Category: বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা

  • লক আউট বা ট্যাগ আউট পদ্ধতি ও তা প্রত্যাহার করার নিয়ম

    লক আউট বা ট্যাগ আউট পদ্ধতি ও তা প্রত্যাহার করার নিয়ম

    লক আউট বা ট্যাগ আউট ডিভাইস কি? – What is the Lock out or Tag out device?

     
     
    লক আউট (Lock Out) বা ট্যাগ আউট (Tag Out) কে ইংরেজিতে সংক্ষেপে “LOTO” বলা হয়। কোন সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণের সময় উক্ত সরঞ্জামটি অন্য কেউ যাতে চালু করতে বা ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।
     
    লক আউট ডিভাইসে শুধু একটি লক থাকে আর ট্যাগ আউট ডিভাইসে লকের সাথে একটি ট্যাগ যুক্ত থাকে। ট্যাগটিতে যন্ত্রটি চালানোর সতর্কতার বা কাজের বিষয়ে নির্দেশিকা থাকে।
     
    ট্যাগ আউটটি এমন হতে হবে যেন তা ২২৪.৪ নিউটন চাপ সহ্য করতে পারে এবং তা একবার ব্যবহার করা যায় এমন শেলফ লকিং বা লাইলন ক্যাবল টাই দিয়ে যুক্ত থাকে।

     

     

    লক আউট বা ট্যাগ আউট ব্যবহার পদ্ধতি – The Method of Using The Lock out Or Tag out

    লক আউট বা ট্যাগ আউট ব্যবহার পদ্ধতি প্রয়োগ করার পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করতে হয়।
     
    সেগুলো হলোঃ
    • একটি সুষ্ঠ পরিকল্পনা একটি কাজ অর্ধেক করার সমান তাই পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করতে হবে।
    • কোন যন্ত্র বা মূল সংযোগ মেরামত করতে হলে তার সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তিকে লক আউট বা ট্যাগ আউট সম্পর্কে জানাতে হবে,
    • প্রয়োজনে এর সাথে যুক্ত সকল ব্যক্তিদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিতে হবে,
    • লক আউট বা ট্যাগ আউট ডিভাইসটি যাতে সহযে সনাক্ত করা যায় তাই এর উপর লিখে দিতে হবে,
    • সকল বৈদ্যুতিক উৎস সতর্কতা ও যত্নের সাথে নিয়ন্ত্রন করতে হবে যাতে কোন প্রকার দূর্ঘটনা না ঘটে,
    • এ ডিভাইসের সাথে যুক্ত আছে এমন সকল ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে কাজটি করতে হবে।
     
     
    নিচে এর কার্যকর পদ্ধতিগুলো বর্ননা করা হলোঃ
    দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা সুপারভাইজারের অনুমতি সাপেক্ষে লক আউট-ট্যাগ আউট পদ্ধতি সম্পাদন করতে হবে। লক আউট বা ট্যাগ আউট ব্যবহার পদ্ধতি মূলত দুই ধরনের।
     
    যথাঃ
    ১. সাধারন লক আউট বা ট্যাগ আউট (Simple Lockout/Tag out)
    ২. জটিল লক আউট বা ট্যাগ আউট (Complex Lockout/Tag out)
     
     

    সাধারন লক আউট বা ট্যাগ আউট

    স্বল্প সংখ্যক পরিবাহী বা সার্কিটের কিছু অংশ স্থির করতে হয়। এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন লোক নিয়োগ করতে হবে।
     

    জটিল লক আউট বা ট্যাগ আউট

    এ পদ্ধতিতে প্রথমে একটি লিখিত পরিকল্পনা করতে হবে। ইনচার্জ সকল কাজের তদারকি করবেন। প্রতিটি লক বা ট্যাগের উপর ব্যক্তির নাম, তারিখ ও কারণ লিখে দিতে হবে। একাধিক ব্যক্তি এ পদ্ধতিতে কাজ করলে প্রত্যেকে আলাদা আলাদা ভাবে ব্যক্তিগত লক ব্যবহার করবে এবং কাজ শেষে তা খুলে ফেলবে।
     
     

    লক আউট বা ট্যাগ আউট ডিভাইস প্রত্যাহার করার নিয়ম – Lockout Tag out Removal Procedures

