Category: পড়াশুনা

  • “ঊ-কার” বা “ূ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঊ-কার” বা “ূ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঊ-কার” বা “ূ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪! বাংলা শব্দ গঠন শেখার জন্য প্রত্যেকটি “কার” এর ব্যবহার অবশ্যই আপনার বাচ্চাকে জানতে হবে। তাই এ পোস্টে আমরা শিখবো “ঊ-কার যোগে শব্দ গঠন, ঊ কার যোগে শব্দ, ঊ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ, ঊ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ” । শব্দ গঠন শেখা শেষে অনুশীলন করার জন্য নিচে শূন্যস্থান পূরণ দেয়া হল যা আপনার বাচ্চার জন্য খুবই জরুরি। চলুন শুরু করা যাকঃ

    “ঊ-কার” বা “ূ” কার যোগে শব্দ গঠন

    ঊ কার যোগে শব্দ গঠন

    নিচে ১০ টি শব্দ গঠন লিখা হলো যা ঊ কার দিয়ে গঠন হয়েছেঃ

    ১. মূ + লা = মূলা,

    ২. ব + ধূ = বধূ,

    ৩. সূ + তা = সূতা,

    ৪. কূ + প = কূপ,

    ৫. কূ + ল = কূল,

    ৬. ভূ + ত = ভূত,

    ৭. ধূ + লি = ধূলি,

    ৮. শূ + ড় = শূড়,

    ৯. দূ + র = দূর,

    ১০. সূ + চী = সূচী । 

    ঊ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঊ কার যোগে দুই অক্ষরের প্রায় ২০ টি শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    সূ + র্য = সূর্য,

    শূ + ল = শূল,

    ধূ + ম = ধূম,

    ধূ + প = ধূপ,

    মূ + ল = মূল,

    চূ + র্ন = চুর্ন,

    পূ + র্ব = পূর্ব,

    শূ + ন্য = শূন্য,

    চূ + ড়া = চূড়া,

    ভূ + মি = ভূমি,

    তূ + লা = তূলা,

    পূ + র্ন = পূর্ন,

    দূ + ত = দূত,

    মূ + ক = মূক,

    নূ + র = নূর,

    রূ + পা = রূপা,

    পূ + জা = পূজা,

    মূ + ঢ় = মূঢ়,

    রূ + ঢ় = রূঢ়,

    ভূ + সি = ভূসি ।

    ঊ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঊ কার যোগে তিন অক্ষরের কিছু সহজ শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. ম + য়ূ + র = ময়ূর,

    ২. ধূ + স + র = ধূসর,

    ৩. অ + কূ + ল = অকূল,

    ৪. নু + পূ + র = নুপূর,

    ৫. ভূ + ত + ল = ভূতল,

    ৬. সূ + চ + না  = সূচনা,

    ৭. পূ + র + ণ = পূরণ,

    ৮. দূ + ষ + ণ = দূষণ,

    ৯. নূ + ত + ন = নূতন,

    ১০. ভূ + মি + কা = ভূমিকা ।

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঊ কার” বা “ূ” দিয়ে দুই অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. কূ —-

    ২. ব —-

    ৩. কূ —-

    ৪. দূ —-

    ৫. শূ —-

    ৬. ভূ —-

    ৭. নূ —-

    ৮. তূ —-

    ৯. রূ —-

    ১০. পূ —-

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঊ কার” বা “ূ” দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. ম —- র

    ২. ধূ —- র

    ৩. অ —- ল

    ৪. নু —- র

    ৫. ভূ —- ল

    ৬. সূ —- না

    ৭. পূ —- ণ

    ৮. দূ —- ণ

    ৯. নূত —-

    ১০. ভূমি —–

    উক্ত পোস্টে আমরা শিখলাম “ঊ কার” বা “ূ” দিয়ে দুই ও তিন অক্ষরের শব্দ গঠন। উপরের দুটি অনুশীলন খাতায় লিখে আপনার বাচ্চাকে বার বার অভ্যাস করান। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুণ বা আমাদেরর মেইল করুণ। পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে ও ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

  • “উ-কার” বা “ু” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “উ-কার” বা “ু” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “উ-কার” বা “ু” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪! বাংলা শব্দ গঠন শেখার জন্য প্রত্যেকটি “কার” এর ব্যবহার অবশ্যই আপনার বাচ্চাকে জানতে হবে। তাই এ পোস্টে আমরা শিখবো “উ-কার যোগে শব্দ গঠন, উ কার যোগে শব্দ, উ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ, উ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ” । শব্দ গঠন শেখা শেষে অনুশীলন করার জন্য নিচে শূন্যস্থান পূরণ দেয়া হল যা আপনার বাচ্চার জন্য খুবই জরুরি। চলুন শুরু করা যাকঃ

