Blog

  • রাইসা নামের অর্থ কি | Raisa Name Meaning in Bengali

    রাইসা নামের অর্থ কি | Raisa Name Meaning in Bengali

    রাইসা নামের অর্থ কি – Raisa name meaning in Bengali. আপনি কি জানতে চান রাইসা নামের ইসলামিক অর্থ কী?, Raisa namer ortho ki?, রাইসা নামের আরবি অর্থ কি?, রাইসা কোন লিঙ্গের নাম?, রাইসা নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে? রাইসা কি ইসলামিক নাম? রাইসা নামের ইংরেজি বানান কি? রাইসা নামের সাথে আর কোন নামগুলো যোগ করা যায়? রাইসা কি আধুনিক নাম? রাইসা নামের বাংলা অর্থ কি?

    রাইসা নামটি দু ভাবে লিখা যায়। কেউ লিখেন “রাইসা” আবার কেউ লিখেন “রাইছা”। তবে রাইসা বানানটি সর্বাধিক গ্রহনযোগ্য। আপনার প্রিয় মেয়ে সন্তানের জন্য রাইসা নামটি চুড়ান্ত করার আগে দেখে নিন Raisa নামটির ইসলামিক ও আরবি অর্থ।

    সম্পূর্ন পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং জেনে নিন Raisa – রাইসা নাম সম্পর্কিত আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি।

    রাইসা নামের অর্থ কি

    রাইসা নামের অর্থ প্রধান, নেত্রী, সভানেত্রী।

    রাইসা নামের অর্থ কি – Raisa Name Meaning in Bengali

    রাইসা নামের অর্থ হলোঃ “রানী, নেতা, প্রধান, ফুল” । নামের অর্থ টির দিকে লক্ষ্য করলে এটা দেখতে পারবেন, নামের সাথে নেত্রী বা প্রধান ব্যক্তি বাচক একটি ভাব আছে।

    রাইসা শব্দের অর্থ কী – Raisa Namer Ortho Ki

    অন্যভাবে বলা যায়, রাইসা নামের ইসলামিক অর্থ হচ্ছে : প্রধান, নেত্রী নির্দিষ্ট করে।

    রাইসা নামের ইসলামিক অর্থ কি

    অন্যভাবে বলা যায়, রাইসা নামের ইসলামিক অর্থ হচ্ছে : প্রধান, নেত্রী, শিক্ষক বা সভানেত্রী।

     

     

    রাইসা নামের আরবি অর্থ কি

    রাইসা নামের আরবি অর্থ প্রধান, নেত্রী, সভানেত্রী ।

     

    রাইসা  নামের অর্থ কি বাংলা

    রাইসা নামের অর্থ প্রধান, নেত্রী, শিক্ষক, ফুল, মালিক, সভানেত্রী।

    Raisa নামের অর্থ

    রাইসা নামের অর্থ নেত্রী, শিক্ষক।

    রাইসা namer ortho ki

    রাইসা নামের অর্থ হলোঃ প্রধান, নেত্রী, শিক্ষক বা সভানেত্রী । সকল নেতা বা নেত্রী ভাব থাকায় অনেকে এ নামটি পছন্দ করেন।

    রাইসা  কি ইসলামিক নাম?

    হ্যা , রাইসা নামটি একটি ইসলামিক নাম।

    Raisa Namer Ortho ki

    রাইসা নামের অর্থ প্রধান, নেত্রী, শিক্ষক, ফুল, সভানেত্রী।

    রাইসা (Raisa) কোন লিঙ্গের নাম

    রাইসা নাম দিয়ে সাধারনত মেয়ে বাবুদের নাম রাখা হয়।

    রাইসা শব্দের ইংরেজি বানান কি

    রাইসা শব্দের ইংরেজি বানান হলো Raisa বা Raisaa

    রাইসা নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে

    রাইসা নামটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে।

    Raisa – রাইসা শব্দ দিয়ে আরো কিছু নামের তালিকা

    নিচে রাইসা দিয়ে ২৫ টি নাম দেয়া হলো। এর মধ্যে থেকে আপনি আপনার বাচ্চার নাম বাছাই করে নিতে পারেন।

    1. রাইসা সুলতানা,
    2. রাইসা খাতুন,
    3. রাইসা হাসান,
    4. রাইসা পারভীন,
    5. রাইসা মুহাম্মদ,
    6. রাইসা সাবেরা,
    7. রাইসা আলম,
    8. রাইসা আক্তার,
    9. রাইসা খাতুন ,
    10. রাইসা বেগম,
    11. রাইসা হোসেন,
    12. রাইসা খান,
    13. রাইসা চৌধুরী,
    14. রাইসা রহমান,
    15. রাইসা সরকার,
    16. রাইসা আহমেদ,
    17. রাইসা আলী,
    18. রাইসা শেখ,
    19. রাইসা হক,
    20. আফিয়া রাইসা,
    21. রাইসা মাহতাব,
    22. ছামিয়া খান রাইসা,
    23. রাইসা নাওয়ার,
    24. রাইসা জান্নাত,
    25. ইসরাত জাহান রাইসা।

     

    নাম খুজতে গিয়ে পিতা-মাতারা আরো যেসব প্রশ্ন করেঃ

    • রাইসা নামের অর্থ কি –
    • Raisa name meaning in Bengali.
    • Raisa namer ortho ki?
    • রাইসা নামের ইসলামিক অর্থ কী?
    • রাইসানামের আরবি অর্থ কি?
    • রাইসা কোন লিঙ্গের নাম?
    • রাইসা নামের ইংরেজি বানান কি
    • রাইসা নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • Raisa নামের অর্থ
    • রাইসা namer ortho ki
    • Raisa নামের অর্থ কি
    • রাইসা কি ইসলামিক নাম
    • রাইসা নামের অর্থ কি বাংলা

     

    রাইসা নামের অর্থ সংক্রান্ত আমাদের অনুরোধ

    রাইসা নামটি দিয়ে আপনার ছেলে বাবুর নাম চূড়ান্ত বা ফাইনাল করার আগে অবশ্যই আপনার স্থানীয় মসজিদের ইমাম অথবা একজন ভাল আলেমের সাথে পরামর্শ করে নিবেন। রাইসা নামের অর্থ শুধু মাত্র অনলাইনে দেখেই বাচ্চার নাম ফাইনাল করবেন না, আমাদেরও ভুল হতে পারে। তাই অনুরোধ করবো ভালো কোন হুজুরের থেকে জেনে নেওয়ার জন্য যে, রাইসা নামটি আসলেই ইসলামিক নাম কি না। বা এই নামটি কি রাখা যাবে কিনা।

     

  • সুমাইয়া নামের অর্থ কি | Sumaiya Name Meaning in Bengali

    সুমাইয়া নামের অর্থ কি | Sumaiya Name Meaning in Bengali

    সুমাইয়া নামের অর্থ কি – Sumaiya name meaning in Bengali. আপনি কি জানতে চান সুমাইয়া নামের ইসলামিক অর্থ কী?, Sumaiya namer ortho ki?, সুমাইয়া নামের আরবি অর্থ কি?, সুমাইয়া কোন লিঙ্গের নাম?, সুমাইয়া নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে? সুমাইয়া কি ইসলামিক নাম? সুমাইয়া নামের ইংরেজি বানান কি? সুমাইয়া নামের সাথে আর কোন নামগুলো যোগ করা যায়? সুমাইয়া কি আধুনিক নাম? সুমাইয়া নামের বাংলা অর্থ কি?

    আপনার প্রিয় মেয়ে সন্তানের জন্য সুমাইয়া নামটি চুড়ান্ত করার আগে দেখে নিন Sumaiya নামটির ইসলামিক ও আরবি অর্থ।

    সম্পূর্ন পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং জেনে নিন Sumaiya – সুমাইয়া নাম সম্পর্কিত আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি।

    সুমাইয়া নামের অর্থ কি

    সুমাইয়া নামের অর্থ সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী।

    সুমাইয়া নামের অর্থ কিSumaiya Name Meaning in Bengali

    সুমাইয়া নামের অর্থ হলোঃ “সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী”। নামের অর্থ টির দিকে লক্ষ্য করলে এটা দেখতে পারবেন, সমস্ত ভালো বিষয়গুলোর একটি নামেই বিদ্যমান।

     

    সুমাইয়া শব্দের অর্থ কীSumaiya Namer Ortho Ki

    অন্যভাবে বলা যায়, সুমাইয়া নামের ইসলামিক অর্থ হচ্ছে : খাঁটি, নির্ভেজাল, উঁচু, উচ্চ মানের নির্দিষ্ট করে।

    সুমাইয়া নামের ইসলামিক অর্থ কি

    অন্যভাবে বলা যায়, সুমাইয়া নামের ইসলামিক অর্থ হচ্ছে : সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী।

    সুমাইয়া নামের আরবি অর্থ কি

    সুমাইয়া নামের আরবি অর্থ সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী।

    সুমাইয়া  নামের অর্থ কি বাংলা

    সুমাইয়া নামের অর্থ খাঁটি, নির্ভেজাল, উঁচু, উচ্চ মানের ।

     

    Sumaiya নামের অর্থ

    সুমাইয়া নামের অর্থ সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী।

    সুমাইয়া namer ortho ki

    সুমাইয়া নামের অর্থ হলোঃ খাঁটি, নির্ভেজাল, উঁচু, উচ্চ মানের সমস্ত ভালো বিষয়গুলোর একটি নামেই বিদ্যমান। তাই অনেকে এ নামটি খুব পছন্দ করে।

    সুমাইয়া  কি ইসলামিক নাম?