    জরুরী কাজ শেষ হলে লক আউট-ট্যাগ আউট বিচ্ছিন্ন করতে হবে।
     
    এ বিচ্ছিন্ন করণ পদ্ধতি নিচে দেয়া হলোঃ
    ● লক ও ট্যাগ (Lock and Tag) করা বা লক আউট ও ট্যাগ আউট (Lockout and Tag out) প্রত্যাহার করার সময় সকলকে সার্কিট বা সংশ্লিষ্ট বৈদ্যুতিক যন্তপাতি থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে,
    ● একজন দক্ষ ব্যক্তিকে এ কাজটি করতে হবে। বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সকল রকম পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে নিতে হবে যেন কাজটি করার পূর্বে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, গ্লোবস এবং এই ধরনের অন্যান্য ডিবাসের কানেকশন বিছিন্ন করা হয়।
    ● লক ও ট্যাগ গুলো একমাত্র তিনিই বিচ্ছিন্ন করবেন যিনি এ কাজটি পরিচালনা করেছেন (যেমনঃ সুপারভাইজার) । যিনি এ কাজের ব্যাপারে জানেন না বা দক্ষ নন এমন কোন ব্যক্তি বা অদক্ষ ইলেক্ট্রিশিয়ান কাজটি করবেন না।
    ● নিশ্চিত হতে হবে যেন এ সময় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সারঞ্জাম চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করে না রাখে এবং তা কোন দাহ্য পদার্থের কাছাকাছি না থাকে।
  • বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্য, কারন ও আমাদের করণীয়

    বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার উদ্দেশ্য, কারন ও আমাদের করণীয়

    প্রত্যেকটি কাজের একটি উদ্দেশ্য থাকে। উদ্দেশ্যে বিহীন কাজের কোন মূল্য নেই। বৈদ্যুতিক নিরাপত্তার কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে।
     
    এর দুটি মূল উদ্দেশ্য হলোঃ
    ১. কোন ব্যক্তি বৈদ্যুতিক কারনে যাতে আহত বা নিহত না হয় এবং
    ২. বৈদ্যুতিক কারনে সৃষ্ট আগুন দ্বারা কোন সম্পত্তি যেন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় ।
     
     

    আগুন ও বিদ্যুৎ একসাথে হওয়ার প্রদান দুটি কারন

     

    ওভারহিটিং

    বৈদ্যুতিক তারের মধ্য দিয়ে তার ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে অতিরিক্ত যে তাপের সৃষ্টি হয় তাকে ওভারহিটিং বলে।
     

    আরচিং

    বৈদ্যুতিক তারের দুই প্রান্তে কখন কখন যে বৈদ্যুতিক আলোর ঝলকানি দেখতে পাওয়া যায় তাকে আরচিং বলে। প্রায় সময়ই বৈদ্যুতিক সর্ট সার্কিট বা বিদ্যুৎ প্রবাহের বাধার কারণে আরচিং ঘটে।
     
     

    বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ও অগ্নিকান্ডের কারন সমূহ – Causes Of Electric Fires

    বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ও অগ্নিকান্ডের প্রধান প্রধান কারনগুলো হলোঃ
    ● বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সঠিকভাবে স্থাপন না করা,
    ● বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষন না করা,
    ● নিন্মমানের বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা,
    ● বিল্ডিং কোড না মেনে বিল্ডিং নির্মান করা,
    ● বৈদ্যুতিক নকশা ব্যবহার না করা,
    ● সঠিক বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা না থাকা,
    ● বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষনে অযোগ্য লোক নির্বাচন,
    ● লোড হিসেব না করে যত্রতত্র বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার,
    ● পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার না করা,
    ● গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সঠিক ও নিরাপদ স্থানে স্থাপন না করা,
    ● বিপদজনক ও ভারী বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্থাপনে আলাদা জায়গা ব্যবহার না করা।
     

     

    বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ও অগ্নিকান্ড প্রতিরোধে করনীয় – To Prevent Electrical Accidents and Firefighters

    বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন সুরক্ষা ব্যবস্থা, বিভিন্ন কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণ ও সচেতনতা।
     
