Category: অগ্নি নিরাপত্তা

  • আগুন কি | আগুনের প্রকারভেদ ও তার বিস্তার প্রক্রিয়া

    আগুন কি | আগুনের প্রকারভেদ ও তার বিস্তার প্রক্রিয়া

    আগুন মানব সভ্যতার জন্য যেমন আশীর্বাদ, তেমনি অসচেতন ব্যবহারে এটি হতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়ের কারণ। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ আগুন ব্যবহার করে আসছে রান্না, তাপ উৎপাদন ও শিল্পকার্যে। কিন্তু আগুনের প্রকৃতি, ধরন এবং বিস্তার প্রক্রিয়া সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই এই লেখায় আমরা সহজভাবে জানব — আগুন কী, এর প্রকারভেদ এবং আগুন ছড়িয়ে পড়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত।

    আগুন কি আগুনের প্রকারভেদ ও তার বিস্তার প্রক্রিয়া

    আগুন কি? আগুন কিভাবে সৃষ্টি হয়? What is Fire? How Fire is Created?

    আগুন হল একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া, যেখানে কোনো দাহ্য পদার্থ অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে তাপের মাধ্যমে জ্বলে উঠে এবং আলো ও তাপ উৎপন্ন করে। এই বিক্রিয়াকে বলা হয় দহন প্রক্রিয়া (Combustion)

    আগুন লাগার জন্য তিনটি মৌলিক উপাদান দরকার, যাকে Fire Triangle বলা হয়:

    1. দাহ্য পদার্থ (Fuel) – যেমন কাঠ, কাগজ, তেল, গ্যাস ইত্যাদি

    2. তাপ (Heat) – জ্বলার প্রাথমিক শক্তি সরবরাহ করে

    3. অক্সিজেন (Oxygen) – দহনকে অব্যাহত রাখে

    এই তিনটির যেকোনো একটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে আগুন নিভানো সম্ভব।

    আগুন কি? আগুন কিভাবে সৃষ্টি হয়? What is Fire? How Fire is Created?
     
    চিত্রঃ আগুনের প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়া

    আগুনের প্রকারভেদ

    আগুনের ধরণ বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রতিটি ধরনের আগুন নেভানোর পদ্ধতি আলাদা। আন্তর্জাতিকভাবে আগুনকে প্রধানত ৫টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়

    ১. ক্লাস A (Class A) – সাধারণ কঠিন পদার্থের আগুন

    এই ধরনের আগুন কাঠ, কাগজ, কাপড়, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি কঠিন দাহ্য পদার্থে ঘটে।
    সাধারণ পানি বা ওয়াটার-বেসড ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে নেভানো কার্যকর।

    ২. ক্লাস B (Class B) – দাহ্য তরলের আগুন

    পেট্রোল, ডিজেল, পেইন্ট, থিনার, কেরোসিন ইত্যাদি দাহ্য তরলে আগুন লাগলে সেটি ক্লাস B আগুন।
    ফোম বা CO₂ ফায়ার এক্সটিংগুইশার সবচেয়ে উপযোগী।

    ৩. ক্লাস C (Class C) – দাহ্য গ্যাসের আগুন

    এলপিজি, প্রোপেন, মিথেন গ্যাসের লিকেজ থেকে আগুন লাগলে সেটি ক্লাস C।
    CO₂ বা Dry Chemical Powder (DCP) ব্যবহার করা হয়।

    ৪. ক্লাস D (Class D) – ধাতব আগুন

    সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামের মতো ধাতুতে আগুন লাগলে এটি ক্লাস D আগুন।
    বিশেষ ধরণের Dry Powder ব্যবহার করতে হয়।

    ৫. ক্লাস E / Electrical Fire – বৈদ্যুতিক আগুন

    শর্ট সার্কিট বা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ত্রুটি থেকে আগুন লাগলে সেটি এই শ্রেণিতে পড়ে।
    CO₂ ফায়ার এক্সটিংগুইশার সবচেয়ে কার্যকর। কখনোই পানির ব্যবহার করা যাবে না।

    আগুনের বিস্তার প্রক্রিয়া

    আগুন একবার লাগলে যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনা যায়, এটি খুব দ্রুত চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার প্রধান তিনটি প্রক্রিয়া আছে

    ১. Conduction (পরিবহণ)

    একটি পদার্থের মাধ্যমে তাপ এক দিক থেকে আরেক দিকে সঞ্চারিত হয়।
    যেমন: লোহার রডের একপ্রান্তে আগুন দিলে অন্যপ্রান্ত গরম হয়ে যাওয়া।

    ২. Convection (সংবহন)

    গরম বাতাস ও ধোঁয়া উপরের দিকে উঠে আশেপাশের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে আগুন দ্রুত অন্যান্য স্থানে ছড়িয়ে যায়।
     ভবনের ভেতরে আগুন সাধারণত এই প্রক্রিয়ায় দ্রুত ছড়ায়।

    ৩. Radiation (বিকিরণ)

    তাপ বিকিরণের মাধ্যমে আশেপাশের বস্তুর তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং আগুন লাগার উপযুক্ত অবস্থা তৈরি করে।
    যেমন: চুলার পাশে রাখা দাহ্য বস্তুতে তাপ লেগে আগুন ধরে যাওয়া।

     আগুনের বিস্তারকে প্রভাবিতকারী কিছু উপাদান

    1. দাহ্য পদার্থের ঘনত্ব ও অবস্থান

    2. বাতাসের প্রবাহ বা বাতাসের গতি

    3. স্থাপনার কাঠামো (যেমন ভেন্টিলেশন বা খোলা জায়গা)

    4. তাপের উৎসের ধরন ও শক্তি

    5. প্রাথমিক অবস্থায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না

    তাই আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত প্রতিক্রিয়া না দিলে এই তিনটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আগুন মুহূর্তেই ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।


    আগুন নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা

    আগুন প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা ও প্রস্তুতি

    • ঘরে ও কর্মস্থলে সঠিক ধরনের ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকা জরুরি।

    • বৈদ্যুতিক সংযোগ, গ্যাস লাইন ও দাহ্য পদার্থ নিয়মিত পরীক্ষা করা উচিত।

    • জরুরি বের হওয়ার পথ (Fire Exit) খোলা ও ব্যবহারযোগ্য রাখতে হবে।

    • প্রাথমিক অগ্নিনির্বাপণ প্রশিক্ষণ নেওয়া অত্যন্ত উপকারী।

     

    আগুন বিস্তারের প্রক্রিয়া [Process of Thermal Expansion]

     

    তাপ অধিকরত তাপসম্পন্ন অবস্থান থেকে নিন্ম তাপের দিকে প্রবাহিত হতে থাকে। উক্ত প্রবাহের মাত্রার উপর ভিত্তি করে আগুন বিস্তার প্রক্রিয়াকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
    ১. পরিবহণ (Conduction)
    ২. পরিচলণ (Convection)
    ৩. বিকিরণ (Radiation)

    পরিবহণ

    পর্দাথের অণুগুলো তাদের নিজস্ব স্থান পরির্বতন না করে স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু অন্য অণুকে তাপ প্রদান করে পর্দাথের উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে তাপ সঞ্চালিত করে সেই প্রক্রিয়াকে পরিবহণ বলে। কঠিন পর্দাথের মধ্যদিয়ে তাপের পরিবহণ ক্ষমতা বেশি, তার পর আছে তরলের অবস্থান, বায়বীয় পর্দাথে তার চেয়েও কম ও শূণ্যস্থানে কোন পরিবহণ সংগঠিত হয় না।
    যেমন – একটি ধাতব দন্ডের এক প্রান্ত হাতে রেখে অন্য প্রান্ত আগুনে রাখলে কিছুক্ষণ পরেই হাতে গরম বোধ হবে। এর কারন হলো আগুনে থাকে অংশ তাপ গ্রহণ করে স্পন্দনের মাধ্যমে উত্তপ্ত অনুগুলো পার্শ্ববর্তী শীতল অণুগুলোকে তাপ প্রদান। সেগুলো আবার উত্তপ্ত হয়ে তাদের পার্শ্ববর্তী অণুগুলোতে তাপ সঞ্চালিত করে। মূলত সঞ্চালিত হবার এ প্রক্রিয়াই পরিবহণ।

    পরিচলণ

    যে পদ্ধতিতে তাপ কোন পর্দাথের অনুগুলোর চলাচলের মাধ্যমে উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে তাপ সঞ্চালিত হয় তাকে পরিচলণ বলে। তাপ সঞ্চালনের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন। তরল ও বায়বীয় পর্দাথগুলোতে এ প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হয়ে থাকে।

    বিকিরণ

    যে প্রক্রিয়ায় তাপ জড় মাধ্যমের সাহায্য ছাড়াই তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গের আকারে বস্তু থেকে শীতল বস্তুতে সঞ্চালিত হইয়ে থাকে তাকে বিকিরণ বলা হয়। এ প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালিত হতে কোন জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। তাপের বিকিরণ স্বচ্ছ ও তরল পর্দাথের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে।
    যেমন – কাঁচ, কোয়ার্টজ, কার্বন সালফাইড ইত্যাদি। পানির মধ্যে আশিংক বিকিরণ ঘটলেও অন্যান্য তরলের মধ্য দিয়ে বিকিরণ সম্ভব হয় না।
    একটি ধাতব পাত্রে পানি ফুটাতে গেলে দেখা যাবে ঐ পাত্রটির হাতল গরম হয়ে পানির কনাগুলো টগবগ করতে থাকে। এখানে, হাতলটি গরম হওয়া তাপ পরিবহণ (Conduction) প্রক্রিয়া, পাত্রের পানির তাপমাত্রা বাড়ার কারন তাপ পরিচলণ (Convection) প্রক্রিয়া, এবং চুলার আগুনের উত্তাপ হলো তাপ পরিবহণের বিকিরণ (Radiation) প্রক্রিয়া।

    আগুন সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকলে এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারলে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব। আগুন কী, আগুনের প্রকারভেদ এবং বিস্তার প্রক্রিয়া জানা থাকলে আমরা নিজেরা যেমন নিরাপদ থাকতে পারি, তেমনি অন্যদেরও সহায়তা করতে পারি। আগুনকে ভয় নয়—বরং বুঝে, সতর্ক থেকে এবং সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে আগুন প্রতিরোধই হতে পারে নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় উপায়।

  • সকল জেলার জরুরী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নাম্বার সমূহ | Fire Service Phone Number in Bangladesh

    সকল জেলার জরুরী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নাম্বার সমূহ | Fire Service Phone Number in Bangladesh

    অগ্নিকাণ্ড বা দুর্ঘটনা যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে ঘটতে পারে। এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করা। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন স্থাপিত রয়েছে, যেখানে প্রশিক্ষিত সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকে আগুন নেভানো, উদ্ধারকাজ এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের জন্য। কিন্তু অনেক সময় সাধারণ মানুষ সঠিক নাম্বার না জানার কারণে সময়মতো সাহায্য পান না। তাই আজকের এই পোস্টে আমরা দিচ্ছি বাংলাদেশের সকল জেলার জরুরি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যোগাযোগ নাম্বার (Fire Service Phone Number in Bangladesh) — যা আপনার জন্য হতে পারে জীবনরক্ষাকারী তথ্য।

    জাতীয় হটলাইন নম্বরসমূহ

    • 🚒 ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স: ১৬১৬৩

    • 🚨 জরুরি সেবা (পুলিশ-ফায়ার-অ্যাম্বুলেন্স): ৯৯৯

    • ☎️ সচিবালয় (হেড অফিস): +৮৮০-২-৫৫১১০০০০

    সকল জেলার জরুরী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নাম্বার সমূহ

    ফায়ার সার্ভিসের নাম্বারসমূহ [Fire Service Phone Number in Bangladesh]

    বাসা, অফিস, কারখানা বা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগলে দ্রুত আপনার নিকটতম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নিন্মক্তো নাম্বারগুলোতে ফোন করুনঃ

    ক্রমিক

    জেলা

    অফিস/ফায়ার স্টেশনের নাম

    টেলিফোন নাম্বার

    মোবাইল নাম্বার

    পরিচালকদের দপ্তর, প্রধান নিয়ন্ত্রন কক্ষ সমূহ

     

    ৯৫৫৫৫৫৫

    ৬৫৫৬৭৫৮

    ৯৫৫৬৬৬৬-৭

    ৮৮৭০৩১৪

    ১৯৯,১০২

    এক্স-৯৫৬৫৬৫৭

    ০১৭১৩০৩৮১৮১

    ০১৭১৩০৩৮১৮২

    ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯

    ঢাকা মিরপুর ফায়ার স্টেশন

    কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশন

    বাড়ীধারা ফায়ার স্টেশন

    কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    সাভার ফায়ার স্টেশন

    ডিইপিজেড ফায়ার স্টেশন

    ডেমরা ফায়ার স্টেশন

    মোহাম্মাদপুর ফায়ার স্টেশন

    তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন

    খিলগাঁও ফায়ার স্টেশন

    পলাশী ব্যরাক ফায়ার স্টেশন

    লালবাগ ফায়ার স্টেশন

    পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশন

    সদরঘাট ফায়ার স্টেশন

    সদরঘাট নদী ফায়ার স্টেশন

    সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশন

    উত্তরা ফায়ার স্টেশন

    দোহার ফায়ার স্টেশন

    হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশন

    ধামরাই ফায়ার স্টেশন

    সুত্রাপুর ফায়ার স্টেশন

    ৯০০১০৫৫

    ৮৭১৩৩৯৯

    ৮৮২৭৩৯৭

    ৭৭৬৬৬৬৬

    ৭৭৪৮৩৩৩

    ৭৭৮৮৪৪৪

    ৭৫০০১১১

    ৯১১২০৭৮

    ৮৮৭০৩১৪

    ৭২১৮৩২৯

    ৮৬২৮৬৮৮

    ৮৬১৯৯৮১

    ৭৪৪০৭৭১

    ৭১১৯৭৫৯

    ৭৪৫৪০৫৫

    ৯৫৫৫৫৫৫

    ০১৭৩০০০২২২৯

    ০১৭৩০০০২২৩২

    ০১৭৩০০০২২৪৫

    ০১৭৩০০০২২৪৭

    ০১৭৩০০০২২৫০

    ০১৭৩০০০২২৩১

    ০১৭৩০০০২৩০২

    ০১৭৩০০০২২২৭

    ০১৭৩০০০২২২৬

    ০১৭৩০০০২২২৫

    ০১৭৩০০০২২১৯

    ০১৭৩০০০২২১৮

    ০১৭৩০০০২২১৬

    ০১৭৩০০০২২১০

    ০১৭৩০০০২২১৪

    ০১৭৩০০০২২১০

    ০১৭৩০০৮২২৩০

    ০১৭২৬৮৪৫৯৪৯

    ০১৭২১৭৩৩১১৪

    ০১৭৪২৩০২৮৫০

    ০১৭৯৪১১৭০৩৭

    গাজীপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    টঙ্গি ফায়ার স্টেশন

    কালিয়াকৈর ফায়ার স্টেশন

    শ্রীপুর ফায়ার স্টেশন

    জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশন

    কালিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ৯২৬২৩৮৮

    ৯৮০১০৭০

    ৬৮২২৫১৩৩৩

    ৯২৫২৬২৮

    ৯২৫২৬২৮

    ০১৭৩০০০২১০৪

    ০১৭৩০০০২১৩০

    ০১৭৪৪২৪২২৪৮

    ০১৭৭০৬০৩৮০৮

    ০১৭৩০০০২১২২

    ০১৭৪৩০৯৫৮৫৮

    নারায়নগঞ্জ হাজীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    নারায়নগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বন্দর ফায়ার স্টেশন

    সোনারগাঁও ফায়ার সর্ভিস

    কাঞ্চন নদী ফায়ার স্টেশন

    আদমজী ফায়ার স্টেশন

    আড়াইহাজার ফায়ার স্টেশন

    ফতুল্লা ফায়ার স্টেশন

    নারায়নগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশন

    ৭৬৪৮৭৯৮

    ৭৬৪৮৭৪৮

    ৭৬৬১৮৮৮

    ৯৩৪৫৮০০

    ৭৬৯১২৬৬

    ৭৬৪৮৯১৮

    ০১৭৩০০০২৩১১

    ০১৭৩০০০২৩১০

    ০১৭৩০০০২৩১৩

    ০১৩০৪০৬৬১৫৫

    ০১৭৩০০০২৩১৭

    ০১৭৩২৯৩৯৩৫২

    ০১৭৫৪০৫২৫৭৫

    ০১৭৩০০০২৩১২

    মুন্সিগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    গজারিয়া ফায়ার স্টেশন