    হ্যাঁ, সুমাইয়া নামটি একটি ইসলামিক নাম।

    Sumaiya Namer Ortho ki

    সুমাইয়া নামের অর্থ সুনাম, সুখ্যাতি, সুউচ্চ, সমুন্নত, স্বতন্ত্র চিহ্ন বা নিদর্শনের অধিকারী।

    সুমাইয়া (Sumaiya) কোন লিঙ্গের নাম

    সুমাইয়া নাম দিয়ে সাধারনত মেয়ে বাবুদের নাম রাখা হয়।

    সুমাইয়া শব্দের ইংরেজি বানান কি

    সুমাইয়া শব্দের ইংরেজি বানান হলো Sumaiya বা Sumaiyaa

    সুমাইয়া নামের আরবি বানান

    সুমাইয়া নামের আরবি বানান হলো : সুমাইয়া ( ﺳﻤﻴﺔ )

    সুমাইয়া নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে

    সুমাইয়া নামটি আরবি ভাষা থেকে এসেছে।

    Sumaiyaসুমাইয়া শব্দ দিয়ে আরো কিছু নামের তালিকা

    নিচে সুমাইয়া দিয়ে ৩০ নাম দেয়া হলো। এর মধ্যে থেকে আপনি আপনার বাচ্চার নাম বাছাই করে নিতে পারেন।

    1. সুমাইয়া সুলতানা
    2. সুমাইয়া হাসান
    3. সুমাইয়া খাতুন
    4. সুমাইয়া মুহাম্মদ
    5. সুমাইয়া আহমেদ
    6. সুমাইয়া সেখ
    7. সুমাইয়া সরকার
    8. সুমাইয়া রহমান
    9. সুমাইয়া চৌধুরী
    10. সুমাইয়া খান
    11. সুমাইয়া হাসান
    12. হাসান সুমাইয়া
    13. সুমাইয়া মিম
    14. সুমাইয়া পারভিন
    15. আফিয়া সুমাইয়া
    16. সুমাইয়া সাদিয়া
    17. ছামিয়া খান সুমাইয়া
    18. সুমাইয়া আক্তার
    19. সুমাইয়া রহমান
    20. উম্মে আক্তার সুমাইয়া
    21. সুমাইয়া মাহতাব
    22. সুমাইয়া শেখ
    23. সুমাইয়া হক
    24. সুমাইয়া আলী
    25. সুমাইয়া নাওয়ার
    26. সুমাইয়া আহমেদ
    27. সুমাইয়া সাবেরা
    28. সুমাইয়া আফরিন মিম
    29. সুমাইয়া খালিদ সুমা
    30. সুমাইয়া পারভীন

    সুমাইয়া নাম খুজতে গিয়ে পিতা-মাতারা আরো যেসব প্রশ্ন করেঃ

    • সুমাইয়া নামের অর্থ কি –
    • Sumaiya name meaning in Bengali.
    • Sumaiya namer ortho ki?
    • সুমাইয়া নামের ইসলামিক অর্থ কী?
    • সুমাইয়ানামের আরবি অর্থ কি?
    • সুমাইয়া কোন লিঙ্গের নাম?
    • সুমাইয়া নামের ইংরেজি বানান কি
    • সুমাইয়া নামটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • Sumaiya নামের অর্থ
    • সুমাইয়া namer ortho ki
    • Sumaiya নামের অর্থ কি
    • সুমাইয়া কি ইসলামিক নাম
    • সুমাইয়া নামের অর্থ কি বাংলা

    সুমাইয়া নামের অর্থ সংক্রান্ত আমাদের অনুরোধ

    সুমাইয়া নামটি দিয়ে আপনার মেয়ে বাবুর নাম চূড়ান্ত বা ফাইনাল করার আগে অবশ্যই আপনার স্থানীয় মসজিদের ইমাম অথবা একজন ভাল আলেমের সাথে পরামর্শ করে নিবেন। সুমাইয়া নামের অর্থ শুধু মাত্র অনলাইনে দেখেই বাচ্চার নাম ফাইনাল করবেন না, আমাদেরও ভুল হতে পারে। তাই অনুরোধ করবো ভালো কোন হুজুরের থেকে জেনে নেওয়ার জন্য যে, সুমাইয়া নামটি আসলেই ইসলামিক নাম কি না। বা এই নামটি কি রাখা যাবে কিনা।

     

  • রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মকানুন

    রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মকানুন

    রাসায়নিক পদার্থ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে।
     
    তাই সাধারন ভবন, স্থান থেকে শুরু করে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয় আইন ও নিয়মকানুন নিচে আলোচনা করা হলো।
     
    ● কোন কক্ষে হালকাভাবে ঢাকনা আটকানো ফ্লেমেবল তরল পদার্থের কন্টেইনার থেকে তরল দাহ্য ব্যবহার করা হলে উক্ত কন্টেইনার ৪ লিটার বা তার কম ধারণক্ষমতার হতে হবে এবং এ জাতীয় কক্ষে প্রতি বর্গ মিটারে ৮২০ লিটারের ফ্লেমেবল তরল রাসায়নিক রাখা যাবে না।
    ● যে সকল কক্ষে দাহ্য পদার্থ গুদামজাত করা হয় সেই রুম বা তার আশেপাশে রাখা অন্যন্য বস্তু হতে তা ১ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক ব্যবস্থা দ্বারা আলাদা থাকতে হবে। উক্ত গুদামে যদি স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংঙ্কলার ব্যবস্থা থাকে তাহলে তার আশেপাশে রাখা বস্তু মধ্যখানে আলাদাকরে অগ্নি প্রতিরোধক ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই।
    ● রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের সময় লিকেজ বা স্পিলেজের কারনে ব্যবহারের স্থান থেকে যাতে তা অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে না পারে এজন্য নূন্যতম ১০০ মি.মি. উঁচু বেষ্টনী তৈরি করতে হবে।
    ● কোন কাঁরখানা যদি তার উৎপাদন বা অন্য কোন কাজে এসিড ব্যবহার, মজুদ ও পরিহবন করতে চায় তাহলে তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট জেলার ডিসি থেকে লাইসেন্স নিতে হবে।
    ● উৎপাদন প্রতিষ্ঠানের কাছে অবশ্যই পরিচালক স্বাক্ষরিত লিখিত পরিবেশ নীতি থাকতে হবে,
    ● ভবন ও ভবন সংশ্লিষ্ট এলাকায় ড্রেনিং সিস্টেম থাকতে হবে যা সেকেন্ডারি কন্টেইনমেন্ট ও অগ্নি সুরক্ষা পানির ধারক হিসেবে চিহ্নিত। প্রতেক বিভাগের জন্য আলাদা ড্রেন বা নালা ডিজাইন করতে হবে যেন স্প্রিংঙ্কলার সিস্টেমের পানি এর মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
    ● যে সকল স্থানে বা কক্ষে বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে সেখানে ধোঁয়া ও তাপ বিহর্গমনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতে হবে।
    ● যারা রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে কাজ করবে তাদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা, রাসায়নিক পদার্থ এবং রাসায়নিক বর্জ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।
    ● ঝুঁকির প্রকৃতির উপর ভিত্তিকরে রাসায়নিক পদার্থের সংরক্ষণের সর্বোচ্চ পরিমান নির্ধারন করতে হবে। নিচে তা উল্ল্যেখ করা হলঃ

    S.N.

    Material

    Class/State

    Maximum Quantities

    Storage Limit

    Use Closed System

    Use Open System

    1

    Flammable Liquids

    Class l-A

    115 liters*

    115 liters*

    38 liters

    Class l–B, l-C

    454 liters*

    454 liters*

    115 liters

    2

    Combustible Liquids

    Class-ll

    454 liters*

    454 liters*

    114 liters

    Class-lll-A

    1249 liters*

    1249 liters*

    320 liters

    Class-lll-B

    49962 liters*

    49962 liters*

    12490 liters

    3

    Combination of flammable liquids

    Class l-A, l-B, l-C

    454 liters*

    454 liters*

    113 liters*

    4

    Flammable Gases

    Gaseous

    28 m3 at NTP

    28 m3 at NTP

    Not Applica.

    Liquefied

    113 liters

    113 liters

    Not Applica.

    5

    Liquefied  flammable

    Class l-A

    113 liters

    113 liters

    38 liters

    Class l-B, l-C

    454 liters

    454 liters

    113 liters

    6

    Flammable Solids

    Ingots, Pigs

    454 kg

    454 kg

    454 kg

    Light Metallic Products

    57 kg

    57 kg

    57 kg

    Dusts, Scraps

    0.454 kg

    0.454 kg

    0.454 kg

    7

    Oxidizing Materials

    Class 4

    0.454 kg

    0.1135 kg

    0.1135 kg

    Class 3

    4.54 kg

    0.227 kg

    0.227 kg

    Class2

    113 kg

    113 kg

    113 kg

    Class 1

    1816 kg

    1816 kg

    1816 kg

    8

    Oxidizing Gas

    Gaseous

    42.48 m3 NTP

    42.48 m3 NTP

    Not Applica.

    Liquefied

    56.78 liters

    56.78 liters

    Not Applica.

    9

    Corrosive

    Not Applicable

    2270 kg/1892 liters/23 m3 NTP

    2270 kg/1892 liters/23 m3 NTP

    454 kg/379 liters

    10

    Highly Toxic

    Not Applicable

    4.54 kg/ 0.57 m3 NTP

    4.54 kg/ 0.57 m3 NTP

    1.362 kg

    11

    Toxic

    Not Applicable

    227 kg/23 m3 NTP

    227 kg

    56.75 kg

     

    ● সকল প্রতিষ্ঠানকে তার উৎপাদন প্রক্রিয়ার কারনে সৃষ্ট বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ● বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ষ্টোরেজ নন এয়ার কন্ডিশন্ড রুমের জন্য সিলিং এর নূন্যতম উচ্চতা ৩.৫ মিটার ও এয়ার কন্ডিশন্ড রুমের জন্য ৩ মিটার হতে হবে।
    ● নিয়ন্ত্রন এলাকার অবস্থান এবং সংখ্যা নিচে ছকের মাধ্যমে উল্ল্যেখ করে হলোঃ

    Grade Level

    Floor Level

    Number of Control Areas Per Floor

    Fire Resistance Rating of Barriers in Hours

    Walls

    Floors

    Floor Supporting Members

    Above

    Higher than 9

    5

    1

    2

    2

    7-9

    5

    2

    2

    2

    6

    12.5

    2

    2

    2

    5

    12.5

    2

    2

    2

    4

    12.5

    2

    2

    2

    3

    50

    2

    1

    2

    2

    75

    3

    1

    2

    1

    100

    4

    1

    2

    Below

    1

    75

    3

    1

    2

    2

    50

    2

    1

    2

    Lower than 2

    Not Allowed

    Not Allowed

    Not Allowed

    Not Applicable

     

     

  • রাসায়নিক পদার্থ নিরাপদে পরিবহণ, গুদামজাতকরন ও ব্যবহার পদ্ধতি

    রাসায়নিক পদার্থ নিরাপদে পরিবহণ, গুদামজাতকরন ও ব্যবহার পদ্ধতি

    রাসায়নিক পদার্থ নিরাপদে পরিবহণের ক্ষেত্রে করনীয় – Chemical Transportation Regulations

