজের অসহযোগিতা
      • d) চাকরি হারানো

      উত্তর: a) প্রেমিকের প্রতারণা

    25. বিলাসীর চরিত্রের মূল দিক কি ছিল?
      • a) আশাবাদ
      • b) নিরাশা
      • c) সাহস
      • d) লোভ

      উত্তর: c) সাহস

    26. বিলাসীর জীবনের উদ্দেশ্য কি ছিল?
      • a) ধনী হওয়া
      • b) প্রতিশোধ নেওয়া
      • c) শান্তি খুঁজে পাওয়া
      • d) সামাজিক মর্যাদা অর্জন করা

      উত্তর: d) সামাজিক মর্যাদা অর্জন করা

    27. গল্পে কোন বিশেষ স্থানটি উল্লেখ করা হয়েছে?
      • a) নদীর পাড়
      • b) জমিদারের বাড়ি
      • c) মন্দির
      • d) বাজার

      উত্তর: b) জমিদারের বাড়ি

    28. বিলাসী গল্পের লেখকের আসল নাম কি?
      • a) কেদারনাথ দত্ত
      • b) নবীনচন্দ্র দত্ত
      • c) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • d) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

      উত্তর: d) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    29. বিলাসীর মনের অবস্থা কেমন ছিল গল্পের শেষে?
      • a) খুশি
      • b) দুঃখিত
      • c) স্থির
      • d) রাগান্বিত

      উত্তর: b) দুঃখিত

    30. বিলাসীর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি কি ছিল?
      • a) তার পরিবার
      • b) তার ভালোবাসা
      • c) তার সাহস
      • d) তার ধৈর্য

      উত্তর: c) তার সাহস

    31. গল্পে বিলাসীর কোন আত্মীয়ের উল্লেখ আছে?
      • a) তার বাবা
      • b) তার ভাই
      • c) তার মা
      • d) তার বোন

      উত্তর: a) তার বাবা

    32. বিলাসীর প্রেমিক তাকে কেন ছেড়ে যায়?
      • a) অন্য একটি মেয়েকে ভালোবাসে
      • b) তার পরিবারের চাপে
      • c) তার পড়াশোনার জন্য
      • d) তার ব্যবসায়িক কারনে

      উত্তর: b) তার পরিবারের চাপে

    33. বিলাসী গল্পের শেষ বাক্যটি কি নির্দেশ করে?
      • a) নতুন আশা
      • b) দুঃখের অবসান
      • c) একটি শিক্ষার বার্তা
      • d) অজানা ভবিষ্যৎ

      উত্তর: d) অজানা ভবিষ্যৎ

    34. বিলাসীর জীবনের পরিবর্তন কোন ঘটনার পর শুরু হয়?
      • a) প্রেমিকের প্রতারণার পর
      • b) নতুন চাকরি পাওয়ার পর
      • c) শহরে যাওয়ার পর
      • d) পরিবার ছেড়ে যাওয়ার পর

      উত্তর: a) প্রেমিকের প্রতারণার পর

    35. বিলাসীর গল্পটি প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
      • a) সাপ্তাহিক পত্রিকা
      • b) দৈনিক সংবাদপত্র
      • c) মাসিক ম্যাগাজিন
      • d) বই আকারে

      উত্তর: a) সাপ্তাহিক পত্রিকা

    36. বিলাসীর চরিত্রটি কোন দিক থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশংসিত হয়?
      • a) তার সৌন্দর্য
      • b) তার ধৈর্য
      • c) তার সাহসিকতা
      • d) তার বুদ্ধিমত্তা

      উত্তর: c) তার সাহসিকতা

    37. গল্পে বিলাসীর শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন ছিল?
      • a) উচ্চ শিক্ষিত
      • b) মাধ্যমিক পর্যায়ে
      • c) প্রাথমিক পর্যায়ে
      • d) অশিক্ষিত

      উত্তর: d) অশিক্ষিত

    38. বিলাসীর পিতা কি পেশায় ছিলেন?
      • a) কৃষক
      • b) মজুর
      • c) শিক্ষক
      • d) ব্যবসায়ী

      উত্তর: a) কৃষক

    39. বিলাসী গল্পের মূল বার্তা কি?
      • a) প্রেমের অমরত্ব
      • b) ধৈর্যের পুরস্কার
      • c) সামাজিক শোষণ
      • d) শিক্ষার গুরুত্ব

      উত্তর: c) সামাজিক শোষণ

    40. বিলাসী তার প্রেমিককে প্রথম কোথায় দেখে?
      • a) গ্রামের মেলায়
      • b) নদীর ধারে
      • c) জমিদারের বাড়িতে
      • d) বাজারে

      উত্তর: c) জমিদারের বাড়িতে

    41. গল্পে বিলাসীর মা সম্পর্কে কি উল্লেখ আছে?
      • a) তিনি জীবিত
      • b) তিনি মৃত
      • c) তিনি বিদেশে
      • d) তিনি অসুস্থ

      উত্তর: b) তিনি মৃত

    42. বিলাসীর চরিত্রে প্রধান দ্বন্দ্ব কোনটি ছিল?
      • a) প্রেম এবং দায়িত্বের মধ্যে
      • b) সমাজ এবং পরিবারের মধ্যে
      • c) ধন এবং সম্মানের মধ্যে
      • d) ভালোবাসা এবং স্বাধীনতার মধ্যে

      উত্তর: a) প্রেম এবং দায়িত্বের মধ্যে

    43. বিলাসী কোন কাজে সবচেয়ে পারদর্শী ছিল?

      • a) সেলাই কাজ
      • b) রান্না করা
      • c) গৃহস্থালির কাজ
      • d) কৃষি কাজ

      উত্তর: c) গৃহস্থালির কাজ

    44. বিলাসীর জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত কি ছিল?
      • a) বিয়ে করা
      • b) সেলাই কাজ শুরু করা
      • c) গ্রাম ছেড়ে শহরে যাওয়া
      • d) পড়াশোনা করা

      উত্তর: c) গ্রাম ছেড়ে শহরে যাওয়া

    45. গল্পে বিলাসীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে ছিল?
      • a) তার পরিবার
      • b) সমাজ
      • c) সুধাংশু
      • d) নিজেই

      উত্তর: d) নিজেই

    1. বিলাসী গল্পে কোন সামাজিক সমস্যা প্রধানত উল্লেখ করা হয়েছে?
      • a) শিক্ষার অভাব
      • b) নারীর অধিকার
      • c) বাল্যবিবাহ
      • d) দারিদ্র্য

      উত্তর: b) নারীর অধিকার

    2. গল্পে বিলাসীর প্রথম প্রেমিকের নাম কি?
      • a) রমেশ
      • b) সুধাংশু
      • c) অরুণ
      • d) বিপিন

      উত্তর: b) সুধাংশু

    3. বিলাসী গল্পে প্রধান চরিত্র কে?
      • a) সুধাংশু
      • b) বিপিন
      • c) বিলাসী
      • d) অরুণ

      উত্তর: c) বিলাসী

    4. গল্পের শেষের দিকে বিলাসী কোথায় যায়?
      • a) গ্রামে ফিরে যায়
      • b) শহরে যায়
      • c) বিদেশে যায়
      • d) আত্মহত্যা করে

      উত্তর: b) শহরে যায়

    5. বিলাসী গল্পে সুধাংশুর চরিত্রটি কেমন ছিল?
      • a) বিশ্বস্ত
      • b) প্রতারক
      • c) উদার
      • d) সরল

      উত্তর: b) প্রতারক

    6. বিলাসী গল্পের শেষে বিলাসীর জীবনে কি ঘটে?
      • a) সুখী পরিণয়
      • b) মৃত্যু
      • c) পুনর্মিলন
      • d) অনিশ্চিত ভবিষ্যত

      উত্তর: d) অনিশ্চিত ভবিষ্যত

    7. গল্পে বিলাসীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
      • a) বাবা
      • b) মা
      • c) ভাই
      • d) বোন

      উত্তর: a) বাবা

    8. বিলাসী গল্পে সুধাংশুর প্রতি বিলাসীর প্রথম প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
      • a) ভয়
      • b) প্রেম
      • c) অবজ্ঞা
      • d) শ্রদ্ধা

      উত্তর: b) প্রেম

    9. গল্পে বিলাসীর প্রধান কাজ কি ছিল?
      • a) শিক্ষিকা
      • b) সেলাই কাজ
      • c) ব্যবসা
      • d) কৃষি কাজ

      উত্তর: b) সেলাই কাজ

    10. গল্পের শুরুতে বিলাসীর বয়স কত ছিল?
      • a) ১০ বছর
      • b) ১৫ বছর
      • c) ২০ বছর
      • d) ২৫ বছর

      উত্তর: b) ১৫ বছর

    11. বিলাসীর মা গল্পে কোন ভূমিকা পালন করে?
      • a) প্রধান ভূমিকা
      • b) সহায়ক ভূমিকা
      • c) নিরপেক্ষ ভূমিকা
      • d) নেই

      উত্তর: d) নেই

    12. বিলাসীর প্রথম প্রেমের সম্পর্ক কিভাবে ভেঙ্গে যায়?
      • a) অন্য মেয়ের কারণে
      • b) সুধাংশুর অসুস্থতার কারণে
      • c) পরিবারিক কারণে
      • d) অর্থনৈতিক কারণে

      উত্তর: a) অন্য মেয়ের কারণে

    13. বিলাসী গল্পে কোন ধরণের সামাজিক পরিস্থিতি বর্ণিত হয়েছে?
      • a) গ্রাম্য
      • b) শহুরে
      • c) বনাঞ্চল
      • d) উপকূলীয়

      উত্তর: a) গ্রাম্য

    14. বিলাসী গল্পে কোন মানসিক সমস্যার মুখোমুখি হয়?
      • a) হতাশা
      • b) আনন্দ
      • c) নির্ভরতা
      • d) ক্রোধ

      উত্তর: a) হতাশা

    15. বিলাসীর চরিত্রে কোন গুণটি প্রধানভাবে দেখা যায়?
      • a) ধৈর্য
      • b) সাহস
      • c) নির্ভরতা
      • d) কৌশল

      উত্তর: b) সাহস

    16. বিলাসী গল্পে প্রেমের সম্পর্কটি কিভাবে প্রদর্শিত হয়েছে?
      • a) সরল
      • b) জটিল
      • c) অগভীর
      • d) শুদ্ধ

      উত্তর: b) জটিল

    17. বিলাসীর জীবনের প্রধান চ্যালেঞ্জ কি ছিল?
      • a) অর্থ উপার্জন করা
      • b) সমাজে টিকে থাকা
      • c) পরিবারকে সাহায্য করা
      • d) শিক্ষিত হওয়া

      উত্তর: b) সমাজে টিকে থাকা

    18. গল্পে সুধাংশুর কাজ কি ছিল?
      • a) শিক্ষক
      • b) ডাক্তার
      • c) ব্যবসায়ী
      • d) চাকুরীজীবী

      উত্তর: d) চাকুরীজীবী

    19. গল্পের শেষে বিলাসীর জীবনের কি হয়?
      • a) সুখী পরিণয়
      • b) মৃত্যু
      • c) পুনর্মিলন
      • d) অনিশ্চিত পরিণতি

      উত্তর: d) অনিশ্চিত পরিণতি

    20. বিলাসী গল্পে কোন ধরনের সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে?
      • a) শিক্ষার অভাব
      • b) নারীর অধিকার
      • c) দারিদ্র্য
      • d) বাল্যবিবাহ

      উত্তর: b) নারীর অধিকার

    21. গল্পে বিলাসীর প্রথম প্রেমিকের নাম কি?
      • a) রাজু
      • b) সুধাংশু
      • c) অমিত
      • d) বিপিন

      উত্তর: b) সুধাংশু

    22. গল্পের প্রধান চরিত্র কে?
      • a) সুধাংশু
      • b) বিপিন
      • c) বিলাসী
      • d) অরুণ

      উত্তর: c) বিলাসী

    23. গল্পে সুধাংশুর চরিত্রটি কেমন ছিল?
      • a) বিশ্বস্ত
      • b) প্রতারক
      • c) উদার
      • d) সরল

      উত্তর: b) প্রতারক

    24. বিলাসী গল্পের শেষে বিলাসীর জীবনে কি ঘটে?
      • a) সুখী পরিণয়
      • b) মৃত্যু
      • c) পুনর্মিলন
      • d) অনিশ্চিত ভবিষ্যত

      উত্তর: d) অনিশ্চিত ভবিষ্যত

    25. গল্পে বিলাসীর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
      • a) বাবা
      • b) মা
      • c) ভাই
      • d) বোন

      উত্তর: a) বাবা

    26. বিলাসী গল্পে সুধাংশুর প্রতি বিলাসীর প্রথম প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
      • a) ভয়
      • b) প্রেম
      • c) অবজ্ঞা
      • d) শ্রদ্ধা

      উত্তর: b) প্রেম

    27. গল্পে বিলাসীর প্রধান কাজ কি ছিল?
      • a) শিক্ষিকা
      • b) সেলাই কাজ
      • c) ব্যবসা
      • d) কৃষি কাজ

      উত্তর: b) সেলাই কাজ

    28. গল্পের শুরুতে বিলাসীর বয়স কত ছিল?
      • a) ১০ বছর
      • b) ১৫ বছর
      • c) ২০ বছর
      • d) ২৫ বছর

      উত্তর: b) ১৫ বছর

    29. বিলাসীর মা গল্পে কোন ভূমিকা পালন করে?
      • a) প্রধান ভূমিকা
      • b) সহায়ক ভূমিকা
      • c) নিরপেক্ষ ভূমিকা
      • d) নেই

      উত্তর: d) নেই

    30. বিলাসীর প্রথম প্রেমের সম্পর্ক কিভাবে ভেঙ্গে যায়?
      • a) অন্য মেয়ের কারণে
      • b) সুধাংশুর অসুস্থতার কারণে
      • c) পরিবারিক কারণে
      • d) অর্থনৈতিক কারণে

      উত্তর: a) অন্য মেয়ের কারণে

    বিলাসী গল্পের MCQ প্রশ্ন ও উত্তর PDF

    ১. বিলাসী গল্পের লেখক কে?

    ক. রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর         খ. প্রমথ চৈধুরী
    গ. কাজী নজরুল ইসলাম  ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

    উত্তরঃ ঘ. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

    ২. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পিতার নাম কি?

    ক. মতিলাল চট্টোপাধ্যায়     খ. বিরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    গ. দুর্গা দাস চৌধুরী              ঘ. বীরবল চট্টোপাধ্যায়

    উত্তরঃ ক. মতিলাল চট্টোপাধ্যায়।

    ৩. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর বিখ্যাত উপন্যাস কোনটি?

    ক. সোনার তরী     খ. সারা দুপুর
    গ. দেবদাস            ঘ. ভাটির চিঠি

    উত্তরঃ গ. দেবদাস।

    ৪. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে জন্মগ্রহন করেন?

    ক. ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
    খ. ১৮৭৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
    গ. ১৮৭৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
    ঘ. ১৮৮০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর

    উত্তরঃ ক. ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর।

    ৫. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরন করেন?

    ক. ১৯৩৭ সালের ১৫ই মার্চ
    খ. ১৯৩৮ সালের ১৬ই জানুয়ারি
    গ. ১৯৪০ সালের ১৫ই জুন
    ঘ. ১৯৮০ সালের ১৬ই জানুয়ারি

    উত্তরঃ খ. ১৯৩৮ সালের ১৬ই জানুয়ারি।

    ৬. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে জগত্তারিনী স্বর্নপদক পান?

    ক. ১৯২৩ সালে     খ. ১৯২৫ সালে
    গ. ১৯২২ সালে      ঘ. ১৯২৭ সালে

    উত্তরঃ ক. ১৯২৩ সালে।

    ৭. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত বছর বয়সে সন্ন্যাসী হয়েছিলেন?

    ক. ২০ বছর     খ. ২১ বছর
    গ. ১৮ বছর      ঘ. ২৪ বছর

    উত্তরঃ ঘ. ২৪ বছর।

    ৮. হিন্দু ধর্মনুসারে সাপের দেবী কে?

    ক. মনসা     খ. কালী
    গ. দূর্গা         ঘ. শীতলা

    উত্তরঃ ক. মনসা।

    ৯. ম্যালেরিয়া কথাটি না হয় নাই পড়িলাম___ উক্তিটি কোন গল্পের অন্তর্গত?

    ক. মানুষ       খ. আমার পথ
    গ. বিলাসী     ঘ. মানুষ

    উত্তরঃ গ. বিলাসী।

    ১০. বিলাসী গল্পের মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়িত?

    ক. ফার্স্ট ক্লাস       খ. সেকেন্ড ক্লাস
    গ. থার্ড ক্লাস          ঘ. ফোরর্থ ক্লাস

    উত্তরঃ গ. থার্ড ক্লাস।

    ১১. মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর পরে বিলাসী কত দিন বেঁচে ছিলেন?

    ক. বারো দিন        খ. কুড়ি দিন
    গ. সাত দিন           ঘ. চৌদ্দ দিন।

    উত্তরঃ গ. সাত দিন।

    ১২. কিভাবে ‘বিলাসী’ গল্পে বিলাসীর মৃত্যু হয়?

    ক. বিষপানে         খ. অনাহারে
    গ. বর্জঘাত           ঘ. ম্যালেরিয়া

    উত্তরঃ ক. বিষপানে।

    ১৩. পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথ কোনটি?

    ক. ট্রান্স-সাইবেরিয়ন         খ. ইকামার্স
    গ. মালো                              ঘ. লস্কর

    উত্তরঃ ক. ট্রান্স-সাইবেরিয়ন।

    ১৪. পৃথবীর গভীরতম হ্রদ কোনটি?

    ক. বৈকাল          খ. বঙ্গপোসাগর
    গ. এডেন            ঘ. সাইবেরিয়ন

    উত্তরঃ ক. বৈকাল।

    ১৫. বিলাসী গল্পের কামাখ্যা কি?

    ক. নগর          খ. দোকানের নাম
    গ. তীর্থস্থান      ঘ. হ্রদ

    উত্তরঃ গ. তীর্থস্থান।

    ১৬. হিন্দু ধর্ম অনুসারে বিদ্যার দেবী কে?

    ক. সরস্বতী        খ. কালী
    গ. দূর্গা              ঘ. লক্ষী

    উত্তরঃ ক. সরস্বতী।

    ১৭. সামুদ্রিক লবন তৈরির জন্য বিখ্যাত বন্দর কোনটি?

    ক. এডেন        খ. সাইবেরিয়ান
    গ. ইরান           ঘ. রাশিয়া

    উত্তরঃ ক. এডেন।

    ১৮. ‘বিলাসী’ গল্পের নিকা শব্দের অর্থ কি?

    ক. বিয়ে            খ. বিধবা
    গ. জন্মদিন        ঘ. যুদ্ধ

    উত্তরঃ ক. বিয়ে।

    ১৯. ‘বিলাসী’ গল্পের পঞ্চমুখ শব্দের অর্থ কি?

    ক. মুখর           খ. প্রবেশন
    গ. প্রশিক্ষন       ঘ. সেলামি

    উত্তরঃ ক. মুখর

    ২০. ‘বিলাসী’ গল্পের ধুনুচি শব্দের অর্থ কি?

    ক. বাঁশের ঝুড়ি        খ. বেতের ঝুড়ি
    গ. কুনচির লাঠি       ঘ. গোলাবারুদ

    উত্তরঃ ক. বাঁশের ঝুড়ি।

    ২১. ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

    ক. প্রথমআলো পত্রিকায়       খ. সরৎ পত্রিকায়
    গ. ভারতী পত্রিকায়               ঘ. জি বাংলা পত্রিকায়

    উত্তরঃ গ. ভারতীয় পত্রিকায়।

    ২২. ‘বিলাসী’ গল্পে কৃতবিদ্যা শব্দটির অর্থ কি?

    ক. বানী          খ. শিক্ষা
    গ. আধুনিক    ঘ. বিদ্বান

    উত্তরঃ খ. বিদ্বান।

    ২৩. ‘বিলাসী’ গল্পের গিয়াস উদ্দিন তোগলক কে ছিলেন?

    ক. রাজা        খ. পর্যতক
    গ. সুলতান     ঘ. সম্রাট

    উত্তরঃ ঘ. সম্রাট।

    ২৪. ‘বিলাসী’ গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের কিসের বাগান ছিল?

    ক. আম-জাম           খ. আম-লেবু
    গ. আম- কাঁঠাল        ঘ. কাঁঠাল-লিচু

    উত্তরঃ গ. আম- কাঁঠাল।

    ২৫. ‘বিলাসী’ গল্পে মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘা জমি ছিল?