    কমলাঘাট নদী ফায়ার স্টেশন

    শ্রীনগর ফায়ার স্টেশন

    ৭৬১১২৭৬

    ৭৬১১১২১

    ৭৬১১২২২

    ৭৬২৭৩৩৩

    ০১৭৩০০০২১৪১

    ০১৭৩০০০২১৪২

    ০১৭০০৮০১৫৯২

    ০১৭৩০০০২১৫২

    ০১৭৯৪৩৮৪৭০৬

    নরসিংদী উপ-সহকারী পরিচালক

    নরসিংদী ফায়ার স্টেশন

    মাধবদী ফায়ার স্টেশন

    মনোহরদী ফায়ার স্টেশন

    পলাশ ফায়ার স্টেশন

    রায়পুরা ফায়ার স্টেশন

    শিবপুর ফায়ার স্টেশন

    বেলাব ফায়ার স্টেশন

    ৯৪৬৩১৫৩

    ৯৪৬২২২২

    ৯৪৪৬১১১

    ৯৪৪৫২২২

    ৯৪৬৬৩৭৭

    ৯৪৪৮২২২

    ০১৭৩০০০২১৫৩

    ০১৭৩০০০২১৫৬

    ০১৭২৬৬৮৮৮৬৮

    ০১৭৩০০০২১৬৫

    ০১৭৩০০০২১৬৭

    ০১৭৬৭৭২৭৭৯৯

    ০১৭৭৯৩০৩৭০৭

    ০১৭২৪৪৮০২৯৪

    মানিকগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    মানিকগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ঘিওর ফায়ার স্টেশন

    ৭৭১০৬১৩

    ৭৭১০২২২

    ৭৭২৭০৯৯

    ০১৭৩০০০২৩৮৪

    ০১৭৩০০০২৩৮৫

    ০১৭৩০০০২৩৮৬

    টাঙ্গাইল সহকারী পরিচালক

    টাঙ্গাইল ফায়ার স্টেশন

    মধুপুর ফায়ার স্টেশন

    কালিহাতি ফায়ার স্টেশন

    গোপালপুর ফায়ার স্টেশন

    মির্জাপুর ফায়ার স্টেশন

    বাসাইল ফায়ার স্টেশন

    সখিপুর ফায়ার স্টেশন

    নাগরপুর ফায়ার স্টেশন

    ভুঞাপুর ফায়ার স্টেশন

    ধনবাড়ি ফায়ার স্টেশন

    ০৯২১৬৩৬৩৩

    ০৯২১৬৩৭৭৭

    ০৯২২৮৫৬১২৬

    ০১৭৩০০০২৩৮৭

    ০১৭৬৭৬০৯৯৮৮

    ০১৭২৯৯৩১১৯১

    ০১৭১৪৯৭৬১২৪

    ০১৭০৪০৩২৮৪৬

    ০১৭৭২১৬৯৮৭০

    ০১৭৬৮০৭০০৭৯

    ০১৭৯০৭৯৮৬৮৬

    ০১৭৭৫৪২৪২১৩

    ০১৭৩১৩৬৩০০০

    ০১৭৯৫৯২৭২৭৬

    ফরিদপুর সহকারী পরিচালক

    ফরিদপুর ফায়ার স্টেশন

    বোয়ালমারী ফায়ার স্টেশন

    নগরকান্দা ফায়ার স্টেশন

    সদরপুর ফায়ার স্টেশন

    সালথা ফায়ার স্টেশন

    মধুখালি ফায়ার স্টেশন

    ভাঙ্গা ফায়ার স্টেশন

    ০৬৩১৬৩০৮৮

    ০৬৩১৬৩৪৩৩

    ০৬৩২৪৫৬৪৪৯

    ০১৭১৩১৪০৭৪২

    ০১৫৫৮৫৪৪৩০০

    ০১৭৩৩৫২৭৯০৩

    ০১৭৩১৮৩০০০৪১

    ০১৭৩১৮৩০০০৪২

    ০১৭৩১৮৩০০০৪৩

    ০১৭৯৮০২২৬৪৮

    ০১৭৬৭৯২৩৪৭০

    ১০ রাজবাড়ি উপ-সহকারী পরিচালক

    রাজবাড়ি ফায়ার স্টেশন

    গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশন

    বালিয়াকান্দি ফায়ার স্টেশন

    পাংশা ফায়ার স্টেশন

    ০৬৪১৬৬৪৭৯

    ০৬৪১৬৫৫৩৮

    ০১৭২৬৫৯৫১৪১

    ০১৭১২২২৩১০০

    ০১৭৭৮৪০০৯০২

    ০১৭১৭৬০৭১৩২

    ১১ মাদারীপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    মাদারীপুর ফায়ার স্টেশন

    রাজৈর ফায়ার স্টেশন

    শিবচর ফায়ার স্টেশন

    ০৬৬১৬১৩৭৬

    ০৬৬১৬১২৩৫

    ০১৭১৩১৪০৬৫৭

    ০১৯১৯৮০০৩৯৭

    ০১৭৫১০৫৪০৪০

    ০১৮৮১২৬৬২০০

    ১২ গোপালগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    গোপালগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    টুঙ্গিপাড়া ফায়ার স্টেশন

    কোটালীপাড়া ফায়ার স্টেশন

    মোকসুদপুর ফায়ার স্টেশন

    ৬৬৮৫৮২৬

    ৬৬৮৫২২২

    ৬৬৫৬৩৪৫

    ৬৬৫১৩৩৩

    ০৬৬৫৪৫৬৩০০

    ০১৭১৩১৪৫০৮৪

    ০১৭৫৪৬০৭১৭২

    ০১৭৮৭৪৬৯১৬১

    ০১৭৭৯৪৪২১৫৫

    ১৩ শরীয়তপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    শরীয়তপুর ফায়ার স্টেশন

    গোসাইরহাট ফায়ার স্টেশন

    ডামুড্যা ফায়ার স্টেশন

    ০৬০১৬১৬৮৮

    ০৬০১৬১৫১৩

    ০৬০২৩৫৬১০১১

    ০৬০২৪৭৫২১১

    ০১৭১৩১৪০৬৮৯

    ০১৭২৬৮৭৭২৭০

    ০১৭৪৪৪৩৬৯৯৯

    ০১৯২৭৫০২৫৯২

    ১৪ কিশোরগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    কিশোরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    কুলিয়ারচর ফায়ার স্টেশন

    বাজিতপুর ফায়ার স্টেশন

    ভৈরব বাজার ফায়ার স্টেশন

    তাড়াইল ফায়ার স্টেশন

    কটিয়াদি ফায়ার স্টেশন

    ০৯৪১৬১৯৫৫

    ০৯৪১৬১৯৬৬

    ০৯৪২৯৫৬২২২

    ০৯৪২৩৬৪৩৩৩

    ৯৪৭০৪২২

    ০১৭৩০০০২৩৭১

    ০১৭৩০০০২৩৭২

    ০১৭৩০০৮২২১৭

    ০১৭২৫১৭১৭৯৫

    ০১৭৩০০০২৩৭৬

    ০১৭৮৫৫৮৭৮৭৮

    ০১৯৬৮৮৮৯৯৬৯

    ১৫ ময়মনসিংহ উপ-পরিচালক

    সহকারী পরিচালক

    ময়মনসিংহ ফায়ার স্টেশন

    মুক্তাগাছা ফায়ার স্টেশন

    ভালুকা ফায়ার স্টেশন

    ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    গফুরগাঁও ফায়ার স্টেশন

    হালুয়াঘাট ফায়ার স্টেশন

    ফুলপুর ফায়ার স্টেশন

    ফুলবাড়ীয়া ফায়ার স্টেশন

    ত্রিশাল ফায়ার স্টেশন

    নান্দাইল ফায়ার স্টেশন

    ধোবাউড়া ফায়ার স্টেশন

    ০৯১৬৫৯৯৯

    ০৯১৬৭৪৪৪

    ০৯০২৮৭৫২২২

    ০৯০২২৫৬২৭৭

    ০৯০২৭৫৬৩৩৩

    ০৯০২৫৫৬৪০০

    ০৯০২৬৫৬৩৩৩

    ০৯০৩৩৫৬৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৩৫৩

    ০১৭৩০০০২৩৪৯

    ০১৭৩০০০২৩৫৩

    ০১৭৩০০০২৩৫৬

    ০১৭৩০০০২৩৬৮

    ০১৭২০০২০০৪১

    ০১৭৩০০০২৩৫৪

    ০১৭৮৪৫৪২৮২০

    ০১৭৩০০০২৩৬৭

    ০১৭৩০৮৭৯০০০

    ০১৭৫৮৭৩১৪১৪

    ০১৭২৭৩৩১২৭৫

    ১৬ জামালপুর সহকারী পরিচালক

    জামালপুর ফায়ার স্টেশন

    দেওয়ানগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ইসলামপুর ফায়ার স্টেশন

    সরিষাবাড়ী ফায়ার স্টেশন

    মেলান্দহ ফায়ার স্টেশন

    মাদারগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৯৮১৬৩৬৬৭

    ০৯৮১৬৩৩৩৩

    ০৯৮২৩৭৫২২২

    ০৯৮২৪৭৪০২২

    ০৯৮২৭৫৬০০৭

    ০৯৮২৬৫৬৩৫৫

    ০৯৮২৫৫৬২৫৫

    ০১৭৩০০০২৩৯৬

    ০১৭৩০০০২৩৯৯

    ০১৭৮০২৭০৭০৫

    ০১৭৪৯৮০৯৯২৬

    ০১৭৪৪২০১৯৫২

    ০১৭৬৮৫৮৭৩৭৩

    ০১৭৭২২৯১৩১৩

    ১৭ শেরপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    শেরপুর ফায়ার স্টেশন

    ঝিনাইগাতি ফায়ার স্টেশন

    শ্রীবরদী ফায়ার স্টেশন

    নালিতাবাড়ী ফায়ার স্টেশন

    ০৯৩১৬১৫০৮

    ০৯৩১৬১২২২

    ০১৭৩০০০২১৮৭

    ০১৭৪৩২৯৯৮৯৮

    ০১৭৭৯৩৫৯৪৯৪

    ০১৭৭১০০৭২১০

    ১৮ নেত্রকোনা উপ-সহকারী পরিচালক

    নেত্রকোনা ফায়ার স্টেশন

    মোহনগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    কমলাকান্দা ফায়ার স্টেশন

    কেন্দুয়া ফায়ার স্টেশন

    মদন ফায়ার স্টেশন

    দূর্গাপুর ফায়ার স্টেশন

    আটপাড়া ফায়ার স্টেশন

    ০৯৫১৬১৪৮১

    ০৯৫১৬১৪৪৪

    ০৯৫২৪৫৬১৪৯

    ০১৭৮৯৭৪৪২১২

    ০১৭৩০০০২৩৮১

    ০১৭০০৯৫৭০১০

    ০১৭৭৯২২৫৭৭৭

    ০১৭১৯৫১১৯৮৪

    ০১৭২৮১৫৩০৭৭

    ০১৭৩৪২৮৮৬৯৮

    ১৯ বরিশাল উপ-পরিচালক

    সহকারী পরিচালক

    বরিশাল ফায়ার স্টেশন

    বরিশাল নদী ফায়ার স্টেশন

    বানরীপাড়া ফায়ার স্টেশন

    বাকেরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    গৌরনদী ফায়ার স্টেশন

    উজিরপুর ফায়ার স্টেশন

    মেহেন্দিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৪৩১৭১৪৩৩

    ০৪৩১৭১৫৪৪

    ০৪৩১৫৬২২২

    ০৪৩১৬৪০০০

    ০৪৩৩২৫৬২২২

    ০৪৩২২৫৬৩৩৩

    ০৪৩২৯৫৬২২২

    ০৪৩২৫৫৬৩৩৩

    ০১৯২৭৮৫৯৯৩৬

    ০১৭২০৪২৬০৮৯

    ০১৭৫৭৫৩৬০৬৫

    ০১৭৪৮৫৬২৪৯৯

    ০১৭৭৮৭৮৩৯৩৯

    ২০ পিরোজপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    পিরোজপুর ফায়ার স্টেশন

    কাউখালি ফায়ার স্টেশন

    মঠবাড়িয়া ফায়ার স্টেশন

    ভান্ডারিয়া ফায়ার স্টেশন

    নাজিরপুর ফায়ার স্টেশন

    নেছারাবাদ ফায়ার স্টেশন

    ০৪৬১৬২৪০৯

    ০৪৬১৬২২২২

    ০৪৬২৫৭৫২২২

    ০৪৬২৩৫৬২২২

    ০৪৬২৬৭৪১২২

    ০৪৬২৭৫৬২২২

    ০১৭২৪৮৪৯০৮০

    ০১৭৩৩৮৩৩৩৮২

    ০১৭৫৩২৩৩৮৩৮

    ০১৭১৮১৫৪১৪৫

    ০১৭৩০০০৯০৫৫

    ০১৭৭১০৪৪৪১০

    ২১ ঝালকাঠি উপ-সহকারী পরিচালক

    ঝালকাঠি ফায়ার স্টেশন

    রাজাপুর ফায়ার স্টেশন

    কাঠালিয়া ফায়ার স্টেশন

    নলছিটি ফায়ার স্টেশন

    ০৪৯৮৬২৫১৮

    ০৪৯৮৬২২২২

    ০৪৯৫২৫৬১১১

    ০৪৯৫৩৭৪১১১

    ০১৯৬৮৮৮০১০১

    ০১৭৩০০০৯০৬১

    ০১৭৪৮৩৪৮৮১১

    ২২ ভোলা উপ-সহকারী পরিচালক

    ভোলা ফায়ার স্টেশন

    বোরহাউদ্দিন ফায়ার স্টেশন

    চরফ্যাশন ফায়ার স্টেশন

    লালমোহন ফায়ার স্টেশন

    তজুমদ্দিন ফায়ার স্টেশন

    মনপুরা ফায়ার স্টেশন

    দৌলতখান ফায়ার স্টেশন

    ০৪৯১৬১৪১৮

    ০৪৯১৬২২২২

    ০৪৯২২৫৬২২২

    ০৪৯২০৭৪২২২

    ০৪৯২৫৭৫৫৫৫

     

    ০১৭১৪৫০১৮৯৬

    ০১৭২৩১২৮২৫৬

    ০১৭১৫৯১৭১১৭

    ০১৭০৮৬১৩৩৩৩

    ০১৭২০২১৩২৩৩

    ০১৯৯০৪৯৪৬৮৯

    ০১৭৯৭০০৫৪৮০

    ২৩ পটুয়াখালী সহকারী পরিচালক

    পটুয়াখালী ফায়ার স্টেশন

    পটুয়াখালী নদী ফায়ার স্টেশন

    বাউফল ফায়ার স্টেশন

    খেপুপাড়া ফায়ার স্টেশন

    মির্জাগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৪৪১৬২৫৪১

    ০৪৪১৬২২২২

    ০৪৪১৬৫২৯৯

    ০৪৪২২৫৬২২০

    ০৪৪১৫৫৬১১১

    ০৪৪২৬৭৫২২২

    ০১৭৭৭৯৯৮৩৩৩

    ০১৭২৬২২১৩৬৬

    ০১৭৭৯৯৩৭৮৮৯

    ০১৭৩৫০৯০৯৪৪

    ২৪ বরগুনা উপ-সহকারী পরিচালক

    বরগুনা ফায়ার স্টেশন

    বমনা ফায়ার স্টেশন

    বেতাগী ফায়ার স্টেশন

    আমতলী ফায়ার স্টেশন

    পাথরঘাটা ফায়ার স্টেশন

    ০৪৪৮৬২৮৫৪

    ০৪৪৮৬২২২২

    ০৪৪৫২৫৬০৩৩

    ০৪৪৫৫৭৫৪৪৪

    ০১৭২৮৬০৪৮৬০

    ০১৩১৮৭০৮০৮৮

    ০১৩১৮৬৮৬২৩৪

    ০১৭৪৪৫৯৯০৪৯

    ০১৮৭৮০০১১৮৭

    ২৫ সিলেট উপ-পরিচালক

    সহকারী পরিচালক

    সিলেট ফায়ার স্টেশন

    সিলেট(দক্ষিন) ফায়ার স্টেশন

    জকিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ওসমানীনগর ফায়ার স্টেশন

    ফেঞ্চুগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বিয়ানীবাজার ফায়ার স্টেশন

    ০৮২১৭২৮২৩৩

    ০৮২১৭১৬৩৫০

    ০৮২১৭১৩৯৯৮

    ০৮২১৮৪০০৭৭

    ০৮২৩২৫৬০৯৯

    ০৮২৪২৫৬৪৪৪৪

    ০১৭৩০০০৯১৯৩

    ০১৭৩০০০৯১৯৪

    ০১৭৩০০০৯১৯৫

    ০১৭৩০০০৯১৯৬

    ০১৭৬০১৪০৭৫৭

    ০১৭২৬৪৩৯৪৯৩

    ০১৭৬৬৪৭০৪৭৭

    ০১৭৮৭১৩৩৩৩০

    ২৬ সুনামগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    সুনামগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ছাতক ফায়ার স্টেশন

    জগন্নাথপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৮৭১৬১৭৩০

    ০৮৭১৬১৯৯৯

    ০৮৭২৩৫৬৪৭৭

    ০১৭৩০০০৯১৩৫

    ০১৭৩০০০৯১৪২

    ০১৭৩০০০৯১৪৩

    ০১৭২১১৬৮৮১২

    ২৭ মৌলভীবাজার উপ-সহকারী পরিচালক

    মৌলভীবাজার ফায়ার স্টেশন

    কমলগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    কুলাউড়া ফায়ার স্টেশন