    “উ-কার” বা “ু” কার যোগে শব্দ গঠন

    উ কার যোগে শব্দ গঠন

    নিচে ১০ টি শব্দ গঠন লিখা হলো যা উ কার দিয়ে গঠন হয়েছেঃ

    তু + লি = তুলি,

    ফু + ল = ফুল,

    ঘু + ড়ি = ঘুড়ি,

    ম + ধু = মধু,

    জু + তা = জুতা,

    ঋ + তু = ঋতু,

    টু + পি = টুপি,

    রু + টি = রুটি,

    কু + ল = কুল,

    ঝু + ল = ঝুল ।

    উ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ

    নিচে উ কার যোগে দুই অক্ষরের প্রায় ২৫ টি শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    খু + ব = খুব,

    ক + চু = কচু,

    প + টু = পটু,

    খু + শি = খুশি,

    ছু + টি = ছুটি,

    গু + ণ = গুণ,

    ঢু + লি = ঢুলি,

    থু + থু = থুথু,

    ঘু + ঘু = ঘুঘু,

    ভু + ল = ভুল,

    সু + খ = সুখ,

    মু + খ = মুখ,

    গ + রু = গরু,

    চু + ল = চুল,

    ব + ধু = বধু,

    চু + ড়ি = চুড়ি,

    সু + জি = সুজি,

    বু + ধ = বুধ,

    আ + লু = আলু,

    দু + ল = দুল,

    দু + ধ = দুধ,

    ঝু + ড়ি = ঝুড়ি,

    ফু + ফু = ফুফু,

    খু + কু = খুকু,

    কু + ল = কুল ।

    উ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ

    নিচে উ কার যোগে তিন অক্ষরের কিছু সহজ শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. র + সু + ন = রসুন,

    ২. শ + কু + ন = শকুন,

    ৩. পু + কু + র = পুকুর,

    ৪. পু + তু + ল = পুতুল,

    ৫. কু + কু + র = কুকুর,

    ৬. মু + কু + ট = মুকুট,

    ৭. মু + কু + ল = মুকুল,

    ৮. দু + পু + র = দুপুর,

    ৯. ক + বু + ল = কবুল,

    ১০. শা + মু + ক = শামুক ।

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “উ কার” বা “ু” দিয়ে দুই অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. ফু —-

    ২. ঘু —-

    ৩. ম —-

    ৪. টু —-

    ৫. খু —-

    ৬. ছু —-

    ৭. ঘু —-

    ৮. আ —-

    ৯. ফু —-

    ১০. খু —-

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “উ কার” বা “ু” দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. র —- ন

    ২. শ —- ন

    ৩. পু —- র

    ৪. পু —- ল

    ৫. কু —- র

    ৬. মু —- ট

    ৭. মু —- ল

    ৮. দু —- র

    ৯. কবু —-

    ১০. শামু —-

    উক্ত পোস্টে আমরা শিখলাম “উ কার” বা “ু” দিয়ে দুই ও তিন অক্ষরের শব্দ গঠন। উপরের দুটি অনুশীলন খাতায় লিখে আপনার বাচ্চাকে বার বার অভ্যাস করান। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুণ বা আমাদেরর মেইল করুণ। পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে ও ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

  • “ঐ-কার” বা “ৈ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঐ-কার” বা “ৈ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঐ-কার” বা “ৈ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪! বাংলা শব্দ গঠন শেখার জন্য প্রত্যেকটি “কার” এর ব্যবহার অবশ্যই আপনার বাচ্চাকে জানতে হবে। তাই এ পোস্টে আমরা শিখবো “ঐ-কার যোগে শব্দ গঠন, ঐ কার যোগে শব্দ, ঐ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ, ঐ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ” । শব্দ গঠন শেখা শেষে অনুশীলন করার জন্য নিচে শূন্যস্থান পূরণ দেয়া হল যা আপনার বাচ্চার জন্য খুবই জরুরি। চলুন শুরু করা যাকঃ