    ক. বারো-তেরো
    খ. দশ-বারো
    গ. পনেরো-কুঁড়ি
    ঘ. কুঁড়ি-পঁচিশ

    উত্তরঃ ঘ. কুঁড়ি-পঁচিশ

    বিঃদ্রঃ- আপনার মাথায় যদি, কোন Bilashi Golpo MCQ আসে। তাহলে, আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। আমরা আপনাদের বহুনির্বাচনি প্রশ্ন গুলো আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করব।

    বিলাসী গল্পের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

    আপনারা ছাত্র-ছাত্রীদের কমেন্ট করা, টিক ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর গুলো নিচে দেখতে পাবেন। আপনাদের যদি, আমাদের প্রশ্নের বাহিরে কোন বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন জানা থাকে। তাহলে, কমেন্ট করুন আমরা আপনার প্রশ্ন গুলো নিচে যুক্ত করে দিব।

    ১. বিলাসী কার মেয়ে ছিলো?
    উত্তর: সাপুড়ের।

    ২. মৃত্যুঞ্জয় কত মাস শয্যাগত ছিলো?
    উত্তর: দেড় মাস।

    ৩. মৃত্যুঞ্জয় কত দিন অজ্ঞান অচৈতন্য অবস্থায় ছিলো?
    উত্তর: দশ-পনেরো দিন।

    ৪. মৃত্যুঞ্জয় মানে কি?
    উত্তর: মৃত্যুকে জয় করা।

    ৫. মৃত্যুনজয়কে কি সাপে কামড়েছিল?
    উত্তর: খরিশ গোখরো।

    ৬. মৃত্যুঞ্জয়ের কোন ক্লাসে পড়ার ইতিহাস কেউ কখনো শোনেনি?
    উত্তরঃ ফোর্থ ক্লাস।

    ৭. মৃত্যুঞ্জয়ের কোন ক্লাসে ওঠার খবর কেউ কখনো পায়নি?
    উত্তরঃ সেকেন্ড ক্লাস।

    নোটঃ উপরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন গুলো ছাত্র-ছাত্রীরা কমেন্ট করেছে। যদি, কোন ভূল থাকে। তবে, আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকল, কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের কে ভূল গুলো জানিয়ে দেন।

  • সোনার তরী কবিতার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ (জ্ঞানমূলক) –  Sonar Tori Kobita MCQ 2026 PDF

    সোনার তরী কবিতার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ (জ্ঞানমূলক) – Sonar Tori Kobita MCQ 2026 PDF

    সোনার তরী কবিতার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ (জ্ঞানমূলক) – Sonar Tori Kobita MCQ Question Answer PDF 2026! রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “সোনার তরী” কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের একটি অমর সৃষ্টি। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থ “সোনার তরী”-এর অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটি জীবন, প্রকৃতি এবং মহাকালের উপর দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। কবিতাটিতে একটি সোনার তরীর উল্লেখ করা হয়েছে, যা জীবনের প্রতীক। নদী ও মাঝি জীবন ও মহাকালের রূপক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তরী জীবনের যাত্রা নির্দেশ করে, যা নদীর প্রবাহের মত অনিশ্চিত এবং অবিচলিত। কবিতার মূল বিষয় হলো জীবনের ক্ষণস্থায়ীত্ব এবং মহাকালের অনিবার্যতা। তরীর মাঝি মহাকালের প্রতিনিধি, যিনি জীবন নামক তরীকে এক অজানা গন্তব্যে নিয়ে যাচ্ছেন। তরীটি নদীর মাঝখানে থেমে থাকে এবং কবি বোঝাতে চান যে, জীবনের যাত্রা কখনো শেষ হয় না, এটি অবিরাম চলমান। তরীটি ফসলের বোঝা (সোনার ধান) বহন করে।

    সোনার তরী কবিতার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর

    কবিতার মূল প্রতিপাদ্য:

    “সোনার তরী” কবিতায় রবীন্দ্রনাথ জীবনের অনিশ্চয়তা ও অস্থায়িত্বের কথা বলেছেন। কবিতার প্রধান উপমা হলো একটি সোনার তরী, যা একটি নদীতে ভেসে চলেছে। তরীটি জীবন এবং নদীটি মহাকালের প্রতীক। তরীটি ধান বোঝাই করে, যা জীবনের অর্জন ও সংগ্রামের প্রতীক। তরীটি ধীরে ধীরে নদীর মাঝখানে গিয়ে থেমে যায়, যা মহাকালের অনিবার্যতাকে নির্দেশ করে।

    দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি:

    কবিতায় মাঝিকে মহাকালের প্রতিনিধি হিসেবে দেখানো হয়েছে। জীবনের যাত্রা কখনো থামে না; এটি অবিরাম প্রবাহমান। তরীতে থাকা ধান জীবনের সাফল্য ও অর্জনের প্রতীক। এইভাবে কবি আমাদের জীবনকে উপলব্ধি করার এবং জীবনের যাত্রায় প্রস্তুত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    কবিতার শিল্পগুণ:

    “সোনার তরী” কবিতায় রবীন্দ্রনাথের ব্যবহার করা চিত্রকল্প ও উপমা অত্যন্ত সুন্দর ও গভীর। নদীর স্রোত, সোনার ধান, মাঝি ও তরীর চিত্রকল্পের মাধ্যমে তিনি জীবনের গভীর অর্থ তুলে ধরেছেন। কবিতার ছন্দ, ভাষা এবং ব্যাকরণ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, যা পাঠকের মনে গভীর ছাপ ফেলে।

    সোনার তরী কবিতার MCQ প্রশ্ন ও উত্তর ২০২৬ (জ্ঞানমূলক) – Sonar Tori Kobita MCQ Question Answer PDF 2026

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “সোনার তরী” কবিতা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর নিম্নে দেয়া হলো:

    • কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?
      • ক. ৫টি
      • খ. ৩টি
      • গ. ২টি
      • ঘ. ৪টি
      • উত্তর: গ. ২টি
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?
      • ক. কৃষক
      • খ. মাঝি
      • গ. তরী
      • ঘ. ছোট খেত
      • উত্তর: ক. কৃষক
    • ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?
      • ক. ব্যবচ্ছেদ করে
      • খ. সুবিন্যস্ত করে
      • গ. এলোমেলো করে
      • ঘ. বিচ্ছিন্ন করে
      • উত্তর: খ. সুবিন্যস্ত করে
    • ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
      • ক. তীব্র ভ্রƒকুটি
      • খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা
      • গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত
      • ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো
      • উত্তর: গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
      • ক. স্বরবৃত্ত
      • খ. মাত্রাবৃত্ত
      • গ. অক্ষরবৃত্ত
      • ঘ. অমিত্রাক্ষর ছন্দ
      • উত্তর: খ. মাত্রাবৃত্ত
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার চরণ সংখ্যা কত?
      • ক. ৩২
      • খ. ৩৮
      • গ. ৪২
      • ঘ. ৪৮
      • উত্তর: ঘ. ৪৮
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কোথায় বসে লেখা?
      • ক. শিলাইদহ
      • খ. পতিসর
      • গ. শাহাজাদহপুর
      • ঘ. জোড়াসাঁকো
      • উত্তর: ক. শিলাইদহ
    • ‘সোনার তরী’র মাঝি কী প্রতীক?
      • ক. মৃত্যুর প্রতীক
      • খ. ইহকালের প্রতীক
      • গ. জীবনের প্রতীক
      • ঘ. মহাকালের প্রতীক
      • উত্তর: ঘ. মহাকালের প্রতীক
    • কবিতায় কোন ঋতুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
      • ক. গ্রীষ্ম
      • খ. বর্ষা
      • গ. শরৎ
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: খ. বর্ষা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় নৌকা কিসের প্রতীক?
      • ক. মহাকালের প্রতীক
      • খ. জীবনের প্রতীক
      • গ. চলমানবতার প্রতীক
      • ঘ. আনন্দের প্রতীক
      • উত্তর: ক. মহাকালের প্রতীক
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় কিসের কথা বলা হয়েছে?
      • ক. নদী
      • খ. সমুদ্র
      • গ. পাহাড়
      • ঘ. বন
      • উত্তর: ক. নদী
    • কবিতার ‘তরী’ কিসের প্রতীক?
      • ক. মৃত্যু
      • খ. জীবন
      • গ. আশা
      • ঘ. সৌন্দর্য
      • উত্তর: খ. জীবন
    • ‘মাঝি’ কিসের প্রতীক?
      • ক. কৃষক
      • খ. কবি
      • গ. মহাকাল
      • ঘ. মহাসুখ
      • উত্তর: গ. মহাকাল
    • ‘সোনার ধান’ কী বোঝানো হয়েছে?
      • ক. সম্পদ
      • খ. সোনা
      • গ. ফসল
      • ঘ. অর্থ
      • উত্তর: গ. ফসল
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মোট চরণ সংখ্যা কত?
      • ক. ৩২
      • খ. ৩৮
      • গ. ৪২
      • ঘ. ৪৮
      • উত্তর: ঘ. ৪৮
    • ‘সোনার তরী’ কোন ছন্দে রচিত?
      • ক. অমিত্রাক্ষর
      • খ. অক্সরবৃত্ত
      • গ. মাত্রাবৃত্ত
      • ঘ. স্বরবৃত্ত
      • উত্তর: গ. মাত্রাবৃত্ত
    • কবিতায় ব্যবহৃত ঋতু কোনটি?
      • ক. গ্রীষ্ম
      • খ. বর্ষা
      • গ. শরৎ
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: খ. বর্ষা
    • ‘তরী’ কোথায় ভিড়লো?
      • ক. তীরে
      • খ. মাঝ নদীতে
      • গ. কৃষকের কাছে
      • ঘ. কবির কাছে
      • উত্তর: খ. মাঝ নদীতে
    • ‘ক্ষুরধারা’ কী বোঝায়?
      • ক. তীব্রতা
      • খ. ধন
      • গ. পানি
      • ঘ. জীবন
      • উত্তর: ক. তীব্রতা
    • ‘ভারা ভারা’ শব্দটির অর্থ কী?
      • ক. সারি সারি
      • খ. স্তরে স্তরে
      • গ. এলোমেলো
      • ঘ. একত্রিত
      • উত্তর: ক. সারি সারি
    • ‘শূন্য’ শব্দটি কী নির্দেশ করে?
      • ক. আশা
      • খ. ব্যর্থতা
      • গ. শূন্যতা
      • ঘ. সুখ
      • উত্তর: গ. শূন্যতা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল ভাব কী?
      • ক. সুখ
      • খ. দুঃখ
      • গ. জীবনের যাত্রা
      • ঘ. প্রকৃতি প্রেম
      • উত্তর: গ. জীবনের যাত্রা
    • ‘সোনার তরী’ কতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
      • ক. একবার
      • খ. দুইবার
      • গ. তিনবার
      • ঘ. চারবার
      • উত্তর: ক. একবার
    • কবিতাটি কোথায় বসে লেখা হয়েছে?
      • ক. শিলাইদহ
      • খ. পতিসর
      • গ. শাহাজাদহপুর
      • ঘ. জোড়াসাঁকো
      • উত্তর: ক. শিলাইদহ
    • ‘মাঝি’ কাকে প্রতিফলিত করে?
      • ক. জীবনের যাত্রী
      • খ. মহাকাল
      • গ. বন্ধু
      • ঘ. শত্রু
      • উত্তর: খ. মহাকাল
    • ‘সোনার ধান’ কোথায় নেয়া হয়েছে?
      • ক. তীরে
      • খ. মাঝ নদীতে
      • গ. মহাকালে
      • ঘ. কবির কাছে
      • উত্তর: গ. মহাকালে
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মধ্যে কোন ঋতুর চিত্র আছে?
      • ক. বর্ষা
      • খ. শরৎ
      • গ. গ্রীষ্ম
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: ক. বর্ষা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় মাঝির প্রতীক কী?
      • ক. কৃষক
      • খ. কবি
      • গ. মহাকাল
      • ঘ. মহাসুখ
      • উত্তর: গ. মহাকাল
    • কবিতার মূল উদ্দেশ্য কী?
      • ক. দুঃখের প্রকাশ
      • খ. জীবনের যাত্রা
      • গ. আনন্দ
      • ঘ. আশা
      • উত্তর: খ. জীবনের যাত্রা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার লেখক কে?
      • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
      • খ. জসীম উদ্দীন
      • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
      • উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ‘সোনার তরী’ কোন ছন্দে রচিত?
      • ক. স্বরবৃত্ত
      • খ. মাত্রাবৃত্ত
      • গ. অক্ষরবৃত্ত
      • ঘ. অমিত্রাক্ষর ছন্দ
      • উত্তর: খ. মাত্রাবৃত্ত
    • কবিতায় কোন ঋতুর কথা আছে?
      • ক. গ্রীষ্ম
      • খ. বর্ষা
      • গ. শরৎ
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: খ. বর্ষা
    • ‘সোনার ধান’ কী?
      • ক. সম্পদ
      • খ. সোনা
      • গ. ফসল
      • ঘ. অর্থ
      • উত্তর: গ. ফসল
    • ‘মাঝি’ কী প্রতিনিধিত্ব করে?
      • ক. মহাকাল
      • খ. জীবন
      • গ. মৃত্যু
      • ঘ. সৌন্দর্য
      • উত্তর: ক. মহাকাল
    • ‘সোনার তরী’ কিসের প্রতীক?
      • ক. মৃত্যু
      • খ. জীবন
      • গ. আশা
      • ঘ. সৌন্দর্য
      • উত্তর: খ. জীবন
    • ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকে?
      • ক. কৃষক
      • খ. মাঝি
      • গ. তরী
      • ঘ. ছোট খেত
      • উত্তর: ক. কৃষক
    • ‘ক্ষুরধারা’ কী বোঝানো হয়েছে?
      • ক. তীব্র ভ্রƒকুটি
      • খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা
      • গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত
      • ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো
      • উত্তর: গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত
    • ‘সোনার তরী’ কোন ছন্দে রচিত?
      • ক. অমিত্রাক্ষর
      • খ. অক্সরবৃত্ত
      • গ. মাত্রাবৃত্ত
      • ঘ. স্বরবৃত্ত
      • উত্তর: গ. মাত্রাবৃত্ত
    • ‘সোনার তরী’ কোন ঋতুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
      • ক. গ্রীষ্ম
      • খ. বর্ষা
      • গ. শরৎ
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: খ. বর্ষা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় নৌকা কিসের প্রতীক?
      • ক. মহাকালের প্রতীক
      • খ. জীবনের প্রতীক
      • গ. চলমানবতার প্রতীক
      • ঘ. আনন্দের প্রতীক
      • উত্তর: ক. মহাকালের প্রতীক
    • কবিতায় ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
      • ক. ধাবমান জলের
      • খ. কালস্রোতের
      • গ. কালো জলের
      • ঘ. ভরা জলের
      • উত্তর: খ. কালস্রোতের
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার কবি কে?
      • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
      • খ. জসীম উদ্দীন
      • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
      • উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য কী?
      • ক. দুঃখ
      • খ. আশ্রয়
      • গ. সৃষ্টির মহিমা
      • ঘ. প্রাচুর্য
      • উত্তর: গ. সৃষ্টির মহিমা
    • ‘ক্ষুরধারা’ শব্দটি কী নির্দেশ করে?
      • ক. তীব্রতা
      • খ. ধন
      • গ. পানি
      • ঘ. জীবন
      • উত্তর: ক. তীব্রতা
    • ‘সোনার তরী’ কোন ছন্দে রচিত?
      • ক. অমিত্রাক্ষর
      • খ. অক্সরবৃত্ত
      • গ. মাত্রাবৃত্ত
      • ঘ. স্বরবৃত্ত
      • উত্তর: গ. মাত্রাবৃত্ত
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার লেখক কে?
      • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
      • খ. জসীম উদ্দীন
      • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
      • উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • কবিতায় ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
      • ক. ধাবমান জলের
      • খ. কালস্রোতের
      • গ. কালো জলের
      • ঘ. ভরা জলের
      • উত্তর: খ. কালস্রোতের
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার চরণ সংখ্যা কত?
      • ক. ৩২
      • খ. ৩৮
      • গ. ৪২
      • ঘ. ৪৮
      • উত্তর: ঘ. ৪৮
    • ‘মাঝি’ কী প্রতিনিধিত্ব করে?
      • ক. মহাকাল
      • খ. জীবন
      • গ. মৃত্যু
      • ঘ. সৌন্দর্য
      • উত্তর: ক. মহাকাল
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ কিসের প্রতীক?
      • ক. ফসল
      • খ. সোনা
      • গ. সম্পদ
      • ঘ. মহাকাল
      • উত্তর: ক. ফসল
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল ভাব কী?
      • ক. সুখ
      • খ. দুঃখ
      • গ. জীবনের যাত্রা
      • ঘ. প্রকৃতি প্রেম
      • উত্তর: গ. জীবনের যাত্রা
    • ‘সোনার তরী’ কতবার উল্লেখ করা হয়েছে?
      • ক. একবার
      • খ. দুইবার
      • গ. তিনবার
      • ঘ. চারবার
      • উত্তর: ক. একবার
    • কবিতাটি কোথায় বসে লেখা হয়েছে?
      • ক. শিলাইদহ
      • খ. পতিসর
      • গ. শাহাজাদহপুর
      • ঘ. জোড়াসাঁকো
      • উত্তর: ক. শিলাইদহ
    • ‘মাঝি’ কাকে প্রতিফলিত করে?
      • ক. জীবনের যাত্রী
      • খ. মহাকাল
      • গ. বন্ধু
      • ঘ. শত্রু
      • উত্তর: খ. মহাকাল
    • ‘সোনার ধান’ কোথায় নেয়া হয়েছে?
      • ক. তীরে
      • খ. মাঝ নদীতে
      • গ. মহাকালে
      • ঘ. কবির কাছে
      • উত্তর: গ. মহাকালে
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মধ্যে কোন ঋতুর চিত্র আছে?
      • ক. বর্ষা
      • খ. শরৎ
      • গ. গ্রীষ্ম
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: ক. বর্ষা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় মাঝির প্রতীক কী?
      • ক. কৃষক
      • খ. কবি
      • গ. মহাকাল
      • ঘ. মহাসুখ
      • উত্তর: গ. মহাকাল
    • কবিতার মূল উদ্দেশ্য কী?
      • ক. দুঃখের প্রকাশ
      • খ. জীবনের যাত্রা
      • গ. আনন্দ
      • ঘ. আশা
      • উত্তর: খ. জীবনের যাত্রা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার লেখক কে?
      • ক. কাজী নজরুল ইসলাম
      • খ. জসীম উদ্দীন
      • গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • ঘ. সুকান্ত ভট্টাচার্য
      • উত্তর: গ. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার চরণ সংখ্যা কত?
      • ক. ৩২
      • খ. ৩৮
      • গ. ৪২
      • ঘ. ৪৮
      • উত্তর: ঘ. ৪৮
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় নৌকা কিসের প্রতীক?
      • ক. মহাকালের প্রতীক
      • খ. জীবনের প্রতীক
      • গ. চলমানতার প্রতীক
      • ঘ. আনন্দের প্রতীক
      • উত্তর: ক. মহাকালের প্রতীক
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোন চরিত্রের কথা বলা হয়েছে?
      • ক. নদী
      • খ. মাঝি
      • গ. কৃষক
      • ঘ. স্রোত
      • উত্তর: খ. মাঝি
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূল বার্তা কী?
      • ক. জীবনের যাত্রা
      • খ. মহাকালের অপেক্ষা
      • গ. নদীর সৌন্দর্য
      • ঘ. কৃষকের দুঃখ
      • উত্তর: ক. জীবনের যাত্রা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘সোনার ধান’ কিসের প্রতীক?
      • ক. ফসল
      • খ. সোনা
      • গ. সম্পদ
      • ঘ. মহাকাল
      • উত্তর: ক. ফসল
    • ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল প্রতিপাদ্য কী?
      • ক. দুঃখ
      • খ. আশ্রয়
      • গ. সৃষ্টির মহিমা
      • ঘ. প্রাচুর্য
      • উত্তর: গ. সৃষ্টির মহিমা
    • কবিতায় ‘ক্ষুরধারা’ শব্দটি কী বোঝানো হয়েছে?
      • ক. স্রোতের তীব্রতা
      • খ. মাঝির মনের অবস্থা
      • গ. নদীর প্রকৃতি
      • ঘ. কবির দুঃখ
      • উত্তর: ক. স্রোতের তীব্রতা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য’ শব্দটির ব্যবহার কী নির্দেশ করে?
      • ক. জীবন
      • খ. মহাকাল
      • গ. আশা
      • ঘ. দুঃখ
      • উত্তর: খ. মহাকাল
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় মাঝি কাকে প্রতিনিধিত্ব করে?
      • ক. কবি
      • খ. কৃষক
      • গ. মহাকাল
      • ঘ. শূন্যতা
      • উত্তর: গ. মহাকাল
    • ‘সোনার তরী’ কোন ঋতুর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
      • ক. গ্রীষ্ম
      • খ. বর্ষা
      • গ. শরৎ
      • ঘ. বসন্ত
      • উত্তর: খ. বর্ষা
    • ‘সোনার তরী’ কবিতায় নৌকা কোথায় ভিড়লো?
      • ক. তীরে
      • খ. মাঝ নদীতে
      • গ. কৃষকের কাছে
      • ঘ. কবির কাছে
      • উত্তর: খ. মাঝ নদীতে

    সোনার তরী কবিতার mcq

    আমরা চেষ্টা করেছি গুরুত্বপূর্ণ কিছু mcq দেওয়ার জন্য। আপনারা যারা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সোনারতরী কবিতার mcq বা বহুনির্বাচনি পড়তে চান  এখান থেকে পড়ে নিন। এই mcq গুলো পরলে আপনারা সনারতরী থেকে যেকোনো ধরনের mcq প্রশ্নের সমাধান খুব সহজেই করতে পারবেন। তো বুঝতেই পারছেন এই বহুনির্বাচনি প্রশ্ন গুলো আপনাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নিচে mcq গুলো দেওয়া আছে দেখুন এবং সংগ্রহ করুন।

    ১। ‘ভরসা’ শব্দটির অর্থ কী?
    ক. আশা
    খ. নিরাশা
    গ. বিশ্বাস
    ঘ. মাঝি

    উত্তরঃ ক. আশা

    ২। ‘থরে বিথরে’ শব্দটির অর্থ কী?
    ক. ব্যবচ্ছেদ করে
    খ. সুবিন্যস্ত করে
    গ. এলোমেলো করে
    ঘ. বিচ্ছিন্ন করে

    উত্তরঃ খ. সুবিন্যস্ত করে

    ৩। সোনার ধান নিয়ে তরী কোথায় চলে যায়?
    ক. নদীতে
    খ. সাগরে
    গ. মোহনায়
    ঘ. অজানা দেশে

    উত্তরঃ ঘ. অজানা দেশে

    ৪। ‘ক্ষুরধারা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
    ক. তীব্র ভ্রƒকুটি
    খ. ক্ষুর দ্বারা কোনো কিছু কাটা
    গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত
    ঘ. নদীর যে বাঁকটি ক্ষুরের মতো

    উত্তরঃ গ. ক্ষুরের মতো ধারালো প্রবাহ বা স্রোত

    ৫। কূল শব্দের অর্থ কোনটি?
    ক. ঢেউ
    খ. কিনারা
    গ. বংশ
    ঘ. স্রোত

    উত্তরঃ খ. কিনারা

    ৬। কী কাটতে কাটতে বর্ষা এল?
    ক. ধান
    খ. আখ
    গ. পাট
    ঘ. ভুট্টা

    উত্তরঃ  ক. ধান

    ৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কোথায় মেঘ গর্জন করার কথা বলা হয়েছে?
    ক. পূর্বাকাশে
    খ. পশ্চিমাকাশে
    গ. আকাশ জুড়ে
    ঘ. হিংস্র হয়ে

    উত্তরঃ গ. আকাশ জুড়ে

    ৮। ‘সোনার তরী’ কবিতায় মূলত কয়টি চরিত্রের সন্ধান মেলে?
    ক. ৫টি
    খ. ৩টি
    গ. ২টি
    ঘ. ৪টি

    উত্তরঃ গ. ২টি

    ৯। কী কাটা হল সারা?
    ক. পাট
    খ. ধান
    গ. ঘাস
    ঘ. আখ

    উত্তরঃ খ. ধান

    ১০। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কূলে একা কে বসে আছে?
    ক. কৃষক
    খ. শ্রমিক
    গ. জমিদার
    ঘ. ভিক্ষুক

    উত্তরঃ ক. কৃষক

    সোনার তরী কবিতার mcq প্রশ্ন

    ১১। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম কী?
    ক. বীরবল
    খ. যাযাবর
    গ. জগৎশেঠ
    ঘ. ভানুসিংহ

    উত্তরঃ ঘ. ভানুসিংহ

    ১২। সোনার তরীতে কেন কৃষকের ঠাঁই হলো না?
    ক. তরীটা ছিল অত্যন্ত ছোট
    খ. মাঝিটি ছিল খুব নিষ্ঠুর
    গ. কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল
    ঘ. সোনার তরীতে স্থান করে নেয়ার ব্যাপারে কৃষক উদাসীন ছিল

    উত্তরঃ গ. কৃষকের সোনার ধারে তরীটি ভরে গিয়েছিল

    ১৩। মানবজীবনের এক দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির প্রতি ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে কোন শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে?
    ক. ক্ষুরধারা
    খ. খরপরশা
    গ. মেঘ
    ঘ. কূল