    নিচে বিভিন্ন ধাপে তা আলোচনা করা হলো।
     বৈদ্যুতিক নকশা তৈরি করে নিতে হবে,
     ওভারলোডিং এড়িয়ে চলা,
     অনুপযুক্ত স্থানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্থাপন,
     আর্থিং সিস্টেম ব্যবহার করা,
     জরুরী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা,
     রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন ।
     
     

    বৈদ্যুতিক নকশা তৈরি করে নিতে হবে

    মানসম্মত নিরাপদ ভবন নির্মানে লাইসেন্সপ্রাপ্ত, দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলী দ্বারা বৈদ্যুতিক নকশা তৈরি করে নিতে হবে। অনুপযুক্ত নকশার কারনে আমাদের দেশের বহু উঁচু ভবনের এখন বজ্রপাত প্রতিরোধের কোন ব্যবস্থা নেই। বিল্ডিং কোড অনুসরন না করে ভবন নির্মানের ফলে যত্রতত্র বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়।
     
    বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম রক্ষায় আধুনিক কোন ডিভাইস স্থাপন করা হয় না। এর ফলে বিভিন্ন সময় ছোট-বড় দূর্ঘটনা ও অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয়ে থাকে। তাই নতুন ভবন অথবা বিদ্যমান ভবনকে কি ভাবে নিরাপদ ভবনে উন্নতি করা যায় এ জন্য প্রশিক্ষিত ও অভিজ্ঞ প্রকৌশলীর নিকট থেকে বৈদ্যুতিক নকশা তৈরি করে নিতে হবে।
     
     

    ওভারলোডিং এড়িয়ে চলা

    যখন একই আউটলেটে অধিক পরিমান বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয় তখন ওভারলোডেড হয়ে আউটলেট বা সার্কিট অত্যধিক তাপ উৎপন্ন করে যা বৈদ্যুতিক আগুনের কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম কেনার সময় এতে অভ্যন্তরীণ ওভারলোড প্রোটেকশান আছে কিনা আমরা তা দেখি না। অবশ্যই ভালো করে তা দেখে নিতে হবে।
     
    পুরোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পরির্বতন না করে অনবরত তা ব্যবহার করা ও অনুমোদিত ওয়াটের অধিক ওয়াটের লাইট ব্যবহার করার ফলে বিভিন্ন দূর্ঘটনা হয়। ওভারলোডিং এড়িয়ে চলতে আমাদের এসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে।
     
     

    অনুপযুক্ত স্থানে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি স্থাপন

    অপেক্ষাকৃত ভারী, বিপদজনক ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য যায়গা অথবা আলাদা রুম নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। অন্যথায় অনুপযুক্ত স্থানে এসব যন্ত্রপাতি স্থাপনের ফলে বৈদ্যুতিক দূর্ঘটনা ও অগ্নিকান্ড সংগঠিত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছেঃ
     
    এনার্জি মিটারঃ এর রিডিং নেয়ার স্থানে গ্লাস উইন্ডো ব্যতিত সকল অংশে প্রোটেক্টিভ কভার ব্যবহার করতে হবে। এটি ভূমি হতে ১ মিটারের অধিক উচ্চতায় ইনস্টল করতে হবে।
     
    সাব-স্টেশনঃ বহুতল ভবনের সর্বনিন্ম তলায় সাব-স্টেশন স্থাপন করা উত্তম। সাবস্টেশন বা সুইচরুমের মেঝে সর্বোচ্চ বন্যা স্তরের লেভেলের উপরে থাকতে হবে। এর নূন্যতম উচ্চতা ৩.৬ মিটার হবে। ঝড়, বৃষ্টি ও বন্যার পানি যাতে প্রবেশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
     
    বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির নিয়ম অনুসারে ভবনের লোড 50KW এর বেশি হলে সেখানে সাবস্টেশন 11KV/0.4KV প্রয়োজন। এ রুম অবশ্যই পানি, তেল, দাহ্য পদার্থ, ধ্বংসাবশেষ, ময়লা ও সকল বাঁধা থেকে মুক্ত হতে হবে। পর্যাপ্ত সিঁড়ি ও মুক্ত আলো চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ রুমে প্রয়োজনীয় সকল সরঞ্জাম ও অগ্নি সুরক্ষা থাকা আবশ্যক।
     