    রাসায়নিক পদার্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হয়। সেগুলো হলোঃ
    • রাসায়নিক পদার্থ পরিবহনের সময় তা যেন অতিরিক্ত ঝাকুনি বা নাড়াচাড়া প্রাপ্ত না হয় বা আছাড় না খায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে,
    • পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা গাড়ি, ট্রলি বা সরঞ্জাম ত্রুটিমুক্ত হতে হবে,
    • কন্টেইনার লিকেজ বা অগ্নি দূর্ঘটনার সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে,
    • রাসায়নিক পদার্থের ধরনের উপর ভিত্তি করে উপযুক্ত স্পিল কিট ব্যবহার করতে হবে এবং উক্ত কার্যপ্রক্রিয়া একজন অভিজ্ঞ লোক দ্বারা সম্পন্ন করতে হবে। কারন, প্রশিক্ষন প্রাপ্ত ব্যক্তি দ্বারা কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন না হলে যে কোন ঝুঁকি বা বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।
     
     

    রাসায়নিক পদার্থ গুদামজাতকরন ও ব্যবহার পদ্ধতি – Warehouse and Use of Chemical Materials

    রাসায়নিক পদার্থ নিরাপদে গুদামজাতকরন ও ব্যবহারে জন্য নিন্মক্তো পদ্ধতি ও নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হবেঃ
    • রাসায়নিক পদার্থ গুদামজাতকরনে সমতল ফ্লোর নির্বাচন করতে হবে,
    • উপযুক্ত সেনেন্ডারি ট্রে ও কন্টেনার ব্যবহার করতে হবে,
    • গুদামজাত করার পূর্বে সকল রাসায়নিক বর্জ্য পদার্থের ধারক পাত্র লেবেলযুক্ত হতে হবে,
    • রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার ও সংরক্ষণের স্থান প্রবেশাধিকার সংরক্ষণ করতে হবে,
    • রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের স্থানে খোলা বাতি ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হতে বিরত থাকতে হবে,
    • অধিক ঝুকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থের আলাদা তালিকা তৈরি করতে হবে,
    • বিপদজনকতার রাসায়নিক পদার্থের মাত্রা, প্রকৃতি বিবেচনা করে পাত্র ও স্থান নির্বাচন করতে হবে,
    • উত্তম বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    • অধিক ক্ষতিকারক রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না,
    • রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষনের স্থান নিরাপদ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হতে হবে,
    • রাসায়নিক পদার্থের সিলিন্ডার সংরক্ষণের জন্য নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক যে তার ছিপি লাগানো আছে এবং তা নিরাপত্তা বেষ্টনী দ্বারা আবদ্ধ আছে,
    • ইমারজেন্সি ড্রেন ইটিপি এর সাথে সংযুক্ত থাকতে হবে,
    • পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত অগ্নি নির্বাপক সামগ্রীর ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    • কোন রাসায়নিক পদার্থ কতটুকু ক্ষতিকারক তার প্রতিকী চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে,
    • রাসায়নিক পদার্থ সংরক্ষণ এরিয়া, ব্যবহারের যায়গা ও পরিবহণ পথে নিরাপত্তা সাইন রাখতে হবে,
    • সকল রাসায়নিক পদার্থ সঠিক পরিবেশে সংরক্ষণ করতে হবে ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    • রাসায়নিক দ্রব্য সংরক্ষণের জন্য পৃথক এলাকা থাকতে হবে,
    • সলিড ও লিকুউড রাসায়নিক পদার্থের ধরণ অনুযায়ী সংরক্ষণ করতে হবে,
    • রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশনের পূর্বে তা সঠিকভাবে পরিশোধন করতে হবে।
     
     
     
    রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারে কিছু সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেয়া জরুরী। সেগুলো হলোঃ
    • অতিরিক্ত রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার,
    • এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তা পরিবহন করা,
    • রাসায়নিক পদার্থের কণ্টেইনারের ঢাকনা খোলা,
    • গুদামজাতকরন ও সংরক্ষন করা,
    • খালি কণ্টেইনারের উত্তম ব্যবস্থাপনা,
    • এক পাত্র থেকে তা অন্য পাত্রে ঢালা,
    • পিপেটের সাহায্যে ক্যামিকেল ঢালা,
    • কাপড় বা সুতা ধোঁয়া,
    • রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থাপনা,
    • রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের সময় প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা ও ব্যবহার।
    তাছাড়া ক্যামিকেল ষ্টোরে কাজ করার সময় ধূমপান করা, কোন কিছু খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় এসবের মাধ্যমে ক্যামিকেল মানবদেহে প্রবেশকরে মারাত্নক স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। সতর্কতার সাথে রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার করতে হবে। অনুবা তা বড় ধরনের দূর্যোগের সৃষ্টি করতে পারে।
     
     
    রাসায়নিক পদার্থ স্থানান্তর, ব্যবহার ও নারাচাড়ার সময় সুরক্ষার জন্য ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরন (পিপিই) ব্যবহার করতে হয়। সে গুলো হলোঃ
    • ক্যামিকেল প্রতিরোধক হ্যান্ড গ্লাভস,
    • ক্যামিকেল প্রতিরোধক পোশাক,
    • নিরাপত্তা মাস্ক,
    • নিরাপত্তা চশমা,
    • ক্যামিকেল প্রতিরোধক গামবুট ইত্যাদি।
  • রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ঝুঁকি ও এর সংস্পর্শে আসলে করনীয় কি?

    রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ঝুঁকি ও এর সংস্পর্শে আসলে করনীয় কি?

    রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ঝুঁকি সমূহ – Risks of Using Chemicals

    অনিরাপদ ও অরিক্ষিত ব্যবহারের ফলে সৃষ্টি ঝুঁকি হচ্ছে রাসায়নিক ঝুঁকি। তাছাড়াও দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন রকমের তরল পদার্থ, কাজ চলাকালীন সময়ে উৎপাদিত ধূলা, ধোঁয়া, গ্যাস ও বাষ্প থেকে রাসায়নিক ঝুঁকির উৎপত্তি হয়।
     
    এ সকল রাসায়নিক পদার্থ নিঃশ্বাস, চামড়া বা ত্বকের সংস্পর্শ এবং গলাধঃকরনের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী রোগের সৃষ্টি করে। অনিরাপদভাবে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ফলে লিভার ও কিডনির ক্যান্সার ছাড়াও চুলকানি, ফুয়াফুসের সমস্যা, মাথাব্যাথা, ত্বকের জ্বালাপোড়া, হজম জনিত সমস্যা, গর্ভধারনে নানান জটিলতা সহ বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।
     
    অনিরাপদভাবে ক্যামিকেল বা রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহারের ফলে সম্ভাব্য ঝুঁকি সমূহ নিন্মরূপঃ
    ● দাহ্য পদার্থের নিকটে আসলে আগুন ধরতে পারে,
    ● উচ্চ তাপে ক্যামিকেল সংরক্ষন করাহলে বিস্ফোরণ হতে পারে,
    ● ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে বা কুঁচকে যেতে পারে,
    ● শরীরের কোন অংশ পুড়ে যেতে পারে,
    ● ত্বকে ফোষ্কা পড়া, র‍্যাশ বা চুলকানি হতে পারে,
    ● অস্বস্তি বোধ করা, চোখ জ্বালাপোড়া, ব্যাথা বা লাল হয়ে যেতে পারে,
    ● ক্যামিকেলের ধুলা বা ধোঁয়া শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীরে প্রবেশের করলে ফুসফুসের মারাত্নক ক্ষনির সম্ভবনা থাকে,
    ● পরিশোধন না করে ক্যামিকেল উন্মুক্ত পরিবেশে নিষ্পত্তির ফলে বায়ু, পানি ও মাটি দূষিত হয়ে জলজ উদ্ভিদ এবং প্রাণীর উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
     
     

    রাসায়নিক দ্রব্য মানবদেহে প্রবেশের পথ – Routes of Chemical Exposure

    রাসায়নিক দ্রব্য মানবদেহে প্রবেশের পথ ৩ টি। যথাঃ
    ১. শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে,
    ২. ত্বকের মাধ্যমে,
    ৩. গলধঃকরন বা গিলে ফেলার মাধ্যমে।
     
     

    রাসায়নিক দ্রব্যের সংস্পর্শে আসলে করনীয় কি? – What is actually to do with the Contact of Chemicals

    রাসায়নিক দ্রব্য বা ক্যামিকেল বিভিন্ন উপায়ে মানুষের স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী মারাত্নক ক্ষতি করে। তাই এর সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
     
    নিচে তা আলোচনা করা হলোঃ
     
    • শরীরে লাগলেঃ ক্যামিকেল শরীরে লাগলে সাথে সাথে প্রচুর পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে ফেলতে হবে। শরীরের পোশাক, আংটি, বেল্ট, চুড়ি ইত্যাদি থাকলে দ্রুত খুলে ফেলতে হবে। কারন কিছু ঝুকিপূর্ণ ক্যামিকেল আছে যেগুলো শরীরের চামড়া ও মাংস পুড়িয়ে ফেলে বা ফুলে উঠে।
     
    • চোখের সংস্পর্শে আসলেঃ কোন রাসায়নিক পদার্থ চোখে প্রবেশ করলে চোখের পাতা খোলা রেখে চোখে প্রচুর পরিমান পানি ঢালতে হবে। ১৫ মিনিট বা তার অধিক সময় ধরে নির্দিষ্ট কল দ্বারা চোখ ভালো করে ধুতে হবে এবং দ্রুত ডাক্তারের নিকট যেতে হবে।
     
    • নিঃশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করলেঃ নিঃশ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করলে উক্তব্যক্তি কে দ্রুত খোলা বাতাসের নিকট নিতে হবে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
    • মুখে প্রবেশ করলেঃ ক্যামিকেল মুখের ভেতর প্রবেশ করলে বা গিলে ফেললে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
     
     

    রাসায়নিক পদার্থ বা ক্যামিকেল ব্যবহারের সাধারণ নির্দেশনাবলী – General Instructions for using Chemicals

    নিরাপদে রাসায়নিক পদার্থ বা ক্যামিকেল ব্যবহার ও গুদামজাতকরনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য ও সম্পদের অনাকাক্ষিত ঝুঁকি এড়ানো।
     