    উত্তরঃ ক. ক্ষুরধারা

    ১৪। কৃষক কিংবা কবির নি:সঙ্গ অবস্থা প্রকাশ পাচ্ছে কোনটির মাধ্যমে?
    ক. আমি
    খ. আমি একেলা
    গ. খরপরা
    ঘ. থরে বিথরে

    উত্তরঃ খ. আমি একেলা

    ১৫। মাঝি মূলেতে তরী ভিড়ালো কেন?
    ক. ফসলের জন্য
    খ. কবির জন্য
    গ. বৃষ্টি নামানোর জন্য
    ঘ. স্রোতের জন্য

    উত্তরঃ ক. ফসলের জন্য

    ১৬। ‘তরুছায়ামসী-মাখা’ বলতে কী বুঝানো হয়েছে?
    ক. গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা
    খ. গাছ হতে প্রস্তুতকৃত কলমের কালি
    গ. গাছগুলোতে মেঘের যে ছায়া পড়েছে
    ঘ. নদীতীরের অনিদ্য সুন্দর বৃক্ষরাজি

    উত্তরঃ ক. গাছপালার ছায়ায় কালচে রং মাখা

    ১৭। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘শূন্য নদীর তীরে’ কে একা পড়ে থাকল?
    ক. কৃষক
    খ. মাঝি
    গ. তরী
    ঘ. ছোট খেত

    উত্তরঃ ক. কৃষক

    ১৮। কোন পঙক্তিতে মাঝির অপরিচয়ের নির্বিকারত্ব ও নিরাসক্তি ফুটে উঠেছে?
    ক. ভরা পালে চলে যায়
    খ. কোনো দিকে নাহি চায়
    গ. দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে
    ঘ. গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে

    উত্তরঃ খ. কোনো দিকে নাহি চায়

    সোনার তরী কবিতার বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

    ১৯। কৃষক সোনার ফসল মহাকালের উদ্দেশ্যে পাঠাতে চায় –
    ক. কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য
    খ. মহাকালের শূন্যতায় বিলীন হওয়ার জন্য
    গ. মাঝিকে ভালো লাগার জন্য
    ঘ. ইহকালে শান্তিতে বসবাসের জন্য

    উত্তরঃ ক. কর্মের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য

    ২০। নির্বিকার মাঝিকে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কৃষক চেষ্টা করেছেন –
    ক. তার সাথে পরিচয় পাওয়ার জন্য
    খ. তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য
    গ. তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য
    ঘ. তাকে নদী পার করার জন্য

    উত্তরঃ গ. তার সোনার ফসল তুলে নেয়ার জন্য

    ২১। ফকির লালন শাহ অনেক পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন কিন্তু তাঁর গানগুলো যুগ যুগ ধরে আজও মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত হয়ে চলেছে। এ বিষয়টি তোমার পঠিত কোন কবিতাকে সমর্থন করে?
    ক. জীবন বন্দনা
    খ. তাহারেই পড়ে মনে
    গ. পাঞ্জেরী
    ঘ. সোনার তরী

    উত্তরঃ ঘ. সোনার তরী

    ২২। ‘দৃষ্টি শব্দটি ব্যাকরণের কোন নিয়মে সম্পন্ন হয়েছে?
    ক. প্রকৃতি প্রত্যয়
    খ. সমাস
    গ. উপসর্গ
    ঘ. অনুসর্গ

    উত্তরঃ ক. প্রকৃতি প্রত্যয়

    ২৩। কোন সময়ে ক্ষেতসমেত নদীর তীর নদীর গ্রাসে হারিয়ে যায়?
    ক. আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
    খ. আশ্বিন-কার্তিক মাসে
    গ. বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য মাসে
    ঘ. কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে

    উত্তরঃ ক. আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে

    ২৪। ‘সোনার তরী’ কবিতাটির নামকরণ ‘নিষ্ঠুর মহাকাল’ রাখা যেত নিচের কোন যুক্তিতে?
    ক. চরিত্রের ভিত্তিতে
    খ. বিষয়ের ভিত্তিতে
    গ. অন্তর্নিহিত তাৎপর্যের ভিত্তিতে
    ঘ. দার্শনিকতার ভিত্তিতে

    উত্তরঃ ঘ. দার্শনিকতার ভিত্তিতে

    ২৫। মানুষের জীবন কেমন?
    ক. দীর্ঘস্থায়ী
    খ. চিরস্থায়ী
    গ. ক্ষণস্থায়ী
    ঘ. অমর

    উত্তরঃ গ. ক্ষণস্থায়ী

    ২৬। ‘বাঁকা জল’ কিসের প্রতীক?
    ক. ধাবমান জলের
    খ. কালস্রোতের
    গ. কালো জলের
    ঘ. ভরা জলের

    উত্তরঃ খ. কালস্রোতের

    ২৭। ‘নদী’ শব্দটির প্রতিশব্দ হিসেবে কোনটি সমর্থনযোগ্য?
    ক. নেত্র
    খ. সলিল
    গ. সৈকত
    ঘ. তটিনী

    উত্তরঃ ঘ. তটিনী

    সোনার তরী কবিতার mcq সমাধান

    ২৮। ফসল উৎপাদনকারী কৃষক বলতে কবি কাকে কল্পনা করেছেন?
    ক. নিজেকে
    খ. মাঝিকে
    গ. নেতাকে
    ঘ. তরুণকে

    উত্তরঃ ক. নিজেকে

    ২৯। ‘সোনার তরী’ কবিতায় কবি সৃষ্টিকর্মকে কী হিসেবে কল্পনা করা হয়েছে?
    ক. ধান-সম্পদ
    খ. জমিজমা
    গ. ফসল
    ঘ. তরী

    উত্তরঃ  গ. ফসল

    ৩০। ‘ভারা ভারা’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    ক. সারি সারি
    খ. রাশি রাশি
    গ. স্তরে স্তরে
    ঘ. বোঝা বোঝা

    উত্তরঃ খ. রাশি রাশি

    সোনার তরী কবিতার mcq সাজেশন

    এখানে সোনারতরী কবিতার MCQ এর জন্য কিছু সাজেশন দেওয়া আছে। আপনারা চাইলে এই সাজেশন গুলো ফলো করতে পারেন। আপনার পরীক্ষার সাজেশনে আমাদের দেওয়া এই গুলো মনোযোগ দিয়ে দেখেন। আশা করছি mcq সমাধান করতে আপনার খুব উপকারে আসবে।

    ১। তীরে বসে কৃষক কী করছিল?
    ক. খেলা করছিল
    খ. গান করছিল
    গ. অপেক্ষা করছিল
    ঘ. দুশ্চিন্তা করছিল
    উত্তর :গ. অপেক্ষা করছিল

    ২। ‘কূলে একা বসে আছি নাহি ভরসা’_ এখানে কূলে শব্দটি কিসের প্রতীক?
    ক. হতাশা
    খ. পৃথিবী
    গ. নদীর কূল
    ঘ. ধানের ক্ষেত
    উত্তর :খ. পৃথিবী

    ৩। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?
    ক. বিসর্জন
    খ. ডাকঘর
    গ. বসন্ত
    ঘ. রক্তকরবী
    উত্তর :গ. বসন্ত

    ৪। কোন শব্দ থেকে ‘বরষা’ শব্দের উৎপত্তি?
    ক. বর্শা
    খ. বর্ষা
    গ. বর্ষণ
    ঘ. বরশা

    উত্তর :খ. . বর্ষা

    ৫। ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
    ক. স্বরবৃত্ত
    খ. অক্ষরবৃত্ত
    গ. মাত্রাবৃত্ত
    ঘ. মিশ্র
    উত্তর :গ. মাত্রাবৃত্ত

    ৬। ‘সোনার তরী’ কবিতায় ‘বাঁকাজল’ কীসের প্রতীক?
    ক. বিপদের
    খ. অস্থিরতার
    গ. কালস্রোতের
    ঘ. ঢেউয়ের
    উত্তর :গ. কালস্রোতের

    সোনার তরী কবিতার mcq

    ৭। তরী বেয়ে আসার সময় মাঝি কী করছিল?
    ক. গান গাইছিল
    খ. দাঁড় টানছিল
    গ. নিশ্চুপ ছিল
    ঘ. গুন টানছিল
    উত্তর :ক. গান গাইছিল

    ৮। শূন্য নদীর তীরে রহিনু পড়ি_ কথাটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
    ক. মৃত্যুর অনিবার্যতা
    খ. কালের প্রবহমানতা
    গ. কৃষকের অসহায়ত্ব
    ঘ. অপ্রাপ্তির বেদনা
    উত্তর :ঘ.অপ্রাপ্তির বেদনা 

    ৯। রবীন্দ্রনাথের মতে মাঝি আসলে কে?
    ক. নিঃসঙ্গ জীবন
    খ. মহাকালের প্রতীক
    গ. অবিনশ্বর জীবন
    ঘ. জাতির নেতা
    উত্তর :খ. খ. মহাকালের প্রতীক

    ১০। ‘ধান কাটা হলে সারা’_ এখানে কোন বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে?
    ক. কাজ শেষের ইঙ্গিত
    খ. জীবনের শেষ সময়
    গ. সোনার তরী আসার সময়
    ঘ. মহাকালের শূন্যতার সময়
    উত্তর :ক. কাজ শেষের ইঙ্গিত

    ১১। ভরা নদীর স্রোত কেমন ছিল?
    ক. আঁকা-বাঁকা খ. ঢেউপূর্ণ ও সুন্দর
    গ. তীব্র ও দুর্যোগময়
    ঘ. ক্ষুরধারার মতো
    উত্তর :ঘ. ক্ষুরধারার মতো

    ১২। ‘রাশি রাশি’ শব্দটি ব্যাকরণের কোন পদ?
    ক. সাপেক্ষ সর্বনাম
    খ. বস্তুবাচক সর্বনাম
    গ. নির্ধারক বিশেষণ
    ঘ. ক্রিয়া বিশেষণ
    উত্তর :গ. নির্ধারক বিশেষণ

  • 1 থেকে 100 পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ | এক থেকে একশ বানান | ১-১০০ বানান

    1 থেকে 100 পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ | এক থেকে একশ বানান | ১-১০০ বানান

    ১-১০০ বানান বাংলা একাডেমি | এক থেকে একশ বানান | 1 থেকে 100 পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ (1 to 100 Spelling Bangla Academy 2026)! বাংলা একাডেমি বাংলাদেশের একটি প্রখ্যাত প্রতিষ্ঠান, যা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়ন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও বানানের সঠিক রূপ নির্ধারণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোর বাংলা বানান নিয়ে বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী রয়েছে। একাডেমির নির্ধারিত বানান অনুযায়ী ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো হলো: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো, বারো, তেরো, চৌদ্দ, পনেরো, ষোল, সতেরো, আঠারো, উনিশ, বিশ, একুশ, বাইশ, তেইশ, চব্বিশ, পঁচিশ, ছাব্বিশ, সাতাশ, আঠাশ, ঊনত্রিশ, ত্রিশ, একত্রিশ, বত্রিশ, তেত্রিশ, চৌত্রিশ, পঁইত্রিশ, ছত্রিশ, সাইত্রিশ, আটত্রিশ, উনচল্লিশ, চল্লিশ, একচল্লিশ, বিয়াল্লিশ, তেতাল্লিশ, চুয়াল্লিশ, পঁয়তাল্লিশ, ছেচল্লিশ, সাতচল্লিশ, আটচল্লিশ, ঊনপঞ্চাশ, পঞ্চাশ, একান্ন, বায়ান্ন, তিপ্পান্ন, চুয়ান্ন, পঞ্চান্ন, ছাপ্পান্ন, সাতান্ন, আটান্ন, ঊনষাট, ষাট, একষট্টি, বাষট্টি, তেষট্টি, চৌষট্টি, পঁয়ষট্টি, ছেষট্টি, সাতষট্টি, আটষট্টি, ঊনসত্তর, সত্তর, একাত্তর, বাহাত্তর, তিয়াত্তর, চুয়াত্তর, পঁচাত্তর, ছিয়াত্তর, সাতাত্তর, আটাত্তর, ঊনআশি, আশি, একাশি, বিরাশি, তিরাশি, চুরাশি, পঁচাশি, ছিয়াশি, সাতাশি, আটাশি, ঊননব্বই, নব্বই, একানব্বই, বিরানব্বই, তিরানব্বই, চুরানব্বই, পঁচানব্বই, ছিয়ানব্বই, সাতানব্বই, আটানব্বই, ঊনশত, শত। বাংলা একাডেমি এই বানানগুলো সংরক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে বাংলা ভাষার গঠন ও মান রক্ষা করে।

    ১-১০০ বানান বাংলা একাডেমি | এক থেকে একশ বানান | 1 থেকে 100 পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ (1 to 100 Spelling Bangla Academy 2026)
    ১-১০০ বানান বাংলা একাডেমি | এক থেকে একশ বানান | 1 থেকে 100 পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ (1 to 100 Spelling Bangla Academy 2026)

    বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যা বানানগুলোর প্রয়োজনীয়তা অনেক। প্রথমত, এটি ভাষার সঠিকতা ও শুদ্ধতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। সঠিক বানানের প্রচলন ভাষার মৌলিকত্ব ও মান রক্ষা করে, যা ভাষার ঐতিহ্যকে সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দ্বিতীয়ত, শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপকারী, কারণ সঠিক বানান জানা থাকলে তারা লেখার সময় ভুল করবে না এবং তাদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। তৃতীয়ত, একাডেমির নির্ধারিত বানানগুলো সরকারী ও বেসরকারী অফিস, সংবাদমাধ্যম, এবং প্রকাশনার ক্ষেত্রে একরূপতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। একরূপতা থাকা মানে সব জায়গায় একভাবে লিখন-পদ্ধতি অনুসরণ করা, যা তথ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভুল বোঝাবুঝি কমায়।

    এছাড়া, বাংলা একাডেমির বানান ব্যবহার করলে ভাষার বৈজ্ঞানিক ও প্রমিত রূপ বজায় থাকে, যা গবেষণা ও ভাষাগত উন্নয়নে সহায়তা করে। ভাষার সঠিক ব্যবহার কেবল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের সবক্ষেত্রেই প্রভাব ফেলে। তাই, ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যা বানান নির্ধারণের মাধ্যমে বাংলা একাডেমি ভাষার শুদ্ধতা, মান ও একরূপতা নিশ্চিত করে, যা সামগ্রিকভাবে ভাষার উন্নয়ন ও সংরক্ষণে অপরিহার্য।

    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ – ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত কথায় সঠিক বানান

    ১ = এক

    ২ = দুই

    ৩ = তিন

    ৪ = চার

    ৫ = পাঁচ

    ৬ = ছয়

    ৭ = সাত

    ৮ = আট

    ৯ = নয়

    ১০ = দশ

    ১১ = এগারাে  (এগার = পূর্বের বানান)

    ১২ = বারাে  (বার = পূর্বের বানান)

    ১৩ = তেরাে  (তের = পূর্বের বানান)

    ১৪ = চৌদ্দ   (চোদ্দ = পূর্বের বানান)

    ১৫ = পনেরাে  (পনের = পূর্বের বানান)

    ১৬ = ষােলাে  (ষোল = পূর্বের বানান)

    ১৭ = সতেরাে  (সতের = পূর্বের বানান)

    ১৮ = আঠারাে  ( আঠার = পূর্বের বানান)

    ১৯ = উনিশ  (ঊনিশ = পূর্বের বানান)

    ২০ = বিশ  (কুঁড়ি = পূর্বের বানান)

    ২১ = একুশ

    ২২ = বাইশ

    ২৩ = তেইশ

    ২৪ = চব্বিশ

    ২৫ = পঁচিশ

    ২৬ = ছাব্বিশ

    ২৭ = সাতাশ

    ২৮ = আটাশ

    ২৯ = ঊনত্রিশ

    ৩০ = ত্রিশ

    ৩১ = একত্রিশ

    ৩২ = বত্রিশ

    ৩৩ = তেত্রিশ

    ৩৪ = চৌত্রিশ

    ৩৫ = পঁয়ত্রিশ

    ৩৬ = ছত্রিশ

    ৩৭ = সাঁইত্রিশ (সাত্রিশ = পূর্বের বানান)

    ৩৮ = আটত্রিশ

    ৩৯ = ঊনচল্লিশ

    ৪০ = চল্লিশ

    ৪১ = একচল্লিশ

    ৪২ = বিয়াল্লিশ

    ৪৩ = তেতাল্লিশ

    ৪৪ = চুয়াল্লিশ

    ৪৫ = পঁয়তাল্লিশ

    ৪৬ = ছেচল্লিশ

    ৪৭ = সাতচল্লিশ

    ৪৮ = আটচল্লিশ

    ৪৯ = ঊনপঞ্চাশ

    ৫০ = পঞ্চাশ

    ৫১ = একান্ন

    ৫২ = বাহান্ন (বায়ান্ন = পূর্বের বানান)

    ৫৩ = তিপ্পান্ন

    ৫৪ = চুয়ান্ন

    ৫৫ = পঞ্চান্ন

    ৫৬ = ছাপ্পান্ন

    ৫৭ = সাতান্ন

    ৫৮ = আটান্ন

    ৫৯ = ঊনষাট

    ৬০ = ষাট

    ৬১ = একষট্টি

    ৬২ = বাষট্টি

    ৬৩ = তেষট্টি

    ৬৪ = চৌষট্টি

    ৬৫ = পঁয়ষট্টি

    ৬৬ = ছেষট্টি

    ৬৭ = সাতষট্টি

    ৬৮ = আটষট্টি

    ৬৯ = ঊনসত্তর

    ৭০ = সত্তর

    ৭১ = একাত্তর

    ৭২ = বাহাত্তর

    ৭৩ = তিয়াত্তর

    ৭৪ = চুয়াত্তর

    ৭৫ = পঁচাত্তর

    ৭৬ = ছিয়াত্তর

    ৭৭ = সাতাত্তর

    ৭৮ = আটাত্তর

    ৭৯ = ঊনআশি

    ৮০ = আশি

    ৮১ = একাশি

    ৮২ = বিরাশি

    ৮৩ = তিরাশি

    ৮৪ = চুরাশি

    ৮৫ = পঁচাশি

    ৮৬ = ছিয়াশি

    ৮৭ = সাতাশি

    ৮৮ = আটাশি

    ৮৯ = ঊননব্বই

    ৯০ = নব্বই

    ৯১ = একানব্বই

    ৯২ = বিরানব্বই

    ৯৩ = তিরানব্বই

    ৯৪ = চুরানব্বই

    ৯৫ = পঁচানব্বই

    ৯৬ = ছিয়ানব্বই

    ৯৭ = সাতানব্বই

    ৯৮ = আটানব্বই

    ৯৯ = নিরানব্বই

    ১০০ = একশত (একশ = পূর্বের বানান)

    এক থেকে একশ বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬ | কথায় লিখ ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত

    এক থেকে একশ বানান বাংলা একাডেমি | কথায় লিখ ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত কথায় লেখা নিচে দেওয়া হলো।

    এক থেকে কুড়ি বানান | এক থেকে বিশ পর্যন্ত বানান | ১ থেকে ২০ পর্যন্ত বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    এক অ্যাক্
    দুই দুই্
    তিন তিন্
    চার চার্
    পাঁচ পাঁচ্
    ছয় ছয়্
    সাত শাত্
    আট আট্
    নয় নয়্
    ১০ দশ দশ্
    ১১ এগারো অ্যাগারো
    ১২ বারো বারো
    ১৩ তেরো ত্যারো
    ১৪ চৌদ্দ চোদ্দো
    ১৫ পনেরো পোনেরো
    ১৬ ষোলো শোলো
    ১৭ সতেরো শতেরো
    ১৮ আঠারো আঠারো
    ১৯ ঊনিশ উনিশ্
    ২০ কুড়ি/বিশ কুড়ি/বিশ্

    ২১ থেকে ৪০ বানান | ২১ থেকে ৩০ বানান | 21 থেকে 30 পর্যন্ত বানান | একুশ থেকে ত্রিশ বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ২১ একুশ একুশ্
    ২২ বাইশ বাই্শ্
    ২৩ তেইশ তেই্শ্
    ২৪ চব্বিশ চোব্‌বিশ্
    ২৫ পঁচিশ পোঁচিশ্
    ২৬ ছাব্বিশ ছাব্‌বিশ্
    ২৭ সাতাশ সাতাশ্
    ২৮ আটাশ আটাশ্
    ২৯ ঊনত্রিশ উনোত্‌ত্রিশ্
    ৩০ ত্রিশ ত্রিশ্
    ৩১ একত্রিশ একোত্‌ত্রিশ্
    ৩২ বত্রিশ বোত্‌ত্রিশ্
    ৩৩ তেত্রিশ তেত্‌ত্রিশ্
    ৩৪ চৌত্রিশ চোউ্‌ত্রিশ্
    ৩৫ পঁয়ত্রিশ পঁয়্‌ত্রিশ্
    ৩৬ ছত্রিশ ছোত্‌ত্রিশ্
    ৩৭ সাঁইত্রিশ শাঁই্‌ত্রিশ্
    ৩৮ আটত্রিশ আট্‌ত্রিশ
    ৩৯ ঊনচল্লিশ উনোচোল্‌লিশ্
    ৪০ চল্লিশ চোল্‌লিশ্

    একচল্লিশ থেকে পঞ্চাশ বানান | ৪১ থেকে ৫০ পর্যন্ত বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৪১ একচল্লিশ অ্যাক্‌চোল্‌লিশ্
    ৪২ বিয়াল্লিশ বেয়াল্‌লিশ
    ৪৩ তেতাল্লিশ তেতাল্‌লিশ্
    ৪৪ চুয়াল্লিশ চুআল্‌লিশ্
    ৪৫ পঁয়তাল্লিশ পঁয়্‌তাল্‌লিশ্
    ৪৬ ছেচল্লিশ ছেচোল্‌লিশ্
    ৪৭ সাতচল্লিশ শাত্‌চোল্‌লিশ্
    ৪৮ আটচল্লিশ আট্‌চোল্‌লিশ্
    ৪৯ ঊনপঞ্চাশ উনোপন্‌চাশ্
    ৫০ পঞ্চাশ পন্‌চাশ্

    একান্ন থেকে ষাট বানান | ৫১ থেকে ৬০ বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৫১ একান্ন অ্যাকান্‌নো
    ৫২ বাহান্ন বাহান্‌নো
    ৫৩ তিপ্পান্ন তিপ্‌পান্‌নো
    ৫৪ চুয়ান্ন চুআন্‌নো
    ৫৫ পঞ্চান্ন পন্‌চান্‌নো
    ৫৬ ছাপান্ন ছাপ্‌পান্‌নো
    ৫৭ সাতান্ন শাতান্‌নো
    ৫৮ আটান্ন আটান্‌নো
    ৫৯ ঊনষাট উনোশাট্
    ৬০ ষাট শাট্