    ট্রান্সফরমারঃ ট্রান্সফরমার কোন ভাবেই দাহ্য বস্তুর বেসের উপর বসানো যাবে না। এটি অবশ্যই ধুলো ময়লা ও দাহ্য বস্তু থেকে মুক্ত থাকতে হবে। ট্রান্সফরমারের তেল জাতীয় সামগ্রী যদি ২০০০ লিটারের বেশি হয় তবে অবশ্যই নিষ্কাশণ কূপের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ট্রান্সফরমারের ব্রেদারস এর তেলের কাপ সব সময় পূর্ণ থাকতে হবে। উপযুক্ত বেড়া ও পর্যাপ্ত আর্থিং সিস্টেম থাকতে হবে।
     
    বয়লারঃ বয়লার আলাদা একটি রুমে স্থাপন করতে হবে ও নিশ্চিত হতে হবে সে রুমে স্বয়ংক্রিয় অগ্নি দমন পদ্ধতি ইনস্টল রয়েছে। এছাড়াও বয়লার রুমে কিকাআউট প্যানাল স্থাপন করে বড় ধরনের দূর্ঘটনা রোধ করা যায়। বয়লারে কাজ শুরু করার পূর্বে বয়লারের চিফ ইন্সপেক্টর থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে।
     
     

    সকল প্রকার বোর্ড, বক্স ও অন্যান্য ডিভাইস

    ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড বা সুইচ বোর্ড এর কাছাকাছি ও এর ভিতরে কোন দাহ্য পদার্থ, ধুলো-বালি ও ময়লা থাকতে পারবে না। ওভারলোডিং, ওভারহিটিং বা বারনিং প্রতীকের নির্দেশিকা থাকতে হবে। প্রতিটি সার্কিটে পর্যাপ্ত ইসিসি ও ডেডিকেটেড নিউট্রাল থাকতে হবে। সকল তারের কালার কোড ঠিক রাখতে হবে।
     
    টার্মিনাল ও সার্কিট ব্রেকারের মধ্যে ফেজ বিভাজন করতে হবে। বৈদ্যুতিক তার ও কনডুইট সঠিকভাবে অনুমোদিত হতে হবে। ২০ মি. উচু ভবনের জন্য যেখানে মেঝে ১৫০০ বর্গমি. সেখানে সর্বনিন্ম ২০০ মিমি, ৪০০ মিমি আকারের উলম্ব শ্যাফট চূড়া থাকবে। সকল প্রকার ধাতব বস্তুতে আর্থিং অথবা গ্রান্ডিং এর সংযোগ স্থাপন করতে হবে।
     
    কোন তার খোলা অবস্থায় রাখা যাবে না, ক্যাবল জয়েন্টগুলো বক্সে রাখার পূর্বে চীনামাটি বা পিভিসি কানেকটর পিআইভি টেপ দিয়ে দিতে হবে। বৈদ্যুতিক কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতগুলো উন্নত মানের হবে ও এ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তির নিরাপত্তার জন্য রাবার ম্যাট রাখতে হবে। ০.৩৭৬ কিলো ওয়াটের উপরের সকল মটরে ওভারলোড প্রোটেকশন থাকবে। লাইট ও ফ্যান সংযোগের জন্য সিলিং রোস ব্যবহার করতে হবে।
     
     

    আর্থিং সিস্টেম ব্যবহার করা

    যে পদ্ধতিতে সকল প্রকার ধাতব বস্তুকে মাটির নিচে স্থাপিত আর্থ ইলেকট্রোডের সাথে সংযুক্ত আর্থ কন্টিনিউটি কন্ডাক্ট্রোরস (Earth Continuity Conductors) এর সাথে যুক্ত থাকে তাকে আর্থিং সিস্টেম বলে। এর সাথে ফিউস বা সার্কিট বেকার যুক্ত হয়ে প্রটেক্টিভ সিস্টেম হিসেবে কাজ করে।
     
    যে সকল আর্থিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়ে থাকেঃ
     সাবস্টেশন ন্যাচারাল আর্থিং (Substation Neutral Earthing)
     সাবস্টেশন এলটি সিস্টেম আর্থিং (Substation LT System Earthing)
     ইকুয়েপম্যান্ট আর্থিং সিস্টেম (Equipment Earthing System)
     এইচটি সার্কিট আর্থিং (H. T. Circuit Earthing)
     এলটি সার্কিট সিস্টেম আর্থিং (L. T. Circuit System Earthing)
     
     