    নিচে এটি ব্যবহারের নির্দেশনা সমূহ উল্ল্যেখ করা হলোঃ
    • রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে তা যাতে চোখ ও শরীরে না লাগে,
    • রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের পর ভাল করে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে,
    • উপযুক্ত পিপিই মাস্ক, এপ্রোন, নিরাপদ চশমা, হাতমোজা, গামবুট ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে,
    • ক্যামিকেল ব্যবহার ও সংরক্ষণের স্থানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    • ফ্লোরে ক্যামিকেল পরেগেলে সাথে সাথে স্পিল কিট দিয়ে তা পরিষ্কার করে ফেলতে হবে,
    • সকল প্রকার খাবার, পানীয় ও ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে,
    • সঠিক মাত্রায় ক্যামিকেল ব্যবহার করা উচিত,
    • লেভেলবিহীন ক্যামিকেল ব্যবহার করা যাবে না,
    • অনুমতি ও অভিজ্ঞতা ছাড়া কোন ক্যামিকেল মিশ্রিত করা যাবে না,
    • সহজে জ্বলে উঠে এমন কোন দাহ্য বস্তুর নিকটে রাসায়নিক পদার্থ রাখা যাবে না,
    • আগুনের প্রকৃতির ভিত্তিতে সঠিক পদ্ধতিতে অগ্নি নির্বাপন যন্ত্রসমূহ ব্যবহার করতে হবে,
    • লেবেল বিহীন পাত্র বা খালি পাত্রে ক্যামিকেল ঢালা বা সংরক্ষণ করে যাবে না,
    • কাজ শেষ হলে কন্টেইনারের মুখ ভালো করে আটকিয়ে রাখতে হবে ও খালি কন্টেইনার নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে,
    • খাবার গ্রহণের পূর্বে ও কাজ শেষ হলে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
  • রাসায়নিক নিরাপত্তা কি? শ্রেণীবিন্যাস, প্রকারভেদ ও তা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা

    রাসায়নিক নিরাপত্তা কি? শ্রেণীবিন্যাস, প্রকারভেদ ও তা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা

    ক্যামিকেল কি? – What is Chemical?

    ক্যামিকেল হলো এমন এক স্বতন্ত্র আনবিক মিশ্রণ যা রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপাদিত বা কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।
     
     

    রাসায়নিক বা ক্যামিকেল নিরাপত্তা কি? – What is Chemical Safety?

    রাসায়নিক বা ক্যামিকেল নিরাপত্তা বলতে বুঝায় রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন থেকে শুরু করে বর্জ্য নিষ্কাশন পর্যন্ত সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সুনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার যা রাসায়নিক পদার্থ ঘটিত যেকোন দুর্ঘটনা, স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও পরিবেশগত ঝুঁকি থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
     
    প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন রকম ক্যামিকেল ব্যবহার করে থাকি। যেগুলোর সঠিক ব্যবস্থাপনা অভাবে প্রায়ই সময়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এর ফলে প্রতি বছর শ্বাস-প্রশ্বাস, ত্বক ও গলধঃকরনের মাধ্যমে নতুন করে মানুষ অসুস্থার তালিকায় যুক্ত হচ্ছে, অগ্নি ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে ও সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। তাই সঠিক পদ্ধতি ও আইন যেনে রাসায়নিক বা ক্যামিকেল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন জরুরী হয়ে পরেছে।
     
     

    রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা – Importance of Chemical Management

    স্বাস্থ্য ঝুঁকি, অগ্নি ঝুঁকি সহ বিভিন্ন প্রকার ঝুঁকি ও দুর্ঘটনা মোকাবেলার জন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।
     
    নিচে তা উল্ল্যেখ করা হলোঃ
    ● অগ্নি ঝুঁকি কমিয়ে আনা,
    ● রাসায়নিক পদার্থের গুনগতমান অক্ষুণ্ণ রাখা,
    ● রাসায়নিক পদার্থের অপচয় কমিয়ে আনা,
    ● সুষ্ঠ কর্মপরিবেশ বজায় রাখা,
    ● পেশাগত স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমিয়ে আনা,
    ● পন্যের উৎপাদন ব্যয় কমানো,
    ● উৎপাদন বৃদ্ধি করা,
    ● উৎপাদিত পন্যের গুনগতমান বজায় রাখা
     
     

    ক্যামিকেলের শ্রেণীবিন্যাস ও প্রকারভেদ – Classification of Chemical Reaction

    বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন মানদন্ড ও লেভেল ব্যবহার করে ক্যামিকেলের তীব্রতা এবং বিষাক্ততা নিরূপণ করার চেষ্টার ফলে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হতো।
     
    তাই ২০০৩ সালে OHSA (ওসা) Globally Harmonized System of Classification and Labeling of Chemicals (GHS) প্রবর্তন করে। GHS হলো শ্রেনীবিন্যাস ও লেবেলিং এর জন্য আন্তর্জাতিক মানদন্ড।
    Globally Harmonized System (GHS) অনুযায়ি রাসায়নিক পদার্থ সমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
     
    যথাঃ
    ১. ফিজিক্যাল হ্যাজার্ড (Physical Hazard)
    ২. স্বাস্থ্যগত হ্যাজার্ড (Health Hazard)
    ৩. পরিবেশগত হ্যাজার্ড (Environmental Hazard)
     
    Globally Harmonized System (GHS) অনুসারে বিভাগ অনুযায়ি বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের উদাহরন, সাবধানতা ও চিহ্নের বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেয়া হলোঃ
     

    ১. ফিজিক্যাল হ্যাজার্ডঃ

    • Flammable বা দাহ্য রাসায়নিক পদার্থঃ এরোসল, ডিজেল, হাইড্রোজেন সালফাইড, পেট্রোল ইত্যাদি। বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, উতপ্ত বস্তু, অতিরিক্ত তাপ, খোলা আগুন, ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান থেকে দূরে থাকতে হবে।
    • Oxidizer বা জারক রাসায়নিক পদার্থঃ নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, ক্যালসিয়াম হাইপোক্লোরাইড, ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহারের সময় অবশ্যই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জামি (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে।
    • Corrosive বা ক্ষয়কারী রাসায়নিক পদার্থঃ হাইড্রোক্লোরিক এসিড, সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইড, সালফিউরিক এসিড, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ইত্যাদি। ব্যবহারের সময় অবশ্যই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জামি (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে।
     
    • Explosive বা বিস্ফোরণ ঝুঁকি সম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থঃ হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড। ব্যবহারের সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তামূলক সরঞ্জামি (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে।
     
    • কম্প্রেসড গ্যাসঃ হাইড্রোজেন সালফাইড ইত্যাদি। ব্যবহারের সময় অবশ্যই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জামি (পিপিই) পরিধান করতে হবে ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
     

    ২. স্বাস্থ্যগত হ্যাজার্ডঃ

    • Fatal বা মারাত্নক ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থঃ হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (কষ্টিক সোডা), এনামেল পেইন্ট ইত্যাদি। ব্যবহারের সময় উপযুক্ত পিপিই ব্যবহার করতে হবে এবং যেকোন প্রকার খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
     
    • Intense Baneful বা তীব্র বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থঃ হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড ইত্যাদি। এ ধরনের পদার্থ বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক বলে এগুলো ব্যবহারের সময় সতর্ক মূলক ব্যবস্থা হিসেবে পিপিই পরিধান করতে হবে ও কোন কিছু খাওয়া যাবে না।
     
    • Harrowing বা যন্ত্রনাদায়ক রাসায়নিক পদার্থঃ হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, সোডিয়াম হাইড্রোসালফাইড ইত্যাদি। ব্যবহারের সময় অবশ্যই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জামি ব্যবহার করতে হবে এবং নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
     

    ৩. পরিবেশগত হ্যাজার্ডঃ

    এটি পরিবেশের উপর ঝুঁকি সৃষ্টিকারী রাসায়নিক পদার্থ। উদাহরনঃ অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড, ইত্যাদি। এ ধরনের পদার্থ পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এ জন্য রাসায়নিক বর্জ আবাদি জমিতে ব্যবহার অথবা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
     
  • সিঁড়ি, আইলস মার্ক, হ্যান্ড রেইল ও গার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

    সিঁড়ি, আইলস মার্ক, হ্যান্ড রেইল ও গার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

    সিঁড়ি – Stairs

    যে সকল প্রতিষ্ঠানের ভবনে বা ভবনের কোন অংশে নিচ তলার উপরে ২০ জন বা তার অধিক লোক কাজ করে অথবা দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করা/জমা রাখা হয় সেক্ষেত্রে জরুরী মুহুর্তে বের হবার জন্য স্থায়ীভাবে ন্যূনতম দুটি মজবুত ও পৃথক সিঁড়ির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
     
    এগুলো অগ্নি প্রতিরোধক পদার্থ দ্বারা তৈরি এবং বাধামুক্ত হতে হবে। কত জন লোকের জন্য কমপক্ষে কতটি সিঁড়ি প্রয়োজন তা নিচে দেয়া হলোঃ
     

    মোট জনসংখ্যা/শ্রমিক সংখ্যা

    সিঁড়ির সংখ্যা

    ৫০০ বা তার কম হলে ন্যূনতম

    ২ টি

    ৫০১ থেকে ১০০০ হলে ন্যূনতম

    ৩ টি

    ১০০০ এর অধিক হলে ন্যূনতম

    ৪ টি

     

     

    সিঁড়ির প্রস্থের মাত্রা – Stairs Width Regulations

    ইমারত নির্মাণবিধিমালা ও আইন অনুসারে বিভিন্ন ধরণের ভবনের ক্ষেত্রে সিঁড়ির প্রস্থ বিভিন্ন হবে। যেমনঃ

    ধরন

    দখল

    সিঁড়ির ন্যূনতম প্রস্থ (মি.)