    একষট্টি থেকে সত্তর পর্যন্ত বানান | ৬১ থেকে ৭০ বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৬১ একষট্টি অ্যাক্‌শোট্‌টি
    ৬২ বাষট্টি বাশোট্‌টি
    ৬৩ তেষট্টি তেশোট্‌টি
    ৬৪ চৌষট্টি চোউ্‌শোট্‌টি
    ৬৫ পঁয়ষট্টি পঁয়্‌শোট্‌টি
    ৬৬ ছেষট্টি ছেশোট্‌টি
    ৬৭ সাতষট্টি শাত্‌শোট্‌টি
    ৬৮ আটষট্টি আট্‌শোট্‌টি
    ৬৯ ঊনসত্তর উনোশোত্‌তোর্
    ৭০ সত্তর শোত্‌তোর্

    একাত্তর থেকে আশি বানান | ৭১ থেকে ৮০ বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৭১ একাত্তর অ্যাকাত্‌তোর্
    ৭২ বাহাত্তর বাহাত্‌তোর্
    ৭৩ তিয়াত্তর তিআত্‌তোর্
    ৭৪ চুয়াত্তর চুআত্‌তোর্
    ৭৫ পঁচাত্তর পঁচাত্‌তোর্
    ৭৬ ছিয়াত্তর ছিআত্‌তোর্
    ৭৭ সাতাত্তর শাতাত্‌তোর্
    ৭৮ আটাত্তর আটাত্‌তোর্
    ৭৯ ঊনআশি উনোআশি
    ৮০ আশি আশি

    একাশি থেকে নব্বই বানান | ৮১ থেকে ৯০ বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৮১ একাশি অ্যাকাশি
    ৮২ বিরাশি বিরাশি
    ৮৩ তিরাশি তিরাশি
    ৮৪ চুরাশি চুরাশি
    ৮৫ পঁচাশি পঁচাশি
    ৮৬ ছিয়াশি ছিআশি
    ৮৭ সাতাশি শাতাশি
    ৮৮ আটাশি আটাশি
    ৮৯ ঊননব্বই উনোনোব্‌বোই্
    ৯০ নব্বই নোব্‌বোই্

    একানব্বই থেকে একশ বানান | ৯১ থেকে ১০০ পর্যন্ত বানান

    সংখ্যা বানান উচ্চারণ
    ৯১ একানব্বই অ্যাকানোব্‌বোই্
    ৯২ বিরানব্বই বিরানোব্‌বোই্
    ৯৩ তিরানব্বই তিরানোব্‌বোই্
    ৯৪ চুরানব্বই চুরানোব্‌বোই্
    ৯৫ পঁচানব্বই পঁচানোব্‌বোই্
    ৯৬ ছিয়ানব্বই ছিআনোব্‌বোই্
    ৯৭ সাতানব্বই শাতানোব্‌বোই্
    ৯৮ আটানব্বই আটানোব্‌বোই্
    ৯৯ নিরানব্বই নিরানোব্‌বোই্
    ১০০ একশ অ্যাক্‌শো

    পূরণবাচক সংখ্যা ১-১০০ | পূরণবাচক সংখ্যা কয়টি

    ১ থেকে ১০ পর্যন্ত ক্রমবাচক সংখ্যা | পূরণবাচক / ক্রমবাচক সংখ্যা ১-১০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ ক্রম / পূরণবাচক পদ
    এক প্রথম
    দুই দ্বিতীয়
    তিন তৃতীয়
    চার চতুর্থ
    পাঁচ পঞ্চম
    ছয় ষষ্ঠ
    সাত সপ্তম
    আট অষ্টম
    নয় নবম
    ১০ দশ দশম

    ক্রমবাচক সংখ্যা ১১-২০ | ১১-২০ ক্রমবাচক সংখ্যা

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ১১ এগারো একাদশ
    ১২ বারো দ্বাদশ
    ১৩ তেরো ত্রয়োদশ
    ১৪ চোদ্দ চতুর্দশ
    ১৫ পনেরো পঞ্চদশ
    ১৬ ষোল ষোড়শ
    ১৭ সতেরো সপ্তদশ
    ১৮ আঠারো অষ্টাদশ
    ১৯ উনিশ ঊনবিংশ
    ২০ কুড়ি বিংশ

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ২১-৩০ | ২১-৩০ ক্রমবাচক সংখ্যা

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ২১ একুশ একবিংশ
    ২২ বাইশ দ্বাবিংশ
    ২৩ তেইশ ত্রয়োবিংশ
    ২৪ চব্বিশ চতুর্বিংশ
    ২৫ পঁচিশ পঞ্চবিংশ
    ২৬ ছাব্বিশ ষট্‌বিংশ
    ২৭ সাতাশ সপ্তবিংশ
    ২৮ আঠাশ অষ্টাবিংশ
    ২৯ ঊনত্রিশ ঊনত্রিংশ
    ৩০ ত্রিশ ত্রিংশ

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৩১-৪০ | ৩১-৪০ ক্রমবাচক সংখ্যা

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ৩১ একত্রিশ একত্রিংশ
    ৩২ বত্রিশ দ্বাত্রিংশ
    ৩৩ তেত্রিশ ত্রয়োত্রিংশ
    ৩৪ চৌত্রিশ চতুর্ত্রিংশ
    ৩৫ পঁয়ত্রিশ পঞ্চত্রিংশ
    ৩৬ ছত্রিশ ষট্‌ত্রিংশ
    ৩৭ সাঁয়ত্রিশ সপ্তত্রিংশ
    ৩৮ আটত্রিশ অষ্টাত্রিংশ
    ৩৯ ঊনচল্লিশ ঊনচত্বারিংশ
    ৪০ চল্লিশ চত্বারিংশ

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৪১-৫০ | ৪১-৫০ ক্রমবাচক সংখ্যা

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ৪১ একচল্লিশ একচত্বারিংশ
    ৪২ বিয়াল্লিশ দ্বিচত্বারিংশ
    ৪৩ তেতাল্লিশ ত্রয়শ্চত্বারিংশ
    ৪৪ চুয়াল্লিশ চতুঃচত্বারিংশ
    ৪৫ পঁয়তাল্লিশ পঞ্চচত্বারিংশ
    ৪৬ ছেচল্লিশ ষট্‌চত্বারিংশ
    ৪৭ সাতচল্লিশ সপ্তচত্বারিংশ
    ৪৮ আটচল্লিশ অষ্টচত্বারিংশ
    ৪৯ ঊনপঞ্চাশ ঊনপঞ্চাশৎ
    ৫০ পঞ্চাশ পঞ্চাশৎ

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৫১-৬০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ৫১ একান্ন একপঞ্চাশৎ
    ৫২ বাহান্ন দ্বিপঞ্চাশৎ
    ৫৩ তিপ্পান্ন ত্রিপঞ্চাশৎ
    ৫৪ চুয়ান্ন চতুঃপঞ্চাশৎ
    ৫৫ পঞ্চান্ন পঞ্চপঞ্চাশৎ
    ৫৬ ছাপ্পান্ন ষট্‌পঞ্চাশৎ
    ৫৭ সাতান্ন সপ্তপঞ্চাশৎ
    ৫৮ আটান্ন অষ্টপঞ্চাশৎ
    ৫৯ ঊনষাট ঊনষষ্টি
    ৬০ ষাট ষষ্টি

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৬১-৭০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ৬১ একষট্টি একষষ্টি
    ৬২ বাষট্টি দ্বিষষ্টি
    ৬৩ তেষট্টি ত্রিষষ্টি
    ৬৪ চৌষট্টি চতুঃষষ্টি
    ৬৫ পঁয়ষট্টি পঞ্চষষ্টি
    ৬৬ ছেষট্টি ষট্‌ষষ্টি
    ৬৭ সাতষট্টি সপ্তষষ্টি
    ৬৮ আটষট্টি অষ্টষষ্টি
    ৬৯ ঊনসত্তর ঊনসপ্ততি
    ৭০ সত্তর সপ্ততি

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৭১-৮০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ / ক্রমবাচক পদ
    ৭১ একাত্তর একসপ্ততি
    ৭২ বাহাত্তর দ্বিসপ্ততি
    ৭৩ তেষট্টি ত্রিসপ্ততি
    ৭৪ চুয়াত্তর চতুঃসপ্ততি
    ৭৫ পঁচাত্তর পঞ্চসপ্ততি
    ৭৬ ছিয়াত্তর ষট্‌সপ্ততি
    ৭৭ সাতাত্তর সপ্তসপ্ততি
    ৭৮ আটাত্তর অষ্টসপ্ততি
    ৭৯ ঊনআশি ঊনাশীতি
    ৮০ আশি অশীতি

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৮১-৯০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ/ক্রমবাচক পদ
    ৮১ একাশি একাশীতি
    ৮২ বিরাশি দ্ব্যশীতি
    ৮৩ তিরাশি ত্র্যশীতি
    ৮৪ চুরাশি চতুরশীতি
    ৮৫ পঁচাশি পঞ্চাশীতি
    ৮৬ ছিয়াশি ষড়শীতি
    ৮৭ সাতাশি সপ্তাশীতি
    ৮৮ অষ্টআশি অষ্টাশীতি
    ৮৯ ঊননব্বই ঊননবতি
    ৯০ নব্বই নবতি

    পূরণ / ক্রমবাচক সংখ্যা ৯১-১০০

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণ/ক্রমবাচক পদ
    ৯১ একানব্বই একনবতি
    ৯২ বিরানব্বই দ্বিনবতি
    ৯৩ তিরানব্বই ত্রিনবতি
    ৯৪ চুরানব্বই চতুর্নবতি
    ৯৫ পঁচানব্বই পঞ্চনবতি
    ৯৬ ছিয়ানব্বই ষন্নবতি
    ৯৭ সাতানব্বই সপ্তনবতি
    ৯৮ আটানব্বই অষ্টনবতি
    ৯৯ নিরানব্বই নবনবতি
    ১০০ একশ একশত

    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদের বানান বাংলা একাডেমি ২০২৬

    ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যার সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদ রয়েছে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত এক থেকে একশ পর্যন্ত সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদের বানান জানা। নিম্নে এক থেকে একশ পর্যন্ত সকল সংখ্যার সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদের সঠিক বানান দেয়া হলো-

    সংখ্যা সংখ্যাবাচক পদ পূরণবাচক পদ
     ১  এক  প্রথম
     ২  দুই  দ্বিতীয়
     ৩  তিন তৃতীয়
     ৪  চার চতুর্থ
     ৫  পাঁচ পঞ্চম
     ৬  ছয় ষষ্ঠ
     ৭  সাত সপ্তম
     ৮  আট অষ্টম
     নয়  নবম
    ১০  দশ দশম
     ১১  এগারো একাদশ
     ১২  বারো দ্বাদশ
     ১৩  তেরো ত্রয়োদশ
     ১৪  চোদ্দ  চতুর্দশ
     ১৫  পনেরো পঞ্চদশ
     ১৬  ষোল ষোড়শ
     ১৭  সতেরো  সপ্তদশ
     ১৮  আঠারো অষ্টাদশ
     ১৯  উনিশ  ঊনবিংশ
     ২০  কুড়ি  বিংশ
     ২১  একুশ একবিংশ
     ২২  বাইশ  দ্বাবিংশ
     ২৩  তেইশ  ত্রয়োবিংশ
     ২৪  চব্বিশ  চতুর্বিংশ
     ২৫  পঁচিশ পঞ্চবিংশ
     ২৬  ছাব্বিশ  ষট্‌বিংশ
     ২৭  সাতাশ সপ্তবিংশ
     ২৮  আঠাশ  অষ্টাবিংশ
     ২৯  ঊনত্রিশ ঊনত্রিংশ
     ৩০  ত্রিশ ত্রিংশ
     ৩১  একত্রিশ  একত্রিংশ
     ৩২  বত্রিশ  দ্বাত্রিংশ
     ৩৩  তেত্রিশ  ত্রয়োত্রিংশ
     ৩৪  চৌত্রিশ  চতুর্ত্রিংশ
     ৩৫  পঁয়ত্রিশ পঞ্চত্রিংশ
     ৩৬  ছত্রিশ  ষট্‌ত্রিংশ
     ৩৭  সাঁয়ত্রিশ সপ্তত্রিংশ
     ৩৮  আটত্রিশ  অষ্টাত্রিংশ
     ৩৯  ঊনচল্লিশ ঊনচত্বারিংশ
     ৪০  চল্লিশ চত্বারিংশ
     ৪১  একচল্লিশ  একচত্বারিংশ
     ৪২  বিয়াল্লিশ দ্বিচত্বারিংশ
     ৪৩  তেতাল্লিশ  ত্রয়শ্চত্বারিংশ
     ৪৪  চুয়াল্লিশ চতুঃচত্বারিংশ
     ৪৫  পঁয়তাল্লিশ পঞ্চচত্বারিংশ
     ৪৬  ছেচল্লিশ ষট্‌চত্বারিংশ
     ৪৭  সাতচল্লিশ  সপ্তচত্বারিংশ
     ৪৮  আটচল্লিশ অষ্টচত্বারিংশ
     ৪৯  ঊনপঞ্চাশ ঊনপঞ্চাশৎ
     ৫০  পঞ্চাশ  পঞ্চাশৎ
     ৫১  একান্ন একপঞ্চাশৎ
     ৪২  বাহান্ন দ্বিপঞ্চাশৎ
     ৫৩  তিপ্পান্ন ত্রিপঞ্চাশৎ
     ৫৪  চুয়ান্ন চতুঃপঞ্চাশৎ
     ৫৫  পঞ্চান্ন পঞ্চপঞ্চাশৎ
     ৫৬  ছাপ্পান্ন ষট্‌পঞ্চাশৎ
     ৫৭  সাতান্ন সপ্তপঞ্চাশৎ
     ৫৮  আটান্ন অষ্টপঞ্চাশৎ
     ৫৯  ঊনষাট  ঊনষষ্টি
     ৬০  ষাট  ষষ্টি
     ৬১  একষট্টি একষষ্টি
     ৬২  বাষট্টি দ্বিষষ্টি
     ৬৩  তেষট্টি  ত্রিষষ্টি
     ৬৪  চৌষট্টি চতুঃষষ্টি
     ৬৫  পঁয়ষট্টি  পঞ্চষষ্টি
     ৬৬  ছেষট্টি ষট্‌ষষ্টি
     ৬৭  সাতষট্টি  সপ্তষষ্টি
     ৬৮  আটষট্টি  অষ্টষষ্টি
     ৬৯  ঊনসত্তর ঊনসপ্ততি
     ৭০  সত্তর সপ্ততি
     ৭১  একাত্তর  একসপ্ততি
     ৭২  বাহাত্তর  দ্বিসপ্ততি
     ৭৩  তিয়াত্তর ত্রিসপ্ততি
     ৭৪  চুয়াত্তর চতুঃসপ্ততি
     ৭৫  পঁচাত্তর পঞ্চসপ্ততি
     ৭৬  ছিয়াত্তর ষট্‌সপ্ততি
     ৭৭  সাতাত্তর সপ্তসপ্ততি
     ৭৮  আটাত্তর অষ্টসপ্ততি
     ৭৯  ঊনআশি ঊনাশীতি
     ৮০  আশি অশীতি
     ৮১  একাশি একাশীতি
     ৮২  বিরাশি  দ্ব্যশীতি
     ৮৩  তিরাশি ত্র্যশীতি
     ৮৪  চুরাশি চতুরশীতি
     ৮৫  পঁচাশি পঞ্চাশীতি
     ৮৬  ছিয়াশি ষড়শীতি
     ৮৭  সাতাশি সপ্তাশীতি
     ৮৮  অষ্টআশি অষ্টাশীতি
     ৮৯  ঊননব্বই  ঊননবতি
     ৯০  নব্বই নবতি
     ৯১  একানব্বই একনবতি
     ৯২  বিরানব্বই দ্বিনবতি
     ৯৩  তিরানব্বই ত্রিনবতি
     ৯৪  চুরানব্বই চতুর্নবতি
     ৯৫  পঁচানব্বই পঞ্চনবতি
     ৯৬  ছিয়ানব্বই ষন্নবতি
     ৯৭  সাতানব্বই  সপ্তনবতি
     ৯৮  আটানব্বই অষ্টনবতি
     ৯৯  নিরানব্বই নবনবতি
     ১০০  একশ একশত

    এই ছিলো এক থেকে একশ পর্যন্ত সংখ্যার সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদের বানান। উপরে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যার সকল সংখ্যাবাচক পদ ও পূরণবাচক পদের সঠিক বানান দেয়া হয়েছে।

  • “আপু” “আপি” নাকি “আপা” কোনটি সঠিক ও পার্থক্য কি?

    “আপু” “আপি” নাকি “আপা” কোনটি সঠিক ও পার্থক্য কি?

    ‘আপু’, ‘আপি’ নাকি ‘আপা’ — ভাষার মিষ্টি ভিন্নতা নাকি ভুল ব্যবহার? বাংলা ভাষায় আত্মীয়তা ও সম্বোধনের শব্দগুলো শুধু সম্পর্ক নয়, প্রকাশ করে সামাজিক সংস্কৃতি ও আবেগও। দৈনন্দিন কথাবার্তায় আমরা প্রায়ই শুনি—কেউ বলে “আপু”, কেউ বলে “আপি”, আবার কারও মুখে শোনা যায় “আপা”। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই তিনটি শব্দের ব্যবহার বেশ সাধারণ, কিন্তু অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—আসলেই কোনটি সঠিক? আর বাকিগুলোর মধ্যে পার্থক্যটা কোথায়?


    এই শব্দগুলো দেখতে ও শুনতে কাছাকাছি হলেও, এগুলোর উৎস, উচ্চারণ এবং ব্যবহারিক প্রেক্ষাপট এক নয়। ভাষার আঞ্চলিক পার্থক্য, উচ্চারণভেদ ও সামাজিক প্রভাবের কারণে সময়ের সাথে সাথে এগুলো আলাদা আলাদা রূপে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ঠিক এই কারণেই এই বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ধারণা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। অনেকই প্রশ্ন করেন নারীদের “আপু” “আপি” নাকি “আপা” ডাকবো? কারণ, আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন জানেন না কোন বয়সের বা সম্পর্কের নারীদের আপু, আপি ও আপা নামে ডাকা যায়। আজ আমরা এ আর্টিকেলের মাধ্যমে খুব সহজে ও নিজস্ব ভাষায় জানবো কাদের কি নামে ডাকা উচিত ও এ নাম গুলার মধ্যে পার্থক্য কি।

    আপু কাকে ডাকা যায়?

    আপু বলে ডাকা যায় সাধারণত নিজের মায়ের পেটের বোন ও নিকট আত্বীয় নারীদের। নিকট আত্বীয় বলতে বুঝায়ঃ খালাতো বোন, মামাতো বোন, চাচাতো বোন ইত্যাদি।

    আপু বলা হয় সাধারণত যাদের বয়স ০ থেকে ২৫ বছর বয়স। তবে ক্ষেত্র বিশেষে এর বেশি বয়সের কাউকে আপু ডাকা হয়। তাতে কোন সমস্যা নেই।

    আপি কাকে ডাকা যায়?

    বর্তমানে অনেক শখ ও স্টাইল করে নিজ বোন বা নারীদের আপি বলে ডেকে থাকেন। তবে খুব কাছের ও পরিচিত মানুষ না হলে এ নামে ডাকা যায় না। আপি নামে সাধারণত কম বয়সী মেয়ে বা নারীকে ডাকা হয়। আবার যে এ নামে ডেকে থাকে তার বয়স ও কম থাকে।

    সাধারণত ০ থেকে ২০ বছর বয়সী মেয়েদের আপি নামে ডাকা হয় ও যারা আপি নামে ডাকেন তাদের বয়স ও ০ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে।

    আপি নামটি বর্তমানে ট্রেন্ডে আছে, এখন পরিচিত ও অমনকি অপরিচিত কম বয়সি সকলকেই প্রায় এ নামে ডেকে থাকেন। মনে করা হয় এ নামে ডাকলে মায়া, ভালোবাসা বাড়ে ও সহজে কিছু আদায় করা সম্ভব।

    আপা কাকে ডাকা যায়?

    আমাদের দেশে সাধারণত একটু বেশি বয়স্ক মহিলা বা নারীদের আপা বলে ডাকা হয়। যেমনঃ আপন বড় বোন।

    আপন বড় বোন ছাড়াও অপিরিচিত বয়স্ক কোন মহিলা বা নারীদের এ নামে ডাকা যায়। সাধারণত ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়স্ক নারী বা মহিলাদের আপা নামে ডাকা হয়।

    “আপু” “আপি” নাকি “আপা” কোনটি সঠিক ও পার্থক্য কি??