    “ঐ-কার” বা “ৈ” কার যোগে শব্দ গঠন

    ঐ কার যোগে শব্দ গঠন

    নিচে ১০ টি শব্দ গঠন লিখা হলো যা ঐ কার দিয়ে গঠন হয়েছেঃ

    ১. ক + ৈ = কৈ,

    ২. খ + ৈ = খৈ,

    ৩. দ + ৈ = দৈ,

    ৪. দৈ + ব = দৈব,

    ৫. শৈ + ল = শৈল,

    ৬. শৈ + ব = শৈব,

    ৭. তৈ + রি = তৈরি,

    ৮. বৈ + রী = বৈরী,

    ৯. জৈ + ন = জৈন,

    ১০. চৈ + ত্র = চৈত্র ।

     

    ঐ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঐ কার যোগে দুই অক্ষরের প্রায় ১০ টি শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. বৈ + ঠা = বৈঠা,

    ২. শৈ + লী = শৈলী,

    ৩. পৈ + তা = পৈতা,

    ৪. বৈ + ধ = বৈধ,

    ৫. হৈ + ম = হৈম,

    ৬. নৈ + শ = নৈশ,

    ৭. খৈ + ল = খৈল,

    ৮. তৈ + ল = তৈল,

    ৯. দৈ + ত্য = দৈত্য,

    ১০. জৈ + ব = জৈব।

    ঐ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঐ কার যোগে তিন অক্ষরের কিছু সহজ শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. শৈ + বা + ল = শৈবাল,

    ২. সৈ + নি + ক = সৈনিক,

    ৩. শৈ + শ + ব = শৈশব,

    ৪. নৈ + তি + ক = নৈতিক,

    ৫. কৈ + লা + শ = কৈলাশ,

    ৬. দৈ + নি + ক = দৈনিক,

    ৭. ভৈ + র + ব = ভৈরব,

    ৮. বৈ + ঠ + ক = বৈঠক,

    ৯. সৈ + ক + ত = সৈকত,

    ১০. বৈ + দি + ক = বৈদিক,

    ১১. গৈ + রি + ক = গৈরিক,

    ১২. বৈ + কা + ল = বৈকাল,

    ১৩. চৈ + তা + লী = চৈতালী,

    ১৪. পৈ + তৃ + ক = পৈতৃক,

    ১৫. বৈ + শা + খ = বৈশাখ,

    ১৬. বৈ + ভ + ব = বৈভব,

    ১৭. ভৈ + র + বী = ভৈরবী,

    ১৮. তৈ + জ + স = তৈজস,

    ১৯. চৈ + নি + ক = চৈনিক,

    ২০. বৈ + রা + গী = বৈরাগী ।

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঐ কার” বা “ৈ” দিয়ে দুই অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. শৈ —-

    ২. তৈ —-

    ৩. পৈ —-

    ৪. বৈ —-

    ৫. হৈ —-

    ৬. নৈ —-

    ৭. খৈ —-

    ৮. তৈ —-

    ৯. দৈ —-

    ১০. জৈ —-

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঐ কার” বা “ৈ” দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. শৈ —- ল

    ২. সৈ —- ক

    ৩. শৈ —- ব

    ৪. নৈ —- ক

    ৫. কৈ —- শ

    ৬. দৈ —- ক

    ৭. ভৈ —- ব

    ৮. বৈ —- ক

    ৯. সৈক —-

    ১০. বৈশা —-

    উক্ত পোস্টে আমরা শিখলাম “ঐ কার” বা “ৈ” দিয়ে দুই ও তিন অক্ষরের শব্দ গঠন। উপরের দুটি অনুশীলন খাতায় লিখে আপনার বাচ্চাকে বার বার অভ্যাস করান। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুণ বা আমাদেরর মেইল করুণ। পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে ও ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

  • “ঔ-কার” বা “ৌ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঔ-কার” বা “ৌ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪

    “ঔ-কার” বা “ৌ” কার যোগে শব্দ গঠন ২০২৪! বাংলা শব্দ গঠন শেখার জন্য প্রত্যেকটি “কার” এর ব্যবহার অবশ্যই আপনার বাচ্চাকে জানতে হবে। তাই এ পোস্টে আমরা শিখবো “ঔ-কার যোগে শব্দ গঠন, ঔ কার যোগে শব্দ, ঔ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ, ঔ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ” । শব্দ গঠন শেখা শেষে অনুশীলন করার জন্য নিচে শূন্যস্থান পূরণ দেয়া হল যা আপনার বাচ্চার জন্য খুবই জরুরি। চলুন শুরু করা যাকঃ