    A

    আবাসিক ভবন

    একক পরিবার

    ১.০

    ফ্লাট বা আপার্টমেন্ট

    ১.১৫

    হোস্টেল,মেস ও বোর্ডিং

    ১.২৫

    হোটেল ও লজিং ঘর

    ১.২৫

    B

    শিক্ষাবিষয়ক ভবন

    ১.৫

    C

    প্রাতিষ্ঠানিক ভবন (কেয়ার)

    ১.৫

    D

    হেলথ কেয়ার ভবন

    ২.০

    E

    ব্যবসা ভবন

    অফিস

    ১.৫

    F

    বাণিজ্যিক ভবন

    ছোট দোকান ও মার্কেট

    ১.৫

    বড় দোকান ও মার্কেট

    ২.০

    জরুরী সেবা

    ১.৫

    I

    সমাবেশ ভবন

    ২.০

    M

    অন্যান্য ভবন

    ১.২৫

     

     

    বিদ্যমান ও নতুন ভবনের সিঁড়ির জন্য বিধিমালা – Rules for Existing and New Building Stairs

    ● সিঁড়িতে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল আলোর ব্যবস্থা থাকতে হবে এবং অন্ধকারাছন্ন ও ধোয়াচ্ছন্ন যাতে না হতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে,
    ● প্রত্যেক ফ্লোর বা তলার প্রবেশ মুখে, দরজার কাছে সিঁড়ি সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য,চিহ্ন বাংলা ও ইংরেজিতে টানিয়ে দিতে হবে,
    ● ৬ তলা পর্যন্ত উচ্চতা বিশিষ্ট ভবনের কোন সিঁড়ি প্রস্থ ১.১৫ মিটারের কম এবং ৬ তলার অধিক উচ্চতা সম্পন্ন ভবনের ক্ষেত্রে সিঁড়ির প্রস্থ ২.০০ মিটারের কম হতে পারবে না,
    ● অগ্নিকান্ডের সময় ভবনের প্রত্যেক তলার সাথে সংযোগ রক্ষাকারী নূন্যতম একটি বিকল্প সিঁড়িসহ বিহির্গমনের ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    ● সিঁড়িগুলো নিরাপদ বেষ্টনীসহ সরাসরি খোলা স্থানে বা নির্ধারিত নিরাপদ দূরত্বে খুলতে হবে,
    ● সমতল হতে সিঁড়িগুলোর কৌণিক দুরত্ব ৪৫° কোণের অধিক হতে পারবে না,
    ● শিল্প কারখানার ক্ষেত্রে অগ্নি নিরাপদ সিঁড়ি ১.৫ মিটার ও ৫৯ ইঞ্চির কম হতে পারবে না,
    ● সিঁড়ি বা বর্হিগমন পথ কোন শ্রমিকের কাজের স্থান থেকে পঞ্চাশ মিটারের অধিক দূরত্বে হতে পারবে না,
    ● নূন্যতম অর্ধেক সংখ্যক সিঁড়ির শেষ ভাগ ভবনের বাহিরের দিকে থাকতে হবে,
    ● প্রত্যেক সিঁড়ির উভয়পাশে হাতল দিতে হবে এবং প্রয়োজনে মধ্যবর্তী হাতল ব্যবহার করতে হবে।
     
     

    হ্যান্ড রেইল ও গার্ড – Handrail and Guardrail

    সিঁড়িতে হ্যান্ড রেইল থাকা জরুরী কিন্তু উক্ত সিঁড়ি রেলিং স্থাপনের জন্য প্রশস্ততা যদি ১.১৫ মিটারের কম হয় তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। হ্যান্ড রেইল ও গার্ড সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে। সেগুলো হলোঃ
     
    ● অগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে বের হবার জন্য যে সিঁড়ি ব্যবহার করা হবে তার উভয়পাশে মজবুত হ্যান্ড রেইলিংযুক্ত থাকতে হবে,
    ● সিঁড়ি ও সিঁড়ির রেইল তার অপরিবাহী ও অগ্নি প্রতিরোধক পদার্থ দ্বারা নির্মিত হতে হবে,
    ● নতুন হ্যান্ড রেইল উচ্চতার নূন্যতম ৮৬৫ মি.মি. (৩৪ ইঞ্চি) ও সর্বোচ্চ ৯৬৫ মি.মি.(৩৮ ইঞ্চি) হতে হবে,
    ● পুরাতন হ্যান্ড রেইল যেগুলো ৭৬০ মি.মি. (৩০ ইঞ্চি) এর কম বা ১১০০ মি.মি. (৪৪ ইঞ্চি) এর বেশি, তা উপরোক্ত বিধি অনুসারে প্রতিস্থাপন করতে হবে,
    ● বর্হিগমন পথের খোলা যায়গা যেখানে ফ্লোর হতে উচ্চতা ৭৬০ মি.মি. (৩০ ইঞ্চি) এর বেশি হয় সে ক্ষেত্রে অবশ্যই নিরাপত্তা গার্ড ব্যবহার করতে হবে,
    ● নতুন গার্ডের নূন্যতম উচ্চতা হবে ১০৬৭ মি.মি. (৪২ ইঞ্চি) এবং বিদ্যমান গার্ডের ক্ষেত্রে নূন্যতম উচ্চতা হবে ৭৬০ মি.মি. (৩০ ইঞ্চি)।
     
     

    আইলস মার্ক – Aisles Mark

    আইলস মার্কিং এর ক্ষেত্রে এর প্রশস্ত প্রতি তলায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্বারা নির্দিষ্ট করা হয়। আইলস মার্ক নির্ধারন ও এর বিধান সমূহঃ
    • ৫০ জন বা তার কম ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ০.৯ মিটার ও ৫০ জনের বেশী ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ১.১ মিটার প্রশস্ত হবে,
    • দেয়াল হতে যন্ত্রপাতির দূরত্ব কমপক্ষে ১ মিটার হতে হবে এবং যন্ত্রের পাশে চলাচলের জন্য ১ মিটার প্রশস্ত রাস্তা থাকতে হবে। তবে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানে যে ক্ষেত্রে স্থান সংকুলনের ব্যবস্থা নেই সে ক্ষেত্রে দেয়াল হতে যন্ত্রপাতির দূরত্ব ও চলাচলের রাস্তা নূন্যতম ০.৭৫ মিটার রাখতে হবে।
     
  • বহির্গমন পথ কি? বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ ও বহির্গমন সংকেত

    বহির্গমন পথ কি? বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ ও বহির্গমন সংকেত

    বহির্গমন পথ কি? – What is The Way Out?

    যেকোন জরুরী অবস্থায় ভবন থেকে নিরাপদে বের হতে যে রাস্তা বা পথ ব্যবহার করা হয় তাকে বহির্গমন পথ বা এক্সিট রুট বলে। প্রয়োজন অনুসারে একটি ভবনের প্রতিটি কক্ষের এক বা একাদিক এক্সিট রুট থাকে।
     
     

    বহির্গমন পথের দূরত্ব ও এক্সিটের দূরত্ব – Exit Travel Distance and Exit Distance

    অনিধিক দ্বিতীয় তলা ভবনের ক্ষেত্রে প্রতি তলায় ৫০ জন হলে বহির্গমন পথের দূরত্ব ২৩ মিটারের অধিক হওয়া যাবে না। ইমারতের ফ্লোরের যে কোন স্থান হতে অনধিক ২৫ মিটারের মধ্যে জরুরী নির্গমন পথ থাকতে হবে এবং তা সিঁড়ির লবি ও লিফট লবি থেকে আলাদা ও নীচ তলার সাথে যুক্ত হতে হবে।
     
    একই ভবনে একাদিক এক্সিট এর ক্ষেত্রে এক্সিট গুলি এরকম হতে হবে যে মেঝের ব্যবহ্রত অংশ হতে যে কোন ডোরের দূরত্ব সর্বোচ্চ ৪৫ মিটার হয়।
     

     

    বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ – Rules of Exit Travels

    ● ভবনের প্রত্যেক ফ্লোরে সহজে দৃশ্যমান এক বা একাদিক স্থানে বহির্গমন পথের নকশা দেয়ালে টানিয়ে রাখতে হবে,
    ● তিন তলা বা তার চেয়ে কম তলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য বহির্গমন পথ সর্বনিম্ন ১ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক হতে হবে,
    ● চার তলা বা তার চেয়ে বেশী তলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য এ পথ সর্বনিম্ন ২ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক হতে হবে,
    ● ফ্লোরের অগ্নি নির্বাপণ ক্ষমতা অনুসারে উক্ত পথ অগ্নি নির্বাপক হতে হবে কিন্তু তা ২ঘন্টার বেশি নয়,
    ● প্রতিষ্ঠানের ভবনের প্রতিটি কক্ষ যেখানে ২০ জন বা তার অধিক লোক কাজ করে সেখানে ন্যূনতম ২টি বহির্গমন পথ থাকতে হবে,
    ● বহির্গমন পথ কোন ব্যক্তির কাজের স্থান থেকে ৫০মিটারের অধিক দূরত্বে হবে না,
    ● বহির্গমন পথের প্রস্থ ১.১৫ মিটার এবং উচ্চতা ২মিটারের কম হতে পারবে না,
    ● ভবনের মাঝের বহির্গমন সিঁড়িপথ ও বাঁকের শেষ প্রান্ত ভবনের বহিমুর্খী হতে হবে,
    ● বহির্গমন পথের দেয়াল,ফ্লোর ও সিলিং অগ্নি প্রতিরোধক নির্মান দ্বারা তৈরি হতে হবে, বহির্গমন ছাড়া অন্য কোন কাজে তা ব্যবহার করা যাবে না,
    ● বহির্গমন পথ বাঁধা মুক্ত থাকতে হবে এবং এ পথের ধারণক্ষমতা কমানো যাবে না,
    ● উক্ত দরজা কখনো তালাবদ্ধ করা যাবে না,
    ● এ দরজার উভয়পাশে অবতরন ব্যবহার করতে হবে,
    ● বহির্গমনের প্রত্যেক দরজা সুইংগিং ফায়ার ডোর হতে হবে,
    ● কোন ভবনের, কোন ফ্লোরে বা অন্যত্র যত সংখ্যক লোক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে বহির্গমন পথ হিসেব করতে হবে,
    ● একজন দখলকারীর জন্য কতটুকু জায়গা প্রয়োজন তা বি,এন,বি,ছি এর নির্ধারিত টেবিল অনুযায়ী হিসেব করতে হবে। টেবিলটি নিন্মরূপঃ

    দখল

    স্প্রিংকলার ব্যতিত বিল্ডিং(মি.মি.)

    স্প্রিংকলারসহ বিল্ডিং (মি.মি.)