    জরুরী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা

    যে কোন ভবনের বিদ্যুৎ প্রবাহ বিঘ্নিত হলে তা জানমাল, সম্পত্তি, উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যহত সহ বিভিন্ন ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়, তাই ভবনে অবশ্যই জরুরী বৈদ্যুতিক সংযোগ থাকতে হবে।
     
    কোথায় কেমন জরুরী বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা দরকার তা নিচে আলোচনা করা হলোঃ
     

    জেনারেটর

    জেনারেটর অবশ্যই মূল ভবনের বাহিরে সাবস্টেশন বিল্ডিং এ এবং এর মাত্রারিক্ত কম্পন ও উচ্চ মাত্রার শব্দ এড়ানোর জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। জেনারেটরের লোড সঠিকভাবে হিসেব করে সংযোগ স্থাপন করতে হবে। এ রুমে যেন পানি প্রবেশ করতে না পারে তা লক্ষ্য রাখতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
     
    জেনারেটার রুমে ফায়ারফাইটিং ইকুউপম্যান্ট ও ফার্স্ট এইড বক্স রাখতে হবে। সহজে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে ও এর সিঁড়িতে ধাতব পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না।
     

    রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন

    বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির জন্য ইন্সপেকশন ও টেস্টটিং এর রেকর্ড বই রাখতে হবে। নতুন কোন যন্ত্র ইন্সটল করার পর পুনরায় তা চেক করতে হবে। রেটিং ও লোডিং এর মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে সকল প্রকার বোর্ড ও সুইচগেয়ার প্রতি বছর ১ বার চেক করতে হবে।
     
    নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর সাবস্টেশন, জেনারেটর রুম সহ সকল মিটার গুলোর বৈধতা পরিক্ষা করতে হবে। ৩% এর উপরে মিটারিং এরোর গ্রহনযোগ্য নয়। আর্থ রেশিস্ট্যান্সের ক্ষেত্রে তার মান ১ ওহোমের বেশি হতে পারবে না।
     
  • কিভাবে একজন ব্যক্তি বিদ্যুৎ দ্বারা প্রভাবিত হয়?

    কিভাবে একজন ব্যক্তি বিদ্যুৎ দ্বারা প্রভাবিত হয়?

     
    একজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে বিদ্যুৎ দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। নিন্মে তা উল্লেখ করা হলঃ
    ● মানবদেহ কাঠের ন্যায় একই চরিত্রের। কাঠ শুকিয়ে গেলে এটি দুর্বল কন্ডাক্টার এবং ভেজা অবস্থায় খুব সহজেই বিদ্যুৎ পরিবাহী। তাই মানবদেহ আর্দ্র অপেক্ষা শুষ্ক হলে তা দুর্বল বৈদ্যুতিক কন্ডাক্টার।
    ● বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য অবশ্যই একটি সম্পূর্ণ পথ থাকতে হবে।
    ● যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ প্রবাহে কিছুটা বাঁধা প্রদান করে তাকে কন্ডাক্টার বলে। বিদ্যুৎ কন্ডাক্টারের মাধ্যমে প্রাবাহিত হয়। যেমনঃ পানি, লোহা, মানবদেহ ইত্যাদি।
    ● বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুতের জন্য দুর্বল কন্ডাক্টার কিন্তু এরমধ্যে অল্প পরিমানে লবণ ও এসিড থাকলে এটা কন্ডাক্টার বা পরিবাহী হিসেবে বিবেচিত হবে।
    ● শরীর বৈদ্যুতিক বর্তনীর সংস্পর্শে আসলে তখন ইলেকট্রিক শক ঘটে। বিদ্যুৎ দ্রুত শরীরের এক প্রান্তে প্রবেশ করে এবং অন্য প্রান্ত দিয়ে সরাসরি মাটিতে চলে যায়।
    ● বিদ্যুৎ প্রবাহের পথ প্রতিরোধের জন্য যে কয়টি উপাদান নির্ধারণ করা হয়েছে।
    সেগুলো হলোঃ
     
    • কি দ্বারা তৈরি,
    • এটির আকার ও
    • এটির তাপমাত্রা।
     
     
    ● মানবদেহ যখন একটি বৈদ্যুতিক বর্তনীর অংশ হয়ে যায় এখন কিছু
    উপাদান শক প্রদানের জন্য তীব্র ভাবে প্রভাবিত করে।
    সেগুলো হলোঃ
     