    বড়লেখা ফায়ার স্টেশন

    শ্রীমঙ্গল ফায়ার স্টেশন

    ০৮৬১৫২৭৬১

    ০৮৬১৫২১১১

    ০৮৬২৩৫৬১১১

    ০৮৬২৪৫৬১১৮

    ০৮৬২২৫৬৩৩৩

    ০৮৬২৬৭১১১১

    ০১৭৩০০০৯০৭৪

    ০১৭৩০০০৯০৭৮

    ০১৭২৭৫৩১১৮৭

    ০১৭৩০০৮২২১৫

    ০১৭৩০০৮২২১৬

    ০১৭৩০০০৯০৭৯

    ২৮ হবিগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    হবিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বানিয়াচং ফায়ার স্টেশন

    মাধবপুর ফায়ার স্টেশন

    শায়েস্তাগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    নবীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৮৩১৬২৫৬০

    ০৮৩১৬১১১১

    ০৮৩২৪৫৬৪৪১

    ০৮৩২৭৫৬১০০

    ০১৭৩০০৮২২১০

    ০১৭৩০০৮২২১২

    ০১৭০৩৯৬৬৬৬০

    ০১৭৩০০৮২২১৩

    ০১৭৪৯৭৫৯০৯৮

    ০১৭৬৬৬১২৯৮২

    ২৯ রাজশাহী উপ-পরিচালক

    সহকারী পরিচালক

    রাজশাহী ফায়ার স্টেশন

    বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার স্টেশন

    গোদাগাড়ী ফায়ার স্টেশন

    তানোর ফায়ার স্টেশন

    পুঠিয়া ফায়ার স্টেশন

    দূর্ঘাপুর ফায়ার স্টেশন

    চারঘাট ফায়ার স্টেশন

    বাগমারা ফায়ার স্টেশন

    ০৭২২৫৫৬০৩৩

    ০২৪৭৮৫১০৪৫

    ০৭২২৮৫৬৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৫০১

    ০১৭৩০০০২৫০২

    ০১৭৩০৩৩৬৬৫৫

    ০১৭৩০০০২৫০৮

    ০১৭৩০০০২৫১০

    ০১৭৩০০০২৫১১

    ০১৭৩০০০২৫১২

    ০১৭৩৩২১৬৫৩২

    ০১৭৩৩২০১৮৮১

    ০১৭৫৫৩৭০৫৭০

    ৩০ চাঁপাইনবাবগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    চাঁপাইনবাগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    শিবগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ভোলাহাট ফায়ার স্টেশন

    গোমস্তাপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৭৮১৫২২১১

    ০৭৮১৫২২১২

    ০৭৮২৫৭৫৩১৩

    ০১৭৩০০০২৫১৩

    ০১৭৩০০০২৫১৫

    ০১৭৩০০০২৫১৬

    ০১৩১৭৩৩৮৪৮৪

    ০১৭৫৩৩৮৭৯৫০

    ৩১ নওগাঁ উপ-সহকারী পরিচালক

    নওগাঁ ফায়ার স্টেশন

    নিয়ামতপুর ফায়ার স্টেশন

    মহাদেবপুর ফায়ার স্টেশন

    আত্রাই ফায়ার স্টেশন

    পত্নীতলা ফায়ার স্টেশন

    ০৭৪১৬৩০৯৩

    ০৭৪১৬২০০০

    ০৭৪২৭৫৬২৫৫

    ০৭৪২৬৭৫২০০

    ০৭৪২২৭১১১১

    ০৭৪২৮৬৩০৭০

    ০১৭৩০০০২৫২৩

    ০১৭৩০০০২৫২৭

    ০১৭৭৩৩৬৮২৪০

    ০১৭১৭৪০৬৭৪৫

    ০১৭৩০০০২৫২৯

    ০১৭১৮৩২৯৩৩৭

    ৩২ নাটোর উপ-সহকারী পরিচালক

    নাটোর ফায়ার স্টেশন

    লালপুর ফায়ার স্টেশন

    গুরুদাসপুর ফায়ার স্টেশন

    সিংড়া ফায়ার স্টেশন

    বনপাড়া ফায়ার স্টেশন

    ০৭৭১৬৬৬৩৭

    ০৭৭১৬৬৯১১

    ০৭৭২৫৭৫১৭৫

    ০৭৭২৪৭৪৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৫১৭

    ০১৭৩০০০২৫১৮

    ০১৭৩০০০২৫১৯

    ০১৭৬৭১৫৯৯৯৯

    ০১৯৫৮২৩৭৬৬৫

    ০১৭০০৬৬৩৬৭৭

    ৩৩ বগুড়া সহকারী পরিচালক

    বগুড়া ফায়ার স্টেশন

    সোনাতলা ফায়ার স্টেশন

    কাহালু ফায়ার স্টেশন

    ধুনট ফায়ার স্টেশন

    শেরপুর ফায়ার স্টেশন

    সারিয়াকান্দি ফায়ার স্টেশন

    দুপচাচিয়া ফায়ার স্টেশন

    শিবগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    নন্দীগ্রাম ফায়ার স্টেশন

    গাবতলী ফায়ার স্টেশন

    ০৫১৬৫১০১

    ০৫১৬৩৩৩৩

    ০৫০৩২৭৯০০৯

    ০৫০২৬৫৬২২২

    ০৫০২৩৫৬২০০

    ০৫০২৯৭৭৩৩৩

    ০৫০২৮৫৬২০০

    ০১৭৩০০০২৪৯৬

    ০১৭৩০০০২৪৯৭

    ০১৭৩০০০২৪৯৮

    ০১৭৫১৫২২২৬০

    ০১৭৫৮৮০৭৮১৭

    ০১৭৩০০০২৩৩২

    ০১৭৩২৫৩৫৫১১

    ০১৭৪৬১৬৫০৬২

    ০১৭৪৭৪১৫৮৭২

    ০১৩০৪১৭১৭৩৬

    ০১৭৩০০৮২২২৪

    ৩৪ জয়পুরহাট উপ-সহকারী পরিচালক

    জয়পুরহাট ফায়ার স্টেশন

    পাঁচবিবি ফায়ার স্টেশন

    আক্কেলপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৫৭১৬২৪৯৭

    ০৫৭১৬২৩৩৩

    ০৫৭২৪৭৫৪৩৩

    ০৫৭২২৬৪৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৫৩৮

    ০১৭৩০০০২৫৩৯

    ০১৭২৬৬২২১২৩

    ০১৭৪৩২৪৬৪২৪

    ৩৫ পাবনা সহকারী পরিচালক

    পাবনা ফায়ার স্টেশন

    বেড়া ফায়ার স্টেশন

    ইশ্বরদী ফায়ার স্টেশন

    সুজানগর ফায়ার স্টেশন

    চাটমোহর ফায়ার স্টেশন

    কাশীনাথপুর ফায়ার স্টেশন

    ফরিদপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৭৩১৬৬০৯২

    ০৭৩১৬২২২২

    ০৭৩২৩৭৫২২২

    ০৭৩২৬৬৩৩৩৩

    ০৭৩২৯৫৬৩৩৮

    ০৭৩২৪৫৬১৫৫

    ০১৭৩০০০২৫৪৪

    ০১৭৩০০০২৫৪৬

    ০১৯১৬৯৯৯৭৩৫

    ০১৭৫৮৭৮০৯৭০

    ০১৭৭৩৭৭০৭৭৭

    ০১৭৫০৫৩৯৮৯৮

    ০১৭৭০৫২৭৮৯৫

    ৩৬ সিরাজগঞ্জ উপ-সহকারী পরিচালক

    সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    উল্লাপাড়া ফায়ার স্টেশন

    শাহজাদপুর ফায়ার স্টেশন

    কাজীপুর ফায়ার স্টেশন

    বাঘাবাড়ি নদী ফায়ার স্টেশন

    রায়গঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বেলকুচি ফায়ার স্টেশন

    কামারখন্দ ফায়ার স্টেশন

    ০৭৫১৬৩৩৩৩

    ০৭৫১৬২৬২২

    ০৭৫২৯৫৬৩৩৩

    ০৭৫২৭৬৪৭৭৭

    ০৭৫২৫৫৬২৯৯

    ০১৭৩০০০২৫৪৭

    ০১৭৩০০০২৫৪৯

    ০১৭৩০০০২৫৫৬

    ০১৭৩০০০২৫৫৯

    ০১৭৩০০০২৫৬০

    ০১৯৬৮৮৮৪০২৭

    ০১৭৩৭০৭৩৩৩৭

    ০১৭৪৮০৮০৪৫৫

    ০১৯৬৮৮৮৪২৬৬

    ৩৭ রংপুর উপ-পরিচালক

    সহকারী পরিচালক

    রংপুর ফায়ার স্টেশন

    পীরগাছা ফায়ার স্টেশন

    হারাগাছ ফায়ার স্টেশন

    তারাগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বদরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    কাউনিয়া ফায়ার স্টেশন

    মিঠাপুকুর ফায়ার স্টেশন

    পীরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৫২১৫৬০০৩

    ০৫২১৬৩৫৫৭

    ০৫২১৬৫২২৪

    ০৫২২৬৫৬৫৫৫

    ০৫২১৬১৩১১

    ০৫২২৮৫৬১১১

    ০৫২২২৫৬২২২

    ০৫২২৪৫৬৪৪৪

    ০৫২২৫৫৬২২২

    ০১৭৩০০০২৫৬৩

    ০১৭৩২৭০৭১৭২

    ০১৭৩০০০২৫৬৩

    ০১৭৩০০০২৫৬৪

    ০১৮৭৮১০২০৯০

    ০১৭৯২৮১৭০৪৪

    ০১৭৭৭৪৯৬৫৫৫

    ০১৭৬৮৮৪৭৯৯৯

    ০১৭৫৫৫০২০১৭

    ৩৮ গাইবান্ধা উপ-সহকারী পরিচালক

    গাইবান্ধা ফায়ার স্টেশন

    সুন্দরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    সাঘাটা ফায়ার স্টেশন

    গোবিন্দগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ফুলছড়ী ফায়ার স্টেশন

    ০৫৪১৫২২২৪

    ০৫৪১৫১৫৫৫

    ০১৭৩০০০২৫৭৯

    ০১৭৩০০০২৫৮২

    ০১৭৪০৪২৯২৯২

    ০১৭১৭৮৮১০৯৯

    ০১৭০৬৩৩২৫২৫

    ০১৭১৯৪৮৮৭৪৪

    ৩৯ কুড়িগ্রাম উপ-সহকারী পরিচালক

    কুড়িগ্রাম ফায়ার স্টেশন

    উলিপুর ফায়ার স্টেশন

    চিলমারী ফায়ার স্টেশন

    নাগেশ্বরী ফায়ার স্টেশন

    ০৫৮১৬১৬৭২

    ০৫৮১৬১৩৩৩

    ০৫৮২৯৫৬০৩৩

    ০১৭৩০০০৯১০০

    ০১৭৩০০০৯১০১

    ০১৭৩০০৮২২১৪

    ০১৭৪০০৪৭৭৪১

    ০১৭৪৬০৯৩৬৬৯

    ৪০ লালমনিরহাট উপ-সহকারী পরিচালক

    লালমনিরহাট ফায়ার স্টেশন

    কালীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    পাটগ্রাম ফায়ার স্টেশন

    আদিতমারী ফায়ার স্টেশন

    হাতিবান্ধা ফায়ার স্টেশন

    ০৫৯১৬১৪৫২

    ০৫৯১৬১২২২

    ০৫৯২৪৫৬০৯৯

    ০৫৯২৫৫৬৩৪৪

    ০১৭৩০০০৯১০৭

    ০১৭৩০০০৯১০৫

    ০১৭৪১০৬০৭৩৩

    ০১৭২০৮৪৭৬৮৯

    ০১৭১৭৩৭১২১৩

    ০১৭৪৪৯৯৯৩০৩

    ৪১ নীলফামারী উপ-সহকারী পরিচালক

    নীলফামারী ফায়ার স্টেশন

    ডোমরা ফায়ার স্টেশন

    সৈয়দপুর ফায়ার স্টেশন

    উত্তরা ফায়ার স্টেশন

    জলঢাকা ফায়ার স্টেশন

    ডিমলা ফায়ার স্টেশন

    কিশোরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৫৫১৬১২২১

    ০৫৫১৬১৩৩৩

    ০৫৫২৩৭৫২২২

    ০৫৫২৬৭২২২২

    ০৫৫১৬৫০০৯

    ০৫৫২৪৬৫৩৩৩

    ০৫৫২২৫৬৩৩৩

    ০১৭৩০০০৯১০৪

    ০১৭৩০০০৯১০৫

    ০১৭৩০০০৯১০৬

    ০১৭২৭৭৮৫৩৮৪

    ০১৭৪৪৫৮৫৫৭৭

    ০১৭১৯৭০৬০২২

    ০১৭৮৯৮৮৬০৩০

    ০১৭২২৩৭৩৬৬৪৪

    ৪২ দিনাজপুর সহকারী পরিচালক

    দিনাজপুর ফায়ার স্টেশন

    ফুলবাড়ি ফায়ার স্টেশন

    সেতাবগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    পার্বতীপুর ফায়ার স্টেশন

    বিরামপুর ফায়ার স্টেশন

    হিলি ফায়ার স্টেশন

    চিরিরবন্দর ফায়ার স্টেশন

    বীরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৫৩১৬৩২১৭

    ০৫৩১৬৪২৭৭

    ০৫৩২৭৫৬২২২

    ০৫৩২৫৭৩৩৪৪

    ০৫৩৩৪৭৪২২২

    ০৫৩২২৫৬২২২

    ০৫৩২৯৭৫২২২

    ০১৭৩০০০৯১১৯

    ০১৭৩০০০৯১২০

    ০১৭৩০০০৯১২২

    ০১৭৩০০০৯১২৬

    ০১৭৮৯৪৮৮৪৮৮

    ০১৭১৯১৩১৩২০

    ০১৭৫৫২৯৫৯৯৯

    ০১৭০০৮১৮২১৮

    ০১৭৩৪৪১৫৯৮৯

    ৪৩ ঠাকুরগাঁও উপ-সহকারী পরিচালক

    ঠাকুরগাঁও ফায়ার স্টেশন

    পীরগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    বালীয়াডাঙ্গি ফায়ার স্টেশন