    সিঁড়ি

    র‍্যাম্প ও করিডোর

    দরজা

    সিঁড়ি

    র‍্যাম্প ও করিডোর

    দরজা

    A আবাসিক

    B শিক্ষা বিষয়ক

    F বাণিজ্যিক

    H গুদামজাত

    C (C1,C2,C3) প্রাতিষ্ঠানিক

    ১০

    C4 প্রাতিষ্ঠানিক

    D স্বাস্থসেবা

    ২৫

    ১৮

    ১০

    ১৫

    ১২

    ১০

    I সমাবেশ

    ১০

    J বিপজ্জনক

     

    বহির্গমন সংকেত বা এক্সিট সাইন – Exit Sign

    বহির্গমন সংকেত বা এক্সিট সাইন হলো আলো যুক্ত এমন এক প্রকার সংকেত বা চিহ্ন যা সঠিকভাবে, দ্রুত ও নিরাপদে দ্যুর্ঘটনা প্রবণ স্থান থেকে নিরাপদ স্থানে আসতে সাহায্য করে। তাই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সকল বিল্ডিং এ এক্সিট সাইন বা প্রস্থানের চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
     
    আলোযুক্ত বহির্গমন সংকেত এ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও ইমারজ্যান্সি পাওয়ারের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এটি বহির্গমন পথের সামনে রাখতে হবে। যে সকল স্থান থেকে বহির্গমন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যায় না সেখানে অতিরিক্ত এক্সিট সাইন ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে পথ নির্দেশক সাইন থাকতে হবে।
  • ফায়ার স্প্রিংকলার ও ফায়ার হাইড্রেন্ট – গঠন, কার্যপ্রনালী ও প্রয়োজনীয় আইন

    ফায়ার স্প্রিংকলার ও ফায়ার হাইড্রেন্ট – গঠন, কার্যপ্রনালী ও প্রয়োজনীয় আইন

    ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেম – Fire Sprinkler System

    স্প্রিংকলার সিস্টেম হলো স্থায়ী সেন্সর ও অটোমেটিক অগ্নি নির্বাপণী ব্যবস্থা। এর হেডে একটি বাল্ব থাকে যাতে তাপমাত্রা পূর্ব থেকে নির্দিষ্ট করে দেয়া থাকে। সাধারণত তাপমাত্রা ঐ তাপমাত্রা অতিক্রম করলেই স্প্রিংকলার হেডের বাল্বটি ভেঙ্গে স্বয়ংক্রিয় পানি ছিটিয়ে অগ্নি নির্বাপণ করে। পানি পরিবর্তে অন্যান্য অগ্নি নির্বাপক পদার্থ ফোম,নিষ্ক্রিয় গ্যাস, কার্বন ডাই অক্সাইড ও ড্রাই কেমিক্যাল পাউডারও এ স্প্রিংকলারে ব্যবহার করা হয়।
     
    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ফায়ার স্প্রিংকলার কোন ভবনে সঠিকভাবে স্থাপন করলে ৯০% আগুন এটি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। ১৮৭৪ সালে হেনরি এস পারমালি সর্বপ্রথম অটোমেটিক ফায়ার স্প্রিংকলার স্থাপন করেন যেখানে পানির পাইপের মুখে এক ধরনের ধাতব পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা অতিরিক্ত তাপে গলে আগুন নিভে যেত। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমানে আধুনিক ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।
     
     

    স্প্রিংকলারের প্রকারভেদ – Types of Fire Sprinkler

    বর্তমানে বিভিন্ন রকমের ফায়ার স্প্রিংকলার পাওয়া যায়। যেমনঃ
     

    ● অয়েট পাইপ

    এ ধরণের ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেমে পানির পাইপ সবসময় নির্দিষ্ট চাপে পানি দিয়ে পূর্ণ থাকে।
     

    ● ড্রাই পাইপ

    যেখানে পানি জমে থাকার সম্ভবনা থাকে বা শীত প্রধান দেশে এ ধরণের স্প্রিংকলার ব্যবহার করা হয়। এ স্প্রিংকলারে পাইপ সঙ্কুচিত বায়ু দ্বারা পূর্ণ থাকে।
     

    ● প্রি অকশান ড্রাই পাইপ

    এটি মূলত ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম ও ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেমের যৌথ রূপ।
    এগুলো ছারাও আরো কিছু জনপ্রিয়ো ফায়ার স্প্রিংকলার রয়েছে।
     
    সে গুলো হলঃ
    ▪ রেসিডেন্সিয়াল,
    ▪ কুইক রেসপ্নস,
    ▪ স্ট্যান্ডার্ড রেসপ্নস,
    ▪ কন্ট্রোল মোড স্পেসিফিক এপ্লিকেশন ইত্যাদি।
     
     

    ফায়ার স্প্রিংকলারের গঠন ও কার্যপ্রনালী – Fire Sprinkler Testing Procedure

    এটি পূর্ব নির্ধারিত তাপে কাজ করা শুরু করে। এতে গলনশীল ধাতু বা ভঙ্গুর কাচের বাল্ব ব্যবহার করা হয়। পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা পূর্ব নির্ধারিত তাপমাত্রার উপরে উঠলেই স্প্রিংকলারগুলো কাজ শুরু করে।
     
    স্প্রিংকলারগুলো কোন তাপমাত্রায় কাজ করবে তার কালার কোড আছে। তা হলোঃ

    ম্যাক্সিমাম ছিলিং টেম্পারেচার

    টেম্পারেচার রেটিং

    টেম্পারেচার ক্লাসিফিকেশন

    কালার কোড

    গ্যাস বাল্ব্ব কালার

    ১০০

    ১৩৫-১৭০ / ৫৭-৭৭

    অরডিনিয়ারী

    ব্লাক/আনকালারড

    ওরেঞ্জ(১৩৫F/৫৭C)

    রেড(১৫৫F/৬৮C)

    ১৫০

    ১৭৫-২২৫ / ৭৯-১০৭

    ইন্টারমিডিয়েট

    হোয়াইড

    ইউলো(১৭৫F/৭৯C)

    গ্রিন(২০০F/৯৩F)

    ২২৫

    ২৫০-৩০০ / ১২১-১৪৯

    হাই

    ব্লু

    ব্লু

    ৩০০

    ৩২৫-৩৭৫ / ১৬৩-১৯১

    এক্সট্রা হাই

    রেড

    প্যারপেল

    ৩৭৫

    ৪০০-৪৭৫ / ২০৪-২৪৬

    ভেরি এক্সট্রা হাই

    গ্রীন

    ব্লাক

    ৪৭৫

    ৫০০-৫৭৫ / ২৬০-৩০২

    আলট্রা হাই

    ওরেঞ্জ

    ব্লাক

    ৬২৫

    ৬৫০ / ৩৪৩

    আলট্রা হাই

    ওরেঞ্জ

    ব্লাক

     

    ফায়ার স্প্রিংকলার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Fire Sprinkler Laws

    ● ৭৫ ফুট বা ২৩ মিটার এর উচু ভবনের প্রতি তলায় স্প্রিংকলার স্থাপন করতে হবে,
    ● দ্বিতীয় তলার উপরের কোন একজিসটং বিল্ডিং যদি নন রেটেড কন্সট্রাকশন হয় ও তার প্রতি
    ফ্লোর এর ক্ষেত্রফল যদি ২০০০ বর্গ মিটার বা ২২০০০ বর্গ ফুট এর অধিক হয় তবে তার
    প্রতি তলায় ফায়ার স্প্রিংকলার স্থাপন করতে হবে,
    ● প্রতি ১৩০ বর্গ ফুট বা ১২.১ বর্গ মিটারের জন্য একটি স্প্রিংকলার ইউস করতে হবে,
    ● ফায়ার স্প্রিংকলারের পানির চাপ ১০০ কেপিএ হতে হবে,
    ● ফায়ার স্প্রিংকলারের জন্য প্রয়োজনীয় পানির রির্জাবের মাপ ও পানির প্রবাহ কেমন হতে হবে তা নিন্মরূপঃ

    বিল্ডিং এর উচ্চতা

    রির্জাবের আয়তন

    পানির প্রবাহ (লিটার)

    সময় (মিনিট)

    ৫১ মিটার পর্যন্ত

    ২,৪০,০০০ লি. বা ৫৩,৩৩৩ গ্যালন

    ৩২০০

    ৭৫

    ৫১ থেকে ১০২ মি.

    ৩০০,০০০ লি. বা ৬৬,৬৬৬ গ্যালন

    ৩২০০

    ৯৩.৭৫

    ১০২ মি. থেকে উপরে

    ৩৬০,০০০ লি. বা ৮০,০০০ গ্যালন

    ৩২০০

    ১১২.৫

     

    ● স্প্রিংকলারের পানির পাইপের ডাইয়া হতে হবে ৫, ৬ বা ৮ ইঞ্চি।

     

    ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম – Fire Hydrant System

    আগুন নিবানোর জন্য পানি অপরিহার্য। শহরে বা শিল্পাঞ্চলের নিকটে পুকুর বা জলাশয় না থাকায় এ ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এটি মূলত স্ট্যান্ড পাইপ, স্প্রিংকলার, হোস রীল পাইপের সম্মিলিত রূপ।
     
    মাটির নীচ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির প্রবাহ সৃষ্টির পদ্ধতিকে হাইড্রেন্ট ব্যবস্থা বলে। ধারণা করা হয় চীন সর্ব প্রথম ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার করে।
     
     

    ফায়ার হাইড্রেন্টের প্রকারভেদ – Types of Fire Hydrants

    কাজের সুবিধার উপর নির্বর করে ফায়ার হাইড্রেন্টকে নিন্মোক্ত ভাবে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
     

    ● ড্রাই ব্যারেল টাইপ

    এ হাইড্রেন্টে বাল্বগুলো মাটির নিচে থাকে ও একটি রড বাল্ব থেকে সিল গালা দিয়ে উপরে আসে। এ ক্ষেত্রে একটি পরিসর দিয়ে পোর্ট থেকে পানি নেওয়া যায়।
     

    ● ওয়েট ব্যারেল টাইপ

    এ ক্ষেত্রে হাইড্রেন্টে বাল্বগুলো মাটির উপরে থাকে ও যখন খুশি বাল্ব খুলে প্রত্যেক পোর্ট থেকে পানি নেওয়া যায়।
     

    ● ফিক্সড ওয়াটার টাইপ

    এ ব্যবস্থায় হাইড্রেন্টের সকল অংশ নির্দিষ্ট জায়গায় স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে। ফ্যায়ারম্যানরা চলনশীল অংশগুলো বহন করে নিয়ে যায় ও পানি ব্যবহার করে আগুন নিভানো হয়।

     

    ● ফিক্সড নন ওয়াটার টাইপ

    এ ব্যবস্থায় হাইড্রেন্টের সকল অংশ নির্দিষ্ট জায়গায় স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে। ফ্যায়ারম্যানরা চলনশীল অংশগুলো বহন করে নিয়ে যায় ও ড্রাই ক্যামিকাল পাউডার, ফোম ইত্যাদি ব্যবহার করে আগুন নিভানো হয়।
     

