ইসলামিক

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক) সম্পর্কে বিস্তারিত

বাংলাদেশে ধর্মীয় শিক্ষার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হলো কওমি মাদরাসা ব্যবস্থা। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এ শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামী জ্ঞান, নৈতিক মূল্যবোধ ও সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই ঐতিহ্যবাহী ব্যবস্থাকে সুসংগঠিত ও মানসম্মত করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় “বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ”, সংক্ষেপে “বেফাক”। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, যা বর্তমানে দেশের লাখো শিক্ষার্থী ও হাজারো মাদরাসাকে একটি ঐক্যবদ্ধ কাঠামোর মধ্যে এনে ধর্মীয় শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

বেফাক শুধুমাত্র একটি শিক্ষাবোর্ড নয়; এটি ইসলামী জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, পরীক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার মান রক্ষার জন্য একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান। ধর্মীয় শিক্ষার ঐতিহ্য বজায় রাখার পাশাপাশি আধুনিক সমাজের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়াই এই সংস্থার অন্যতম লক্ষ্য।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রসার দ্রুতগতিতে ঘটতে থাকে। কিন্তু প্রতিটি মাদরাসা নিজেদের মতো করে পাঠ্যক্রম পরিচালনা করত, পরীক্ষার পদ্ধতি ছিল ভিন্ন, এবং কোনো কেন্দ্রীয় কাঠামো ছিল না। এর ফলে শিক্ষার মান রক্ষা ও সার্বিক সমন্বয়ে বড় ধরনের অসুবিধা দেখা দেয়। একই স্তরের শিক্ষার্থীর জ্ঞান ও যোগ্যতায় পার্থক্য তৈরি হচ্ছিল, যা একটি ঐক্যবদ্ধ শিক্ষা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা আরও তীব্র করে তোলে।

এই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দেশের শীর্ষ আলেম ও মাদরাসা নেতৃবৃন্দ ১৯৭৮ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকায় এক ঐতিহাসিক সম্মেলনের মাধ্যমে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় শিক্ষা বোর্ড গঠনের পথ তৈরি হয়, যা দেশের সব কওমি মাদরাসার জন্য একটি অভিন্ন পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষাব্যবস্থা প্রণয়নের দায়িত্ব গ্রহণ করে।

প্রতিষ্ঠার প্রথম দিকে বেফাকের কার্যক্রম ছিল সীমিত, তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি দ্রুত সম্প্রসারিত হয়। আজ বেফাকের অধীনে দেশের হাজারো কওমি মাদরাসা পরিচালিত হচ্ছে, যা একটি শক্তিশালী ধর্মীয় শিক্ষা নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ প্রশাসনিক কাঠামো ও গঠন

বেফাক একটি স্বতন্ত্র ও অরাজনৈতিক ইসলামী শিক্ষা বোর্ড, যার নিজস্ব সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে। এটি সাধারণত তিনটি মূল স্তরে পরিচালিত হয়।

ক) মজলিসে শূরা

মজলিসে শূরা বেফাকের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ। শিক্ষা, নীতি, পাঠ্যক্রম, পরীক্ষা, সংগঠন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত এই পরিষদে গৃহীত হয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও মাদরাসা প্রধানরা এই পরিষদের সদস্য।

খ) মজলিসে আমেলা

এটি বেফাকের নির্বাহী পরিষদ। মজলিসে শূরার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য এই পরিষদ কাজ করে। প্রশাসনিক কার্যক্রম, পরীক্ষা আয়োজন, রেজিস্ট্রেশন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রকাশনা ও সমন্বয়ের কাজ এই পরিষদ পরিচালনা করে থাকে।

গ) কার্যকরী বিভাগসমূহ

বেফাকের অধীনে রয়েছে একাধিক কার্যকরী বিভাগ, যেমন:

  • পরীক্ষা বিভাগ

  • তালিম ও তারবিয়াত বিভাগ (শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ)

  • রেজিস্ট্রেশন শাখা

  • প্রকাশনা বিভাগ

  • তথ্য ও গবেষণা বিভাগ

বেফাকের নেতৃত্বে রয়েছেন একজন সভাপতি ও একজন মহাসচিব। বর্তমানে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাহমুদুল হাসান এবং মহাসচিব হিসেবে আছেন মাহফুজুল হক। তাদের নেতৃত্বে বেফাকের কার্যক্রম সারাদেশে পরিচালিত হয়। বেফাকের স্থায়ী কার্যালয় ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – বেফাকের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য

বেফাক প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল কওমি মাদরাসাগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয় সাধন করা এবং শিক্ষার মান উন্নত করা। এর পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য রয়েছে:

  1. দেশের কওমি মাদরাসাগুলোর পাঠ্যক্রমে একতা ও সামঞ্জস্য আনা।

  2. কেন্দ্রীয় পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সনদ প্রদান।

  3. শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করা।

  4. ইসলামী শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচার করা।

  5. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক ও সহযোগিতা স্থাপন করা।

  6. মাদরাসা স্থাপন ও পরিচালনায় দিকনির্দেশনা প্রদান।

  7. সমাজে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া।

এই লক্ষ্যগুলোর মাধ্যমে বেফাক শুধুমাত্র একটি পরীক্ষাবোর্ড হিসেবে নয়, বরং ইসলামী শিক্ষা ও সমাজ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – পাঠ্যক্রম ও শিক্ষাব্যবস্থা

বেফাকের পাঠ্যক্রম মূলত ইসলামী জ্ঞানকেন্দ্রিক হলেও এতে ধাপে ধাপে সাধারণ পাঠ্য বিষয়ও যুক্ত করা হয়েছে। পাঠ্যক্রমকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়েছে, যা একটি ধাপে ধাপে গঠিত শিক্ষা কাঠামো তৈরি করেছে।

ইবতিদাইয়্যাহ (প্রাথমিক স্তর)

এই স্তরে শিক্ষার্থীরা কোরআন তিলাওয়াত, প্রাথমিক ফিকহ, ইসলামি আদব, হালকা আরবি ও সাধারণ পাঠ শেখে। এটি ৫ বছরের কোর্স।

মুতাওয়াসসিতাহ (মাধ্যমিক স্তর)

এই স্তরে শিক্ষার্থীরা আরবি ব্যাকরণ, কোরআন, হাদিস, ফিকহ, ইসলামী ইতিহাস ও নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে পড়াশোনা করে।

সানাবিয়া ও সানাবিয়া উলইয়া (উচ্চ মাধ্যমিক স্তর)

এখানে ইসলামী জ্ঞানের গভীর পাঠের পাশাপাশি কিছু সাধারণ বিষয়ের পাঠ দেওয়া হয়, যা শিক্ষার্থীদের উচ্চতর ইসলামী শিক্ষায় প্রবেশের ভিত্তি তৈরি করে।

তাকমিল ও দাওরায়ে হাদিস (স্নাতকোত্তর স্তর)

এটি কওমি শিক্ষাব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর। এখানে সহিহ বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদসহ হাদিসের প্রধান ছয়টি গ্রন্থ বিস্তারিতভাবে পড়ানো হয়। এই কোর্স সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীরা “আলেম” হিসেবে পরিচিত হন। বর্তমানে দাওরায়ে হাদিস সনদকে বাংলাদেশ সরকার মাস্টার্স (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

গবেষণা ও বিশেষ কোর্স

বেফাকের অধীনে কিছু মাদরাসায় উচ্চতর গবেষণা ও বিশেষায়িত কোর্স পরিচালিত হয়, যেমন ইফতা (ফতোয়া প্রদান প্রশিক্ষণ), কিরাত, আরবি সাহিত্য ও ইতিহাসে বিশেষ ডিপ্লোমা।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – পরীক্ষা ব্যবস্থা ও সনদ প্রদান

বেফাকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো সারা দেশে অভিন্ন পাঠ্যক্রম অনুযায়ী কেন্দ্রীয় পরীক্ষা আয়োজন। প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে ইবতিদাইয়্যাহ থেকে দাওরায়ে হাদিস পর্যন্ত সব স্তরের পরীক্ষা একই সময়ে অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষা প্রক্রিয়া সাধারণত নিচের ধাপে সম্পন্ন হয়:

  • প্রশ্নপত্র কেন্দ্র থেকে প্রস্তুত ও প্রেরণ করা হয়।

  • নির্ধারিত সময়ে মাদরাসায় পরীক্ষা নেওয়া হয়।

  • উত্তরপত্র কেন্দ্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হয়।

  • চূড়ান্ত ফলাফল বেফাকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হয়।

যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তাদের বেফাকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সনদ প্রদান করা হয়। বিশেষ করে দাওরায়ে হাদিস সনদ বর্তমানে সরকারিভাবে মাস্টার্স সমমান হিসেবে স্বীকৃত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারছেন।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষাগত প্রভাব

বেফাকের প্রভাব শুধুমাত্র শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

  • ইসলামী জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষা দেশের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বেফাকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

  • এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক আলেম, দাঈ, শিক্ষক ও সমাজসেবক তৈরি হয়েছে।

  • মাদরাসাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য সৃষ্টি হয়েছে, যা ধর্মীয় শিক্ষাকে আরও সংগঠিত করেছে।

  • আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কওমি শিক্ষা ব্যবস্থার পরিচিতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • ইসলামী সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সংরক্ষণে এটি একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতা

যেকোনো বড় প্রতিষ্ঠানের মতো বেফাকেরও কিছু সীমাবদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, যা ভবিষ্যৎ উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

  1. আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত জ্ঞানকে পাঠ্যক্রমে পর্যাপ্তভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারা একটি বড় সীমাবদ্ধতা।

  2. অনেক মাদরাসা আর্থিকভাবে সম্পূর্ণ দাননির্ভর হওয়ায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ব্যাহত হয়।

  3. প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি করার প্রয়োজন রয়েছে।

  4. সমাজে কওমি সনদের ব্যবহারিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও উদ্যোগ দরকার।

  5. নারী শিক্ষার প্রসারে ও আধুনিক কর্মক্ষেত্রে কওমি শিক্ষার্থীদের যুক্ত করতে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ – ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা

বেফাক যদি আধুনিক শিক্ষা ও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে, তবে এটি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। ভবিষ্যতের জন্য কিছু সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা হলো:

  • পাঠ্যক্রমে তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও আধুনিক জ্ঞানের বিস্তৃত অন্তর্ভুক্তি।

  • শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষণ পদ্ধতির উন্নয়ন।

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি।

  • গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করা।

  • সমাজসেবামূলক প্রকল্পের মাধ্যমে মাদরাসার ভূমিকা সম্প্রসারণ।

বেফাক কোথায় অবস্থিত?

বেফাকের ঠিকানাঃ হোল্ডিং – ২০৫, কাজলার পাড় (ভাঙ্গাপ্রেস), যাত্রাবাড়ী, ঢাকা – ১২৩৬

যোগাযোগঃ

মেইলঃ [email protected]
মোবাইলঃ 01716-299444
মাদরাসা রেজিস্ট্রেশন (ইলহাক) ও ডাক শাখাঃ ০১৯৭৭৫০৫০৫৭
তা‘লিম তরবিয়াত (মাদরাসা পরিদর্শন) বিভাগঃ ০১৭২৫৮৩৭১১৫
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগঃ ০১৭১৬২৯৯৪৪৪,
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকঃ ০১৮৭৭৩৮৫৯৪৬
হিসাব বিভাগঃ ০১৮৭৭৩৮৫৯৪৯,
প্রকাশনাঃ ০১৭৯৮২৮৮৩৯২

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ফেসবুক পেজ

ফেসবুক পেজের লিংক > বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ ফেসবুক

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানাল

ইউটিউব চ্যানালের লিংক > বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশে ইউটিউব

বেফাকের বর্তমান সভাপতি কে?

বেফাকের বর্তমান সভাপতির নাম হলোঃ আল্লামা মাহমূদুল হাসান।

জেনে নিন বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ এর সভাপতিগণকে ও কে কত সাল পর্যন্ত ছিলেন

বেফাকের বর্তমান মহাসচিব কে?

বেফাকের বর্তমান মহাসচিবের নাম হলোঃ মাওলানা মাহফুজুল হক

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ নিবন্ধন ফরম

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের বালিকা ও বাকিলার নিবন্ধন ফরম পাবেন নিচের লিংকে।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ পরীক্ষার রুটিন

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের পরীক্ষার রুটিন, কোর্স ও অন্যান্য ফরম পাবেন নিচের লিংকে।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ রেজাল্ট

আপনি যদি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশে আপনার ব্যক্তিগত বা পরিচিত কারো ফলাফল, মাদরাসাওয়ারী ফলাফল ও মেধা তালিকা দেখতে চান তবে তাদের নির্ধারিত ওয়েভ সাইটে যেতে হবে। নিচে তাদের ওয়েভ সাইটের এড্রেস দেয়া হল।

এখানে আপনি ২০০৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রেজাল্ট দেখতে পাবেন। আপনি যদি ২০২৩ সালের রেজাল্ট দেখতে চান তবে আপনাকে তাদের নতুন ওয়েভ সাইটে যেতে হবে। নিচে তাদের নতুন ওয়েভ সাইটের লিংক দেয়া হলো।

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ আজ শুধু একটি শিক্ষা বোর্ড নয়, বরং ইসলামী শিক্ষার ঐতিহ্য ও সামাজিক মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ১৯৭৮ সালে সূচনা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এটি কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে একটি অভিন্ন কাঠামো ও মানদণ্ডে নিয়ে এসেছে। এটি ইসলামী জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রচারের পাশাপাশি সমাজে শিক্ষিত ও নৈতিক নেতৃত্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখছে।

বর্তমান যুগে আধুনিক জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সমন্বয় করে এগিয়ে যেতে পারলে বেফাক বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। তাই বেফাকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন ও সামাজিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রগুলোতে অব্যাহত মনোযোগই একে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করে তুলবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button