    • প্রবাহিত বিদ্যুতের পথ,
    • প্রবাহিত বিদ্যুতের পরিমাণ,
    • বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময়,
    • পরিবেশে আর্দ্রতার উপস্থিতি,
    • বিদ্যুতের ভোল্টেজের পরিমান,
    • শকের পূর্বে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা ।
     
     
    বিদ্যুৎ প্রবাহ ও মানব দেহের উপর তার প্রভাব নিন্মরূপঃ

    এসি বিদ্যুৎ

    মানব দেহের উপর প্রভাব

    সামান্য কম্পন অনুভূত হওয়া।

    ২-৯

    ছোট আঘাত বা শক।

    ১০-২৪

    পেশীগুলো জমে শক্ত হয়ে যাবে বা খিঁচুনি ধরে যাবে।

    ২৫-৭৪

    শ্বাসযন্ত্রের পেশী পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ব্যাথা, সেঁকা বা হালকা দহন হতে পারে।

    ৭৫-৩০০

    মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

    ৩০০ এর অধিক

    অঙ্গহানি অথবা মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
  • বিদ্যুৎ কি, প্রকারভেদ ও গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা – বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান

    বিদ্যুৎ কি, প্রকারভেদ ও গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা – বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান

    বিদ্যুৎ কি? – What is Electricity?

    বিদ্যুৎ বা তড়িৎ হলো এমন এক ধরনের অদৃশ্য শক্তি যা গতি, আলো, শব্দ এবং রূপান্তরিত শক্তি ইত্যাদি উৎপাদন করে বিভিন্ন কাজ সমাধান করে।
     
     

    বিদ্যুৎ কত প্রকার ও কি কি? – Types of Electricity

    বিদ্যুৎ দু প্রকার। যথাঃ ১. স্থির বিদ্যুৎ এবং ২. চল বিদ্যুৎ।
     
     

    বিদ্যুৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা ও তথ্য [বিদ্যুৎ সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান] – Important Definitions and Information About Electricity [General Knowledge About Electricity]

     

     কারেন্ট কি? [What is Current?]

    পদার্থের মধ্যে বিদ্যমান মুক্ত ইলেকট্রনগুলোর কোন নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকে কারেন্ট বলে। কারেন্ট প্রতীক আই (I) ও একক কুলম্ব বা এম্পিয়ার (Ampere) এর প্রতীক (A) ।
     
    কারেন্ট কে দু ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
    ১. অল্টারনেটিং কারেন্ট (Alternating Current – AC)
    ২. ডাইরেক্ট কারেন্ট (Direct Current – DC)
     
    অল্টারনেটিং কারেন্টঃ যে কারেন্টের মান সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় তাকে অল্টারনেটিং কারেন্ট বলা হয়।
    ডাইরেক্ট কারেন্টঃ সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান পরিবর্তিত হয় না তাকে ডাইরেক্ট কারেন্ট বলে।
    ডাইরেক্ট কারেন্টঃ সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান পরিবর্তিত হয় না তাকে ডাইরেক্ট কারেন্ট বলে।
     

     

     এম্পিয়ার কি? – What is Ampere?

    কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে এক কুলম্ব চার্জ এক সেনেন্ড সময় ধরে প্রবাহিত হলে উক্ত পরিমান চার্জকে এক এম্পিয়ার বলে।
     
    এম্পিয়ার মাপার যন্ত্রের নাম এম্পিয়ার মিটার (Ampere Meter) । ১ কুলম্ব = ৬.২৪ X ১০১৮ ইলেকট্রন চার্জ।
     
     

     ভোল্টেজ কি? [What is Voltage?]

    ভোল্টেজ হলো এক প্রকারের বৈদ্যুতিক বল বা চাপ। পরিবাহীর পরমানুগুলোর ইলেকট্রন (ঋণাত্নক কনিকা) সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন তাকে ভোল্টেজ বলে। ভোল্টেজ এর প্রতীক হলো ভি (V) এবং এর একক ভোল্ট (Volt) ।
     
    ভোল্টেজ মাপার যন্ত্রের নাম ভোল্ট মিটার (Volt Meter) । ভোল্টেজ হলো রেজিস্ট্যান্স বা পরিবাহীর রোধ ও এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট এর গুনফল।
     
    সুতরাং, ভোল্টেজ = কারেন্ট X রেজিস্ট্যান্স (V = I X R)
     
     

     ভোল্ট কি? – What is Volt?