    ● সুইচ বাল্ব টাইপ

    এ হাইড্রেন্টটি মেইন লাইনের উপর না বসিয়ে পাশাপাশি বসানো হয়। ফলে পানির চাপ স্বাভাবিক থাকে ও সমান্তরাল ভাবে প্রবাহিত হয়।
     
     

    হাইড্রেন্টের গঠন ও কার্যপ্রনালী – Fire Hydrant Maintenance Procedure

    বিভিন্ন প্রকার হাইড্রেন্ট বিভিন্নভাবে কাজ করে। তবে এর একটি কালার কোড অনুসরণ করে।
     
    তা হলোঃ

    কালার

    ক্লাস

    এভেইলেবল ফ্লো

    ব্লু

    AA

    ১৫০০ জিপিএম/মোর

    গ্রীন

    A

    ১০০-১৪৯৯ জিপিএম

    অরেঞ্জ

    B

    ৫০০-৯৯৯ জিপিএম

    রেড

    C

    বিলও ৫০০ জিপিএম

     

    • জিপিএম (GPM) = গ্যালন পার মিনিট
    হাইড্রেন্ট সিস্টেম তিন ভাবে পানি সরবরাহ করে। যথাঃ
    ১. গভীর নলকূপের মাধ্যমে,
    ২. পাম্পের মাধ্যমে সরাসরি,
    ৩. ভবনের ছাদের পানির রিজার্ভারের মাধ্যমে।

    ফায়ার হাইড্রেন্ট সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Fire Hydrant Laws

    ● ভবন নতুন বা পুরাতন যাই হোক তার উচ্চতা ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট অতিক্রম করলেই সেখানে স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম প্রযোজ্য।
    ● ফায়ার হাইড্রেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় পানির রির্জাবের মাপ ও পানির প্রবাহ কেমন হতে হবে তা নিন্মরূপঃ

    বিল্ডিং এর উচ্চতা

    রির্জাবের আয়তন

    পানির প্রবাহ (লিটার)

    সময় (মিনিট)

    ৫১ মিটার পর্যন্ত

    ১,৪২,৫০০ লিটার

    ১৯০০

    ৭৫

    ৫১ থেকে ১০২ মি.

    ১,৭৮,১২৫ লিটার

    ১৯০০

    ৯৩.৭৫

    ১০২ মি. থেকে উপরে

    ২,১৩,৭৫০ লিটার

    ১৯০০

    ১১২.৫

     

    ● ফায়ার হাইড্রেন্টের পানির চাপ ৪৫০ কেপিএ হতে হবে,
    ● প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৭৫০ বর্গ মিটার অথবা এর বেশি হলে সেখানে হাইড্রেন্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে,
    ● হাইড্রেন্ট ও স্ট্যান্ড পাইপ সিস্টেমের জন্য পানির পাইপের ডাইয়া হতে হবে ৫ বা ৬ ইঞ্চি।

     

  • ফায়ার লিফট ও ধূমপান – ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় ও ভবনে ধূমপান বিষয়ে আইন

    ফায়ার লিফট ও ধূমপান – ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় ও ভবনে ধূমপান বিষয়ে আইন

    ফায়ার লিফট – Fire Lift

    ফায়ার লিফট (Fire Lift) এমন একটি লিফট যা শুধুমাত্র আগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে ব্যবহার করা হয়। এটি নিচ তলার সাথে যুক্ত থাকে ও নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির হাতে এর নিয়ন্ত্রন থাকে।
     
     
    ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় বা বিধান সমূহঃ
    ● ২০ মিটারের অধিক উচ্চতাবিশিষ্ট ভবনে ফায়ার লিফট ব্যবহার করতে হবে,
    ● গ্রাউন্ড ফ্লোর বা সমতল ভূমি থেকে অটোমেটেড হতে হবে,
    ● এটি ন্যূনতম ৮ জন ধারণক্ষমতার হতে হবে,
    ● দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    ● এ লিফট পরিচালনার জন্য একজন নির্দিষ্ট করা থাকবে কিন্তু আগুন লাগলে সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফায়ার ম্যান এটি নিয়ন্ত্রণ করবে,
    ● কোন স্থানে ফায়ার লিফট হবে ও কয়টি প্রয়োজন তা নির্ভর করবে কতটুকু জায়গা আছে ও মোট কতজন কাজ করে।
     
     

    ধূমপান – Smoking

    সিগারেটের অবশিষ্টাংশ থেকে প্রতি বছর ছোট বা বড় রকমের অগ্নিপাতের সূত্র হয়। তাই ভবনের ভেতরে ও তার আশেপাশে যেখানে বিপদ জনক রাসায়নিক পদার্থ, দাহ্য পদার্থ বা গুদাম ঘর রয়েছে সে স্থান চিহ্নিত করণ পূর্বক উক্ত স্থানে ধূমপানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। প্রয়োজনে আলাদা স্মোকিং জোন নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।
     
     
    ভবনে ধূমপান নিষেধের বিষয়ে যে সকল আইন ও নীতি রয়েছে সে গুলো হলঃ
    ● সকল ভবনের প্রবেশ পথে বা মুখে “ধূমপান নিষেধ” লিখা সম্বলিত সাইন প্রদর্শন করতে হবে,
    ● যে কোন কারখানায় যেখানে আলাদা স্টোরেজ রয়েছে সেখানে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে,
    ● ধূমপান নিষেধ সম্বলিত পোষ্টার দেয়ালে স্থাপন করতে হবে,
    ● ভবনের বাহিরে এক বা একাদিক স্থানে ধূমপানের জন্য যদি আলাদা স্থান নির্ধারন করা হয় তবে তার অবস্থান ও অন্যান্য তথ্য ধূমপান নিষেধ সাইন বোর্ডে উল্লেখ করতে হবে,
    ● পরিদর্শক যে সকল স্থানকে বিপদজ্জনক বলে চিহ্নিত করবেন সে সকল স্থানে ধূমপান নিষেধ করে প্রয়োজনে উপযুক্ত প্রতিক বা চিহ্ন (যেমনঃদেয়াশলাই,গ্যাস লাইটার ইত্যাদি) ব্যবহার করে নিষেধ করতে হবে এবং আগুন লাগার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গৃহীতব্য সাবধানতা সম্পর্কে নোটিস সকলের দৃষ্টিগ্রাহ্য হয় এমন স্থানে টানাতে হবে।
     
  • ফায়ার এলার্ম ও স্মোক ডিটেক্টর সিস্টেম – প্রয়োজনীয় আইন সমূহ

    ফায়ার এলার্ম ও স্মোক ডিটেক্টর সিস্টেম – প্রয়োজনীয় আইন সমূহ

    ফায়ার এলার্ম সিস্টেম – Fire Alarm Systems

    আগুন লাগলে ভবনের ভেতরে অবস্থানরত লোকদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য যে সতর্কতা সংকেত দেয়া হয় বা বাজানো হয় তাকে ফায়ার এলার্ম সিস্টেম বা অগ্নি হুশিয়ারী সংকেত বলে।
     
    ফায়ার এলার্ম সিস্টেম হলো মূলত আগুনের অবস্থান নির্দেশ এবং ঘোষণা করার একটি সম্মিলিত মাধ্যম। এ এলার্ম সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
     
    যথাঃ
    ১. অটোমেটিক এলার্ম সিস্টেম (Automatic Fire Alarm Systems)
    ২. ম্যানুয়াল এলার্ম সিস্টেম (Manual Fire Alarm Systems)
     
     

    অটোমেটিক এলার্ম সিস্টেম

    স্বয়ংক্রিয় এলার্ম সিস্টেম হলো এমন এলার্ম সিস্টেম যেটি কয়েকটি ডিটেকটরের সম্মিলিত রূপ যা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে এবং তারের উভয় দিকে কন্ট্রোল প্যানেলে সংযোগ দেয়া হয়।
     
    এ সিস্টেমে প্রত্যেক ডিটেকটরের একটি নির্দিষ্ট লোকেশন থাকে যাতে যে ডিটেকটরটি সংকেত দেয় তাকে সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। বহুতল ভবন বা ক্যাম্পাসের জন্য এ সিস্টেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
     
    এ এলার্ম ব্যবস্থা দু ধরনের। যথাঃ সিংগেল ষ্টেজ ও টু ষ্টেজ।
     
    সিংগেল ষ্টেজঃ যে ক্ষেত্রে সমগ্র ভবনের এর এলার্ম বাজার নির্দিষ্ট সময় পর তা নিজে নিজে বন্ধ হয়ে যায় তাকে সিংগেল ষ্টেজ ফায়ার এলার্ম বলে।
     
    টু ষ্টেজঃ যে ক্ষেত্রে সমগ্র ভবনের এর এলার্ম বাজার নির্দিষ্ট সময় পর তা নিজে নিজে বন্ধ হয় না তাকে সিংগেল ষ্টেজ ফায়ার এলার্ম বলে।
     
     

    ম্যানুয়াল এলার্ম সিস্টেম

    সাধারনত ছোট স্থানের জন্য ম্যানুয়াল এলার্ম সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। এই এলার্ম সিস্টেমে সাধারন কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় ফলে তা অটোমেটিক এলার্ম সিস্টেমের তুলনায় খরচ খুব কম।
     
    এতে সুইচ,এলিডি ও বেল ব্যবহার করা হয়। স্বয়ংক্রিয় এলার্ম সিস্টেম সহজলভ্য ও জনপ্রিয় হওয়ায় এর ব্যবহার অনেক কমে গেছে।
     
     

    ফায়ার এলার্ম বা অগ্নি হুশিয়ারী সংকেত ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Fire Alarm Laws

    ● ম্যানুয়াল ফায়ার এলার্ম বক্সগুলো এক্সিট ডোরের ৫ মিটারের মধ্যে স্থাপন করতে হবে।
    ● দুটি ম্যানুয়াল ফায়ার এলার্ম বক্সের মধ্যে ২০০ ফুটের কম দূরত্ব হতে হবে,
    ● এলার্ম ঘোষনার জন্য প্রত্যেকটি ফ্লোরে আলাদা আলাদা ডিটেকটর থাকতে হবে,
    ● ম্যানুয়াল ফায়ার এলার্ম বক্সগুলো এমন ভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে তা ৪২ ইঞ্চির উপরে এবং ৪৮ ইঞ্চির উপরে না হয়,
    ● এলার্ম সিস্টেমের ঘোষণা এমন হতে হবে যেন তা চোখে দেখা যায় ও কানে শোনা যায়,
    ● এলার্ম সিস্টেমের মাইক গুলো ফ্লোর থেকে ৯০ ইঞ্চির উপরে ও ছাদ থেকে ৬ ইঞ্চির নিচে স্থাপন করতে হবে,
    ● গংবেল ও অটোমেটিক এলার্ম সিস্টেম সংরক্ষণ করতে হবে।
     