    ০৫৬১৫২৫০২৯

    ০৫৬১৫৩৪৪৪

    ০৫৬২৪৫৬৫৫৫

    ০৫৬২২৫৬১২২

    ০১৭৩০০০৯১৩০

    ০১৭৩০০০৯১৩১

    ০১৭৩০০০৯১৩৪

    ০১৭৩৩৯৯৯৬২৭

    ৪৪ পঞ্চগড় উপ-সহকারী পরিচালক

    পঞ্চগড় ফায়ার স্টেশন

    তেঁতুলিয়া ফায়ার স্টেশন

    বোঁদা ফায়ার স্টেশন

    ০৫৬৮৬১২৫৭

    ০৫৬৮৬১৩৩৩

    ০৫৬৫৫৭৫০৯৯

    ০১৭৩০০০৯১২৮

    ০১৭৩২৫০৬৮১১

    ০১৭২০৮২২৫৭৮

    ০১৭৬১০৯৩৫৩৫

    ৪৫ চট্টগ্রাম (জোন-১) সহকারী পরিচালক

    বন্দর ফায়ার স্টেশন

    ইপিজেড ফায়ার স্টেশন

    সীতাকুন্ড ফায়ার স্টেশন

    কুমিরা ফায়ার স্টেশন

    মিরেরসরাই ফায়ার স্টেশন

    সমুদ্রগামী ফায়ার স্টেশন

    আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন

    ০৩১২৫২৬৮৫২

    ০৩১২৫২০৩৩৯

    ০৩১৮০০৪১৯

    ০৩০২৮৫৬০২২

    ০৩১২৫১৭৬৯৯

    ০৩০২৪৫৬১০০

    ০১৭৩০০০২৪০৭

    ০১৭৩০০০২৪২০

    ০১৭৩০০০২৪২৫

    ০১৭৩০০০২৪২৮

    ০১৫৫৮৪৫৬২০০

    ০১৮৭৫৯৭৭৯৯৪

    ০১৭৩০৩৩৬৬৬৬

    ০১৭৩০০০২৪০৮

    ৪৬ চট্টগ্রাম (জোন-২) উপ-সহকারী পরিচালক

    পটিয়া ফায়ার স্টেশন

    সাতকানিয়া ফায়ার স্টেশন

    নন্দনকানন ফায়ার স্টেশন

    চন্দনপুরা ফায়ার স্টেশন

    লামারবাজার ফায়ার স্টেশন

    বোয়ালখালী ফায়ার স্টেশন

    চন্দনাইশ ফায়ার স্টেশন

    বাঁশখালী ফায়ার স্টেশন

    আনোয়ারা ফায়ার স্টেশন

    ০৩৫২৯৫৬৩৬৯৫

    ০৩০৩৫৫৬৫৫০

    ০৩০৩৬৫৬৫০০

    ০৩১৬৩০৩৩৪

    ০৩১৬১৯৫৭৫

    ০৩১৬৩০২৩৩

    ০১৭৩০০০২৪৬৩

    ০১৭৩০০০২৪৩০

    ০১৭৩০০০২৪৩৩

    ০১৭৩০০০২৪১২

    ০১৭৩০০০২৪১৩

    ০১৭৩০০০২৪১৯

    ০১৬২০৩৩৬৬৬৬

    ০১৯৬৮৮৮৯৯৬৫

    ০১৭৭২১৬১৯১৯

    ০১৮৪২৯৫৬২২২

    ৪৭ চট্টগ্রাম (জোন-৩) উপ-সহকারী পরিচালক

    বায়েজিদ ফায়ার স্টেশন

    কালুরঘাট ফায়ার স্টেশন

    হাটহাজারী ফায়ার স্টেশন

    নিউমুরিং ফায়ার স্টেশন

    ফাটকছরি ফায়ার স্টেশন

    রাউজান ফায়ার স্টেশন

    কাপ্তাই ফায়ার স্টেশন

    রাঙ্গুনিয়া ফায়ার স্টেশন

    ০৩৫২৯৫৬৩৬৯৫

    ০৩১৬৮৩০৮০

    ০৩১৬৭০০৬৬

    ০৩১২৬০১৫০০

    ০৩০২৬৫৬৪৯৫

    ০৩৫২৯৫৬২২২

    ০৩০২৫৫৬২৫৫

    ০১৭৩০০০২৪৬৩

    ০১৭৩০০০২৪১৭

    ০১৭৩০০০২৪২৩

    ০১৭৩০০০২৪২৭

    ০১৭৩০৩৩৬৬৬৬

    ০১৭৭২২৪১৫১০

    ৪৮ কক্সবাজার উপ-সহকারী পরিচালক

    কক্সবাজার ফায়ার স্টেশন

    চকোরিয়া ফায়ার স্টেশন

    পেকুয়া ফায়ার স্টেশন

    টেকনাফ ফায়ার স্টেশন

    রামু ফায়ার স্টেশন

    উখিয়া ফায়ার স্টেশন

    মহেশখালী ফায়ার স্টেশন

    ০৩৪১৬৩৬০৪

    ০৩৪১৬৪২৪২

    ০৩৪২২৫৬০৫১

    ০৩৪২৮৫৬১১১

    ০৩৪২৬৭৫২২২

    ০৩৪২৪৭৪৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৪৩৬

    ০১৭৩০০০২৪৩৪

    ০১৭৩০০০২৪৪১

    ০১৭৩০০০২৪৪২

    ০১৭৮২৭৮৭৮৯১

    ০১৬৯০০০০২১৩

    ০১৫৩৩২৮৩৮৩২

    ৪৯ বান্দরবান সহকারী পরিচালক

    বান্দরবান ফায়ার স্টেশন

    আলীকদম ফায়ার স্টেশন

    রোয়াংছড়ি ফায়ার স্টেশন

    লামা ফায়ার স্টেশন

    ০৩৬১৬২৩৮৫

    ০৩৬১৬২২২২

    ০১৭৩০০০২৪৫৯

    ০১৭৩০০০২৪৬০

    ০১৮২৭৯১২০৫৯

    ০১৮৬৬৭৪৭৮৬৬

    ০১৭৯৩১৮৩৪৬৮

    ৫০ রাঙামাটি সহকারী পরিচালক

    রাঙামাটি ফায়ার স্টেশন

    কাপ্তাই ফায়ার স্টেশন

    কাউখালী ফায়ার স্টেশন

    ০৩৫১৬২২২৬

    ০৩৫১৬২২২০

    ০৩৫২৯৫৬২২২

    ০১৭৩০০০২৪৬১

    ০১৭৩০০০২৪৬২

    ০১৭৩০০০২৪৬৩

    ০১৮৬৩৬১৬৪১৯

    ৫১ খাগড়াছড়ি উপ-সহকারী পরিচালক

    খাগড়াছড়ি ফায়ার স্টেশন

    দিঘীনাল ফায়ার স্টেশন

    লক্ষীছড়ি ফায়ার স্টেশন

    মাটিরাঙ্গা ফায়ার স্টেশন

    রামগড় ফায়ার স্টেশন

    ০৩৭১৬১৬৬৬

    ০৩৭১৬১৯৬৬

    ০১৭৩০০০২৪৪৯

    ০১৭৩০০০২৪৫৪

    ০১৫৫১১১২৭৭৭

    ০১৫৭২৩৩৭৩৭০

    ০১৫৩১৩৫৫৯৮৮

    ০১৮২০৭২৫১৭৭

    ৫২ কুমিল্লা সহকারী পরিচালক

    উপ-সহকারী পরিচালক

    কুমিল্লা ফায়ার স্টেশন

    বরুড়া ফায়ার স্টেশন

    দৌলতগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ইপিজেড ফায়ার স্টেশন

    চৌদ্দগ্রাম ফায়ার স্টেশন

    চৌয়ারা ফায়ার স্টেশন

    হোমনা ফায়ার স্টেশন

    মুরাদনগর ফায়ার স্টেশন

    বুড়িচং ফায়ার স্টেশন

    চান্দিনা ফায়ার স্টেশন

    দাউদকান্দি ফায়ার স্টেশন

    ০৮১৬৫৮৮৮

    ০৮১৬৫০৮৭

    ০৮১৬৫০৯০

    ০৮০২৭৫২২২২

    ০৮০৩২৫১২২২

    ০৮১৭১০১০

    ০৮০২০৫৬৩৩৩

    ০৮০৪২৫৭১৩৩

    ০৮০২৫৫৪৬৬০

    ০৮০২৬৫৬০০০

    ০১৭৩০০০২৪৬৫

    ০১৭৩০০০২৪৬৬

    ০১৭৪১২৫১৯৮৯

    ০১৭৩০০০২৪৭০

    ০১৭৩৬৭৩১২৭৩

    ০১৫৫৬৪১০৫১০

    ০১৭৬৬৩০৬৮৬৮

    ০১৮৭০২৯১৮১৯

    ০১৭৬৩৯৪৫৩৩১

    ০১৭৪৫৯২৯১৯১

    ৫৩ ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপ-সহকারী পরিচালক

    বি-বাড়ীয়া ফায়ার স্টেশন

    আশুগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    আখাউরা ফায়ার স্টেশন

    সরাইল ফায়ার স্টেশন

    কসবা কুটি ফায়ার স্টেশন

    বাঞ্জারামপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৮৫১৬১১৭২

    ০৮৫১৬১১১১

    ০৮৫২৮৭৪২২০

    ০৮৫২২৫৬০১৬

     

    ০১৭৩০০০২৪৭১

    ০১৭৩০০০২৪৭৯

    ০১৭৩০০০২৪৮০

    ০১৭৩০০০২৪৮৩

    ০১৭১৬৬৪৮৪৪৪

    ০১৭৪৫৪৮১২৪৪

    ০১৭৮৬৩৫০০৮৫

    ৫৪ চাঁদপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    চাঁদপুর উত্তর ফায়ার স্টেশন

    চাঁদপুর দক্ষিন ফায়ার স্টেশন

    চাঁদপুর নদী ফায়ার স্টেশন

    মতলব ফায়ার স্টেশন

    হাজীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    কচুয়া ফায়ার স্টেশন

    শাহরাস্তি ফায়ার স্টেশন

    হাইমচর ফায়ার স্টেশন

    ০৮৪১৬৩৩৪০

    ০৮৪১৬৩০০৩

    ০৮৪১৬৩০১১

    ০৮৪১৬৩০৩৫

    ০৮৪২৪৭৫৩৩৩

    ০৮৪২৫৫৬২০২

    ০৮৪২৭৫৬২২২

    ০৮৪২৩৫২১১১

    ০১৭৩০০০২৪৮৫

    ০১৯৫৪১৭১২৭৬

    ০১৯৪২১৩৯৭৯৭

    ০১৯৮৬১১২২২২

    ০১৭২৭৭২৮৬৫৩

    ০১৭২৮৫৪৬১১০

    ০১৭৩৯৪৬৫১২৬

    ০১৯৪২১৩৯৮৯৮

    ৫৫ নোয়াখালী সহকারী পরিচালক

    মাইজদী ফায়ার স্টেশন

    চৌমুহনী ফায়ার স্টেশন

    সোনাইমুরী ফায়ার স্টেশন

    কোম্পানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    চাটখিল ফায়ার স্টেশন

    হাতিয়া ফায়ার স্টেশন

    সুবর্নচর ফায়ার স্টেশন

    ০৩২১৬১২৫৮

    ০৩২১৬২০১১

    ০৩২১৫১৫৪৪

    ০৩২২৭৫১১১১

    ০৩২২৩৫৬২২৯

    ০১৭৩০০০২৪৮৮

    ০১৭৩০০০২৪৮৯

    ০১৭৩০০০২৪৯০

    ০১৮৬৫১২৬২৮৯

    ০১৮১৫১৮২১০৪

    ০১৯৬৮৮৮২৩১৪

    ০১৯৬৮৮৮২৩০৭

    ০১৯৬৮৮৮২০৫৬

    ৫৬ লক্ষীপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    লক্ষীপুর ফায়ার স্টেশন

    রামগতি ফায়ার স্টেশন

    রামগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    রায়পুর ফায়ার স্টেশন

    কমলনগর ফায়ার স্টেশন

    ০৩৮১৫৫০৮৮

    ০৩৮১৬২২২২

    ০৩৮২৩৫৬২৭৭

    ০৩৮২৪৭৫৩৩৩

    ০১৭৩০০০২৪৫৩

    ০১৭৩০০০২৪৯৫

    ০১৭৪৯৪৫২২৪৫

    ০১৭৫১৫১৭৭১৯

    ০১৭৩০৫৯১২৫৮

    ০১৩০৭৮০৭৫২৫

    ৫৭ ফেনী উপ-সহকারী পরিচালক

    ফেনী ফায়ার স্টেশন

    সোনাগাজী ফায়ার স্টেশন

    ছাগলনাইয়া ফায়ার স্টেশন

    ফুলগাজী ফায়ার স্টেশন

    পরশুরাম ফায়ার স্টেশন

    ০৩৩১৭৪৮৭৮

    ০৩৩১৭৪৭৪৪

    ০৩৩২৫৭৬০৪৪

    ০৩৩২২৭৮৩৭৫

    ০১৭৩০০০২৪৯১

    ০১৭৩০০০২৪৯২

    ০১৭৭৯৯৫২৪৪৩

    ০১৮২৫০৬১৪০৪

    ০১৮৪২০০২৪৯২

    ০১৮৫৪৪২২৪৭৩

    ৫৮ খুলনা বিভাগীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ

    উপ-পরিচালক

    উপ-সহকারী পরিচালক

    খুলনা ফায়ার স্টেশন

    খলিশপুর ফায়ার স্টেশন

    দৌলতপুর ফায়ার স্টেশন

    টুটপাড়া ফায়ার স্টেশন

    ডুমুরিয়া ফায়ার স্টেশন

    খুলনা নদী ফায়ার স্টেশন

    রুপসা ফায়ার স্টেশন

    খানজাহানলী ফায়ার স্টেশন

    ০৪১৭৬০৩৩৩

    ০৪১৭৬২২৮০

    ০৪১৭৬২১৭৯

    ০৪১৭৬০৩৩৩

    ০৪১৭৬১০০৫

    ০৪১৭৬২০৫২

    ০৪১৭২৩০১১

    ০৪০২৫৫৬১৪৪

    ০৪১৮৯০০৪৮

    ০১৭৩৬৫৮৮০৮৮

    ০১৭৩০০০৯১৫১

    ০১৭০২৪৫৬২০০

    ০১৭৬৭৮৯৭০১৩

    ৫৯ বাগেরহাট উপ-সহকারী পরিচালক

    বাগেরহাট ফায়ার স্টেশন

    মংলা ফায়ার স্টেশন

    মোড়লগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ইপিজেড ফায়ার স্টেশন

    শরণখোলা ফায়ার স্টেশন

    ০৪৬৮৬২৪৯৩

    ০৪৬৮৬৩৬৬৬

    ০৪৬৫৮৭৩৩২০

    ০৪৬৫৬৫৬৩৩৩

    ০৪৬৫৯৫৬২২২

    ০১৭৩০০০৯১৫৯

    ০১৭২৬৩৯৩৬৩৯

    ০১৭৫৯৮৫৬৩৮৫

    ৬০ সাতক্ষীরা উপ-সহকারী পরিচালক

    সাতক্ষীরা ফায়ার স্টেশন

    কালীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৪৭১৬৩৪১৬

    ০৪৭১৬২৩৫৭

    ০৪৭২৫৫৬১০৩

    ০১৭৭২৯৬৬৭৩৬

    ৬১ যশোর সহকারী পরিচালক

    যশোর ফায়ার স্টেশন

    বাঘারপাড়া ফায়ার স্টেশন

    মনিরামপুর ফায়ার স্টেশন

    বেনাপোল ফায়ার স্টেশন

    ঝিকরগাছা ফায়ার স্টেশন

    নোয়াপাড়া ফায়ার স্টেশন

    ০৪২১৬৬৮৩৮

    ০৪২১৬৫১১৪

    ০৪২২৩৫৬০৯০

    ০৪২২৭৭৮৩৩৩

    ০৪২২৮৭৫২২৪

    ০৪২২৫৭১২২২

    ০৪২২২৭১২৪৫

    ০১৭০৫২০৯৬৮৬

    ০১৭৩০০০৯১৭৬

    ০১৭৩০০০৯১৭১

    ০১৭৩৬৫৬১২৮১

    ০১৭৩২৫৫০৪৬০

    ৬২ নড়াইল উপ-সহকারী পরিচালক

    নড়াইল ফায়ার স্টেশন

    লোহাগড়া ফায়ার স্টেশন

    ০৪৮১৬২০৫২

    ০৪৮১৬২২২২

    ০১৮৩৪১৮৫৭৪৭

    ৬৩ মাগুরা উপ-সহকারী পরিচালক

    মাগুরা ফায়ার স্টেশন

    শ্রীপুর ফায়ার স্টেশন

    মোহাম্মাদপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৪৮৮৬২৫৬৬

    ০৪৮৮৬২২২২

    ০১৭৪৪১৪৬৪৯৬

    ০১৭৩০০০৯১৮৫

    ৬৪ ঝিনাইদহ উপ-সহকারী পরিচালক

    ঝিনাইদহ ফায়ার স্টেশন

    মহেশুপুর ফায়ার স্টেশন

    শৈলকুপা ফায়ার স্টেশন

    কোটচাঁদপুর ফায়ার স্টেশন

    হরিণাকুন্ডু ফায়ার স্টেশন

    কালীগঞ্জ ফায়ার স্টেশন

    ০৪৫১৬১৩৭৭

    ০৪৫১৬২৩৩৩

    ০৪৫২৬৫৬২২২

    ০৪৫২৪৬৫০৭৭

    ০৪৫২২৭৪০৭৭

    ০৪৫২৩৫৬৬৪৪

    ০১৭১৭৯৬৭১৮৮

    ০১৩১৭৩০২০৩০

    ০১৭১৮৭৪৬৫১৮

    ০১৭২১৬৫১৬৯৩

    ০১৭৩২৯৫৭১৭৬

    ০১৭৭৭৫৬৯০৫৬

    ৬৫ কুষ্টিয়া সহকারী পরিচালক

    কুষ্টিয়া ফায়ার স্টেশন

    মিরপুর ফায়ার স্টেশন

    ভেড়ামারা ফায়ার স্টেশন

    কুমারখালী ফায়ার স্টেশন

    খোকসা ফায়ার স্টেশন

    ০৭১৬২২২৫

    ০৭১৬১৯২২

    ০৭০২৬৫৬৪৪৪

    ০৭০২২৭১০৯৯

    ০৭০২৫৭৬৩৬৫

    ০৭০২৪৫৬২০০

    ০১৭৩৩৬২০৩৮৫

    ০১৭৩২৩২৩৭৭৭

    ০১৭২৮৬৮৫৩০৭

    ০১৭১৭৯৬৮৩৭৫

    ৬৬ চুয়াডাঙ্গা উপ-সহকারী পরিচালক

    চুয়াডাঙ্গা ফায়ার স্টেশন

    জীবননগর ফায়ার স্টেশন

    আলমডাঙা ফায়ার স্টেশন

    দর্শনা ফায়ার স্টেশন

    ০৭৬১৬২৫৮২

    ০৭৬১৬৩১২২

    ০৭৬২৪৭৫২০০

    ০৭৬২২৫৬৪৪৪

    ০১৭৪৫৪০০৬৯৯

    ০১৭৭৬২৫০১৪০

    ০১৭১০৭৪৭৬৫৫

    ০১৭৪৮০১৪৪৯৯

    ৬৭ মেহেরপুর উপ-সহকারী পরিচালক

    মেহেরপুর ফায়ার স্টেশন

    ০৭৯১৬২৫৬৯

    ০৭৯১৬২২২২

    ০১৯৭১০২০২০৯

     

     

    ফায়ার সার্ভিসের প্রধানের নাম কি?