    কোন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ১ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার সময় যদি ১ ওয়াট পরিমান কাজ সম্পন্ন করে, তাহলে উক্ত পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যকে ১ ভোল্ট বলে।
     
    ভোল্ট বা Volt এর প্রতীক (V) । ইতালীয়ান বিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টের নামানুসারে এর নাম রাখা হয়েছে। তিনিই প্রথম বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করেন।
     
     

     ওহম কি? – What is Ohm?

    বিদ্যুৎ পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভক পার্থক্যের মান ১ ভোল্ট হলে তার মধ্য দিয়ে যদি ১ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় তাহলে সেই পরিবাহকের রোধকে ১ ওহম (Ω) বলে।
     
    গাণিতিক ব্যাখাঃ Ω = V/A
    যেখানে, Ω (ওহম); V = ভোল্ট; A = এম্পিয়ার
     
     
     

     ক্যাপাসিট্যান্স কি? – What is Capacitance?

    ক্যাপাসিটরের কোন প্লেটগুলোর মধ্যে কোন বিভব পার্থক্য থাকলে প্লেটগুলো বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করে (চার্জ ধরে রাখে) এ ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যকে ক্যাপাসিট্যান্স বলে।
     
    ক্যাপাসিট্যান্স এর প্রতীক সি (C) । এর একক ফারাদ Farad (F) বা মাইক্রো ফারাদ Micro Farad (µF) । ক্যাপাসিট্যান্স মাপার যন্ত্রের নাম ওহম মিটার বা ক্যাপাসিট্যান্স মিটার।
     
     

     ইন্ডাকট্যান্স কি? – What is Inductance?

    ইন্ডাকট্যান্স কয়েলের একটি বিশেষ ধর্ম যা কয়েলে প্রবাহিত কারেন্টের হ্রাস বা বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে থাকে। এর প্রতীক L ও এর একক হ্যানরি (Henry) ।
     

     

     কম্পন কি? – What is Vibration?

    কম্পকের ফলেই শব্দের সৃষ্টি হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোন বস্তু সাম্যাসস্থানের উভয় পার্শ্বে স্পন্দন ঘটে। অর্থাৎ একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্নকালে তার অর্ধেক সময় সাম্যাসস্থানের একদিকে ও বাকি সময় বিপরীত দিকে গমন করে। যেমনঃ গিটারের তারে শব্দ সৃষ্টি ইত্যাদি।
     

     

     কম্পাংক বা ফ্রিকুয়েন্সী কি? – What is Frequency?

    এক সেকেন্ড পিরিয়ডে যতগুলো সাইকেল সম্পন্ন হয় তাকে কম্পাংক বা ফ্রিকুয়েন্সী বলে। এর প্রতীক F । কম্পনের এস আই একক হার্জ (Hz) । এ নামকরণ করা হয়েছে বিজ্ঞানী হেনরিক হার্টজ এর নামানুসারে। যিনি সর্বপ্রথম তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।
     
     

     রেজিস্ট্যান্স বা রোধ কি? – What is Resistor?

    পরিবাহীর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় পরিবাহী পদার্থের যে ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যের কারনে তা বাধাপ্রাপ্ত হয় তাকে রেজিস্ট্যান্স বা রোধ বলে।
     
    এর প্রতীক আর (R) এবংএকক ওহম (Ohm) ।
     
     

     কন্ডাকটর বা পরিবাহী কি? – What is Conductor?

    যেসকল পদার্থের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল করতে করতে পারে তাদের কন্ডাকটর বা পরিবাহী বলে। যেমনঃ সোনা, রূপা, লোহা ইত্যাদি।
     
     

     সেমি-কন্ডাকটর বা অর্ধপরিবাহী কি? – What is Semi-Conductor?

    যেসকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সামান্য পরিমানে বিদ্যুৎ চলাচল করে অর্থাৎ অবস্থা ভেদে কখনো বিদ্যুৎ চলাচল করে আবার কখনো চলাচল করে না তাদের সেমি-কন্ডাকটর বা অর্ধপরিবাহী বলে। যেমনঃ সিলিকন, জার্মেনিয়াম ইত্যাদি।
     
     

     ইন্সুলেটর বা অপরিবাহী কি? – What is Insulator?