    “ঔ-কার” বা “ৌ” কার যোগে শব্দ গঠন

    ঔ কার যোগে শব্দ গঠন

    নিচে ১০ টি শব্দ গঠন লিখা হলো যা ঔ কার দিয়ে গঠন হয়েছেঃ

    ১. ব + ৌ = বৌ,

    ২. ম + ৌ = মৌ,

    ৩. দৌ + ড় = দৌড়,

    ৪. লৌ + হ = লৌহ,

    ৫. মৌ + ন = মৌন,

    ৬. ধৌ + ত = ধৌত,

    ৭. গৌ + র = গৌর,

    ৮. নৌ + কা = নৌকা,

    ৯. কৌ + টা = কৌটা,

    ১০. চৌ + কি = চৌকি ।

    ঔ কার যোগে দুই অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঔ কার যোগে দুই অক্ষরের প্রায় ১৫ টি শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. গৌ + ণ = গৌণ,

    ২. ফৌ + জি = ফৌজি,

    ৩. গৌ + রি = গৌরি,

    ৪. মৌ + ল = মৌল,

    ৫. বৌ + দি = বৌদি,

    ৬. যৌ + গ = যৌগ,

    ৭. পৌ + ষ = পৌষ,

    ৮. সৌ + র = সৌর,

    ৯. সৌ + দি = সৌদি,

    ১০. পৌ + র = পৌর,

    ১১. গৌ + ড় = গৌড়,

    ১২. বৌ + মা = বৌমা,

    ১৩. সৌ + র = সৌর,

    ১৪. চৌ + কা = চৌকা,

    ১৫. মৌ + রি = মৌরি ।

    ঔ কার যোগে তিন অক্ষরের শব্দ

    নিচে ঔ কার যোগে তিন অক্ষরের কিছু সহজ শব্দ গঠন দেয়া হলোঃ

    ১. মৌ + মা + ছি = মৌমাছি,

    ২. সৌ + র + ভ = সৌরভ,

    ৩. যৌ + ব + ন = যৌবন,

    ৪. ভৌ + তি + ক = ভৌতিক,

    ৫. গৌ + র + ব = গৌরব,

    ৬. মৌ + চা + ক = মৌচাক,

    ৭. মৌ + য়া + ল = মৌয়াল,

     ৮. বৌ + ভা + ত = বৌভাত,

    ৯. সৌ + জ + ন্য = সৌজন্য,

    ১০. কৌ + শ + ল = কৌশল,

    ১১. কৌ + তু + ক = কৌতুক,

    ১২. তৌ + হি + দ = তোহিদ,

    ১৩. শৌ + খি + ন = শৌখিন,

    ১৪. যৌ + তু + ক = যৌতুক,

    ১৫. মৌ + ল + বি = মৌলবি ।

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঔ” কার” বা “ৌ” দিয়ে দুই অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. দৌ —-

    ২. লৌ —-

    ৩. মৌ —-

    ৪. ধৌ —-

    ৫. গৌ —-

    ৬. বৌ —-

    ৭. যৌ —-

    ৮. পৌ —-

    ৯. সৌ —-

    ১০. সৌ —-

    ফাঁকা ঘড়ে শব্দ বসিয়ে “ঔ” কার” বা “ৌ” দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ গঠন করঃ

    ১. মৌ —- ছি

    ২. সৌ —- ভ

    ৩. যৌ —- ন

    ৪. ভৌ —- ক

    ৫. গৌ —- ব

    ৬. মৌ —- ক

    ৭. মৌ —- ল

     ৮. বৌ —- ত

    ৯. সৌজ —-

    ১০. কৌশ —-

    উক্ত পোস্টে আমরা শিখলাম “ঔ কার” বা “ৌ” দিয়ে দুই ও তিন অক্ষরের শব্দ গঠন। উপরের দুটি অনুশীলন খাতায় লিখে আপনার বাচ্চাকে বার বার অভ্যাস করান। আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুণ বা আমাদেরর মেইল করুণ। পোস্ট টি আপনার উপকারে আসলে ও ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

  • পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে ২০২৪? সঠিক উত্তর জানুন

    পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে ২০২৪? সঠিক উত্তর জানুন

    পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে ২০২৪? সঠিক উত্তর জানুন! আজ আমরা জানবো পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে। কারণ অনেকেই জানতে চেয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে। তাই আজ আমরা জানবো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে। চলুন তাহলে আর দেরি না করে শুরু করা যাক।

    পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে

    বিশ্বে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোক প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন। অনেকেই সেই দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছেন আবার অনেকেই এ গুরুত্বপূর্ন দ্বায়িত্ব অবহেলা করেছেন নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়ে যুগে যুগে মানব সভ্যতার কাছে নিজেকে ঘৃণিত ব্যাক্তি হিসেবে আলোচিত করে গেছেন।

    এদের মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য কয়েক জন হলেনঃ এডলফ হিটলার, চেঙ্গিস খান, জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রভৃতি। তবে তালিকার প্রথম সাড়িতে আছেন “এডলফ হিটলার”। কারণ শাসক হিসেবে তিনিই ছিলেন পৃথিবীর সব চেয়ে বেশি সমালোচিত ও নিষ্ঠুর ব্যক্তি।

    পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে তা কিভাবে বাছাই করা হয়?

    বিভিন্ন তথ্য, উপাত্ত বিশ্লেষন করে পূর্বে দ্বায়ীত্বপাপ্ত বিভিন্ন ব্যাক্তিদের মধ্য থেকে এক জনকে সবচেয়ে বড় নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী।

    অন্যদিকে বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশ, জাতি, ধর্মের ব্যবধানের কারনে বিভিন্ন সময়ের পেক্ষিতে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী বা ব্যক্তির ধারণা ভিন্ন হতে পারে। যেমনঃ নিজ দেশের বিরধী দলিয় নেতা বা নেত্রী।

    উদাহরণ সরূপ আমাদের দেশের কথাই ধরা যাক। আমাদের দেশে যখন যে দল দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকেন তখন বিরধী দলিয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তাদের দলের লোকজন বলেন “ক্ষমতাসীন দলের প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী”।

    তবে বিভিন্ন সময় ও ঘটনার পরিপেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাক্তিকে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আখ্যা করা হলেও মূলত এডলফ হিটলার কেই বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

    শেখ হাসিনা বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত?

    যা দাবী করা হচ্ছে
    “দ্যা স্ট্যাটিস্টিক্স ইন্টারন্যাশনালের জরিপে শেখ হাসিনাকে বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট শাসক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।”

    সারসংক্ষেপ:

    খবরটি বানোয়াট। এমন কোনো জরিপ কোনো সংস্থা প্রকাশ করেনি।

    • দ্যা স্ট্যাটিস্টিক্স ইন্টারন্যাশনাল নামে কোনো গবেষণা সংস্থার অস্তিত্ব নেই।
    • পূর্বে এই কাল্পনিক সংস্থার নাম ব্যবহার করে “শেখ হাসিনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছে” — এমন বানোয়াট একটি সংবাদ প্রচার করা হয়।
    • মূলত পূর্বের ঐ বানোয়াট সংবাদকে ব্যঙ্গ করেই একই সংস্থার নাম ব্যবহার করে এই বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

    শেষ কথা

    গলে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা প্রশ্নের মধ্যে এ প্রশ্নটি অনেকে করে থাকেন যে, পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট প্রধানমন্ত্রী কে। তাই আমরা এ পোস্টে এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। কমেন্টে আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ভুলবেন না।

  • রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে? – আসুন ১ মিনিটে জেনে নেই

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে? – আসুন ১ মিনিটে জেনে নেই

    রাষ্টবিজ্ঞান বিজ্ঞানের এক অন্যতম শাখা। রাষ্টবিজ্ঞানে কথা উঠলেই চলে আসে রাষ্টবিজ্ঞানে জনক ও রাষ্টবিজ্ঞানের সংজ্ঞার কথা। তাই আমরা এ পোস্টে আলোচনা করবো রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে? প্রাচীন ও আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে? ও প্রয়োজনীয় আরো কিছু প্রশ্ন সম্পর্কে।

     

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে ছিলেন?

    এরিস্টটল কে রাষ্টবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৩৮৪ সালে গ্রীসে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি একজন গ্রিক দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী। অ্যারিস্টটল প্রথম ব্যক্তি যিনি রাজনীতি সম্পর্কে একটি পৃথক শৃঙ্খলা হিসাবে বর্ননা করেছেন। তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী।

     

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আদি জনক কে?