    উওরঃ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, এমফিল । অফিস – ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, ঢাকা।

     

    ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

    উওরঃ ৩৮-৪৬ কাজী আলাউদ্দিন সড়ক, ঢাকা-১০০০ ।

     

  • অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিরোধ ও তাৎক্ষণিক করণীয় (Causes of Fire Prevention and Immediate Action)

    অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিরোধ ও তাৎক্ষণিক করণীয় (Causes of Fire Prevention and Immediate Action)

    অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিরোধ ও তাৎক্ষণিক করণীয় (Causes of Fire Prevention and Immediate Action)! অগ্নিকাণ্ড এমন একটি দুর্ঘটনা যা মুহূর্তের মধ্যে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি এবং আর্থিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বাড়ি, অফিস, বাজার, শিল্পকারখানা কিংবা জনসমাগমস্থল—যেখানেই আগুন লাগুক না কেন, দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তা ভয়াবহ রূপ নিতে সময় লাগে না। অথচ অগ্নিকাণ্ডের অধিকাংশ ঘটনাই সচেতনতা ও সঠিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এড়ানো সম্ভব। এই লেখায় আমরা জানব অগ্নিকাণ্ডের কারণ, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং তাৎক্ষণিক করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত।
    অগ্নিকান্ডের কারন, প্রতিরোধ ও তাৎক্ষনিক করণীয়

    অগ্নিকান্ডের কারণ [Reasons of Fire]

    বিভিন্ন কারণে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্নিকান্ড সংগঠিত হয় বৈদ্যুতিক কারণে। অগ্নিকান্ডের উৎস গবেষনা করে অগ্নিকান্ডের মূল কারণসমূহকে দু ভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ
    ১. কর্মক্ষেত্রে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হবার কারণসমূহ, (Causes of fires in the workplace)
    ২. বাড়ীতে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হবার কারণসমূহ, (Causes of house fires)

    অগ্নিকাণ্ড কাকে বলে?

    যখন কোনো দাহ্য পদার্থ অক্সিজেন ও তাপের সংস্পর্শে এসে অনিয়ন্ত্রিতভাবে জ্বলে ওঠে এবং আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে অগ্নিকাণ্ড বলা হয়। এটি প্রাকৃতিকভাবেও ঘটতে পারে (যেমন বজ্রপাতের কারণে বনাঞ্চলে আগুন), আবার মানুষের অসাবধানতাজনিত কারণেও ঘটতে পারে।

    অগ্নিকাণ্ড সাধারণত তিনটি উপাদানের ওপর নির্ভর করে:

    1. দাহ্য পদার্থ

    2. অক্সিজেন

    3. তাপের উৎস

    এই তিনটির যেকোনো একটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে আগুন লাগা প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।


    অগ্নিকাণ্ডের প্রধান কারণসমূহ

    অগ্নিকাণ্ডের কারণকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায় — (১) মানবসৃষ্ট কারণ(২) প্রাকৃতিক কারণ

    ১. মানবসৃষ্ট কারণ

    1. বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট
      পুরনো বা ত্রুটিপূর্ণ তার, অননুমোদিত সংযোগ এবং ওভারলোডের কারণে শর্ট সার্কিট হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি হয়।

    2. গ্যাসের লিকেজ
      রান্নাঘর বা শিল্পকারখানায় গ্যাস লিক হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    3. ধূমপান বা খোলা আগুনের অসাবধান ব্যবহার
      সিগারেট বা দেশলাইয়ের অসাবধান ব্যবহারেও বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    4. রাসায়নিক ও দাহ্য পদার্থের ভুলভাবে সংরক্ষণ
      পেট্রোল, ডিজেল, থিনার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ নিরাপদে না রাখলে তা বিস্ফোরণ ও আগুনের ঝুঁকি বাড়ায়।

    5. দুর্বল অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা
      ভবন নির্মাণে পর্যাপ্ত ফায়ার এক্সিট, এলার্ম সিস্টেম ও ফায়ার এক্সটিংগুইশার না থাকলে আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়।

    ২. প্রাকৃতিক কারণ

    1. বজ্রপাত ও প্রবল গরম
      গ্রামাঞ্চল বা বনাঞ্চলে বজ্রপাত বা অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে আগুন লেগে যায়।

    2. ভূমিকম্প বা বিস্ফোরণ
      এসব প্রাকৃতিক বা দুর্ঘটনাজনিত ঘটনায়ও অগ্নিকাণ্ড হতে পারে।


    অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে করণীয়

    অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা (Preventive Measures) সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে। নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরা হলো 👇

    ১. বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

    • মানসম্মত তার, সুইচ ও সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা।

    • নির্দিষ্ট সময় পর পর ইলেকট্রিক সংযোগ পরীক্ষা করা।

    • ওভারলোড এড়াতে একাধিক হাই-পাওয়ার ডিভাইস একই প্লাগে না লাগানো।

    ২. গ্যাস ব্যবস্থার নিরাপত্তা

    • প্রতিদিন রান্না শেষে গ্যাসের রেগুলেটর বন্ধ রাখা।

    • লিকেজ হলে সাথে সাথে জানালা খুলে দেওয়া, আগুন না জ্বালানো।

    • নির্দিষ্ট সময় অন্তর পাইপ ও সংযোগ পরীক্ষা করা।

    ৩. দাহ্য পদার্থ সঠিকভাবে সংরক্ষণ

    • দাহ্য পদার্থ বদ্ধ ও নিরাপদ স্থানে রাখা।

    • শিশু ও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে রাখা।

    • গরম বা আগুনের উৎস থেকে দূরে সংরক্ষণ।

    ৪. ভবনের অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা

    • ফায়ার এক্সটিংগুইশার, অ্যালার্ম ও স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম স্থাপন করা।

    • ফায়ার এক্সিট বা জরুরি সিঁড়ির ব্যবস্থা রাখা।

    • নিয়মিত ফায়ার ড্রিল ও প্রশিক্ষণ দেওয়া।


    অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয়

    অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে বড় বিপর্যয় এড়ানো যায়। নিচে কয়েকটি তাৎক্ষণিক করণীয় ধাপে ধাপে দেওয়া হলো 👇

    1. তৎক্ষণাৎ এলার্ম বাজানো বা চিৎকার করে সবাইকে সতর্ক করা।

    2. বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল সুইচ বন্ধ করে দেওয়া।

    3. ছোট আগুন হলে ফায়ার এক্সটিংগুইশার দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করা।

    4. বড় আগুন হলে দ্রুত এলাকা খালি করে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া।

    5. লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে নামা।

    6. ধোঁয়া বেশি হলে ভেজা কাপড় মুখে দিয়ে নিচু হয়ে বের হওয়া।

    7. প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নেওয়া ও আহতদের হাসপাতালে পাঠানো।


    আইনি ও প্রশাসনিক দিক

    বাংলাদেশে ভবন, বাজার ও শিল্প কারখানায় অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বিল্ডিং কোড ও ফায়ার সেফটি বিধিমালা রয়েছে। এগুলো মানা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে নিয়ম না মানার কারণেই বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তাই সরকার, প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক — সবার সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন।


    উপসংহার

    অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে সবার আগে প্রয়োজন সচেতনতা ও প্রস্তুতি। বৈদ্যুতিক সংযোগ, গ্যাস ব্যবস্থাপনা, দাহ্য পদার্থ সংরক্ষণ এবং ফায়ার সেফটি সিস্টেম ঠিকভাবে অনুসরণ করলে অধিকাংশ দুর্ঘটনাই রোধ করা সম্ভব। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের সময় দ্রুত পদক্ষেপ ও প্রাথমিক যন্ত্রপাতির সঠিক ব্যবহার প্রাণ ও সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এখনই সময় অগ্নি নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার। 

     
     

    অগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে তাৎক্ষনিক ও পরবর্তিতে কি করবো? (যা অবশ্যই জানতে হবে) – What to Do Immediately and Next If The Fire is Organized?

    যে কোন সময় অগ্নিকান্ড সংগঠিত হতে পারে তাই সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে আপনি যদি অগ্নি-নিরাপত্তা কর্মী না হন সে ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে আপনার যাওয়া ঠিক হবে না। এ কাজটি অভিজ্ঞ লোকদের হাতে ছেড়ে দিয়ে তাদের সাহায্য করুন ও অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে থেকে চেষ্টা করুণ।
    হঠাৎ আগুন লাগলে সাথে সাথে ও পরে কি কি করতে হবে আসুন এবার তা জেনে নেই।
    • কোথাও আগুন লাগলে সাথে সাথে বৈদ্যুতিক মূল সংযোগ বিছিন্ন করে দিতে হবে,
    • অগ্নিকান্ডের সময় যতটা সম্ভব ধীর-স্থীর ও শান্ত থাকতে হবে,
    • ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জরুরী টেলফোন নাম্বারটি সকলের মুখস্ত রাখতে হবে এবং দ্রুত তাদের জানাতে হবে,
    • ফারায় সার্ভিসের গাড়ি আসার পূর্ব পর্যন্ত নিরাপদ দূরত্বে থেকে অবশ্যই আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে,
    • অগ্নি নির্বাপর সামগ্রী ব্যবহার করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে হবে,
    • বৈদ্যুতিক লাইনে, তৈল জাতীয় আগুনে, কোন মেশিন বা যন্ত্রে পানি দেয়া যাবে না,
    • সকলকে সতর্ক করার জন্য ফায়ার এলার্ম বাজাতে হবে বা বিশেষ কোন সিগন্যাল দিতে হবে,
    • কোনভাবেই তাড়াহুড়ো করা যাবে না। এতে করে পরে গিয়ে বড় রকম আঘাত পাওয়া, এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে কি করতে হবে তা ঠিক করা,
    • এলার্ম অথবা সিগন্যাল বাজানো শেষ হলে সকলকে সারিবদ্ধ ভাবে বের হয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসতে হবে,
    • ফ্লোর ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে গেলে হামাগুড়ি দিয়ে আস্তে আস্তে বের হয়ে আসতে হবে। সম্ভব হলে ভেজা কাপরের টুকরো,রুমাল বা তোয়ালে দিয়ে মুখ ও নাক বেঁধে হামাগুড়ি দিয়ে বের হয়ে আসতে হবে। সাথে সাথে বের হওয়া সম্ভব না হলে গ্যাস মাস্ক পরে অপেক্ষা করতে হবে,
    • গায়ে বা কাপড়ে আগুন লাগলে কখনই দৌড়াবেন না। কারন বাতাসের অক্সিজেন আগুন জ্বলে উঠতে সাহায্য করে। তাই দ্রুত মাটিতে শুয়ে পড়ুন এবং দু হাত মুখমন্ডলের উপর রেখে গায়েয় আগুন নিবে না যাওয়া পর্যন্ত গড়াগড়ি দিতে থাকুন।

    বীমা দাবি আদায়ের তাৎক্ষনিক করণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম-নীতি সমূহ – Immediate and Important Rules and Regulations for Collecting Insurance Claims

    হঠাৎ করেই আগ্নিকান্ড সংগঠিত হয় এবং দ্রুত তা ছড়িয়ে পরে বিধায় তার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান অনেক আংশেই বেশি হয়। কোন কোন সময় এ ক্ষতি পূরণ করা সম্ভবও হয় না। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক বা মালিকগন যদি বীমা পলিসি গ্রহণ করে থাকেন তবে এ ক্ষতি-ক্ষতি কিছুটা কাটিয়া উঠা যায়।
    অগ্নি দুর্ঘটনা বিষয়ে তাৎক্ষনিক মালিক বা মালিকগনকে কি করতে হবে এ অংশে তা আলোচনা করা হবে। যে সকল ব্যবস্থা নিতে হবেঃ
    • যতো দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী থানায় আগ্নিকান্ড বিষয়ে ডায়রি করতে হবে,
    • অগ্নি দুর্ঘটনার ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে হবে,
    • স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া কে জানাতে হবে,
    • দ্রুত সংশ্লিষ্ট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীকে জানাতে হবে,
    • প্রয়োজনে বায়ার ও অন্যান্য সহায়ক দ্রবাদি সরবরাহকারীদের অবহিত করতে হবে,
    • ক্ষতিগ্রস্থ মোট সম্পদের একটি আনুমানিক তালিকা করে তা সংরক্ষণ করতে হবে,
    • বীমা দাবী আদায়ে এ সংক্রান্ত সনদপত্র সংগ্রহ করতে হবে,
    • ফায়ার সার্ভিস থেকে ক্ষয়-ক্ষতির প্রতিবেদন সংবলিত একটি সনদপত্র নিতে হবে,
    • ক্ষতিগ্রস্থ কাওরখানার বা স্থানের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করার জন্য নির্ধারিত বিভাগকে পরিদর্শনের অনুরোধ করতে হবে,
    • ভ্যাট অব্যাহতি পেতে চাইলে ভ্যাট অফিসে সংশ্লিষ্ট সকল সার্টিফিকেট,দলিল পত্র জমা দিতে হবে।

  • ২০২৬ এর নিরাপত্তা সম্পর্কিত ১০০ টি কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর

    ২০২৬ এর নিরাপত্তা সম্পর্কিত ১০০ টি কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর

    ২০২৬ এর নিরাপত্তা সম্পর্কিত ১০০ টি কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর! নিরাপত্তা সম্পর্কিত আমাদের মনে অনেক প্রশ্ন আছে যা আমরা জানতে চাই কিন্তু পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত মাধ্যমের অভাবে তা আর জানা হয়ে উঠে না। এ অংশে আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর জানবো যা আমাদের জীবন ও সম্পদ রক্ষা সহ জ্ঞানের পরিধি আরো বাড়িয়ে দিবে। শেয়ার করে অন্যদের জানতে সাহায্য করুন।
    ২০২৬ এর নিরাপত্তা সম্পর্কিত ১০০ টি কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর
    ২০২৬ এর নিরাপত্তা সম্পর্কিত ১০০ টি কমন প্রশ্ন ও তার উত্তর
     

    ১. আগুন কাকে বলে?

    উঃ দাহ্যবস্তু, অক্সিজেন, পরিমিত তাপ এ তিনটি উপাদানের সংযোগের বিরামহীন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়াকে আগুন বলে।
     

    ২. আগুনের উপাদান কি কি?

    উঃ আগুনের উপাদান চারটি। যথাঃ দাহ্য বস্তু, অক্সিজেন, পরিমিত তাপ ও বিরামহীন রাসায়নিক বিক্রিয়া।
     

    ৩. আগুন কত প্রকার?

    উঃ আগুন ছয় প্রকার। যথাঃ কঠিন পদার্থের আগুন, তরল পদার্থের আগুন, ধাতব পদার্থের আগুন, বৈদ্যুতিক আগুন, গ্যাসের আগুন এবং রান্নার আগুন।
     

    ৪. অগ্নিকান্ড সৃষ্টি হবার হার কোন ক্ষেত্রে কেমন?

    উঃ বৈদ্যুতিক কারণে ৪৪%, কারখানার রান্নাঘর থেকে ২৫%, সিগারেটের কারণে ১০%, ডাস্ট থেকে ৬%, খোলাবাতি ৫%, ঘর্ষনজনিত কারণে ৩%, স্যাবোটাজ ২% ও অন্যান্য কারণে ৫%।
     

    ৫. দাহ্য বস্তু কাকে বলে?

    উঃ যে সকল বস্তু বা পদার্থ দ্বারা প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়া সম্পর্ণ হয় তাকে দাহ্য বস্তু বলে।
     

    ৬. দাহ্য বস্তু কত প্রকার ও কি কি?

    উঃ দাহ্য বস্তু তিন প্রকার। যথাঃ সহজ দাহ্য বস্তু, মাঝারি ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু, অধিক ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু।
     

    ৭. পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার কি?

    উঃ সহজে বহনযোগ্য যে যন্ত্রের মাধ্যমে আগুন নির্বাপন করা হয় তাকে পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার বা বহনযোগ্য অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বলে।
     

    ৮. অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসিং বল কি?

    উঃ যে বল কারো অনুপস্থিতিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন নেভায় বা কেউ তা আগুনে নিক্ষেপ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন নিভে যায় তাকেই অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসিং বল বা স্বয়ংক্রিয় অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বলে।
     

    ৯. কোন আগুনের জন্য কোন ফায়ার এক্সটিংগুইসার ব্যবহার করা হয়?

    উঃ কঠিন পদার্থের আগুন (Solid Fire: Class–A) [DCP, CO2 and H2O], তরল পদার্থের আগুন (Liquid Fire: Class–B) [Foam], ধাতব পদার্থের আগুন (Metal Fire: Class-D) [Sand, Soil, Graphite and Talcum Power], বৈদ্যুতিক আগুন (Electrical Fire: Class-E) [Co2], গ্যাসের আগুন (Gas Fire: Class–C) [ DCP, Sand, Soil], রান্নার আগুন (Cooking Fire: Class–F/K) [Wet Chemical Fire Extinguishers].

     

    ১০. এক্সটিংগুইসার ভালো নাকি খারাপ তা বুঝবো কি করে?