    “আপু” “আপি” নাকি “আপা” তিনটাই সঠিক। আসলে একেক জন একেক পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে নারীদের “আপু” “আপি” ও “আপা” নামে ডেকে থাকেন।

    আবার এটা নির্ভর করে আপনার অভ্যেস, বয়স ও ইচ্ছের উপর। তবে আমাদের সব সময় উচিত সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক নামে ডাকা।

    শেষ কথা

    এ পোস্টে আমরা বিস্তারিক আলোচনা করে নারীদের আপু, আপা বা আপি ডাকা নিয়ে। আশা করি আপনি বুঝতে পেড়েছেন। বিষয়টি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন ও আপনার মূলবান পরামর্শ কমেন্ট করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ

  • আইসোটোপ কাকে বলে? | Isotope Kake Bole? তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা

    আইসোটোপ কাকে বলে? | Isotope Kake Bole? তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা

    আইসোটোপ কাকে বলে? Isotope কাকে বলে | তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা! বিজ্ঞান আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সাথে গভীরভাবে জড়িত। বিজ্ঞানের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আইসোটোপ (Isotope)। এই শব্দটি পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু অনেকেই সহজভাবে আইসোটোপ কাকে বলে — সেটি বুঝতে পারেন না। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা খুব সহজ ভাষায় আইসোটোপ, তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ, তাদের ব্যবহার ও উদাহরণ বিস্তারিত আলোচনা করব।

    আইসোটোপ কাকে বলে? | Isotope Kake Bole? তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা
    আইসোটোপ কাকে বলে? | Isotope Kake Bole? তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা

    আইসোটোপ কাকে বলে (Isotope Kake Bole)

    একই মৌলের এমন কিছু পরমাণুকে আইসোটোপ বলা হয় যাদের প্রোটনের সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। এর ফলে ঐ মৌলের ভর সংখ্যা ভিন্ন হলেও রাসায়নিক ধর্ম একই থাকে।

    👉 সহজ ভাষায়:
    প্রোটন সংখ্যা একই → একই মৌল
    নিউট্রন সংখ্যা আলাদা → আলাদা আইসোটোপ

    উদাহরণ: হাইড্রোজেনের আইসোটোপ

    নাম প্রোটন সংখ্যা নিউট্রন সংখ্যা ভর সংখ্যা
    প্রোটিয়াম (Protium) 1 0 1
    ডিউটেরিয়াম (Deuterium) 1 1 2
    ট্রিটিয়াম (Tritium) 1 2 3

    উপরের টেবিল থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনটি আইসোটোপেই প্রোটন সংখ্যা ১ (মানে এগুলো হাইড্রোজেন মৌল), কিন্তু নিউট্রনের সংখ্যা ভিন্ন। তাই এগুলোকে হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ বলা হয়।


    আইসোটোপের বৈশিষ্ট্য

    1. একই মৌলের আইসোটোপগুলির রাসায়নিক ধর্ম এক, কারণ প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা এক থাকে।

    2. ভৌত ধর্ম ভিন্ন হতে পারে — কারণ ভর সংখ্যা ভিন্ন।

    3. কিছু আইসোটোপ স্থিতিশীল, আবার কিছু তেজস্ক্রিয় (Radioactive)

    4. আইসোটোপের অর্ধায়ু (half-life) ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

    তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ কাকে বলে (Tejoskriyo Isotope Kake Bole)

    যেসব আইসোটোপ সময়ের সাথে সাথে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ (radiation) নির্গত করে ধীরে ধীরে অন্য মৌলে রূপান্তরিত হয়, তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (Radioactive Isotope) বলা হয়।

    এই বিকিরণ হতে পারে —

    • আলফা কণা (α)

    • বেটা কণা (β)

    • গামা রশ্মি (γ)

    👉 সহজভাবে বললে:
    স্থিতিশীল নয় এমন আইসোটোপ → সময়ের সাথে বিকিরণ ছাড়ে → নতুন মৌল তৈরি করে → একে বলে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ।

    উদাহরণ: ইউরেনিয়াম-২৩৫ (Uranium-235)

    ইউরেনিয়াম-২৩৫ একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ, যা নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ও অস্ত্রে ব্যবহৃত হয়। সময়ের সাথে এটি বিকিরণ ছাড়ে এবং অন্যান্য মৌলে রূপান্তরিত হয়।

    আইসোটোপের ব্যবহার

    আইসোটোপের বৈজ্ঞানিক ও ব্যবহারিক গুরুত্ব অনেক বেশি। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার তুলে ধরা হলো 👇

    ১. চিকিৎসা বিজ্ঞানে

    • Radioactive iodine (I-131) থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

    • বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে আইসোটোপ ব্যবহার করে স্ক্যানিং করা হয় (যেমন PET Scan)।

    ২. কৃষিক্ষেত্রে

    • তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে উদ্ভিদের পুষ্টি গ্রহণ প্রক্রিয়া ও সার ব্যবহারের দক্ষতা নির্ধারণ করা যায়।

    • পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণেও নির্দিষ্ট আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

    ৩. শিল্পক্ষেত্রে

    • মেশিনের ভেতরের লিকেজ বা ফাটল নির্ণয়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।

    • তেল ও খনিজ অনুসন্ধানেও isotope tracking পদ্ধতি কাজে লাগে।

    ৪. গবেষণায়

    • আইসোটোপ ব্যবহার করে পদার্থের গঠন, বয়স (carbon dating), বিক্রিয়া ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণা করা হয়।


    আইসোটোপ ও আইসোবারের পার্থক্য

    অনেকেই আইসোটোপ ও আইসোবার গুলিয়ে ফেলেন। নিচের টেবিলটি দেখে পার্থক্য পরিষ্কার বোঝা যাবে 👇

    বিষয় আইসোটোপ আইসোবার
    সংজ্ঞা একই মৌলের প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন ভর সংখ্যা একই কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন
    মৌল একই মৌল ভিন্ন মৌল
    উদাহরণ হাইড্রোজেন-১, হাইড্রোজেন-২, হাইড্রোজেন-৩ আর্গন-৪০ ও ক্যালসিয়াম-৪০

    উপসংহার

    আইসোটোপ কাকে বলে — এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ:


    👉 প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন — এমন পরমাণুকেই আইসোটোপ বলে।

    তেজস্ক্রিয় আইসোটোপগুলো আমাদের বিজ্ঞান, চিকিৎসা, কৃষি ও শিল্পে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি মৌলিক কিন্তু প্রয়োজনীয় বিষয়।

  • আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona)

    আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona)

    আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona 20 / 25 / 30 Point 2026)! তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা নিয়ে লেখা পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। এই পোস্টে আরো জানতে পারবেন, বাংলাদেশের মানচিত্র pdf, বাংলাদেশের মানচিত্র pdf download, বাংলাদেশের মানচিত্র অংকন, বাংলাদেশের মানচিত্র উপজেলাসহ, বাংলাদেশের মানচিএ, বাংলাদেশের মানচিত্র hd, বাংলাদেশের মানচিত্র ছবি, বাংলাদেশের ডিজিটাল মানচিত্র ।

    আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona)
    আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona)

    এবং বাংলাদেশের মানচিত্র পিডিএফ, বাংলাদেশের মানচিত্র পরিচিতি, বাংলাদেশের মানচিত্র জেলাসহ, বাংলাদেশের মানচিত্র জেলা উপজেলা সহ pdf, বাংলাদেশের মানচিত্র বিভাগ, বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকার নিয়ম, বাংলাদেশের মানচিত্র আঁকার সহজ উপায়, বাংলাদেশের মানচিত্র জেলা।

    আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ও বাংলাদেশ রচনা ২০/ ২৫/ ৩০ পয়েন্ট ২০২৬ (Adhunik Tottho Projukti o Bangladesh Rochona)

     

    রচনার পয়েন্ট তালিকাঃ

    •  
      ভূমিকা
    •  
      তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি
    •  
      তথ্য প্রযুক্তির কয়েকটি বিশেষ দিক, বৈশিষ্ট্য ও স্বরূপ
    •  
      উন্নয়ন সম্পর্কে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
    •  
      তথ্য যোগাযোগের মহাসড়কে বাংলাদেশ
    •  
      শিক্ষা
    •  
      স্বাস্থ্য
    •  
      নারী উন্নয়ন
    •  
      যুব উন্নয়ন
    •  
      ইন্টানেট সার্ভিস
    •  
      তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাটা এন্ট্রি
    •  
      ই-বিজনেস
    •  
      ই-ব্যাংক
    •  
      টেলিযোগাযোগ
    •  
      অন্যান্য দিক
    •  
      উপসংহার

    ভূমিকা – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনাঃ

    শিল্প বিপ্লবের পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন পৃথিবীর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন উন্নতির ফলে গোটা বিশ্ব আজ গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। যে জাতি তথ্য প্রযুক্তিতে যত বেশি দক্ষ, তাদের সার্বিক অবস্থাও তত বেশী উন্নত।

    বিশ্ব পরিমন্ডলে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজ অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে হলে তথ্য প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। অল্প সময়েই এদেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। বাংলাদেশ বর্তমানে তথ্য যোগাযোগের মহাসড়কে অবস্থান করছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কি

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Information and Communication Technology (ICT)। প্রযুক্তি ব্যবহার কেন্দ্রিক তথ্য আদান-প্রদান ও যোগাযোগ আইসিটির মূলকথা। এর মধ্যে তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ও বিতরণ বা আদান-প্রদানের সাথে সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাকে এক কথায় বলা হয় Information Technology (IT)।

    অন্যদিকে এসব প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ রক্ষার প্রক্রিয়াকে নিয়ে গড়ে উঠেছে Communication Technology বা যোগাযোগ প্রযুক্তির ধারণা। টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, ইলেক্ট্রনিক মেইল, ইন্টারনেট ইত্যাদি প্রধান প্রধান যোগাযোগ প্রযুক্তির উপাদান।

    তথ্য প্রযুক্তির কয়েকটি বিশেষ দিক

    ডাটাবেস উন্নয়ন প্রযুক্তি, সফটওয়্যার উন্নয়ন প্রযুক্তি, নেটওয়ার্ক, মুদ্রণ ও রিপ্রোগ্রামিং প্রযুক্তি, তথ্যভান্ডার প্রযুক্তি, বিনোদন প্রযুক্তি, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা ইত্যাদি সবই তথ্য প্রযুক্তির এক একটি উল্লেখযোগ্য দিক।

    তথ্য প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য ও স্বরূপ

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিশাল উন্নতির ফলে কোনো কিছু প্রাপ্তি যেমন সহজলভ্য হয়েছে, তেমনি অতি দ্রুত যোগাযোগ করা যাচ্ছে। বিশ্বময় কম্পিউটারের বিস্ময়কর বিস্তৃতির সাথে সাথে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে।

    তথ্য প্রযুক্তির এ বিস্ময়কর উন্নতি ঘটেছে কম্পিউটার, ডিজিটাল টেলিফোন ও সাবমেরিন ক্যাবলের সহায়তায়। ইন্টানেট এবং ই-মেইলের মাধ্যমে সারাবিশ্বের নাগরিক সমাজ একে অন্যের অতি নিকটে চলে এসেছে।

    ইন্টারনেটের আওতায় ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যেকোনো বিষয়ে পুস্তুক, পত্রিকা, ম্যাগাজিন ও টিভি চ্যানেলে থেকে যেকোনো তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

    সারাবিশ্বের অগণিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমৃদ্ধ গবেষণাগার, সংবাদ সংস্থা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি ব্যাক্তি কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে এ মহাযোগাযোগ গড়ে তুলেছে।

    উন্নয়ন সম্পর্কে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিই আগামী দিনের জাতীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেবে এবং অর্থনেতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করবে।

    ডিজিটাল অবকাঠামো যেমন ইন্টারনেট সেবা বা ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক ইত্যাদিতে বিনিয়োগ হয়ে উঠছে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি।

    তথ্য যোগাযোগের মহাসড়কে বাংলাদেশ

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। বিশ্বকে এনেছে হাতের মুঠোয়। বাংলাদেশও তথ্য যোগাযোগের মহাসড়কের পূর্ণাঙ্গ সুবিধা গ্রহণ করতে চাচ্ছে।

    খুব অল্প সময়েই এ দেশে গুরুত্বপূর্ণ প্রায় সব ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে।

    শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    বাংলাদেশের মোট জনংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ যুব সমাজ। এ বিশাল যুব সম্প্রদায়কে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে ইতোমধ্যেই দেশের ৬৪টি জেলায় ৭০টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষিত বেকার যুবকদের ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং, কম্পিউটার বেসিক কোর্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন সহ ইত্যাদি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ইন্টারনেট সার্ভিসঃ

    ইন্টারনেট সেবা আরো সহজ করে দিতে বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই চালু হয়েছে থ্রিজি সেবা। এছাড়া বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ফ্রি ওয়াইফাই জোন তৈরি করা হয়েছে। ইন্টারনেট সংযোগ আরো বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সরকার ৭০০ কোটি টাকার একটি বিশাল প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

    তথ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাটা এন্ট্রি

    তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণে বিপ্লব এনেছে তথ্য প্রযুক্তি। যেকোনো তথ্য যেমন- আদমশুমারির তথ্য, ভোটার তালিকা ইত্যাদি যথাযথভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে চালু করা হয়েছে ই-ইউনিয়ন সেবা।

    ই-বিজনেস – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    ইন্টারনেট নির্ভর বাণিজ্য ই-কমার্স অনেক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাঠামো বদলে দিয়েছে। অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য কেনাবেচা চলছে। ক্রেতার সাথে বিক্রিতার সরাসরি সংযোগ ঘটছে। বিক্রেতারা তাদের পণ্য বিক্রির জন্য ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন।

    ই-ব্যাংকিং এ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    ব্যাংকিং খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে তথ্য ও প্রযুক্তি ব্যবস্থা। সব ব্যাংকেই এখন ইন্টারনেটের মাধ্যমে সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয়েছে। গ্রাহকেরা সহজেই ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময়ে এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারছেন এবং চাহিদা মতো খরচ করতে পারছেন।

    টেলিযোগাযোগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

    আইসিটি মহাসড়কের অন্যতম প্রধান দিক টেলিযোগাযোগ। দেশে বর্তমান ৬টি মোবাইলফোন কোম্পানি সেবা দিচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৩ এর মতে দেশে বর্তমানে ৯ কোটি ফোন গ্রাহক রয়েছে। বর্তমানে মোবাইল খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এখাত থেকে বিপুল পরিমাণ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর, ভ্যাট ইত্যাদি সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যান্য দিক

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিস্তারে সরকার হাইটেক পার্ক নির্মাণ, আইসিটি ইনকিউরেটর স্থাপন, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া সাবমেরিন বিকল্প ব্যবস্থায় সংযুক্তি, আইসিটি বিজনেস প্রমোশন সেন্টার স্থাপন এবং দেশের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু-১’ উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় রয়েছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনার উপসংহার

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত প্রসারমান ও মূল্যবান শিল্প। তাই একবিংশ শতাব্দীর জটিল ও কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রতিযোগিতামূলক এ বিশ্বে টিকে থাকতে হলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিকাশের কোনো বিকল্প নেই।

    সরকার, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অচিরেই বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব পরিমন্ডলে নিজ অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা (২)

    ভূমিকাঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    আধুনিক যুগে যখন বিশ্বায়নের প্রভাব পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্তর থেকে আমাদের ঘরের অন্দরমহল পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে তখন বিশ্বব্যাপী তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক গুরুত্বকে অস্বীকার করা যায় না। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি সাথে সাথে প্রয়োজন ও গুরুত্ব বেড়েছে তথ্য ও যোগাযোগেরও।

    আর ক্রমবর্ধমান তথ্য এবং যোগাযোগের অব্যবস্থা দূর করে মানুষের জীবনকে আরো সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলার ক্ষেত্রে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে প্রযুক্তি। প্রযুক্তি হল আধুনিক যুগে মানুষের উদ্ভাবিত সেই জাদুকাঠি যার প্রয়োগে মানুষ বারবার একদিকে নিজের সমাজ তথা ব্যক্তিগত জীবনকে যেমন সহজতর করে তুলেছে, তেমনই সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে বহুগুণে।

    সেই আধুনিক সভ্যতারই অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি উপাদান তথ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রযুক্তির ব্যাপক প্রভাব সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার উদ্দেশ্যেই এই উপস্থাপনা।

    আধুনিক প্রযুক্তির সূচনাকালঃ রচনা

    আধুনিক প্রযুক্তির জন্মলগ্ন বলে ধরে নেওয়া হয় উনবিংশ শতাব্দীর সূচনায় শিল্প বিপ্লবের কালকে। এই সময় থেকেই জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রয়োগ ব্যাপকহারে আরম্ভ হয়।

    তবে তখনো পৃথিবীর জনসংখ্যা এবং জীবনযাত্রাগত জটিলতা কম থাকার দরুন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব তেমনভাবে অনুভূত হয়নি। কিন্তু সময় যত এগোয় ততই শিল্প বিপ্লবের ব্যাপক উৎপাদনের ফল মানুষ পেতে শুরু করে।

    এরই সাথে পৃথিবীর জনসংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়। মোটামুটি বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই বিশ্বজুড়ে তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবজনিত প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুভূত হতে থাকে। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে প্রয়োজনের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অনুভূত প্রয়োজনের অনুকূলে উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভূত হয়।

    কি এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ রচনা

    সাধারণভাবে দেখতে গেলে মনে হবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি হলো এমন এক প্রযুক্তি যা আধুনিক সভ্যতার তথ্য ও যোগাযোগ সংক্রান্ত ব্যাপারে সহায়তা করে থাকে। কিন্তু আসলে এই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিস্তার শুধুমাত্র এই দুটি ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই।

    প্রকৃতপক্ষে বর্তমান যুগে তথ্যকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এবং এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই বিকাশ লাভ করেছে আধুনিক যুগের বিভিন্ন ক্ষেত্র।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত সেই সকল তথ্যের সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থাপনা তথা বিতরণের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ইনফর্মেশনাল ম্যানেজমেন্টের কাজ করে থাকে।

    বিশ্বব্যাপী এই মহাযজ্ঞ সম্পাদনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঘনিষ্ঠভাবে নির্ভর করে কম্পিউটিং, মাইক্রোইলেকট্রনিক্স, টেলিকমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয়গুলির ওপর।

    ইতিহাসের পাতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ রচনা


    ইতিহাসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অভাবজনিত প্রয়োজনীয়তা প্রথম অনুভূত হয় বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে সম্ভবত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর থেকেই পৃথিবীর আন্তর্জাতিক আর্থসামাজিক চেহারা দ্রুত বদলে যেতে থাকে। বিশ্বজুড়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণার ঢল নেমে যায় নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে নিজের দেশকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে।

    তারপর বিংশ শতকের মধ্যভাগে বিশ্বজুড়ে আরো একবার দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের দামামা বেজে যায়। পৃথিবীর ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেই সর্বপ্রথম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সামান্যতম ব্যবহার হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে পৃথিবীর পটচিত্র আরো তাড়াতাড়ি বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর দুই মহাশক্তির মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধের আবহে বিশ্বজুড়ে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেও নোংরা প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

    এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও। এরপর সত্তরের দশকে পৃথিবীতে ইন্টারনেট এর আগমন ঘটলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে একপ্রকার বিপ্লব ঘটে যায়। সেই সময় থেকে অতি দ্রুত পৃথিবীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির চরিত্র বিবর্তিত হতে থাকে।

    বর্তমানের আলোকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ রচনা


    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য সত্তরের দশকেই প্রথম তথ্যপ্রযুক্তি শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছিল। বর্তমান যুগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গতিবিধি আধুনিক পৃথিবী তথা ব্যক্তিগত জীবনের সর্বত্র। আধুনিক শহুরে জীবনের সম্ভবত এমন কোন ক্ষেত্র নেই যেখানে আজকাল তথ্যপ্রযুক্তি আধিপত্য বিস্তার লাভ করে নি।

    সময় যতই এগোচ্ছে জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্ব পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। সেই সঙ্গে প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন ঘটিয়ে চলেছে। জীবনের সর্বক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রভাবও অনুভূত হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

    তথ্যপ্রযুক্তি ও শাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনাঃ রচনা


    আধুনিক বিশ্ব ব্যবস্থার ধারক বাহক তথা পরিচালক হল তথ্যপ্রযুক্তি। যে পৃথিবীতে তথ্য বা ডেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মূল্যবান সম্পদ বলে গণ্য হয় সেখানে তথ্যপ্রযুক্তির এখানে ভূমিকা আশ্চর্যকর নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নির্ধারণ থেকে শুরু করে জাতীয় শাসন সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা সবকিছুই তথ্য প্রযুক্তির ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল।

    এছাড়া সময়ের সাথে সাথে বিশ্বব্যবস্থা যত বেশি করে ডিজিটালাইজেশনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ততই তথ্য প্রযুক্তির উপর আমাদের নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পূর্বে উল্লেখিত হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির মূল কাজই হলো তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণ। নিজস্ব এই অনন্য ভূমিকার দ্বারাই তথ্যপ্রযুক্তি আধুনিক সকল শাসন সংক্রান্ত ক্ষেত্রকে সমূলে নিয়ন্ত্রণ করে। সেজন্য তথ্যপ্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে ত্রুটি ঘটলে যেকোনো সময় শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে।

    চিকিৎসা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃ রচনা


    তথ্যপ্রযুক্তির অপর একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ শাখা বিস্তার লাভ করেছে চিকিৎসাক্ষেত্রে। তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন নিত্য নতুন আবিষ্কার বর্তমান চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আমূল বদলে দেওয়ার পথে এগিয়ে চলেছে। এ প্রসঙ্গে সর্বপ্রথম উল্লেখ করতে হয় রোবোটিক্স এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংক্রান্ত আবিষ্কার ও তার প্রয়োগের কথা।

    এই প্রয়োগের মাধ্যমে বিভিন্ন জটিল রোগ নির্ধারণ ও তার সমাধান সহজে, দ্রুতগতিতে এবং নির্ভুল ভাবে সম্পাদন করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিত্য নতুন আবিষ্কারগুলি আধুনিক শিক্ষাক্ষেত্রকেও বিশেষভাবে প্রভাবিত করছে। শিক্ষাক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর প্রয়োগের ফলে শিক্ষাকে অনেক বেশি বাস্তবমুখী এবং যথাযথ করে তোলা সম্ভব হচ্ছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – গবেষণা ক্ষেত্রে ভূমিকাঃ


    আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, বিশেষ করে গবেষণা সংক্রান্ত ব্যাপারে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগ গবেষণার সাবেকি নিয়ম ও সমীকরণগুলিকে অতি দ্রুত বদলে দিচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির ফলে জ্ঞান আহরনের জন্য এখন আর মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয় না। ঘরে বসেই আঙ্গুলের একটি ছোঁয়ায় বিশ্বমানের গবেষণাপত্র চোখের সামনে ভেসে উঠতে পারে।

    আবহাওয়া নির্ণয়, জলবায়ুর চরিত্র নির্ণয়, ভূ-প্রাকৃতিক গবেষণা, জরিপ সংক্রান্ত গবেষণা ইত্যাদি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগের ফলে অত্যন্ত নির্ভুল ও সহজ ভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে। সভ্যতার উন্নতির প্রাথমিক পূর্বশর্তই হলো উন্নত গবেষণা। তাই গবেষণার পদ্ধতিকে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজতর করে তুলে তথ্যপ্রযুক্তি আদপে পৃথিবীর উন্নতির ক্ষেত্রেই সহায়তা করছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – বিনোদন ও তথ্যপ্রযুক্তিঃ রচনা


    বিনোদনগত ক্ষেত্রেও বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক ও বহুমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। বর্তমানে আর বিনোদনের জন্য মানুষকে ঘরের বাইরে পা রাখতে হয় না। ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তির অভিনব মিলনের ফলে ঘরে বসেই একটি ক্লিকে বিশ্বমানের বিনোদনের আনন্দলাভ সম্ভব হচ্ছে।

    মোবাইল, রেডিও, টেলিভিশন সবক্ষেত্রেই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে মানুষের কাছে বিনোদন পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠছে তাছাড়া বিনোদনের ক্ষেত্রেও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগের বিষয়টিও আজ সুবিদিত।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – যোগাযোগ বিপ্লবঃ রচনা


    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অপর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল যোগাযোগ ক্ষেত্রে আমুল বিপ্লব ঘটিয়ে দেওয়া। এই যোগাযোগ বলতে তথ্য আদান-প্রদান এবং পরিবহন সংক্রান্ত যোগাযোগ দুইই বোঝানো হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির বৈপ্লবিক বিবর্তনে আবির্ভূত হয়েছে ফেসবুক, টুইটার কিংবা ইমেইল এর মতন ভার্চুয়াল সামাজিক তথা তথ্য আদান-প্রদানকারী মাধ্যমগুলি।

    এইসকল মাধ্যমগুলিকে কাজে লাগিয়ে মুহুর্তের মধ্যে অতি মূল্যবান তথ্য সুরক্ষিতভাবে পৃথিবীর এক কোণ থেকে অপর কোনায় পাঠিয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নিত্যনতুন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ফলে পরিবহনগত ক্ষেত্রেও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে গেছে। এক্ষেত্রেও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এর ব্যবহারের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়।

    ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকাঃ – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    সমাজে সর্বব্যাপী তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের ফলে তথ্যপ্রযুক্তি সুযোগ করে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে বিপুল কর্মসংস্থানের। প্রতিবছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করে লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতী বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার কোম্পানিতে নিয়োজিত হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির কর্মযজ্ঞকে নিয়ন্ত্রণ করে তারাই। পৃথিবীর অনেক দেশে তথ্যপ্রযুক্তি জাতীয় ক্ষেত্রে সর্বাধিক কর্মসংস্থান দেওয়ার মতন রেকর্ডও তৈরি করেছে।

    নেতিবাচক প্রভাবঃ – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    পৃথিবীকে বিভিন্ন ধরনের সুন্দর উপহার তথ্যপ্রযুক্তি এনে দিলেও এর অনেক কুফলও রয়েছে। তথ্য প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়েই একদিকে যেমন সমাজের অভাবনীয় উন্নতি সম্ভব হচ্ছে, তেমনি সন্ত্রাসবাদের মতন সমাজের ধ্বংসাত্মক ক্ষেত্রগুলিতেও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ঘটছে।

    একদিকে যেমন মুহুর্তের মধ্যে মূল্যবান তথ্য অতি সহজে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে প্রেরণ এবং সেই তথ্য সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে, তেমনি এই তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেই বিশ্বব্যাপী তথ্য চুরি একটি বিশেষ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ প্রসঙ্গে হ্যাকিংয়ের কথা উল্লেখ করতেই হয়।

    তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তির ফলে যেমন আধুনিক শপিং ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হয়েছে, তেমনই ব্ল্যাক মার্কেটের আধুনিকীকরণও তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করেই সম্ভব হয়েছে। এছাড়া তথ্য প্রযুক্তির উপর ব্যাপক নির্ভরশীলতা মানুষের স্বাভাবিক কর্মদক্ষতাকে বর্তমানে বিশেষভাবে প্রভাবিত করছে।

    উপসংহারঃ – নেতিবাচক প্রভাবঃ – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    প্রযুক্তি হল সভ্যতার কাছে এক প্রকার আশীর্বাদস্বরূপ। আর তথ্যপ্রযুক্তি সেই আশীর্বাদের সবচেয়ে বড় উপহার। বর্তমান যুগ একদিকে যেমন তথ্য নির্ভর, তেমনি প্রযুক্তি নির্ভর। বিজ্ঞানের আশীর্বাদে এই দুয়ের অভিনব মেলবন্ধন আজ সম্ভব হয়েছে।

    বহু নেতিবাচক প্রভাব থাকলেও বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির গুরুত্বের কথা আর অস্বীকার করা যায় না। বরং সার্বিকভাবে আমাদের সকলকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাবগুলিকে দূর করে এর ভালো দিকগুলির বিস্তার ঘটানো যায় সে ব্যাপারে।

    সাথে এ কথাও মনে রাখতে হবে যে প্রযুক্তির জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য প্রযুক্তি। তাই প্রয়োজন অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দূর করে জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমেই বিজ্ঞানের এই উপহারের অস্তিত্বকে সার্থক করে তুলতে হবে।

     

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা (৩)

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা ভূমিকা

    বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। শিল্প বিপ্লবের পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন পৃথিবীতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নজিরবিহীন উন্নতির ফলে গোটা বিশ্ব আজ গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি দূরকে এনেছে চোখের সামনে, পরকে করেছে আপন, আর অসাধ্যকে সাধন করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বের সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল হাতিয়ার। যে জাতি তথ্যপ্রযুক্তিতে যত বেশি দক্ষ, তাদের সার্বিক অবস্থাও তত বেশি উন্নত। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত হতে এবং জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজ অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই। কারণ একবিংশ শতাব্দীর সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ দুইই আবর্তিত হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তিকে ঘিরে।

    তথ্যপ্রযুক্তি কি?