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টোটল। তবে তিনি ছাড়াও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে আরো কিছু গুনি ব্যক্তি অবদান রাখেন। তারা হলেনঃ আর্কিমিডিস, এডাম স্মিথ ও থ্যালিস।

     

    প্রাচীন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

    প্রাচীন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটলকে বিবেচনা করা হয়। তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী ছিলেন। তিনি মানব প্রকৃতি, রাষ্ট্র, ন্যায়বিচার ও আরও বিভিন্ন ত্তত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

     

    আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

    আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেন নিকোলা ম্যাকিয়াভেলী। তিনি ইতালীতে জন্ম গ্রহন করেন। নিকোলা ম্যাকিয়াভেলী ১৫১৩ সালে “দ্যা প্রিন্স” নামে একটি বই লেখেন। এই বইটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রথম দিকের বই গুলির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ন বই।

     

    ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

    ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেন কৌটিল্য ও চানক্য।

     

    আধুনিক ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?

    আধুনিক ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হলেন দু জন ব্যক্তি। তারা দু জন হলেঃ ১/কৌটিল্য, ২/চানক্য

     

    এরিস্টটলকে কেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়?

    তিনিই সর্ব প্রথম রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কার্যকরী সংজ্ঞা প্রদান করেন। তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিজ্ঞানের একটি গতিশীল ও শক্তিশালী শাখা। তিনি ছিলেন তার সময়ের শেষ ব্যক্তি যিনি জ্ঞানের সকল পরিচিত শাখায় দক্ষ ছিলেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সকল শাখায় তার বিস্ময়কর অবদানের ফলে তাকে বলা হয় পৃথিবীর সর্বকালের অন্যতম প্রভাবশালী ও জ্ঞানী ব্যক্তি।

     

    পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে?

    এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হলেন হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)। কারণ তিনি এমন একটি রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন যার মত রাষ্ট্র কেউ কখনও গঠন করতে পারেনি। আপনারা যদি তার জীবনী এবং ইতিহাস পড়েন তাহলে বিষয়টা আরও সুন্দরভাবে বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ্‌ ।

     

    শেষ কথা

    আমরা এ পোস্টে চেষ্টা করেছি জানাতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে ছিলেন, ভারতীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে, পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো রাষ্ট্রবিজ্ঞানী কে ও প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে। আশাকরি আপনি সঠিক তথ্য জানতে পেরে উপকৃত হয়েছেন। উপকৃত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ

  • See you not for mind এই বাক্যের অর্থ কী? – সঠিক উওর জানুন

    See you not for mind এই বাক্যের অর্থ কী? – সঠিক উওর জানুন

    অনেকে জানতে চেয়েছেন “see you not for mind” এর মানে কি? তাই আমরা জানানোর চেষ্টা করবো এর অর্থ কি? ও এ বাক্য কবে, কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। তাহলে দেরি না করে শুরু করা যাক।

    See You Not for Mind বাক্যটি সর্ব প্রথম গাইবান্ধা জেলার বামনডাঙ্গা এলাকার এক ভাই তার এক ভিডিওতে ইউস করেন। ভিডিও টি ছিলো ফানি টাইপের ভিডিও। মূলত সেই ভিডিও টি ভাইরাল হওয়ার কারনে অনেকে ঐ বাক্যটির অর্থ জানতে চেয়েছেন।

     

    See You Not for Mind এর বাংলা অর্থ কি?

    আসলে এটি কোন সঠিক বাক্য নয় বিধায় এর কোন অর্থ নেই। এটি ট্রল করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশি এক ভাই তার এক ইউটিউব ভিডিওতে এ বাক্যটি ব্যবহার করেছেন।

    তবে মজার ব্যাপার হল এ বাক্য লিখে গুগলে অনুবাদ করলে See You Not for Mind এর বাংলা অর্থ হয় “মনের জন্য দেখা হবে না”। এখানে See You এর বাংলা অর্থ “দেখা হবে” ও Not for Mind এর অর্থ “মনের জন্য নয়”।

    See You Not for Mind এর বাংলা অর্থ কি

     

    শেষ কথা

    উনার ভিডিও দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন উনি ইংরেজীতে খুব একটা ভাল নয়। কারণ ভিডিওতে তিনি একবার বলেছেন “আমি তিনি ইংরেজি ছাড়া কথা বলেন না”। অথব উনার ইংরেজী বলায় অনেক ভুল রয়েছে।

    তাই এটা নিশ্চিত ভাবে বলা যায় উনার সুন্দর অভিনয় ও হাসিমাখা মুখের ভাষার কারনে এ বাক্যটি জনপ্রিয় হয়েছে যার বাস্তবিক কোন অর্থ নেই।