    উঃ এক্সটিংগুইসারের প্রেসার বা স্পার চার্জ নির্দেশক কাটাটি সবুজ অংশে থাকলে তা ভালো আর উক্ত কাটাটি লাল অংশে তাকলে তা খারাপ।

     

    ১১. ফায়ার এক্সটিংগুইসার কত সময় পর পর রিচার্জ করতে হয়?

    উঃ এক বছর পর পর।
     

    ১২. একটি ফ্লোরে কতগুলো ফায়ার এক্সটিংগুইসার লাগবে?

    উঃ প্রতি ৯০ বর্গ মিটারের জন্য একটি ফায়ার এক্সটিংগুইসার লাগবে।
     

    ১৩. কত উচ্চতায় ফায়ার এক্সটিংগুইসার স্থাপন করতে হবে?

    উঃ এক্সটিংগুইসারের তলদেশ বা ভূমি হতে ১ মিটার উপরে।
     

    ১৪. দুটি ফায়ার এক্সটিংগুইসারের মধ্যে দূরত্ব কেমন হবে?

    উঃ ৩০ মিটার (১০০ ফুট) এর অধিক দূরত্বে থাকতে পারবে না।

     

    ১৫. ফায়ার এক্সটিংগুইসার কোথায় স্থাপন করতে হবে?

    উঃ বহির্গমন পথ, দরজার নিকটে বা সহজে পৌঁছানো যায় এমন স্থানে।
     

    ১৬. ফায়ার স্প্রিংকলার কি?

    উঃ এটি স্থায়ী সেন্সর এবং অগ্নি স্বয়ংক্রিয় অগ্নি নির্বাপণী ব্যবস্থা। স্প্রিংকলারের মাথায় একটি বাল্ব থাকে যার তাপমাত্রা পূর্ব থেকে নির্দিষ্ট করা থাকে। সাধারণত তাপমাত্রা ঐ নির্ধারিত তাপমাত্রার উপরে উঠলে এটি কাজ শুরু হয়।
     

    ১৭. ফায়ার স্প্রিংকলার কিভাবে স্থাপন করতে হবে?

    উঃ ৭৫ ফুট বা ২৩ মিটার উঁচু ভবনের প্রতি তলার জন্য স্প্রিংকলার প্রয়োজন। প্রতি ১৩০ বর্গ ফুট জায়গার জন্য ১ টি ফায়ার স্প্রিংকলার স্থাপন করতে হবে।

     

    ১৮. ফায়ার স্প্রিংকলারের জন্য পানির পাম্পের সাইজ কত হবে?

    উঃ ৩২০০ লিটার/মিনিট বা ৮৪৫ জি.পি.এম. (গ্যালন পার মিনিট)

     

    ১৯. স্প্রিংকলারের পানির চাপ কেমন হতে হবে?

    উঃ ১০০ কে.পি.এ. (কিলোপ্যাসক্যাল)
     

    ২০. স্প্রিংকলার সিস্টেমের জন্য পানির পাইপের ডাইয়া কেমন হতে হবে?

    উঃ ৫, ৬ বা ৮ ইঞ্চি।

     

    ২১. স্প্রিংকলার সিস্টেমের জন্য পানির রিজার্ভের আকার কেমন হতে হবে?

    উঃ ৫১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ভবনের জন্য ২,৪০,০০০ লিটার।

     

    ২২. ফায়ার হাইড্রেন্ট ও স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম কি?

    উঃ স্ট্যান্ডপাইপ, হোস বা রীল পাইপ ও স্প্রিংকলারের সম্মিলিত রূপই হলো ফায়ার হাইড্রেন্ট ও স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম।
     

    ২৩. ফায়ার হাইড্রেন্ট কিভাবে স্থাপন করতে হবে?

    উঃ যে সকল ভবনের উচ্চতা ১০ মিটার বা ৩৩ ফিট এর অধিক সে সকল ভবনে ফায়ার হাইড্রেন্ট প্রয়োজন। প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৭৫০ বর্গ মিটার বা তার বেশি হলে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপন করতে হবে।
     

    ২৪. ফায়ার হাইড্রেন্ট এর জন্য পানির পাম্পের সাইজ কত হবে?

    উঃ ১৯০০ লিটার/মিনিট বা ৫০০ জি.পি.এম. (গ্যালন পার মিনিট)

     

    ২৫. ফায়ার হাইড্রেন্ট এর পানির চাপ কেমন হতে হবে?

    উঃ ৪৫০ কে.পি.এ. (কিলোপ্যাসক্যাল)
     

    ২৬. ফায়ার হাইড্রেন্ট এর জন্য পানির পাইপের ডাইয়া কেমন হতে হবে?

    উঃ ৫, বা ৬ ইঞ্চি।
     

    ২৭. ফায়ার হাইড্রেন্ট এর জন্য পানির রিজার্ভের আকার কেমন হতে হবে?

    উঃ ৫১ মিটার পর্যন্ত উঁচু ভবনের জন্য ১,৪২,৫০০ লিটার।
     

    ২৮. হাইড্রেন্ট সিস্টেমে কি ভাবে পানি সরবরাহ করা হয়?

    উঃ তিন ভাবে পানি সরবরাহ করা হয়। যথাঃ পাম্পের মাধ্যমে সরাসরি, গভীর নলকূপের মাধ্যমে ও ভবনের ছাদে পানির রিজার্ভার স্থাপনের মাধ্যমে।
     

    ২৯. স্প্রিংকলার সিস্টেম ও হাইড্রেন্ট সিস্টেমের জন্য ট্যাংকের উচ্চতা কেমন হবে?

    উঃ উভয় ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পানির পাইপ থেকে কমপক্ষে ১০ মিটার উঁচুতে স্থাপন করতে হবে।
     

    ৩০. রাইজার ব্যবহারের নিয়ম কি?

    উঃ প্রতি ৮৫০ বর্গ মিটারের জন্য ১ টি।
     

    ৩১. ফায়ার এলার্ম সিস্টেম কি?

    উঃ অগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে নিরাপদে বেরিয়ে আসার জন্য যে সতর্কতা সংকেত দেয়া হয় তাকে ফায়ার এলার্ম সিস্টেম বা অগ্নি হুশিয়ারী সংকেত ব্যবস্থা বলে।
     

    ৩২. এলার্ম সিস্টেম কত প্রকার?

    উঃ এলার্ম সিস্টেম দুই প্রকার। যথাঃ ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক।
     

    ৩৩. ফায়ার ডিটেক্টর কাকে বলে?

    উঃ কোথাও অগ্নিকান্ডের মত দূর্ঘটনা সংগঠিত হওয়ার সাথে সাথে যে সেন্সর স্বয়ংক্রিয় ভাবে আগুন নির্ণয় করে ও এলার্ম দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দেয় তাকে ডিটেক্টর বলে।

     

    ৩৪. কেন ফায়ার এলার্ম সিস্টেম এবং ফায়ার ডিটেক্টর সিস্টেম প্রয়োজন?

    উঃ নিরাপত্তার জন্য।

     

    ৩৫. ম্যানুয়াল ফায়ার এলার্ম সিস্টেম স্থাপনের নিয়ম কি?

    উঃ ফ্লোর লেভেল থেকে ৪৮ ইঞ্চির উপরে নয় ও ৪২ ইঞ্চির নিচে নয়। এক্সিজ ডোরের ৫ মিটারের মধ্যে স্থাপন করতে হবে।

     

    ৩৬. দুটি ম্যানুয়াল ফায়ার এলার্ম বক্সের মধ্যে দূরত্ব কেমন হবে?

    উঃ ২০০ ফুটের কম হবে।
     

    ৩৭. ফায়ার স্মোক ডিটেক্টর স্থাপনের নিয়ম কি?

    উঃ সিলিং এ ব্যবহার করতে হবে। সিলিং এ ব্যবহার করা সম্ভব না হলে সিলিং থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে দেয়ালে স্থাপন করতে হবে।
     

    ৩৮. কত দিন পরপর স্মোক ডিটেক্টর চেক করতে হবে?

    উঃ স্থাপন করার ১ বছর পরপর।
     

    ৩৯. এলার্ম সিস্টেমের মাইক গুলো কত উচ্চতায় লাগাতে হবে?

    উঃ ফ্লোর লেভেল থেকে ৯০ ইঞ্চির উপরে ও ছাদ থেকে ৬ ইঞ্চির নিচে।

     

    ৪০. ভবনে সিঁড়ির প্রস্থ এবং উচ্চতা কেমন হবে?

    উঃ ছয় তলা পর্যন্ত প্রস্থে ১.১৫ মিটার ও উচ্চতা ২ মিটারের কম হতে পারবে না।
     

    ৪১. সিঁড়ির অবস্থান কেমন হবে?

    উঃ বহির্গমন পথ বা সিঁড়ি কোন ব্যক্তির স্থায়ী অবস্থান বা কাজের স্থান হতে ৫০ মিটারের কম হতে হবে।
     

    ৪২. কতগুলো সিঁড়ি প্রয়োজন?

    উঃ কতগুলো সিঁড়ি প্রয়োজন তা নির্ভর করে মোট ব্যবহারকারী উপর। কোন প্রতিষ্ঠান বা কারখানা ক্ষেত্রে মোট লোক সংখ্যা ৫০০ বা তার কম হলে ২টি, ৫০১ থেকে ১০০০ হলে ৩টি এবং ১০০০ এর অধিক হলে নূন্যতম ৪টি সিঁড়ি রাখতে হবে।
     

    ৪৩. সিঁড়ির কৌনিক দূরত্ব কত হবে?

    উঃ সিঁড়ির সমতল হতে ৪৫ ডিগ্রী কোণের অধিক হতে পারবে না।
     

    ৪৪. কতগুলো সিঁড়ি বহির্মুখী হবে?

    উঃ নূন্যতম অর্ধেক সংখ্যক সিঁড়ি।
     

    ৪৫. আইলস মার্কিং এর প্রস্থ কত হবে?

    উঃ ৫০ জন এর কম ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ০.৯ মিটার ও ৫০ জন এর বেশী ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে ১.০ মিটার।
     

    ৪৬. কোথায় কেমন ফায়ার ডোর প্রয়োজন?

    উঃ জেনারেটর রুমের জন্য ২ ঘন্টা, ট্রান্সফর্মার রুমের জন্য ২ ঘন্টা, গুদাম বা সংরক্ষণাগারের জন্য ৪৫ মিনিট, চারতলা বা তার অধিক উচ্চতার ভবনের জন্য ১ ঘন্টা এবং পাঁচতলা বা তার অধিক উচ্চতার ভবনের জন্য ২ ঘন্টা।

     

    ৪৭. ফায়ার ডোর কি কি উপাদান দিয়ে তৈরি হয়?

    উঃ কাঁচ, ষ্টিল, এলুমিনিয়াম, জিপসাম, কাঠ ও ভারমিকুলাইড বোর্ড।

     

    ৪৮। ফায়ার ডোর কত প্রকার ও কি কি?

    উঃ ফায়ার ডোর তিন প্রকার। যথাঃ রোলিং ষ্ট্রীল, সুইংগিং এবং ডাবল ফায়ার ডোর।
     

    ৪৯. দরজা খোলার বিষয়ে নির্দেশিকা কি?

    উঃ স্লাইডীং দরজা ছাড়া বাকি সকল দরজা বাহির দিকে খোলা যায় এমন হতে হবে।
     

    ৫০. দরজায় তালা দেয়া যাবে?

    উঃ ভেতরে কেউ থাকলে বা কাজ চলা কালীন সময়ে দরজায় তালা দেয়া যাবে না।
     

    ৫১. বহনযোগ্য অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র কত প্রকার ও কি কি?

    উঃ চার প্রকার। যথাঃ ১. ডি.সি.পি (ড্রাই ক্যামিকেল পাউডার), ২. সি.ও.টু (কার্বন-ডাই-অক্সাইড), ৩. ফোম টাইপ, এবং ৪. ওয়াটার টাইপ।

     

    ৫২. ফায়ার এক্সটিংগুইসার প্রয়োগের সময় কতটুকু দূরত্ব বজায় রাখতে হবে?

    উঃ আগুনের উৎপত্তিস্থলের সর্বোচ্চ ২ মিটার দূরে থাকতে হবে।
     

    ৫৩. সিলিন্ডারের গায়ের রং দেখে এক্সটিংগুইসার চেনার উপায় কি?

    উঃ পাউডার টাইপ এক্সটিংগুইসার নীল রঙের, কার্বন-ডাই-অক্সাইড কালো রঙের, ফোম টাইপ হলো ক্রীম কালার এবং ওয়াটার টাইপ হচ্ছে লাল রঙের।
     

    ৫৪. হোজ রীল পাইপ কি?

    উঃ হোজ রীল একটি অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। এটি প্রতিটি ফ্লোরের উভয় পার্শ্বে সিঁড়ির কাছাকাছি স্থানে স্থাপন করা হয়। এর দৈর্ঘ্য ৩০ মিটার থেকে ১০০ ফুট হবে।
     

    ৫৫. রাইজিং কি?

    উঃ রাইজিং হলো কোন উঁচু ভবনে খাড়াভাবে স্থায়ী পাইপ স্থাপন করে প্রতিতলায় একটি করে পানি সরবরাহের জন্য হোজ সংযোগ ব্যবস্থা রাখা ও পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নীচ তলায় বুষ্টার পাম্প বা ফায়ার পাম্প স্থাপন করা।
     

    ৫৬. ফায়ার হুক কি?

    উঃ ফায়ার হুক কাঠ ও ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি। আগুনের সূচনালগ্নে আগুনের পাশের দাহ্যবস্তুকে এর সাহায্যে সরিয়ে বা সীমিতকরণ করে আগুন নিয়ন্ত্রন করা হয়।
     

    ৫৭. লক কাটার কি?

    উঃ লক কাটার ব্যবহার করা হয় জরুরী প্রয়োজনে তালাবদ্ধ দরজার তালা বা মেটাল গ্রীল কাটার জন্য।
     

    ৫৮. এক্সিট ডোরের পরিমাপ কেমন হবে?

    উঃ প্রস্থ ১ মিটার ও উচ্চতা ২ মিটারের কম হতে পারবে না।

     

    ৫৯. ফায়ার লিফটের ধারন ক্ষমতা কত হবে?

    উঃ নূন্যতম ৮ জন ধারণক্ষমতার হতে হবে।
     

    ৬০. ভবনের ছাদের সুরক্ষা প্রাচীর কেমন হবে?

    উঃ নূন্যতম ১০৬৭ মিলিমিটার (৪২ ইঞ্চি) উচ্চতা সম্পন্ন গার্ড নির্মাণ করতে হবে।
     

    ৬১. ওয়েল্ডিং এবং কাটিং এর সময় দাহ্য বস্তুকে কতটুকু দূরত্বে রাখতে হবে?

    উঃ এ সময় সম্ভাব্য দাহ্য বস্তুকে ৩৫ ফুট বা ১১ মিটার দূরে রাখতে হবে।
     

    ৬২. ফায়ার বিটার কি?

    উঃ যে যন্ত্র দ্বারা বিট বা প্রহার করে আগুন নির্বাপন করা হয় তাকে ফায়ার বিটার বলে।

     

    ৬৩. রাসায়নিক দ্রব্য মানবদেহে প্রবেশের মাধ্যম কয়টি ও কি কি?

    উঃ তিন টি। যথাঃ ১. নিঃশ্বাস, ২. গলধঃকরন ও ৩. ত্বকের সংস্পর্শ।

     

    ৬৪. পি.পি.ই. কি?

    উঃ পিপিই হলো পার্সোনাল প্রক্টেটিভ ইক্যুইপমেন্ট অর্থাৎ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম।

     

    ৬৫. ক্যামিকেলের পিপিই গুলো কি কি?

    উঃ মাস্ক, চশমা, হ্যান্ডগ্লবস, গামবুট ও ক্যামিকেল প্রতিরোধক পোশাক।

     

    ৬৬. পিপিই কেন জরুরী?

    উঃ যে কোন দূর্ঘটনা থেকে নিজের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য।
     

    ৬৭. কোথাও অগ্নিকান্ড সংগটিত হলে সর্বপ্রথম করনীয় কি?

    উঃ বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করতে হবে।
     

    ৬৮. পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার ও এক্সটিংগুইসিং বল এ দুটির মধ্যে সহজ ও সুবিধাজনক কোনটি?

    উঃ এক্সটিংগুইসিং বল।
     

    ৬৯. কেন এক্সটিংগুইসিং বল সহজ ও সুবিধা জনক?

    উঃ কারণ এ বল ব্যবহারে জন্য কোন অভিজ্ঞতা, কার উপস্থিতি ও রক্ষনাবেক্ষণের দরকার নেই।
     

    ৭০. শরীরে আগুন লাগলে কি করতে হবে?

    উঃ মুখমন্ডলে উপর দু হাত রেখে দ্রুত মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দিতে হবে।
     

    ৭১. ধোঁয়াচ্ছন্ন হলে বা ধোঁয়ার মধ্যে আটকা পরলে করনীয় কি?