    তথ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিতরণের জন্য ব্যবহৃত প্রক্রিয়া ও পদ্ধতির সমন্বয়কে তথ্যপ্রযুক্তি বলা হয়। কম্পিউটিং, মাইক্রো ইলেকট্রনিক্স, টেলিকমিউনিকেশন ইত্যাদি বিষয় তথ্যপ্রযুক্তির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

    তথ্যপ্রযুক্তি ও বর্তমান বাংলাদেশ/তথ্যপ্রযুক্তিতে আমাদের বর্তমান অবস্থা

    গত দুই দশকে বিশ্বজুড়ে ঘটেছে অভাবনীয় সব পরিবর্তন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ সময় ও দূরত্বকে জয় করেছে। বিশ্বকে এনেছে হাতের মুঠোয়। বাংলাদেশও তথ্যপ্রযুক্তির এ জীয়নকাঠির স্পর্শে ধীরে ধীরে জেগে উঠছে। গত দশ বছরে এ দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উল্লেখযোগ্য বিকাশ ঘটেছে। তথ্যপ্রযুক্তি যে বাংলাদেশের জন্যও সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি, এ কথা আজ সবাই উপলব্ধি করছে।

    তরুণ প্রজন্ম, বিশেষ করে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপারে খুবই আগ্রহ প্রকাশ করছে।

    তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যে জীবনযাত্রার মান বদলে দিতে পারে তা বিশ্বাস করতে এখন আর কেউ ভুল করছে না। তাই তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশে এখন অনেক বেড়েছে। স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত কম্পিউটার শিক্ষা কার্যক্রম প্রবর্তন করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত কম্পিউটারের ব্যবহার বাড়ছে। দেশে এখন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৭ থেকে ৮ হাজারের মতো। সারা দেশে কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের শো-রুম রয়েছে সহস্রাধিক। ঢাকাতেই গড়ে উঠেছে ৫ শতাধিক হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান। সফ্টওয়্যার প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও শতাধিক।

    তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে সরকারের পদক্ষেপ

    কোনো দেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তি বিকাশের কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের (শেখ হাসিনা সরকার) অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল তথ্যপ্রযুক্তির সম্ভাবনা সর্বোচ্চ বিকাশের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন। ও লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের শাসনামলে তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে সহায়ক কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।


    তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন আধুনিক যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো। আর তাই দেশের অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হচ্ছে। প্রায় সারা দেশ ডিজিটাল টেলিফোনের আওতায় চলে আসছে। ইতোমধ্যেই দেশের প্রতিটি জেলায় ইন্টারনেট পৌঁছে গেছে। শিগগিরই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে যাবে।


    তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত প্রসারের লক্ষ্যে সরকার ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা’ অনুমোদন করেছে। এই নীতিমালার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের প্রয়াসে সরকার ঢাকার প্রাণকেন্দ্র কারওয়ান বাজারে ৭০ হাজার বর্গফুট আয়তনের ফ্লোরে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি ‘আইসিটি ইনকিউবেটর’ স্থাপন করেছে।


    বিদেশে বাংলাদেশের সফ্টওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ‘আইসিটি বিজনেস প্রমোশন সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে।

    তথ্যপ্রযুক্তি প্রসারের লক্ষ্যে ঢাকার অদূরে কালিয়াকৈরে ২৬৫ একর জমিতে হাইটেক পার্ক স্থাপন করা হচ্ছে। সম্প্রতি রেলওয়ের ফাইবার অপটিক লাইন সবার ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।


    অর্থনৈতিক উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা

    তথ্যপ্রযুক্তিকে মূলধন হিসেবে ব্যবহার করে এবং মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, ভারত, থাইল্যান্ড প্রভৃতি দেশ অনেক এগিয়ে গেছে। অথচ আমাদের নির্বুদ্ধিতার কারণে আজ আমরা তথ্যের সুপার হাইওয়ের সাথে যুক্ত হতে পারছি না। আবার সরকারের অনীহার কারণে ফাইবার অপটিকস ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছি আমরা। তাই আমাদের প্রচুর টাকা খরচ করে ব্যবহার করতে হচ্ছে ভি স্যাটের লাইন। তবে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তথ্যপ্রযুক্তি খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্নভাবে অবদান রাখছে। দেশে কম্পিউটার সফ্টওয়্যার তৈরি বেশ বেড়েছে। দৈনিক পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি হিসাবে ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সফ্টওয়্যার রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা – সম্ভাবনাময় সফ্টওয়্যার শিল্প

    বাংলাদেশে বর্তমানে সফ্টওয়্যার শিল্প সবচেয়ে সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে দেখা দিয়েছে। হার্ডওয়্যার নির্মাণের সঙ্গে এখনো বাংলাদেশ তেমনভাবে জড়িত হয়নি। এ দেশে সফ্টওয়্যার, মাল্টিমিডিয়া সফ্টওয়্যার ও ওয়েব সফ্টওয়্যার। এর মধ্যে দেশে শিক্ষা ও বিনোদনে কম্পিউটারভিত্তিক মাল্টিমিডিয়ার বাজার অতি দ্রুত প্রসার হচ্ছে। দেশের ১৬ শতাংশ সফ্টওয়্যার ফার্ম তাদের ডেভেলপ করা সফ্টওয়্যার বিদেশে রপ্তানি করছে।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তথ্য প্রযুক্তি শিল্প

    বাংলাদেশে বর্তমানে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার, ইন্টারনেট ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য ৭-৮ হাজার প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ সকল প্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থান হচ্ছে। তারা সহজেই ভালো উপার্জন করতে পারছে।

    তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের জন্য করণীয়

    বর্তমান একবিংশ শতাব্দীর প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশকে টিকে থাকতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের বিকল্প নেই। আমাদের দেশের শিক্ষিত তরুণ সম্প্রদায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তাদের যোগ্যতা বারবারই প্রমাণ করেছে। তাই আমাদের তরুণদের মেধা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য কার্যকরী করে তুলতে হবে। এজন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা দরকার।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা – জাতীয় তথ্য অবকাঠামো গঠন

    জাতীয় তথ্য অবকাঠামো গড়ে তোলা ব্যতীত বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের অংশীদার হওয়া সম্ভব নয়, যে রকম সংযোগ সড়ক ছাড়া মহাসড়কে পৌঁছানো সম্ভব নয়। তথ্য অবকাঠামো ব্যতীত গ্রামীণ বাংলাদেশ তথ্য বৈষম্যের শিকার হবে, যা বাজার অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে সুবিধালাভের সম্ভাবনাকে সংকুচিত করে ফেলবে। ফলে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক নতুন অর্থনীতির অংশীদার হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা – টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন

    টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তথ্য অবকাঠামোর মেরুদণ্ড। শক্তিশালী ও সুবিস্তৃত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যতীত তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন একেবারেই অসম্ভব। অথচ এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। টেলিনেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে বার্ষিক লক্ষ্য নির্ধারণ ও তার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা – মানবসম্পদ উন্নয়ন

    দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ছাড়া কোনো অবস্থাতেই দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশ সাধন সম্ভব নয়। তাই মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য।ইংরেজি শিক্ষাকে প্রযুক্তি শিক্ষা হিসেবে গুরুত্ব দেয়া।


    বাস্তবভিত্তিক যোগ্যতা অর্জনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সম্পর্কোন্নয়নের ব্যবস্থা করাতে হবে।
    তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি চালু করা : বিশ্বব্যাপী তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারের যুগে জীবনযাত্রার সকল ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি আমরা কত দ্রুত সাড়া দেব তার ওপর নির্ভর করছে আগামী দিনের বাংলাদেশের ভাগ্য। তাই আমাদের উচিত অতি দ্রুত তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংকিং ও অর্থনীতি চালু করা।

    তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালুকরণ

    সুদক্ষ ব্যাংকিং ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি। আর এই ব্যাংকিং খাতকে দক্ষ, যুগোপযোগী ও আধুনিক করার জন্য তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালুকরণের কোনো বিকল্প নেই।

    তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষ সরকারব্যবস্থা গঠন

    তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন সাধন করার জন্য প্রয়োজন তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষ সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা। আর এ জন্য অন্যতম করণীয় হলো সরকারি তথ্যে অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইন্টারনেটভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা – উপসংহার

    পরিশেষে বলা যায় যে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিই বর্তমান বিশ্বে সকল প্রকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মূল হাতিয়ার। যে জাতি তথ্যপ্রযুক্তিতে যত বেশি দক্ষ, তাদের সার্বিক অবস্থাও তত বেশি উন্নত। তাই তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও যুবদের বেকারত্ব দূর করার জন্য আমাদেরকে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

    দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সরকার, বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে অচিরেই বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্ব পরিমণ্ডলে নিজ অবস্থান সুদৃঢ় ও উজ্জ্বল করতে সক্ষম হবে – এটাই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা অ্যসাইনমেন্ট assignment (৪)

    ভূমিকা – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    আধুনিক জীবনের সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে আজকের এই নগর সভ্যতার দিকে তাকালে আমরা এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন লক্ষ করতে পারি।

    এই যুগান্তকারী পরিবর্তন এনে দিয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। সমাজের যে স্তরে এখনো বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি সে স্তরে এখনো উন্নতির ছোঁয়া প্রবেশ করতে পারেননি। তাই বলা যায় যে সভ্যতার উন্নয়নের মূলে রয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্র সমূহ – – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    বর্তমান পৃথিবীতে যে দেশের মানুষজন লেখাপড়া শিখে শিক্ষিত যারা জ্ঞান চর্চা করে সেই দেশ হচ্ছে সম্পদশালী দেশ। তথ্যের চর্চা আর বিশ্লেষণ থেকে জ্ঞান জন্ম নেয় তাই যে দেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে বিশ্লেষণ করতে পারে সেই দেশ হচ্ছে পৃথিবীর সম্পদশালী দেশ। বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

    কৃষিক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    এখন কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে আইসিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে যেখানে কৃষিবিষয়ক অনেক তথ্য সম্পর্কে কৃষকেরা জানতে পারে তাছাড়া মোবাইলে কৃষি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাবহার লক্ষ্য করা যায়। রোগীর তথ্য সংরক্ষণ থেকে শুরু করে আধুনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় টেলিমেডিসিন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে অনেক ডাগনেস্টিক সেন্টার রুগীদেরকে অলনাইলে রিপোর্ট দেখার সুযোগ করে দিচ্ছে।

    পরিবেশ ও আবহাওয়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য এখন আইসিটির ব্যবহার করা হচ্ছে। ১১ মে ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ করার হয়। বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়লে তখন স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে দুর্গত এলাকায় যোগাযোগব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব হবে।

    গবেষণা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    গবেষণায় আইসিটির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমরা অনেক জটিল গবেষণা অনেক সহজে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে করতে পারছি।

    ব্যাংকিং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    বর্তমানে প্রায় সব ব্যাংক অনলাইন সেবা দিচ্ছে ফলে এটিএম মেশিন থেকে যেকোনো সময় টাকা তোলা যায় তাছাড়া বর্তমান ব্যাংকগুলো ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে

    শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু গবেষণা আটকে নিন বড় শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যাধিক হারে লক্ষ্য করা যায় শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষার প্রয়োজনেপ্রযুক্তি ব্যবহার করছে শিক্ষাক্ষেত্রে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস ডিজিটাল ডিকশনারি বুক অনলাইন ক্লাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

    ব্যবসা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা

    ব্যবসাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে চোখে পরার মত। আমাদানি-রপ্তানি বেড়েছে কয়েকগুন। এর পিছনে মূল কারন হল উন্নত যোগাযোগ ব্যাবস্থা। ফলে অর্জিত হয়েছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা যা দেশের জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে ই-কমার্সের ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে।

    প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের সুবিধা বলে শেষ করা যাবে না সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমোতে যাওয়া মুহূর্ত পর্যন্ত আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করছে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা আমাদের সময়কে আমাদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে কৃষি প্রযুক্তি দৌলতে আজ সারা বিশ্বে মোট জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়েছে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঘরে বসেই শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাচ্ছে প্রযুক্তির বলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ বাতি জ্বলছে পাখা হিটার রেডিও টিভি ফ্রিজ ভিসিআর বিসিবি লিভ এয়ার কুলার কম্পিউটার চলছে শহর-নগরে যে আকাশচুম্বী বহুতলা ভবন গড়ে উঠেছে আমরা যে বাস-ট্রাক ট্যাক্সিতে করে যাওয়ার করছি তার সবগুলোই প্রযুক্তির অবদান।

    উপসংহার – তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি রচনা


    কালের বিবর্তনে মানব জীবন এবং তথ্য ও প্রযুক্তি একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে তথ্য ও যোগাযোগ এর অবদান রয়েছে মানব জীবনে বিজ্ঞানের এ ব্যবহারকে ইতিবাচক দিকে রাখতে হবে তথ্য ও প্রযুক্তির আলোয় প্রতিটি মানুষকে আলোকিত করতে হবে সমস্ত কলুষতা থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিকে মুক্ত করার জন্য সকল ধরনের অপব্যবহার থেকে তথ্য কে সরিয়ে রাখতে হবে তবেই মানবসভ্যতা যথার্থ উন্নয়ন সম্ভব।

  • মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) | মাসি পিসি গল্পের MCQ

    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) | মাসি পিসি গল্পের MCQ

    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) | মাসি পিসি গল্পের MCQ (Masi Pisi Golper Srijonshil Proshno Uttor PDF & MCQ)। মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর! সৃজনশীল লেখা সাহিত্য শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি শুধু ছাত্রছাত্রীদের চিন্তাশক্তি ও সৃজনশীল দক্ষতা বৃদ্ধি করে না, বরং তাদের ভাষার ব্যবহার ও কল্পনাশক্তিকেও আরও পরিণত করে। “মাসি-পিসি” একটি পরিচিত গল্প, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এটি মজার ও শিক্ষণীয় গল্পের মাধ্যমে পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষাকে আরও সহজ এবং আনন্দদায়ক করে তোলে।

    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) | মাসি পিসি গল্পের MCQ (Masi Pisi Golper Srijonshil Proshner Uttor & MCQ PDF)
    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) | মাসি পিসি গল্পের MCQ (Masi Pisi Golper Srijonshil Proshner Uttor & MCQ PDF)

    গল্পটি দুই চরিত্র মাসি এবং পিসির কাহিনি নিয়ে আবর্তিত, যেখানে তাদের হাস্যকর কাণ্ডকারখানা ও মজাদার কথোপকথনের মধ্য দিয়ে আমরা জীবনের নানা শিক্ষণীয় বিষয় বুঝতে পারি। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লেখার দক্ষতা বাড়ানোর জন্য এই গল্প একটি চমৎকার উদাহরণ। আজকের এই ব্লগে আমরা “মাসি-পিসি” গল্প থেকে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিতে হয়, তা বিশ্লেষণ করব।

    মাসি-পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

    সৃজনশীল প্রশ্ন ১ : বাপ-মা মরা অভাগী মেয়ে প্রতিমা দরিদ্র কাকা-কাকির কাছে বড় হয়েছে। দারিদ্র্যের সাথে সংগ্রাম করে অনেক কষ্টে ভাই-ঝিকে বিয়ে দেন কাকা। অভাগী প্রতিমা শ্বশুরবাড়িতেও সুখের নাগাল পায় না। কারণ, তার কাকার কাছ থেকে যৌতুকের টাকা আনার জন্য স্বামী- শাশুড়ি তার ওপর প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এমনকি অন্তঃসত্তা জেনেও তার স্বামী একদিন মারধর করে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। জ্ঞান ফিরে আসলে, প্রতিমা কোনোরকমে পালিয়ে কাকা- কাকীর কাছে চলে আসে। ভাইঝির এমন পরিস্থিতি বিবেচনা করে কাকা-কাকী সিদ্ধান্ত নেয়, অমন শ্বশুরবাড়িতে তাকে আর পাঠাবে না তারা।

    ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত বছর বেঁচেছিলেন?
    খ. “যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি” ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের প্রতিমার সাথে “মাসি-পিসি” গল্পের আহ্লাদীর সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিরূপণ করো।
    ঘ. “অর্থলিপ্সা মানুষকে পরিপূর্ণ পশু করে তোলে -উদ্দীপকে ও “মাসি-পিসি” গল্পে এ সত্যটি সন্দেহাতীতভাবে প্রকাশিত হয়েছে” মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ২ : বকুল যখন স্বামীহারা হয়, তখন তার মেয়ে পারুলের বয়স দুই বছর। একদিকে অর্থকষ্ট, অপরদিকে বদলোকের কুদৃষ্টি। লোকের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে, খেয়ে না খেয়ে মেয়েটাকে বড় করে বকুল। একসময় মেয়ের বিয়েও দেয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই অত্যাচারী স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছেদ করে মায়ের কাছে ফিরে আসে পারুল। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য মেয়ে পারুল হয় বকুলের অবলম্বন। মায়ের জীবন- সংগ্রাম দেখে বড় হওয়া পারুল মায়ের চেয়ে সাহসী এবং আত্মমর্যাদাশীল । বাড়ির পাশে শাক-সবজি চাষ করে, ঘরে হাস-মুরগী পালন করে, ধান ভেনে, কীথা সেলাই করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে মা ও মেয়ে। যেকোনো অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জীবন বলি রাখার দৃঢ় প্রত্যয় বকুল ও পারুলের চাল চলনে।

    ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
    খ. “নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে’ – কার, কেন?
    গ. উদ্দীপকের পারুলের সাথে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদীর চারিত্রিক বৈপরীত্য দেখাও।
    ঘ. উদ্দীপকটি অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মন্তব্য ধারণ করে- তোমার মতামত দাও।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৩ : স্বামী-স্ত্রী দুজনেই মরিশাসে চাকরি করেন। একমাত্র মেয়ে আঁখিকে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় মামার বাড়িতে রেখেছিলেন। বাড়িতে ছিল মামা-মামি ও মামাত ভাই তরিকুল । গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিমানবন্দর স্টেশনে ব্যাগের ভেতর আঁখির লাশ পাওয়া যায়। আঁখির নিখোঁজ হওয়ার পরে দাফন-কাফন সর্বত্র ছিল তরিকুলের পদচারণা । ইতোমধ্যে তরিকুল গ্রেফতার হয়েছে। স্বীকারোক্তিমূলক জনাববন্দিতে বলেছে যে, সেদিন বাসায় আঁখির মামা-মামি ছিল না। জীখিকে একা পেয়ে সে পাশবিক নির্যাতন করে গলা টিপে হত্যা করে।

    ক. সালতি কী?
    খ. বুড়ো রহমান খড়ের আঁটি তুলে দেয়ার ফাকে ফাকে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
    গ. “মাসি-পিসি” গল্পের মাসি-পিসির দায়িত্ববোধের সাথে উদ্দীপকের মামা-মামির দায়িত্ববোধের তুলনা করো?
    ঘ. “যুগের উন্নতি হলেও নারীর প্রতি লোলুপ দৃষ্টিভঙ্গির কোন পরিবর্তন হয়নি” – মন্তব্যটি “মাসি-পিসি” গল্প ও উদ্দীপকের আলোকে যাচাই করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৪ : যুবতী নবিতুন ‘সারেং বৌ’ উপন্যাসের নায়িকা। জীবিকার তাগিদে স্বামীকে দূর পথে বছরের অধিকাংশ সময় কাটাতে হয়। চারপাশের অশুভ ইঙ্গিত তাকে যখন তখন তাড়া করে বেড়ায়। আছে দারিদ্র্য ও দুর্যোগ । আত্মবিশ্বাস, সাহস, বুদ্ধিমতা আর দৃঢ়তা দিয়ে সবকিছু জয় করে সে। স্বামীর প্রতি ভালোবাসা আর সুন্দর জীবনের স্বপ্ন তাকে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যোগায়।