    স্মোক ডিটেক্টর সিস্টেম – Smoke Detector System

    স্মোক ডিটেক্টর এমন একটি সেন্সর যা কোথাও আগুন লাগলে সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আগুন নির্ণয় করে ও এলার্ম দিয়ে সকলকে জানিয়ে দেয়। সব সময় এটি সঠিক সংকেত দেয় না। ভুল সংকেত দিয়ে স্মোক ডিটেক্টর মাঝে মধ্যে মারাত্বক ঝামেলায় ফেলে।
     
    যে সব কারনে এটি ভুল সংকেত দিয়ে থাকে তা হলোঃ
    ● ডিটেক্টরের ভিতরের শর্ট সার্কিট,
    ● পানি প্রবেশ করা বা এর কাছাকাছি স্থান স্যাঁতস্যাঁতে হওয়া,
    ● ধূলা-বালি প্রবেশ করলে,
    ● আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তন ঘটা,
    ● সঠিক ভাবে স্থাপন না করা,

    ● পর্যাপ্ত রক্ষনাবেক্ষনের অভাব ইত্যাদি।

     
     
    ভুল সংকেত প্রতিরোধে করনীয়ঃ
    • এর ভেতরে যাতে ধূলা-বালি না ঢোকে খেয়াল রাখতে হবে,
    • বিধান অনুযায়ী স্থাপন করতে হবে,
    • মাঝে মাঝে খুলে পরিষ্কার করতে হবে,
    • নিয়মিত রক্ষনাবেক্ষন ও ১ বছর পরপর সব ডিটেক্টর চেক করতে হবে,
    • পানি যাতে প্রবেশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা করা ও স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর করা,
    • প্রয়োজনবোধে কোন অংশ বা কোন যন্ত্রাংশ পরিবর্তন করা।
     
     

    স্মোক ডিটেক্টর ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Smoke Detector Law

    ● প্রয়োজন অনুসারে প্রত্যেক ফ্লোরে স্মোক ও হিট ডিটেক্টর স্থাপন করতে হবে,
    ● ২২৫ বর্গ ফিট বা প্রস্তুতকারকের নির্দিষ্টকরণ এর মধ্যে যেটি ছোট তার উপর ভিত্তি করে স্মোক ডিটেক্টর ব্যবহার করতে হবে,
    ● এটি সিলিং এ ব্যবহার করতে হবে,
    ● ওয়ালের ক্ষেত্রে সিলিং থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে স্থাপন করতে হবে,
    ● দুটি স্মোক ডিটেক্টরের মধ্যে দূরত্ব হবে ৩০ ফিট,
    ● স্থাপন করার পর থেকে ১ বছর পরপর ডিটেক্টরগুলো চেক করতে হবে এবং ৫ বছরের মধ্যে সকল স্মোক ডিটেক্টর চেক করতে হবে।
  • অগ্নি প্রতিরোধক দরজা ও জানালা – ব্যবহারের নিয়মাবলী ও প্রয়োজনীয়তা

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজা ও জানালা – ব্যবহারের নিয়মাবলী ও প্রয়োজনীয়তা

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজা কি? – What is Fire Rated Door?

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজা হলো এমন একটি কাঠামো যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আগুন, ধোঁয়া ও গ্যাস প্রবেশে বাধা প্রদান করে। এছাড়াও এ দরজা এক রুম থেকে অন্য রুমে, এক ফ্লোর থেকে অন্য ফ্লোরে আগুন, ধোঁয়া ও গ্যাস ছড়িয়ে পড়া কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
     
    এখন সচেতন প্রত্যেক ভবন/প্রতিষ্ঠান/কারখানার মালিকগণ অগ্নি প্রতিরোধ তথা অগ্নি জনিত দুর্ঘটনার ক্ষয়-ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে অগ্নি প্রতিরোধক দরজা ব্যবহার করছেন।
     
     

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজার প্রকারবেদ – Types of Fire Doors

    বাহ্যিক দৃষ্টিকোন বিচার করে ফায়ার ডোর কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
     
    যথাঃ
    ১. রোলিং ষ্ট্রিল ফায়ার ডোর (Rolling Steel Fire Door)
    ২. ডাবল ফায়ার ডোর (Double Fire Door)
    ৩. সুইংগিং ফায়ার ডোর (Swing Fire Doors)
     
     

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজা কি কি উপাদান দিয়ে গঠিত? – Fire Door Materials

    অগ্নি প্রতিরোধক দরজা বিশেষ ভাবে তৈরি এমন একটি দরজা যা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আগুন ও তাপ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তাই এই দরজা তৈরিতে বিশেষ কিছু উপাদান ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ কাঁচ, কাঠ, ষ্টিল, জিপসাম, এলুমিনিয়াম ও ভারমিকুলাইড বোর্ড ইত্যাদি।
     
     

    ফায়ার ডোরের প্রয়োজনীয়তা – Importance of Fire Doors

    আগুনে পুরে প্রতি বছর অনেক লোক মারা যায় অথবা উক্ত আগুন থেকে সৃষ্ট ধোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেকে গুরুতর আহত হচ্ছে, এমনকি মারাও যাচ্ছে। ফলে জীবন হানির পাশাপাশি সম্পদের ক্ষতি হয়।
     
    আমাদের মূল্যবান জীবন ও সম্পদ রক্ষা করার জন্য এবং আগুনের বিস্তার, তাপ, গ্যাস ও ধোঁয়া দ্রুত রোধ করতে ফায়ারডোর স্থাপন করা অত্যান্ত জরুরী। ফায়ার ডোর অবশ্যই সার্টিফাইড হতে হবে, অন্যথায় তা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
     
    বর্তমান সময়ে এটি জীবন ও সম্পদের হানি রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই অগ্নি প্রতিরোধে ফায়ার ডোর সত্যই এক অসাধারণ আবিষ্কার যা জীবন ও সম্পদ রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে।
     
     

    ফায়ার ডোর ও বহির্গমন দরজার মান নির্ধারন করার বিষয়গুলো ও নিয়মাবলী [Fire Door and Exit Door Standards]

    • পাঁচ তলা বা তার অধিক উচ্চতার ভবনের জন্য – ১.৫ ঘন্টা
    • চার তলা বা তার অধিক উচ্চতার ভবনের জন্য – ১ ঘন্টা
    • গুদামঘড় এবং সংরক্ষাগারের জন্য – ৪৫ মিনিট
    • জেনারেটর রুমের জন্য – ১.৫ ঘন্টা
    • ট্রান্সফর্মার রুমের জন্য – ১.৫ ঘন্টা
    • বহির্গমনের এসেসের জন্য ন্যূনতম – ১ ঘন্টা
    • বহির্গমন করিডোরে যাওয়ার দরজার ন্যূনতম – ৩০ মিনিট
    • বহির্গমন দরজা হিসাবে স্লাইডিং ডোর ব্যবহার করা যাবে না,
    • বহির্গমন দরজার প্রস্থ ১ মিটার ও উচ্চতা ২ মিটারের কম হতে পারবে না,
    • ভিতর থেকে এবং বাহিরের দিকে তাৎক্ষনিকভাবে খোলা যায় এমন দর/জা ব্যবহার করতে হবে,
    • অগ্নি কান্ডের সময় সকলে যাতে সহজেই বর্হিগমন দরজা চিনতে/বুঝতে পারে তাই লাল রং দ্বারা লিখে বা অন্য কোন চিহ্ন ব্যবহার করে চিহ্নিত করে দিতে হবে,
    • প্রতিষ্ঠানিক ভবনে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অথবা সকল ভবনের ক্ষেত্রে যেখানে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০ বা তার বেশী সেখানে ঘূর্নায়মান দরজা ব্যবহার করা যাবে না।
     
     
    নিচে একটি ছকের মাধ্যমে বহির্গমন দরজার সর্বোচ্চ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও সর্বোচ্চ যাতায়াত দূরত্ব উল্লেখ করা হলোঃ-

    ভবনের শ্রেণী

    সর্বোচ্চ ব্যবহারকারীর সংখ্যা

    সর্বোচ্চ যাতায়াত দূরত্ব (মি.)

    ১. প্রাতিষ্ঠানিক

    ২. আবাসিক

    ৩. স্বাস্থ্যসেবা

    ১২

    ২৩

    ৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

    ৫. শিল্প কারখানা

    ৬. বাণিজ্যিক ভবন

    ৭. সমাবেশ, ধর্মীয় ভবন

    ৫০

    ২৩

    ৮. গুদাম ঘর

    ৩০

    ৩০

    ৯. বিপদজনক ভবন

     

     

    ফায়ার উইন্ডো [Fire Window]

    ফায়ার ডোরেয় পাশাপাশি ব্যবহার বাড়ছে ফায়ার উইন্ডোর। যদিও আমাদের দেশে অগ্নি প্রতিরোধক জানালার ব্যবহার তেমন নেই, তবে দ্রুত তা অগ্নি প্রতিরোধের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হবে।
     
    ইউ,এস,এ সহ বেশ কিছু দেশ এ জানালা তৈরি করছে এবং দিন দিন তার চাহিদা বাড়ছে। ফায়ার উইন্ডো মূলত ঠান্ডা গঠিত ইস্পাত বিভাগ থেকে তৈরি।
     
    এটি ভবনের আকার, ব্যবহার কারীর চাহিদার ধরণের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন আকারের ও রং এর হয়ে থাকে। এ জানালাগুলো সাধারনত ২০ মিনিট থেকে ১২০ মিনিট পর্যন্ত অগ্নি প্রতিরোধে সক্ষম।
     
    নতুন র্স্পাক ফায়ার উইন্ডো একটি চমৎকার অগ্নি প্রতিরোধক উপাদান হিসেবে জনপ্রিয় যা স্টেইনলেস স্টিলের তৈরি এবং দ্রুত ও খুব সহজে ইনস্টল করা যায়।