    উঃ গ্যস মাস্ক বা ভেজা কোন কাপরের টুকরা দিয়ে নাক ও মুখ বেঁধে বা চেপে রাখতে হবে।

     

    ৭২. ভবনের ধ্বংসাবশেষ বা ভারী কোন বস্তু নিচে আটকা পড়লে করনীয় কি?

    উঃ চিৎকার করে বা অযথা নড়াচড়া করে শরীরের শক্তি শেষ করা যাবে না। কারও সাহায্য পেতে দেয়াল বা মেঝেতে শক্ত কিছুদিয়ে জোড়ে জোড়ে আঘাত করতে হবে।
     

    ৭৩. শরীরে ক্যামিকেল লাগলে কি করতে হবে?

    উঃ পরিহিত পোশাক আংটি, ঘড়ি, বেল্ট , চুড়ি ইত্যাদি সাথে সাথে খুলে ফেলতে হবে। শরীরের আক্রান্ত স্থান প্রচুর পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

     

    ৭৪. ক্যামিকেল চোখের সংস্পর্শে আসলে করনীয় কি?

    উঃ আক্রান্ত চোখের পাতা খোলা রেখে চোখে প্রচুর পানি দিয়ে ভালো করে ধুতে হবে এবং ডাক্তারের নিকট যেতে হবে।

     

    ৭৫. ক্যামিকেল নিঃশ্বাসের সাথে ও মুখে প্রবেশ করলে করনীয় কি?

    উঃ নিঃশ্বাসের সাথে প্রবেশ করলে দ্রুত মুক্ত বাসাতের নিকট যেতে হবে এবং উভয়ক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
     

    ৭৬. হঠাৎ ভূমিকম্প অনুভূত হলে তাৎক্ষণিক কি করনীয়?

    উঃ ঘড়ে থাকলে মাথায় হাত, বালিশ, কূশন বা অন্যকিছু রেখে দ্রুত শক্ত খাট, টেবিলের নিচে অথবা কলাম বা বীমের পাশে আশ্রর নিতে হবে। বাহিরে থাকলে খোলা জায়গায় নিরাপদে অবস্থান করতে হবে।
     

    ৭৭. ফায়ার ড্রিল বা অগ্নি মহড়া কি?

    উঃ অগ্নিকান্ড বা যেকোন জরুরী অবস্থায় ভবন হতে নিরাপদে বের হবার জন্য যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয় তার প্রক্রিয়াকে ফায়ার ড্রিল বা অগ্নি মহড়া বলে।
     

    ৭৮. অগ্নি মহড়া কোথায় কোথায় প্রয়োজন?

    উঃ বহুতল ভবন, কাজের স্থান, বিদ্যালয় এমনকি বাড়িতেও অগ্নি মহড়ার প্রয়োজন।

     

    ৭৯. অগ্নি মহড়ার মূল উদ্দ্যেশ্য কি?

    উঃ জীবন ও সম্পদ রক্ষাসহ ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা।
     

    ৮০. অগ্নি মহড়া কত প্রকার ও কি কি?

    উঃ দুই প্রকার। যথাঃ ১. ঘোষনার মাধ্যমে এবং ২. ঘোষনা বিহীন।

     

    ৮১. কত দিন পরপর অগ্নি মহড়া করতে হবে?

    উঃ অগ্নি মহড়া প্রয়োজন অনুসারে যেকোন সময় করা যেতে পারে। তবে প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর একবার অনুশীলন করা সবচেয়ে উত্তম।
     

    ৮২. কোন প্রতিষ্ঠান বা কারখানার ক্ষেত্রে অগ্নি মহড়ার বিধান কি?

    উঃ প্রথম দুই বছরের জন্য প্রতি বছর ৪বার ও দুই বছর পর থেকে প্রতি বছর ২বার করে অগ্নি মহড়ার আয়োজন করতে হবে।

     

    ৮৩. প্রাথমিক চিকিৎসা কি?

    উঃ ডাক্তার আসার পূর্বে হাতের নিকট যে সকল উপকরন পাওয়া যায় তা দিয়ে রোগীকে সেবা দেয়ার নাম প্রাথমিক চিকিৎসা।
     

    ৮৪. প্রাথমিক চিকিৎসা কেন দরকার?

    উঃ প্রাথমিক চিকিৎসার ফলে অনেক সময় রোগী নিশ্চিত মৃত্যু ও পঙ্গুত্ববরণ থেকে বেঁচে যায়। আবার অনেক সময় শুধু প্রাথমিক চিকিৎসার ফলেই রোগী সেরে উঠে।
     

    ৮৫. আগুনে পোড়া রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা পদ্ধতি কেমন?

    উঃ ক্ষতস্থানে প্রচুর পরিমান ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে বা ক্ষতস্থান ঠান্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত গরম ভাব ও জ্বালা যন্ত্রনা না কমে। পরবর্তীতে ডার্মাজিন মলম বা বার্ণ অয়েনমেন্ট লাগাতে হবে। জীবানুমুক্ত ব্যান্ডেজ দ্বারা ক্ষতস্থান হালকা করে বেঁধে রাখতে হবে।
     

    ৮৬. ধোঁয়া আক্রান্ত রোগীর প্রাথমিক চিকিৎসা কি?

    উঃ দ্রুত কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    ৮৭. এসিডে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক চিকিৎসা কি?

    উঃ আক্রান্ত স্থানের কাপড় সড়িয়ে বা খুলে প্রচুর পরিমাণে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে। কোন প্রকার ঔষধ লাগানো যাবে না।
     

    ৮৮. হাড় ভাঙ্গার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা কি?

    উঃ ভাঙ্গাস্থান সম্ভব হলে সাথে সাথে সোজা করে দিতে হবে এবং রক্তপাত হলে তা বন্ধ করতে হবে। ঘটনাস্থলেই রোগীর ভাঙ্গাস্থানে হালকা ব্যান্ডেজ করে দ্রুত হাসপাতালে প্রেরণ করতে হবে।

     

    ৮৯. বিদ্যুতায়িত হলে সে ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসা কেমন?

    উঃ বিদ্যুৎ অপরিবাহী কোন বস্তু দিয়ে রোগীকে বিচ্ছিন্ন করার পর সমস্ত শরীর ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যা হলে মুখে মুখ লাগিয়ে বা কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

     

    ৯০. ডুবে যাওয়া ব্যক্তির প্রাথমিক চিকিৎসা ব্যবস্থা কি?

    উঃ প্রথমেই পরীক্ষা করে দেখতে হবে শ্বাস-প্রশ্বাস চালু আছে কিনা। চালু না থাকলে নাক বন্ধ করে মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস দিতে হবে। কাজ না হলে দুহাত বুকের উপড়ে রেখে চাপ দিতে হবে ও কিছু সময় পরপর মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস দিতে হবে রোগীর পালস না পাওয়া পর্যন্ত। এ প্রক্রিয়ায় কাজ না হলে রোগীকে উপুড় করে শুইয়ে পেট ধরে উঁচু করে পিঠে আস্তে আস্তে চাপড় দিতে হবে।

     

    ৯১. পাঁচ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় আগুন লাগলে সে ক্ষেত্রে উদ্ধার প্রক্রিয়া বা ইভাকুয়েশন পদ্ধতি কেমন?

    উঃ সর্বপ্রথম তৃতীয় তলার লোকদের বের করতে হবে। তারপর চতুর্থ, পঞ্চম তলা ও সবশেষে দ্বিতীয় ও প্রথম তলার লোকদের নামিয়ে আনতে হবে।

     

    ৯২. কেন্দ্রীয় ফায়ার সার্ভিসে নাম্বার কত?

    উঃ ফোন নং- ৯৫৫৫৫৫৫
     

    ৯৩. জরুরী সেবা পেতে কোথায় ফোন করবো?

    উঃ ন্যাশনাল ইমারজেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ তে ফোন করুন।

     

    ৯৪. দূর্যোগের আগাম বার্তা পেতে কোন নাম্বারে ফোন করবো?

    উঃ ফোন নং- ১০৯০
     

    ৯৫. ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ধারনের যন্ত্রের নাম কি?

    উঃ তীবতা মাপার যন্ত্রের নাম – রিখটার স্কেল ও মোমেন্ট ম্যাগনিটিউড স্কেল এবং প্রচন্ডতা মাপার যন্ত্রের নাম – মার্কারি স্কেল ও রসি-ফরেল স্কেল।
     

    ৯৬. আবহাওয়া সতর্ক সংকেত কি ও কয়টি?

    উঃ আকষ্মিক কোন দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে ও নিরাপদ থাকতে আবহাওয়া সতর্ক সংকেত প্রদান করা হয়। এ সতর্ক সংকেত মোট ১১ টি।

     

    ৯৭. সতর্ক সংকেত নাম্বার গুলোর মানে কি?

    উঃ ১-দূরবর্তী সতর্ক সংকেত, ২-দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত, ৩-স্থানীয় সতর্ক সংকেত, ৪-স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত, ৫-বিপদ সংকেত, ৬-বিপদ সংকেত, ৭-বিপদ সংকেত, ৮-মহা বিপদ সংকেত, ৯-মহা বিপদ সংকেত, ১০-মহা বিপদ সংকেত এবং ১১-যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সংকেত।
     

    ৯৮. বাংলাদেশে বেশি অগ্নিকান্ড সংগঠিত হবার কারন কি?

    উঃ বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট ও বিস্ফোরণ।
     

    ৯৯. বাংলাদেশে চিহ্নিত প্রধান প্রধান ভয়াবহ দুর্যোগগুলি কি কি?

    উঃ আগুন, ভবনধ্বস, বন্যা ও ভূমিকম্প।
     

    ১০০. বিভিন্ন দুর্যোগ ও দূঘর্টনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কারা?

    উঃ শিশু, বয়ষ্ক ব্যক্তি, নারী ও স্বল্প আয়ের মানুষ।
  • পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার – প্রয়োজনীয় বিধিমালা ২০২৬

    পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার – প্রয়োজনীয় বিধিমালা ২০২৬

    পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার – প্রয়োজনীয় বিধিমালা ২০২৬! বর্তমান সময়ের বহুতল ভবন, অফিস, শিল্পকারখানা ও জনসমাগমস্থলে অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার বা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পোর্টেবল এক্সটিংগুইসার যেমন সহজে ব্যবহারযোগ্য, তেমনি অটোমেটিক সিস্টেম আগুন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেভানোর সক্ষমতা রাখে। ২০২৬ সালের জন্য নতুন করে প্রণয়ন করা হচ্ছে অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধি ও নির্দেশিকা, যাতে ভবন মালিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো বাধ্যতামূলকভাবে এসব যন্ত্র স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। এই লেখায় আমরা বিস্তারিত জানব ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিধিমালা ও বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা সম্পর্কে।

    পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার – Portable Fire Extinguisher

    সহজে বহনযোগ্য যে যন্ত্রের মাধ্যমে আগুন নির্বাপন করা হয় তাকে সহজে বহনযোগ্য বা পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার বলে।
     
    অগ্নি কান্ডের সূচনালগ্নে এটি ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রন করা হয়। এটি ব্যবহার করে অক্সিজেন সরবরাহে বাঁধা প্রদান করে, পানি ছিটিয়ে, দাহ্যবস্তুকে অপসারন করে, দাহ্যবস্তুর তাপমাত্রা কমিয়ে আগুন নেভানো হয়।
     
     

    এক্সটিংগুইসারের প্রকারভেদ – Types of Extinguishers

    বিভিন্ন প্রকার আগুনে বিভিন্ন রকমের এক্সটিংগুইসার ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত নির্ভর করে আগুনের ধরনের উপর।
     
    পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার কে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
    ১. ডিসিপি (Dry Chemical Powder-DCP)
    ২. সিওটু (CO2)
    ৩. ফোম টাইপ (Foam Type)
    ৪. ওয়াটার টাইপ (Water Type)
     
     

    ডিসিপি

    এ ধরনের এক্সটিংগুইসার ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক আগুন, গ্যাসের আগুন, কঠিন পর্দাথের আগুনসহ আরো বেশকিছু আগুন নেভানো যায়। বহু জাতীয় আগুন নিভানো যায় বলে একে মাল্টিপারপাস অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রও বলা হয়ে থাকে। পাউডারের কার্যপ্রনালীর উপর ভিত্তি করে একে আবার তিন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।
     
    এবিসি টাইপ (ABC type): এর মূল দুটি ক্যামিক্যাল হলো অ্যামোনিয়াম সালফেট ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট।
     
    বিসি টাইপ (BC type): এ ধরনের ফায়ার এক্সটিংগুইসারে সোডিয়াম বাই কার্বনেট বা পটাসিয়াম ক্লোরাইড ব্যবহার করা হয়। এ ছাড়াও মনোক্স নামক এক প্রকার ক্যামিক্যাল ব্যবহার করা হয় যা খুবই কার্যকরি।
     
    ডি টাইপ (D type): এ জাতীয় এক্সটিংগুইসার সাধারনত ধাতব আগুনে ব্যবহার করা হয়। এতে রয়েছে সোডিয়াম ক্লোরাইড, ব্যারিয়াম ও পটাসিয়াম।
     
     

    সিওটু

    বৈদ্যুতিক আগুন নিভানোর কাজে এই এক্সটিংগুইসার ব্যবহার হয়। এটি আগুনের উপরে তুষারের সৃষ্টি করে আগুনে অক্সিজেনের প্রবেশকে বাঁধা দান করে আগুন নির্বাপন করে।
     
     

    ফোম টাইপ

    তরল পদার্থের আগুন নেভানোর জন্য ফোম টাইপ ফায়ার এক্সটিংগুইসার ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ফোম টাইপ ফায়ার এক্সটিংগুইসার দুই ধরনের। গ্যাস কার্টিস টাইপ ও প্রেসার টাইপ।
     
     

    ওয়াটার টাইপ

    যে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে পানি নিক্ষেপ করে আগুন নির্বাপন করা হয় তাকে ওয়াটার টাইপ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র বলে। এ এক্সটিংগুইসার দুই ধরনেরঃ কার্টিস টাইপ ও প্রেসার টাইপ। কার্টিজে পানির সাথে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস ও প্রেসার টাইপে পানির সাথে নাইট্রোজেন গ্যাস ভরা থাকে।
     
     

    পোর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইসার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় বিধিমালা – Rules of Fire Extinguisher

    ● ভবনের অগ্নি ঝুকিপূর্ণ এরিয়ায় স্থাপন করতে হবে,
    ● সম্ভব হলে প্রত্যেক ফ্লোরের একই স্থানে স্থাপন করতে হবে,
    ● এমন স্থানে স্থাপন করতে হবে যেখান থেকে সকলে দেখতে পায়,
    ● প্রত্যেক ফ্লোরের বর্হিগমন পথ বা সিঁড়ির ভূসংযোগস্থলের নিকটবর্তী স্থানে স্থাপন করতে হবে এবং সে স্থানে যেন সহজে পেবেশ করা যায়,
    ● প্রতি ৯০ বর্গ মিটারের জন্য ১ টি ফায়ার এক্সটিংগুইসার লাগবে,
    ● ফায়ার এক্সটিংগুইসারের তলদেশ গ্রাউন্ড লেভেল থেকে ১ মিটার উপরে হতে হবে,
    ● একটি এক্সটিংগুইসার থেকে আরেকটি এক্সটিংগুইসার ৩০ মিটার (১০০ ফুট) এর অধিক দূরত্বে থাকবে না।
     

     

    অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসিং বল – Automatic Fire Extinguishing Ball

    ফায়ার এক্সটিংগুইসার বল হলো স্বয়ংক্রিয়, বহনযোগ্য, হালকা ও নিরাপদ অগ্নি নির্বাপক বল। এটি একটি বল আকৃতির অগ্নি নির্বাপক, বর্তমানে এটি খুবই জনপ্রিয়।
     
    এর জনপ্রিয়তার মূল কারন হচ্ছে এটি পরিচালনার জন্য কোন প্রশিক্ষণ, দক্ষতা এমনকি কোন লোকের প্রয়োজন পরে না। যখন কোথাও আগুন লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ডের মধ্যে এটি সক্রিয় হয়ে আগুন নিভাতে সক্ষম।
     
    অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসিং বল ব্যবহারের সুবিধা সমূহ – Benefit to using automatic fire extinguisher balls
    ফায়ার এক্সটিংগুইসার বল একটি অসাধারণ বল যা আগুনের বিপদের মুখোমুখি না হয়ে, উপস্থিত না থেকে আগুন নেভানো যায়। যে কোউ এটি ব্যবহার করতে পারে এবং সকল জায়াগায় ব্যবহার করা যায়।
     

    এর সুবিধা সমূহ নিন্মরূপঃ

    • আগুনে নিক্ষেপের ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কাজ সক্রিয় হয়ে আগুন নিভাতে সক্ষম,
    • তাপ সেন্সিং এর মাধ্যমে অটোমেটিক কাজ করে,
    • বৈদ্যুতিক সার্কিট ব্রেকার, রান্নঘর সহ সকল অগ্নি প্রবণ স্থানে ব্যবহার করা যায়,
    • মহিলা, বয়স্ক লোক এমনকি শিশুরাও এটি ব্যবহার করতে পারবে,
    • এটির ওজন ১.৫ কেজির চেয়েও কম,
    • কোন রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন নেই,
    • আগুনের নিকটে যাওয়ার প্রয়োজন পরে না,
    • মানুষ ও পরিবেশের কোন ক্ষতি করে না,
    • ১৪০ ডিবির চেয়ে কম উচ্চতায় আগুনের আলার্ম দিয়ে থাকে,
    • প্রয়োজন অনুসারে সকল স্থানে ব্যবহার করা যায়,
    • বিশেষ প্রশিক্ষণ বা দক্ষতার দরকার নেই ইত্যাদি।