    ক. কে বাঘের মতো ছিল?
    খ. “সোয়ামি নিতে চাইলে বৌকে আটকে রাখার আইন নেই’ – ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের নবিতুনের সঙ্গে “মাসি-পিসি” গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি বর্ণনা করো।
    ঘ. “উদ্দীপকের নবিতুন “মাসি-পিসি” গল্পের আহ্লাদির বিপরীত” – উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ : স্বামী পরিত্যক্তা রানুকে স্নেহ-মমতা-সাহস দিয়ে আগলে রেখেছে তার খালা আনোয়ারা। আনোয়ারা বিধবা হলেও ছোটখাটো একটা ব্যবসার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পেরেছে। তার স্পর্ধা ও দৃঢ়তা দেখে এলাকার কেউ রানুর দিকে চোখ তুলে তাকানোরও সাহস পায় না।

    ক. কে সিঁথির সিঁদুর পর্যন্ত ঘোমটা টেনে দেয়?
    খ. কেমন একটা স্বস্তি বোধ করে মাসি-পিসি – কেনো?
    গ. উদ্দীপকে “মাসি-পিসি” গল্পের কোন দিকটি উঠে এসেছে? আলোচনা করো।
    ঘ. অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হলে সমাজে নারীর অবস্থান বদলে যায়’ – উদ্দীপক ও “মাসি-পিসি” গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৬ : নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই মানবসভ্যতা আজ এতদূর প্রসারিত। নারীকে উপেক্ষা করে কোনো সভ্যতা সৃষ্টি হতে পারে না। নারীকে তার আপন মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করতে দরকার পুরুষের সহযোগিতা । কিন্তু এই পুরুষের হীন মানসিকতার কারণেই কখনো কখনো নারীকে টিকে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত হতে হয়। বেছে নিতে হয় কঠিন জীবন, হতে হয় সাহসী ও প্রতিবাদী।

    ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?
    খ. ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয় – উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের হীন মানসিকতার পুরুষের সঙ্গে “মাসি-পিসি” গল্পের কার বা কাদের সাদৃশ্য রয়েছে? নির্ণয় করো।
    ঘ. উদ্দীপকের শেষ বাক্যটি “মাসি-পিসি” গল্পে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? আলোচনা করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৭ :
    সে যুগ হয়েছে বাসি,
    যে যুগে পুরুষ দাস ছিল নাকো, নারীরা আছিল দাসী ।
    বেদনার যুগ, মানুষের যুগ, সাম্যের যুগ আজি,
    কেহ রহিবে না বন্দি কাহারও, উঠিছে ডঙ্কা বাজি।

    ক. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে কী গাছের ছায়ায় তিন-চারজন ঘুপটি মেরে আছে?
    খ. “নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে” – ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের সাথে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের চেতনাগত সাদৃশ্য তুলে ধরো।
    ঘ. “উদ্দীপক ও “মাসি-পিসি” গল্পে অধিকার-আদায়ে নারীর সাহসী ভূমিকার বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে” মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৮ : মালিহা আর স্বামীর ঘরে যেতে চায় না। অনেক স্বপ্ন নিয়ে তার বিয়ে হয়েছিল আমতলীর রাশেদের সাথে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই তার সকল স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। কারণ তার স্বামী ছিল অত্যন্ত বদমেজাজী, মদ ও জুয়ায় আসক্ত, যা সে জানতো না। কথায় কথায় সে তার গায়ে হাত তুলতো, ঠিকমতো খেতেও দিত না। অত্যাচারে, অনাহারে মালিহার শরীর ভেঙে যায়। সে আর থাকতে পারে না সেখানে । ফিরে আসে বাবার বাড়ি, স্বামী তাকে বেশ কয়েকবার নিয়ে যাওয়ার জন্য এলেও সে যায়নি। তার বাবাও সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেয়েকে আর শ্বশুরবাড়ি পাঠাবে না।

    ক. মাসি-পিসি কীসের উপোস করছে?
    খ. যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে”মাসি-পিসি” – ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের রাশেদ “মাসি-পিসি” গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ -ব্যাখ্যা করো।
    ঘ. “মাসি-পিসি” গল্পের আহ্লাদি ও উদ্দীপকের মালিহা যেন একই পরিস্থিতির শিকার – বিশ্লেষণ করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ৯ : আব্দুল মালেকের কিশোরী মেয়েটা এবার বাপের বাড়ি এসে কিছুতেই শ্বশুরবাড়ি যেতে চাচ্ছে না। যৌতুকের টাকা না দিতে পেরে মেয়েটি শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার কিছুতেই সহ্য করতে পারছে না। আবদুল মালেক এ ব্যাপারে মেয়ের ওপর জোর খাটানোর চেষ্টা করেন না। বরং প্রতিবাদী হয়ে উঠেন এবং নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেন।

    ক. ‘সোমত্ত’ শব্দের অর্থ কী?
    খ. কানাইয়ের লোকজন খানিকটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় কেন?
    গ. উদ্দীপকের আব্দুল মালেক “মাসি-পিসি” গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? বর্ণনা করো।
    ঘ. উদ্দীপক ও “মাসি-পিসি” গল্পের চেতনা অভিন্ন – যাচাই করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ১০ : জেলেপাড়ার জীবন যেমন স্থবির ঠিক তেমনি স্থবির হাসুর মায়ের সংসার । মাছ ধরতে গিয়ে তার স্বামী আর ফিরে আসেনি; তাও পার হয়ে গেছে চার চারটি বছর। বড়ো মেয়ে হাসু আর ছোটো মেয়ে রাসুকে নিয়ে কোনমতে তার দিন কাটে । রাসুকে জমিদার বাড়িতে কাজে লাগিয়ে দিয়েছে ডুবন মাঝির মেয়ে ফুলি। হাসুকেও দিতে বলেছিল কিন্তু জমিদারের নায়েবের হাসুর প্রতি লোলুপ দৃষ্টি হাসুর মায়ের চোখ এড়ায়নি। হাসু ঘরে বসেই ডালের বড়ি, আচার, তাল পাতার পাখা বানিয়ে মায়ের হাতে দেয় বাজারে বিক্রির জন্য । প্রতিবেশীদের সহায়তায় দুই মেয়েকে নিয়ে এভাবেই কাটে হাসুর মায়ের জীবন।

    ক. চায়ের দোকানে কৈলাশের সাথে কার দেখা হয়েছিল?
    খ. নিজেকে তার ছ্যাচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে – কারণ ব্যাখ্যা করো।
    গ. উদ্দীপকের সাথে “মাসি-পিসি” গল্পের সাদৃশ্য লেখো।
    ঘ. দারিদ্র্যকে জয় করে নারীর অস্তিত্ব রক্ষার যে বাস্তব চিত্র উদ্দীপক ও “মাসি-পিসি” গল্পে উঠে এসেছে – তা মূল্যায়ন করো।

    সৃজনশীল প্রশ্ন ১১ : স্বামীর মৃত্যুর পর রাহেলা বেগম নিজেই সংসারের ভার কাঁধে তুলে নেয়। অনেক কষ্ট করে বাজারে একটি মুদি দোকান দেয়। সেই দোকান থেকে অর্জিত টাকা দিয়ে সংসারের খরচ, মেয়ের পড়ালেখার খরচ মিটিয়ে কিছু টাকা সপ্চয়ও করেছে। কিন্তু ইদানীং রাহেলা বেগমের টাকা ও মেয়ের প্রতি নজর পড়েছে এলাকার ক্ষমতাবান ব্যক্তি সাজ্জাদের। সাজ্জাদ ও তার পোষা গুন্ডাদের হাত থেকে সম্পত্তি ও মেয়েকে রক্ষা করতে রাহেলা বেশ সচেতন ও সাহসী । ঝামেলা হতে পারে ভেবে তাই রাহেলা বেগম আগে থেকেই থানায় সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ডায়েরি করে রাখে।

    ক. আল্লাদির পরিবার কোন রোগে মারা যায়?
    খ. বুড়ো রহমান ছলছল চোখে আহ্লদির দিকে তাকায় কেন?
    গ. উদ্দীপকের সাজ্জাদ “মাসি-পিসি” গল্পের কোন চরিত্রের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তা আলোচনা করো।
    ঘ. “সংগ্রাম ও সাহসিকতায় রাহেলা ও “মাসি-পিসি” গল্পের মাসি ও পিসি একসূত্রে গাথা”- তোমার মতামত ব্যক্ত করো।

    সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (PDF) ডাউনলোড

    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

    যারা দুর্বল, যারা সাধারণ তাদেরকে নানা প্রকার প্রতিকূলতা সহ্য করতে হয়। অন্যায়কারী দুর্বলকে খোজে অন্যায় করার ললাভে। দুর্বল হয়তাে কখনাে মাথা পেতে নেয়, সহ্য করে । কিন্তু দুর্বল যেদিন জেগে ওঠে, ক্ষেপে যায়, সেদিন অসুরের শক্তি ভর করে তাদের শরীরে।

    ক. বুড়াে রহমানের মেয়ে কোথায় মারা গেছে?
    খ. মাসি-পিসি হাতে কাটারি-বঁটি তুলে নিয়েছিলেন কেন?
    গ. উদ্দীপকে যাদের দুর্বল বলা হয়েছে, তাদের সাথে মাসি-পিসির সাদৃশ্য দেখাও।
    ঘ. দুর্বল ক্ষেপে গেলে দুর্বার সাহসী হয়ে ওঠে’- উক্তিটি উদ্দীপক ও মাসি-পিসি’ গল্পের আলােকে বিশ্লেষণ কর।

    মাসি-পিসি গল্পের সৃজনশীল উত্তর (১)

    ক.  বুড়াে রহমানের মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে মারা গেছে।

    খ. রাত্রি বেলায় কানাই চৌকিদার মাসি-পিসিকে জোর করে কাছারিবাড়ি নিয়ে যেতে চাইলে এর প্রতিবাদে তারা কাটারি-বঁটি হাতে তুলে নিয়েছিল। ‘আহ্বান’ গল্পে দুজন বিধবা নারী চরিত্র হলাে মাসি-পিসি। তারা আহ্লাদি নামের মেয়েটিকে নিয়ে জীবনসংগ্রামে লিপ্ত হয়। সম্পর্কে এরা আহ্লাদির মাসি-পিসি।অহ্লাদি অত্যাচার-নির্যাতনের ভয়ে স্বামীর ঘরে যেতে চায় না। এই দিকে সমাজের দুষ্টলােকদের লােলুপ দৃষ্টি পড়েছে আহ্লাদির দিকে। কানাই চৌকিদার রাতে এসে মিথ্যে কথা বলে মাসি-পিসিকে কাছারিবাড়িতে যেতে বলে যাতে করে সাধু, বৈদ্য, ওসমানেরা জোর করে আহ্লাদিকে তুলে নিতে পারে। এই সময় মাসি-পিসি প্রতিবাদ করে এবং হাতে কাটারি-বঁটি তুলে নেয়।

    গ.  ক্ষমতাবানদের দ্বারা শােষিত-নির্যাতিত হওয়া এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার দিক দিয়ে উদ্দীপকে যাদের দুর্বল বলা হয়েছে তাদের সাথে মাসি-পিসির সাদৃশ্য অনেক।
    সমাজে পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষেরা অনেক সময় লােভী-প্রভাবশালী ও হীন মানসিকতার লােকদের শিকারে পরিণত হয় ।তাদের সর্বস্ব কেড়ে নিতে উদগ্রীব হয় শােষকরা। উদ্দীপকে বলা হচ্ছে, যারা দুর্বল, যারা সাধারণ তাদের নানা প্রকার প্রতিকূলতা সহ্য করতে হয়। অন্যায়কারী দুর্বলকে খোজে অন্যায় করার লােভে। দুর্বল হয়তাে কখনাে মাথা পেতে নেয়, সহ্য করে । কিন্তু তারাও সময় জেগে ওঠে।

    তখন তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরােধ গড়ে তােলে। উদ্দীপকের এই দুর্বলদের সাথে মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসির অনেক সাদৃশ্য রয়েছে। গল্পে মাঝি-পিসি হলাে অসহায় বিধবা দুজন নারী। সম্পর্কে তারা আহ্লাদি নামের কিশােরী বধূর মাসি-পিসি । আহ্লাদিকে নিয়ে মাসি-পিসির সংগ্রাম।

    আরও পড়ুন  এইচএসসি ইতিহাস ১ম পত্র সাজেশন ২০২৪

    তারা আহ্লাদিকে নেওয়ার জন্য তার স্বামী জগু কৈলাশকে দিয়ে ভয়ভীতি দেখায়ে। কিন্তু নির্যাতনের ভয়ে আহ্লাদিকে মাসি-পিসি যেতে দেয় না। আবার গ্রামে দুষ্ট কানাই চৌকিদার, গুণ্ড সাধু বৈদ্য, ওসমানদের লােলুপ দৃষ্টি পড়ে আহ্লাদির ওপর। সেখান থেকে আহ্লাদিকে সুরক্ষা দেয় মাসি) পসি। বঁটি কাটারি হাতে ধাওয়া করে কানাইকে। এসব দিক থেকে উদ্দীপকের দুর্বলদের সাথে মাসি-পিসির সাদৃশ্য রয়েছে।

    ঘ. দুর্বল ক্ষেপে গেলে দুর্বার সাহসী হয়ে ওঠে’- উক্তিটি উদ্দীপক ও মাসি-পিসি’ গল্পের ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযােজ্য।

    খেটে খাওয়া অসহায় মানুষেরা অনেক সময় শত কষ্ট, অত্যাচার মুখ বুজে সহ্য করে। কিন্তু এক সময় তাদেরও ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যায়। তখন তারা প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে।উদ্দীপকে দুর্বল শ্রেণির কথা বলা হয়েছে যারা নানা প্রকার প্রতিকূলতা সহ্য করে । অন্যায়কারীরা দুর্বলদের খোঁজে অন্যায় হাসিল করার লােভে। এই সময় দুর্বল হয়তাে মাথা পেতে নেয়, সহ্য করে । কিন্তু এক সময় এরাও জেগে ওঠে, প্রতিবাদে মুখর হয়। এই সময় যেন তাদের শরীরে অসুরের শক্তি ভর করে।

    একইভাবে আমরা মাসি-পিসি’ গল্পের বিধবা নারী মাসি-পিসি এবং আহ্লাদিকে সমাজ-পরিবার ও স্বামীর নানা অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করতে দেখি। কিন্তু এক সময় মাসি-পিসিকে চরম প্রতিবাদী হতেও দেখি যখন বাড়িতে কানাই চৌকিদার তাদের কাছারিবাড়ি যেতে বলে।কানাই, সাধু বৈদ্য, ওসমান মাসি-পসিকে বাড়ি । থেকে বের করে আহ্লাদিকে তুলে নিতে চায়। তখন মাসি-পিসি কাটারি, বঁটি হাতে প্রতিবাদে গর্জে ওঠে। উদ্দীপকে দুর্বলদের প্রতি শােষণ-নির্যাতন এবং এর বিরুদ্ধে তাদের সর্বাত্মক প্রতিরােধের কথা বলা হয়েছে।

    মাসি-পিসি’ গল্পে এই দিকটি মাসি-পিসির সামাজিক অবস্থান, তাদের জীবনসংগ্রাম এবং অসহায় আহ্লাদিকে বিরূপ সমাজ তথা পৃথিবীর হাত থেকে রক্ষা করতে তাদের সাহসিকতা ও কর্মকাণ্ডের মাঝে ফুটে উঠেছে। সুতরাং বলা যায়, “দুর্বল ক্ষেপে গেলে দুর্বার সাহসী হয়ে ওঠে।”- উক্তিটি উদ্দীপক ও গল্পের আলােকে যথার্থ ।

    মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল 

    শৈশবে বাবা-মাকে হারিয়ে এক চাচার আশ্রয়ে থাকা আসমার জীবনে ঘটে যায় বাল্যবিবাহ। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে  তালাক। চাচার সহযােগিতা না পেলেও দমে যায়নি সে। টিউশন করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে মাধ্যমিক | ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাভ করে ভালাে ফল। আসমা এখন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্রী।

    ক. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে চৌকিদারের নাম কী?
    খ. আহ্লাদিকে দেখে বুড়াে রহমানের চোখ ছলছল করে ওঠে কেন?
    গ. উদ্দীপকের চাচা ও মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন কর।
    ঘ. উদ্দীপকের আসমা এবং মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।”- আলােচনা কর।

    মাসি-পিসি গল্পের সৃজনশীল উত্তর (২)

    ক. উত্তরঃ ‘মাসি-পিসি’ গল্পে চৌকিদারের নাম কানাই।

    খ. উত্তরঃ বুড়াে রহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে। কারণ আহ্লাদিকে দেখে তার অল্পদিন আগে মরে যাওয়া মেয়ের কথা মনে হয়। বুড়াে রহমানের মেয়ে আহ্লাদির চেয়ে বয়সে ছােট এবং রােগাটে। অবুঝ ছােট মেয়েটি শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের ভয়ে সেখানে যেতে চাইত না; কান্নাকাটি করত।

    আরও পড়ুন  শিক্ষামূলক উক্তি ৬০টি, স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন

    তবু মেয়ের ভালাের কথা ভেবে বুড়াে রহমান তাকে জোর করে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দিলে মেয়েটি সেখানে মারা যায়। স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আহ্লাদিও শ্বশুরবাড়ি থেকে মাসি-পিসির কাছে চলে আসে। তাই আহ্লাদিকে দেখে বুড়াে রহমানের নিজের মেয়ের কথা মনে পড়ে এবং সে ছলছল চোখে আহ্লাদির দিকে তাকায়।

    গ. উত্তরঃ উদ্দীপকের চাচা নিজের দায়িত্বশীলতার পরিচয় না দিলেও মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসি দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন। পুরুষ শাসিত সমাজে নারীরা সবসময় বৈষম্য ও নিযাতনের শিকার হয়। অনেক সময় তারা পরিবারের সাহায্য পায়, আবার কেউ নিদারুণ কষ্টে পতিত হয়।

    মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদি স্বামীর দ্বারা নির্যাতিত হলে মাসি-পিসি তাকে আশ্রয় দেয়। মাসি-পিসি তাকে ভরণপােষণ ও | নিরাপত্তা দিতে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত হয়। তারা আহ্লাদিকে সমাজের লালসা-উন্মত্ত মানুষদের কাছ থেকে রক্ষা করে। উদ্দীপকের পিতৃমাতৃহীন আসমাও চাচার আশ্রয়ে লালিত-পালিত হয়। তাকে বিয়ে দেওয়া হলে যে শ্বশুর বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়।

    চাচার দায়িত্বহীনতার কারণে তাকে বাল্যবিবাহের বলি হতে হয়। তালাকপ্রাপ্ত আসমা পরবর্তীতে চাচার কাছ থেকে কোনাে সহযােগিতাও পায়নি। এমনিক আসমাকে নিরাপত্তাও দেয়নি তার চাচা। কিন্তু মাসি-পিসি’ গল্পে মাসি-পিসি তাদের দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করেছেন। তাই বলা যায়, কর্তব্য পালন ও দায়িত্বশীল আচরণের দিক থেকে উদ্দীপকের চাচা এবং আলােচ্য গল্পের মাসি-পিসির মাঝে বৈসাদৃশ্য রয়েছে।

    ঘ. উত্তরঃ “উদ্দীপকের আসমা এবং মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।”- মন্তব্যটি যথার্থ। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়। এই নির্দয় সমাজ-সংসারে তাদের সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়। তবে অনেকেই এখন সাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে।

    মাসি-পিসি’ গল্পে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ঘৃণ্য মানসিকতার প্রতিফলন ঘটেছে আহ্লাদির নির্যাতিত ও মাসি-পিসিকে হয়রানি করার মধ্য দিয়ে। আলােচ্য গল্পে পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নির্যাতিত নারীর প্রতিনিধিত্ব করেছে আহ্লাদি। উদ্দীপকেও নারীদের ওপর অত্যাচারে বিষয়টি লক্ষ করা যায়। পিতামাতাহারা আসমাকে শৈশবেই বিয়ে দেয় তার চাচা।

    বাল্যবিবাহের বলি হওয়া আসমা স্বামীগৃহে নির্মম নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়। স্বামী তালাক দিলে এই অসহায় নারী চাচার কাছ থেকে কোনাে সহযােগিতা পায়নি। জীবনসংগ্রামে একাকী লড়াই করতে হয়েছে তাকে। উদ্দীপকের আসমা পুরুষতান্ত্রিক সমাজের নেতিবাচক মানসিকতার শিকার।

    ‘মাসি-পিসি’ গল্পে আদি পুরুষতান্ত্রিক সমাসের কাছে বার বার হয়রানি হয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে। পিতৃমাতৃহীন আহ্লাদিকে স্বামী উঠতে বসতে নির্যাতন করে। তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেই কেবল থামে না, পেটপুরে খেতেও পর্যন্ত দেয় না। বাঁচার তাগিদে বিধবা মাসি ও পিসির কাছে সে আশ্রয় নেয়। কিন্তু সেখানেও দারােগা, জোতদার গুন্ডা-বদমাশদের লােলুপ দৃষ্টি পড়ে আহ্লাদির ওপর। উদ্দীপকের আসমাও স্বামীর নির্যাতনের শিকার। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের আসমা এবং আলােচ্য গল্পের আহ্লাদি উভয়ই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।

    মাসি পিসি গল্পের MCQ 2025

    ১. মানিক বন্দোপাধ্যায়ের জন্মস্থান কোথায়?
    ক. মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর
    খ. বিহারের পালামৌ
    গ. আসামের কাছাড়
    ঘ. বিহারের সাঁওতাল পরগনা

    ২. ‘তাঁর আসল নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়।’ মানিক তাঁর-
    ক. ডাকনাম
    খ. বংশীয় নাম
    গ. পদবি
    ঘ. ছদ্মনাম

    ৩. বিক্রমপুর অঞ্চলটি কোন জেলায় অবস্থিত?
    ক. নারায়ণগঞ্জ
    খ. মুন্সিগঞ্জ
    গ. মানিকগঞ্জ
    ঘ. নরসিংদী

    ৪. জননী, চিহ্ন এগুলো কী?
    ক. গল্পগ্রন্থ
    খ. প্রবন্ধ সংগ্রহ
    গ. উপন্যাস
    ঘ. নাটক

    ৫. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালে মারা যান?
    ক. ১৯৫৬
    খ. ১৯৫৭
    গ. ১৯৫৮
    ঘ. ১৯৬০

    ৬. ‘১৯৫৬ খ্রিষ্টাব্দের ৩রা ডিসেম্বর’ সময়ের দিক-
    ক. উনিশ শতকের মাঝামাঝি
    খ. বিশ শতকের সূচনা
    গ. বিশ শতকের মাঝামাঝি
    ঘ. বিশ শতকের সমাপ্তি