    যেসকল পদার্থের মধ্য দিয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ চলাচল করতে করতে পারে তাদের ইন্সুলেটর বা অপরিবাহী বলে। যেমনঃ রাবার, প্লাষ্টিক ইত্যাদি।
     
     

     পাওয়ার বা বৈদ্যুতিক ক্ষমতা কি? – What is Power?

    বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহারের হারকে পাওয়ার বা বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বলে। পাওয়ার কে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে। পাওয়ারের একক ওয়াট (Watt) বা কিলোওয়াট (Kilo Watt) ।
     
    অর্থাৎ, পাওয়ার = ভোল্টেজ X কারেন্ট (P = V X I)
     
     

     এনার্জি বা বৈদ্যুতিক শক্তি কি? – What is Energy?

    বৈদ্যুতিক ক্ষমতা বা পাওয়ার একটি সার্কিটে যত সময় কাজ করে পাওয়ারের সাথে উক্ত সময়ের গুনফলকে বৈদ্যুতিক শক্তি বা এনার্জি বলে। এনার্জি মাপার যন্ত্রের নাম এনার্জি মিটার।
     
    এনার্জি এর একক Watt-hour বা Kilowatt-hour .
    অর্থাৎ, এনার্জি, ওয়াট = পাওয়ার X টাইম (W = P X T)
     
     

     ওয়াট কি? – What is Watt?

    কোন লোড একটি নির্দিষ্ট সময়ে যতটুকু শক্তি ব্যয় করে কোন কাজ সম্পন্ন করে তাকে ওয়াট বলে। ওয়াট পরিমাপক যন্ত্রের নাম ওয়াট মিটার।
     
    ওয়াট বের করতে নিচের সূত্রটি ব্যবহার করা হয়। যথাঃ
     P = V X I X Cosθ
     P = I2 X R X Cosθ
     P = (V2 X Cosθ) / R
    P = Power,
    I = Current,
    V = Voltage,
    R = Resistance,
    Cosθ = Power Factor,
     
     

     পিরিয়ড বা সময় কি? – What is Period?

    এক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময়ের প্রয়োজন হয় তাকে পিরিয়ড বা সময় বলে। এর প্রতীক হলো টাইম (T) ।
     
     

     সাইকেল কি? – What is Cycle?

    একটি পরিবাহী একটি উওর মেরু ও একটি দক্ষিণ মেরুর মাঝখানে একটি পথ যদি একবার পরিক্রমন করে তাহলে একটি ভোল্টেজ তরঙ্গের সৃষ্টি করে। এ তরঙ্গকেই সাইকেল বলে।
     
     

     অল্টারনেশন কি? – What is Alternation?

    অল্টারনেশন হলো ভোল্টেজ তরঙ্গের অর্ধাংশ।
     
     

     বৈদ্যুতিক সার্কিট বা বর্তনী কি? – What is Electrical Circuit?

    বিদ্যুতের উৎস, পরিবাহী, নিয়ন্ত্রনযন্ত্র, রক্ষণযন্ত্র, ব্যবহারযন্ত্র একত্রে এমন একটি পথ যার ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে তাকে বৈদ্যুতিক সার্কিট বা বর্তনী বলে।
     
    সার্কিটের সংযোগের ভিত্তিতে একে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
    ১. সিরিজ সার্কিট (Series Circuit) ,
    ২. প্যারালাল সার্কিট (Parallel Circuit) ও
    ৩. মিশ্র সার্কিট (Mixed Circuit)
     
    সিরিজ সার্কিটঃ দুই বা তার অধিক রেজিস্টার একের পর এক যদি এমন ভাবে যুক্ত করা হয় যেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহের একটি মাত্র পথ থাকে তাকে সিরিজ সার্কিট বলে।
     
    প্যারালাল সার্কিটঃ একাধিক রেজিস্টার বা লোড প্রত্যেকটিকে বৈদ্যুতিক উৎসের আড়াআড়িতে এমনভাবে সংযুক্ত করা হয় যাতে বিদ্যুৎ প্রবাহের একাধিক পথ বিদ্যমান থাকে তাকে প্যারালাল সার্কিট বলে।