    ৭. ‘মাসি-পিসি’ গল্পটি কে লিখেছেন?
    ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    খ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    গ. তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়
    ঘ. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ৮. খালে কাদা, ভাঙা ইটপাটকেল আর ওজনে ভারী আবর্জনা বেরিয়ে পড়ে গেছে কেন?
    ক. জোয়ারের জন্য
    খ. ভাটার জন্য
    গ. সেচের কারণে পানি কমে গেছে বলে
    ঘ. খালে বাঁধ দিয়ে জল শুকানোর জন্য

    ৯. সালতি থেকে ওদের মাথায় খড় তুলে দিচ্ছে কত জন?
    ক. এক জন
    খ. দুই জন
    গ. তিন জন
    ঘ. চার জন

    ১০. কৈলেশের মাথার চুল কেমন ছিল?
    ক. কদমছাঁটা শুষ্ক
    খ. বাটিছাঁটা রুক্ষ
    গ. কদমছাঁটা রুক্ষ
    ঘ. আধাপাকা রুক্ষ

    ১১. মাসি-পিসির কাপড়ের আঁচল কোমরে বাঁধা ছিল-
    ক. তরকারি বিক্রি করছিল বলে
    খ. সালতির লগি ঠেলছিল বলে
    গ. কানাইয়ের সাথে ঝগড়া করছিল বলে
    ঘ. ঘড় থেকে পানি আনছিল বলে

    ১২. প্রৌঢ়া বিধবা মানে-
    ক. প্রবীণ স্মামীহীন নারী
    খ. স্বামীহীন তেজস্বী নারী
    গ. চল্লিশোর্ধ্ব স্বামীহীন নারী
    ঘ. অল্পবয়সী স্বামীহীন নারী

    ১৩. নৌকা দিয়ে আসার সময় আহ্লাদির পরনে কী ছিল?
    ক. নকশা পাড়ের সস্তা সাদা শাড়ি
    খ. নকশাহীন দামি রঙিন শাড়ি
    গ. রঙিন পাড়ের সস্তা সাদা শাড়ি
    ঘ. নকশা পাড়ের সস্তা নীল শাড়ি

    ১৪. কার গলা ঝরঝরে আওয়াজ একটু মোটা?
    ক. মাসির
    খ. পিসির
    গ. জগুর
    ঘ. মাসি-পিসির

    ১৫. মাসি-পিসি দুজনে সালতির দুমাথায় থাকলে কৈলাশের খবরটা বলা সম্ভব নয় কেন?
    ক. খবরটা গোপন বলে
    খ. আহ্লাদি শুনে ফেলবে বলে
    গ. তাদের দূরত্ব অনেক বেশি বলে
    ঘ. কৈলাশকে জোরে বলতে হবে বলে

    ১৬. কৈলাশের কথা আহ্লাদি কান পেতে শোনে কেন?
    ক. তার স্বামী খবর পাঠিয়েছে বলে
    খ. স্বামীর কাছে সব ফাঁস করে দেওয়ার জন্য
    গ. স্বামীর খবর জানতে কৌতুহলি বলে
    ঘ. কৈলাশ তার স্বামীর বন্ধু বলে

    ১৭. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে চায়ের দোকান কোথায় অবস্থিত?
    ক. শহরের বাজারে
    খ. গ্রামের হাটে
    গ. পুলের কাছে
    ঘ. কাছারিবাড়ির পথে

    ১৮. নিজের যেচে আহ্লাদিকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর কথা কে বলেছিল?
    ক. জগু
    খ. কৈলাশ
    গ. দারোগাবাবু
    ঘ. বুড়ো রহমান

    ১৯. বুড়ো রহমান ছলছল দৃষ্টিতে আহ্লাদির দিকে তাকায় কেন?
    ক. আহ্লাদির দুঃখে সমব্যথী হয়ে
    খ. মমতাবোধে তাড়িত হয়ে
    গ. আহ্লাদিক দেখে মেয়ের কথা মনে পড়ে বলে
    ঘ. আহ্লাদির ওপর অত্যাচার হয় বলে

    ২০. কী বিক্রি করে মাসি-পিসি জগুকে ভালো-মন্দ দশটা জিনিস খাইয়েছে?
    ক. সালতি
    খ. গরু
    গ. তরকারি
    ঘ. ছাগল

    ২১. বুড়ো রহমানের মেয়েটা কত দিন আগে শ্বশুরবাড়িতে মারা গেছে?
    ক. অল্পদিন
    খ. কিছুদিন
    গ. অনেকদিন
    ঘ. সম্প্রতি

    ২২. বুড়ো রহমানের মেয়েটা কেন শ্বশুড়বাড়িতে যেতে চায়নি?
    ক. অল্পবয়স্ক অবুঝ ছিল বলে
    খ. শ্বশুরবাড়িতে গেলে বাবার কথা মনে পড়ত বলে
    গ. শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের ভয়ে
    ঘ. আহ্লাদির মতো পরিণতি হবে ভেবে

    ২৩. জগু কিসের জন্য মামলা করবে বলে কৈলাশের কাছে জানিয়েছে?
    ক. সম্পত্তির জন্য
    খ. বউ নেওয়ার জন্য
    গ. মাসি-পিসির অন্যায় দখলদারিত্ব অবসানের জন্য
    ঘ. জায়গা-জমির জন্য

    ২৪. কৈলাশের হুমকি শুনে মাসি-পিসি মুখ চাওয়া-চাওয়ি করল কেন?
    ক. নিজেদের ভাবনার আদান-প্রদান করতে
    খ. কৈলাশকে শায়েস্তা করতে
    গ. জগুকে শায়েস্তা করতে
    ঘ. আহ্লাদির জন্য চিন্তিত হয়ে

    ২৫. আহ্লাদির বাবা, মা, ভাই কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়?
    ক. যক্ষা
    খ. কলেরা
    গ. ডায়রিয়া
    ঘ. আমাশয়

    ২৬. মাসি-পিসি আহ্লাদির বাবার আশ্রয়ে মাথা গুঁজে আছে কত দিন?
    ক. তিন বছর
    খ. পাঁচ বছর
    গ. দশ বছর
    ঘ. অনেক দিন

    ২৭. “দুর ছাই সয়ে আর কুড়িয়ে পেতে খেয়ে।” এর মানে-
    ক. কুড়িয়ে কুড়িয়ে খাওয়া
    খ. চুড়ান্ত অবহেলিত দিনযাপন করা
    গ. গালাগাল আর কুড়িয়ে খেয়ে দিনযাপন
    ঘ. দুঃখ-কষ্টে দিনযাপন করা

    ২৮. বছরের পর বছর ধরে মাসি-পিসি কিছু টাকা পুঁজি করেছিল কেন?
    ক. আহ্লদিকে দেওয়ার জন্য
    খ. দুঃসময়ে খরচের জন্য
    গ. দুর্ভিক্ষে খরচের জন্য
    ঘ. আহ্লাদির পিতাকে দেওয়ার জন্য

    ২৯. দুর্ভিক্ষের সময়ে মাসি-পিসিদের থাকাটা বরাদ্দ রেখে খাওয়াটা ছাঁটাই করার কারণ-
    ক. অর্থনৈতিক সংকট
    খ. সামাজিক সংকট
    গ. পারিবারিক সংকট
    ঘ. রাজনৈতিক সংকট

    ৩০. জগুর লাথির চোটে মরমর আহ্লাদি এসে বাপের বাড়ি হাজির হয়-
    ক. দুর্ভিক্ষের আগে
    খ. মহামারীর সময়ে
    গ. দুর্ভিক্ষের সময়ে
    ঘ. মহামারীর পরে

    ৩১. আহ্লাদি বাবা গলা কেটে রক্ত দিয়ে মাসি-পিসির ঋণ শোধ দিতে পারলেও অন্ন জোগান দিতে পারবে না কেন?
    ক. অর্থনৈতিক সক্ষমতা নেই বলে
    খ. তার চাকরি চলে গেছে বলে
    গ. মহামারীতে আক্রান্ত বলে
    ঘ. আহ্লাদির মা রাগ করবে বলে

    ৩২. মাসি-পিসিরা বাজারে তরিতরকারি বিক্রি করতে যায়-
    ক. দুটো পয়সা উপার্জনের জন্য
    খ. টাকা জমানোর জন্য
    গ. আহ্লাদির বাবাকে ভরণপোষণের খরচ দেওয়ার জন্য
    ঘ. অসুস্থ আহ্লাদিকে সুস্থ করার জন্য

    ৩৩. মাসি-পিসিরা সালতি বেয়ে কী বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যায়?
    ক. খেতের তরিতরকারি
    খ. গেরস্তের বাড়তি শাকসবজি-ফলমূল
    গ. গাঁয়ের বাবুদের বাগানের কলা
    ঘ. গেরস্ত বাড়ির সংগৃহীত ডিম, হাঁস-মুরগি

    ৩৪. বাবু বাসিন্দারা মাসি-পিসির কাছে বাগানের জিনিস বিক্রি করতে দেয়-
    ক. নগদ টাকার জন্য খ. নগদ পয়সার জন্য
    গ. বাড়তি আয়ের জন্য ঘ. উচ্চমূল্যে বিক্রি জন্য

    ৩৫. মাসি-পিসির মধ্যে ঐকান্তিক ভাব থাকার কারণ-
    ক. তাদের চিন্তাভাবনা এক
    খ. তাদের স্বভাব একই প্রকৃতির
    গ. তাদের চেহারা এক
    ঘ. তাদের বয়স ও অবস্থা এক

    ৩৬. আগে কারণে-অকারণে মাসির সঙ্গে পিসির কী বেধে যেত?
    ক. কোন্দল
    খ. ঝগড়া
    গ. রেষারেষি
    ঘ. হিংসা

    ৩৭. মাসির ওপর পিসির একটা অবজ্ঞা-অবহেলার ভাব থাকার কারণ-
    ক. মাসিই প্রথমে তরকারি বিক্রির প্রস্তাব করেছে
    খ. পিসির চেয়ে মাসিই আহ্লাদিকে বেশি ভালোবাসে
    গ. দুর্ভিক্ষের সময় মাসিই তাদের পরিবারকে বেশি সাহায্য করেছে
    ঘ. মাসি উড়ে এসে জুড়ে বসেছে

    ৩৮. পিসির কোন বিষয়টি মাসির সবচেয়ে অসহ্য লাগত?
    ক. হিংসা-দ্বেষ
    খ. অহংকার-খোঁচা
    গ. সন্দেহ-অবিশ্বাস
    ঘ. রেষারেষি-কোন্দল

    ৩৯. আহ্লাদি ঘরে এসে পড়ায় মাসি-পিসির মধ্যকার মিল কী হলো?
    ক. জমজমাট
    খ. সুদৃঢ়
    গ. শক্ত
    ঘ. ভালো

    ৪০. মাসি-পিসির ওপর আহ্লাদির সব দায়িত্ব কেন?
    ক. মা-বাবা নেই বলে
    খ. তারা আহ্লাদিদের বাড়ি থাকে বলে
    গ. আহ্লাদির বাবা তাদের খেতে দেয় বলে
    ঘ. জগু আহ্লাদিকে নির্যাতন করে বলে

    ৪১. আহ্লাদির বাবার বেশিরভাগ সম্পদ কার দখলে গেছে?
    ক. জগুর
    খ. গোকুলের
    গ. দারোগা বাবুর
    ঘ. বড় বাবুর

    ৪২. আহ্লাদিকে একা রেখে কোথাও যেতে মাসি-পিসির সাহস হয় না কেন?
    ক. একা পেয়ে কেউ তার ক্ষতি করবে ভেবে
    খ. জগু তুলে নিয়ে যাবে ভেবে
    গ. একা থাকতে আহ্লাদি ভয় পায় বলে
    ঘ. তারা আহ্লাদিকে অনেক ভালোবাসে বলে

    ৪৩. “মাথায় তুলে রাখা” মানে-
    ক. মাথার মধ্যে মারা
    খ. খুব আদর-যত্ন করা
    গ. বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া
    ঘ. ঘৃণা-অবহেলা করা

    ৪৪. বাইরে দিন কাটলেও আহ্লাদির কোনো পরিশ্রম হয়নি কেন?
    ক. শুয়ে-বসে ছিল বলে
    খ. মাসি-পিসি কাজ করতে দেয়নি বলে
    গ. মাসি-পিসি নিজেরাই নৌকা চালিয়েছে বলে
    ঘ. আহ্লাদি নিজে থেকে কোনো কাজ করতে চায়নি বলে

    ৪৫. আহ্লাদির নিজেকে ছ্যাঁচড়া, নোংরা, নর্দমার মতো লাগে কেন?
    ক. গোকুলের ভয়ে
    খ. মাসি-পিসির কাছে অনেকে দর হাঁকে বলে
    গ. তরিতরকারির মতো তাকে লোকজন কিনতে চায় বলে
    ঘ. তার জন্য মাসি-পিসিকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে

    ৪৬. জগু এলে মাসি-পিসি আহ্লাদিকে আনন্দের অভিনয় করতে শিখিয়ে দিতে চায় কেন?
    ক. জামাইকে শান্ত রাখতে
    খ. যাতে আহ্লাদিকে না নিতে চায় সেজন্য
    গ. জামাইকে গোকুলের বিরুদ্ধে চড়াও হতে
    ঘ. জগু যাতে মামলা না করে সেজন্য

    ৪৭. রান্না সেরে খাওয়ার আয়োজনের সময় বাইরে থেকে কার হাঁক আসে?
    ক. দারোগা বাবুর
    খ. ওসমান বৈদ্যের
    গ. গোকুলের
    ঘ. কানাই চৌকিদারের

    ৪৮. সরকার বাবুর সঙ্গে মাসি-পিসির ঝগড়া হয়েছে কি নিয়ে?
    ক. আহ্লাদির বিয়ে নিয়ে
    খ. বাজারের তোলা নিয়ে
    গ. তরকারি বিক্রি নিয়ে
    ঘ. বাজারে জায়গা দখল নিয়ে

    ৪৯. ডোবার ধারে কাঁঠাল গাছের ছায়ায় কত জন ঘুপটি মেরে বসে আছে?
    ক. দুই-তিনজন
    খ. তিন-চারজন
    গ. চার-পাঁচজন
    ঘ. সাত-আটজন

    ৫০. বৈদ্য ওসমানেরা ঘুপটি মেরে বসেছিল-
    ক. আহ্লাদিকে ধরে নিতে
    খ. মাসি-পিসিকে ধরে নিতে
    গ. অতর্কিতে হামলা করতে
    ঘ. বড় বাবু বলেছিল বলে

    ৫১. পিসি ঘর থেকে কী নিয়ে ফিরে আসে?
    ক. বটি
    খ. দা
    গ. রামদা
    ঘ. মস্ত কাটারি

    ৫২. মাসি-পিসির কাছারিবাড়ি যেতে না চাওয়ার কারণ-
    ক. নিজেদের সম্ভ্রম রক্ষা
    খ. আহ্লাদির নিরাপত্তা
    গ. নিজেদের বাড়িঘর রক্ষা
    ঘ. জগুর নিষেধাজ্ঞা

    ৫৩. মাসি-পিসির মধ্যে ভয়ের লেশটুকু না দেখে ভ্যবাচেকা খেয়ে যায় কে?
    ক. জগু
    খ. কানাই
    গ. গোকুল
    ঘ. মাসি

    ৫৪. বাবাঠাকুর, ঘোষ মশাই, জনাদ্দন, কানুর মা, বংশী, বিপিন এরা কারা?
    ক. পিসির জ্ঞাতি
    খ. আহ্লাদির জ্ঞাতি
    গ. মাসির জ্ঞাতি
    ঘ. মাসিপিসির প্রতিবেশী

    ৫৫. মাসি-পিসি বুকে নতুন জোর পায় কেন?
    ক. প্রতিবেশীরা তাদের সাথে আছে বলে
    খ. সবাই কানাইয়ের ওপর রেগে আছে বলে
    গ. সবার সঙ্গে একই আচরণ করা হয়েছে বলে
    ঘ. প্রতিবেশীরা তাদের সান্ত¦না দিয়েছে বলে

    ৫৬. মাসি-পিসিরা ঘড়া থেকে জল দিয়ে গামলার কম্বল চুবিয়ে রাখে কেন?
    ক. আগুনের হাত থেকে আত্মরক্ষার জন্য
    খ. আগুনের হাত থেকে ঘর রক্ষার জন্য
    গ. আহ্লাদির জ্বর এলে মাথায দেওয়ার জন্য
    ঘ. পরের দিন কম্বল ধোয়ার জন্য

    ৫৭. গল্পের শেষে মাসি-পিসি কিসের আয়োজন করে রখে?
    ক. ঝগড়ার
    খ. কোন্দলের
    গ. যুদ্ধের
    ঘ. মারামারির

    ৫৮. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে ‘পাষাণ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যে অর্থে-
    ক. শিলা
    খ. পাথর
    গ. হৃদয়হীন
    ঘ. বাটখারা

    ৫৯. ‘খুনসুটি’ শব্দের অর্থ কী?
    ক. খুন করার পর শুকিয়ে যাওয়া
    খ. পাটকাঠি
    গ. কাটবার অস্ত্র
    ঘ. হাসি-তামাশাযুক্ত বিদায়-বিসম্বাদ বা ঝগড়া

    ৬০. ‘কাটারি’ শব্দের অর্থ কোনটি?
    ক. কাটা তরকারি
    খ. কাটবার অস্ত্র
    গ. কাটাকাটি
    ঘ. কাটা তার

    “মাসি-পিসি” গল্পের সংক্ষিপ্তসার

    গল্পটি দুই চরিত্র—মাসি এবং পিসি—নিয়ে আবর্তিত। মাসি ও পিসি একে অপরের বিপরীত স্বভাবের হলেও তাদের বন্ধন মজবুত। মাসি অত্যন্ত রাগী, অথচ পিসি মজার এবং সহজ-সরল। তারা একসঙ্গে মজার সব ঘটনা ঘটায়, যা কখনও হাস্যকর, কখনও শিক্ষণীয়। গল্পটি মানুষের সম্পর্কের জটিলতা এবং জীবনের ছোটখাটো ঘটনাকে সহজভাবে নেওয়ার শিক্ষা দেয়।

  • আমার ফাঁসি চাই বই পিডিএফ (Amar Fashi Chai PDF Free Download) – লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু

    আমার ফাঁসি চাই বই পিডিএফ (Amar Fashi Chai PDF Free Download) – লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু

    আমার ফাঁসি চাই বই পিডিএফ ডাউনলোড – “আমার ফাঁসি চাই PDF” (Amar Fashi Chai PDF Free Download) বইটি লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর লেখা একটি অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত গ্রন্থ। মতিউর রহমান রেন্টু শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন এবং তাঁর কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই বইটি লিখেছেন। বইটি প্রকাশের পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার সরকার এই বইটি নিষিদ্ধ করে, যা বইটির জনপ্রিয়তা ও বিতর্কের কারণ।

    Amar Fasi Chai PDF

    আমার ফাঁসি চাই বইটির পটভূমি

    মতিউর রহমান রেন্টু একজন সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর কাজের সময়কালে, তিনি হাসিনার জীবন ও রাজনীতির নানা অজানা দিক সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পান। এই বইতে তিনি সেই সকল তথ্য ও ঘটনাগুলি তুলে ধরেছেন যা সাধারণ মানুষ জানে না।

    আমার ফাঁসি চাই বইটির প্রধান বিষয়বস্তু

    বইটির প্রধান আকর্ষণ হল শেখ হাসিনার জীবনের অজানা ঘটনা ও তথ্য। লেখক দাবি করেছেন যে, তিনি হাসিনার অনেক গোপন তথ্য জানেন যা বইতে প্রকাশিত হয়েছে। এই তথ্যগুলি বইটিকে অত্যন্ত বিতর্কিত করেছে। শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবন, রাজনৈতিক কৌশল, এবং ক্ষমতার পিছনের নানা গল্প এখানে বর্ণিত হয়েছে। লেখক তাঁর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অনেক অজানা ঘটনা ও কাহিনী তুলে ধরেছেন যা পাঠকদের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়।

    আমার ফাঁসি চাই বইটি নিয়ে বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া

    বইটি প্রকাশের পর থেকেই তা ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করে। শেখ হাসিনার সরকার বইটিকে নিষিদ্ধ করে এবং লেখক ও তাঁর স্ত্রীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। এই নিষেধাজ্ঞা বইটির জনপ্রিয়তাকে আরও বৃদ্ধি করে। অনেক পাঠক বইটিকে শেখ হাসিনার জীবন ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি বিশ্বকোষ হিসেবে দেখে। এই বইয়ের মাধ্যমে হাসিনার জীবনের নানা অজানা দিক প্রকাশিত হয়েছে যা পাঠকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

    আমার ফাঁসি চাই বইটির প্রভাব ও গুরুত্ব

    “আমার ফাঁসি চাই” বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে। এটি পাঠকদের শেখ হাসিনার জীবনের গভীর দিকগুলি জানতে সহায়তা করে এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা অজানা তথ্য প্রদান করে। বইটি বিতর্কিত হলেও, এর জনপ্রিয়তা ও প্রভাব অপরিসীম। এটি পাঠকদের শেখ হাসিনার জীবনের একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন দিক দেখতে সাহায্য করে।

    আমার ফাঁসি চাই বই পিডিএফ ফ্রি ডাউনলোড  – Amar Fashi Chai PDF Free Download Link

    “আমার ফাঁসি চাই” বইটি ডাউনলোড করা নিয়ে যদি আপনি আগ্রহী হন, তবে কিছু বিষয় মাথায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এটি একটি কপিরাইটযুক্ত বই হতে পারে, এবং কপিরাইট লঙ্ঘন করে পিডিএফ ডাউনলোড করা আইনগতভাবে সঠিক নয়। যদি এই বইটি আইনগতভাবে প্রকাশিত কোনো ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়, তবে আপনি সেই ওয়েবসাইট থেকে পিডিএফ ডাউনলোড করতে পারেন। তবে আপনি যদি বিনামূল্যে বৈধভাবে এটি ডাউনলোড করতে চান, তবে এই বইটি আপনার স্থানীয় লাইব্রেরি বা কোনো বৈধ ই-বুক প্ল্যাটফর্মে দেখতে পারেন। আপনি বইটি কিনে পড়তে চাইলে যে কোনো অনলাইন বুকস্টোর থেকে তা কিনে নিতে পারেন, যেমনঃ রকমারি, বইবাজার ইত্যাদি।

     “Amar Fashi Chai” বইটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করার জন্য এই লিংকটি ব্যবহার করুন: আমার ফাঁসি চাই

    “আমার ফাঁসি চাই” বইটি শুধু একটি জীবনী নয়, এটি একটি রাজনৈতিক দলিলও বটে। মতিউর রহমান রেন্টু তাঁর অভিজ্ঞতা ও তথ্যের ভিত্তিতে বইটি লিখেছেন যা পাঠকদের শেখ হাসিনার জীবন ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অজানা দিকগুলি জানার সুযোগ প্রদান করে। বইটির নিষেধাজ্ঞা ও বিতর্ক সত্ত্বেও, এটি এখনও পাঠকদের মধ্যে জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ। যারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও শেখ হাসিনার জীবন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই বইটি অবশ্যপাঠ্য।