    অগ্নি নিরাপত্তা শুধু আইন বা নিয়মের বিষয় নয়, এটি প্রত্যেকের সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের অংশ। সময়মতো সঠিক ধরনের পোর্টেবল ও অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ একটি অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারে। ২০২৬ সালের নতুন বিধিমালা ভবন, অফিস ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও বাধ্যতামূলক করবে। তাই এখন থেকেই যথাযথ পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। মনে রাখতে হবে, সচেতনতা ও প্রস্তুতিই আগুনের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।

  • অগ্নি নির্বাপণের বহুল আলোচিত কার্যকর ৪টি পদ্ধতি

    অগ্নি নির্বাপণের বহুল আলোচিত কার্যকর ৪টি পদ্ধতি

    অগ্নি নির্বাপকের পদ্ধতি জানার আগে আমাদের দাহ্য বস্তু সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা থাকতে হবে। সংক্ষেপে জেনে নেই দাহ্য বস্তু ও তার প্রকারবেদ সমূহ। অগ্নি নির্বাপন বা আগুন নেভানোর কৌশল মানব সভ্যতার নিরাপত্তা ব্যবস্থার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগুন যেকোনো সময়, যেকোনো স্থানে ঘটতে পারে—বাড়ি, অফিস, শিল্প কারখানা কিংবা জনসমাগমস্থল—আর তাই আগুন নিয়ন্ত্রণ ও নেভানোর কার্যকর পদ্ধতি জানা সবার জন্যই জরুরি।
    অগ্নি নির্বাপণের বহুল আলোচিত কার্যকর ৪টি পদ্ধতি
    আগুন নেভানোর জন্য বৈজ্ঞানিকভাবে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে চারটি পদ্ধতি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও কার্যকর হিসেবে স্বীকৃত। এই পদ্ধতিগুলো আগুনের জ্বালানি, তাপ ও অক্সিজেন—এই তিনটি মূল উপাদানের এক বা একাধিকটিকে নিয়ন্ত্রণ করে আগুন নিভিয়ে ফেলে। অগ্নি নির্বাপণের এই কৌশলগুলো শুধু ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের জন্য নয়, সাধারণ মানুষের জন্যও জানা প্রয়োজন, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক পদক্ষেপ অনেক বড় দুর্ঘটনা এড়াতে পারে। এই লেখায় আমরা সংক্ষেপে আলোচনা করব অগ্নি নির্বাপণের বহুল আলোচিত ও কার্যকর ৪টি পদ্ধতি নিয়ে, যা যেকোনো অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিক প্রতিরোধ হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে।
     

     

    দাহ্য বস্তু কি? – What is Combustible Material?

    সংক্ষেপে যা দ্বারা প্রজ্জ্বলন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয় তাকেই দাহ্য বস্তু বলে। যেমনঃ চেয়ার, টেবিল, সুতা, কাপড়, পাট, লোহা, পিতল, কেরোসিন, কেমিক্যাল, মানুষ ইত্যাদি।
     
     

    দাহ্য বস্তু কত প্রকার ও কি কি? – Types of Combustible Materials

    ঘনত্ব ও প্রজ্জ্বলনতার উপর ভিত্তি করে দাহ্য বস্তু কে তিন শ্রেনীতে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
    ১. সহজ দাহ্য বস্তু (Tinder Fuel),
    ২. মাঝারি ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু (Kindling Fuel),
    ৩. অধিক ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু (Bulk Fuel)।
     
     

    ১. সহজ দাহ্য বস্তু

    যে সকল পদার্থ খুব সহজেই জ্বলে উঠে তাকে সহজ দাহ্য বস্তু বলে। যেমনঃ ক্রুড পেট্রোলয়াম অয়েল। সাধারণত ৭৩ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় এ সকল পদার্থ খুব সহজেই জ্বলে উঠে।
     
     

    ২. মাঝারি ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু

    সহজ দাহ্য বস্তু অপেক্ষা এ জাতীয় দাহ্য বস্তুর ঘনত্ব বেশি তাই এ ধরনের দাহ্য বস্তুকে মাঝারি ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু বলে। যেমনঃ হোয়াইট স্পিরিট। ৭৩ থেকে ১৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট তাপমাত্রায় এ সকল পদার্থ জ্বলে উঠে।
     
     

    ৩. অধিক ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু

    মাঝারি ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু অপেক্ষা এ জাতীয় দাহ্য বস্তুর ঘনত্ব বেশি তাই এ ধরনের দাহ্য বস্তুকে অধিক ঘনত্ব বিশিষ্ট দাহ্য বস্তু বলে। যেমনঃ সুতা, কাপড়, তুলা, কাঠ ইত্যাদি। ১৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইটের অধিক তাপমাত্রায় এ সকল পদার্থ জ্বলে উঠে।
     
     

    অগ্নি নির্বাপণের বহুল আলোচিত কার্যকর ৪টি পদ্ধতি [The Effective Four Methods of the Fire Extinguishers]

    আগুন নেভানোর বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। তবে তা নির্বর করে আগুনের আকার,পরিবেশ,প্রকৃতির উপর। এ সকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে অগ্নি নির্বাপক পদ্ধতি কে চারভাগে ভাগ করা যায়, যা বহুল আলোচিত ও কার্যকর। যথাঃ
    ১. তাপ সীমিতকরণ পদ্ধতি (Cooling Method),
    ২. দাহ্যবস্তু সীমিতকরণ পদ্ধতি (Starvation Method),
    ৩. অক্সিজেন সীমিতকরণ পদ্ধতি (Smothering Method),
    ৪. অবিচ্ছিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার বাধাদান পদ্ধতি (Poisoning The Flame Method)।
     
     
    নিচে এ চারটি পদ্ধতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো।

    ১. তাপ সীমিতকরণ পদ্ধতি

    যে হারে তাপের উৎপত্তি হয় তার চেয়ে অধিক হারে তাপ সীমিত করে আগুন নেভানোর প্রক্রিয়া কে তাপ সীমিতকরণ পদ্ধতি বলে। যেমনঃ জ্বলন্ত দাহ্য বস্তুতে পানি দিয়ে তাপ সীমিত করে অথবা তার পার্শ্ববর্তী দাহ্য বস্তুতে পানি দিয়ে ঠান্ডা করার মাধ্যমে অগ্নি প্রজ্জ্বলনকে বাঁধা দিয়ে আগুন নিভানো।
     

     

    ২. দাহ্যবস্তু সীমিতকরণ পদ্ধতি

    এ প্রক্রিয়ায় আগুনের নিকটের দাহ্য বস্তু সরিয়ে বা জ্বলন্ত বস্তুকে ছোট ছোট আগুনে ভাগ করে আগুন নির্বাপন করা হয়। জ্বলন্ত দাহ্য বস্তুকে সরিয়ে বা ছোট ছোট আগুনে পরিনত করে আগুন নিভানো হয় বলে এ পদ্ধতিকে দাহ্যবস্তু সীমিতকরণ পদ্ধতি বলে।
     

     

    ৩. অক্সিজেন সীমিতকরণ পদ্ধতি

    প্রজ্জ্বলিত দাহ্য বস্তুর বা পার্শ্ববর্তী স্থান থেকে অক্সিজেন কমিয়ে অথবা অক্সিজেন প্রবেশে বাঁধা প্রদানের মাধ্যমে আগুন নিভানো হয়। আগুন নিভানোর এ প্রক্রিয়া কে অক্সিজেন সীমিতকরণ পদ্ধতি বলে। যেমনঃ আগুনের উপর কিছুদিয়ে ঢেকে আগুন নিভানো যায় বা তেল বা কেমিক্যালের আগনে ফোম ব্যবহার করলে আগুনে অক্সিজেনের প্রবেশ বন্ধ হয়, যার ফলে সহজেই আগুন নেভানো যায়।
     
     

    ৪. অবিচ্ছিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার বাধাদান পদ্ধতি

    জ্বলন্ত আগুনে ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার নিক্ষেপ করলে পাউডারের কণা জ্বলন্ত দাহ্য বস্তুত অনুতে প্রবেশ করে অনুর কম্পনকে বাঁধা দানের মাধ্যমে রাসায়নিক বিক্রিয়ার অবিছিন্ন যোগসূত্রকে বিছিন্ন করে। এর ফলে আগুন নিভে যায়। আগুন নিভানোর উক্ত পদ্ধতি কে অবিচ্ছিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার বাধাদান পদ্ধতি বলে।

    আগুন নেভানোর যন্ত্রের নাম কি?

    আগুন নেভানোর যন্ত্রের নাম হলো “অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র” (Fire Extinguisher)। এটি একটি পোর্টেবল বা বহনযোগ্য যন্ত্র, যার মাধ্যমে আগুনের প্রাথমিক পর্যায়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও নিভিয়ে ফেলা সম্ভব।

    অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের কয়েকটি সাধারণ ধরনঃ

    1. CO₂ (কার্বন ডাই-অক্সাইড) অগ্নি নির্বাপক → বৈদ্যুতিক আগুন ও দাহ্য তরলে কার্যকর।

    2. ড্রাই কেমিক্যাল পাউডার (DCP) অগ্নি নির্বাপক → বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য, প্রায় সব ধরনের আগুনে কার্যকর।

    3. ফোম অগ্নি নির্বাপক → দাহ্য তরল (যেমন তেল) থেকে সৃষ্ট আগুনে ব্যবহৃত হয়।

    4. ওয়াটার বেসড অগ্নি নির্বাপক → কাঠ, কাগজ, কাপড় ইত্যাদির আগুনে কার্যকর।

    সাধারণত অফিস, বিদ্যালয়, হাসপাতাল, বাসা-বাড়ি ও শিল্প কারখানায় এই অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র স্থাপন করা হয় প্রাথমিক প্রতিরোধ ও নিরাপত্তার জন্য।

     
    উপরোক্ত ৪টি পদ্ধতি ছাড়াও বর্তমান সময়ে যে সকল পদ্ধতি ও অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন নিভানো হয় সেগুলো হলঃ

    অগ্নি নিরাপত্তা

    ফায়ার সাপ্রেশন মেনুয়্যাল ফায়ার বাকেট
    ফায়ার ব্ল্যাঙ্ককেট
    বহনযোগ্য ফায়ার এক্সটিংগুইসার
    অটোমেটিক গ্যাসাস ফায়ার
    এরোসল ফায়ার সাপ্রেশন
    অটোমেটিক ফায়ার এক্সটিংগুইসিং বল
    ডিটেকশন হিট ডিটেকটর
    স্মোক ডিটেকটর
    ফ্লেম ডিটেকটর
    নটিফিকেশন ফায়ার এলার্ম
    কন্ট্রোল প্যানেল
    স্মোক ডিটেকটর
    স্টেশন কল পয়েন্ট
    নটিফিকেশন এয়াপ্লাইন
  • বহির্গমন পথ কি? বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ ও বহির্গমন সংকেত

    বহির্গমন পথ কি? বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ ও বহির্গমন সংকেত

    বহির্গমন পথ কি? – What is The Way Out?

    যেকোন জরুরী অবস্থায় ভবন থেকে নিরাপদে বের হতে যে রাস্তা বা পথ ব্যবহার করা হয় তাকে বহির্গমন পথ বা এক্সিট রুট বলে। প্রয়োজন অনুসারে একটি ভবনের প্রতিটি কক্ষের এক বা একাদিক এক্সিট রুট থাকে।
     
     

    বহির্গমন পথের দূরত্ব ও এক্সিটের দূরত্ব – Exit Travel Distance and Exit Distance

    অনিধিক দ্বিতীয় তলা ভবনের ক্ষেত্রে প্রতি তলায় ৫০ জন হলে বহির্গমন পথের দূরত্ব ২৩ মিটারের অধিক হওয়া যাবে না। ইমারতের ফ্লোরের যে কোন স্থান হতে অনধিক ২৫ মিটারের মধ্যে জরুরী নির্গমন পথ থাকতে হবে এবং তা সিঁড়ির লবি ও লিফট লবি থেকে আলাদা ও নীচ তলার সাথে যুক্ত হতে হবে।
     
    একই ভবনে একাদিক এক্সিট এর ক্ষেত্রে এক্সিট গুলি এরকম হতে হবে যে মেঝের ব্যবহ্রত অংশ হতে যে কোন ডোরের দূরত্ব সর্বোচ্চ ৪৫ মিটার হয়।
     

     

    বহির্গমন পথের বিধিমালা সমূহ – Rules of Exit Travels

    ● ভবনের প্রত্যেক ফ্লোরে সহজে দৃশ্যমান এক বা একাদিক স্থানে বহির্গমন পথের নকশা দেয়ালে টানিয়ে রাখতে হবে,
    ● তিন তলা বা তার চেয়ে কম তলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য বহির্গমন পথ সর্বনিম্ন ১ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক হতে হবে,
    ● চার তলা বা তার চেয়ে বেশী তলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য এ পথ সর্বনিম্ন ২ঘন্টা অগ্নি প্রতিরোধক হতে হবে,
    ● ফ্লোরের অগ্নি নির্বাপণ ক্ষমতা অনুসারে উক্ত পথ অগ্নি নির্বাপক হতে হবে কিন্তু তা ২ঘন্টার বেশি নয়,
    ● প্রতিষ্ঠানের ভবনের প্রতিটি কক্ষ যেখানে ২০ জন বা তার অধিক লোক কাজ করে সেখানে ন্যূনতম ২টি বহির্গমন পথ থাকতে হবে,
    ● বহির্গমন পথ কোন ব্যক্তির কাজের স্থান থেকে ৫০মিটারের অধিক দূরত্বে হবে না,
    ● বহির্গমন পথের প্রস্থ ১.১৫ মিটার এবং উচ্চতা ২মিটারের কম হতে পারবে না,
    ● ভবনের মাঝের বহির্গমন সিঁড়িপথ ও বাঁকের শেষ প্রান্ত ভবনের বহিমুর্খী হতে হবে,
    ● বহির্গমন পথের দেয়াল,ফ্লোর ও সিলিং অগ্নি প্রতিরোধক নির্মান দ্বারা তৈরি হতে হবে, বহির্গমন ছাড়া অন্য কোন কাজে তা ব্যবহার করা যাবে না,
    ● বহির্গমন পথ বাঁধা মুক্ত থাকতে হবে এবং এ পথের ধারণক্ষমতা কমানো যাবে না,
    ● উক্ত দরজা কখনো তালাবদ্ধ করা যাবে না,
    ● এ দরজার উভয়পাশে অবতরন ব্যবহার করতে হবে,
    ● বহির্গমনের প্রত্যেক দরজা সুইংগিং ফায়ার ডোর হতে হবে,
    ● কোন ভবনের, কোন ফ্লোরে বা অন্যত্র যত সংখ্যক লোক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে বহির্গমন পথ হিসেব করতে হবে,
    ● একজন দখলকারীর জন্য কতটুকু জায়গা প্রয়োজন তা বি,এন,বি,ছি এর নির্ধারিত টেবিল অনুযায়ী হিসেব করতে হবে। টেবিলটি নিন্মরূপঃ

    দখল

    স্প্রিংকলার ব্যতিত বিল্ডিং(মি.মি.)

    স্প্রিংকলারসহ বিল্ডিং (মি.মি.)

    সিঁড়ি

    র‍্যাম্প ও করিডোর

    দরজা

    সিঁড়ি

    র‍্যাম্প ও করিডোর

    দরজা

    A আবাসিক

    B শিক্ষা বিষয়ক

    F বাণিজ্যিক

    H গুদামজাত

    C (C1,C2,C3) প্রাতিষ্ঠানিক

    ১০

    C4 প্রাতিষ্ঠানিক

    D স্বাস্থসেবা

    ২৫

    ১৮

    ১০

    ১৫

    ১২

    ১০

    I সমাবেশ

    ১০

    J বিপজ্জনক

     

    বহির্গমন সংকেত বা এক্সিট সাইন – Exit Sign

    বহির্গমন সংকেত বা এক্সিট সাইন হলো আলো যুক্ত এমন এক প্রকার সংকেত বা চিহ্ন যা সঠিকভাবে, দ্রুত ও নিরাপদে দ্যুর্ঘটনা প্রবণ স্থান থেকে নিরাপদ স্থানে আসতে সাহায্য করে। তাই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে সকল বিল্ডিং এ এক্সিট সাইন বা প্রস্থানের চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
     
    আলোযুক্ত বহির্গমন সংকেত এ ব্যাটারি ব্যাকআপ ও ইমারজ্যান্সি পাওয়ারের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এটি বহির্গমন পথের সামনে রাখতে হবে। যে সকল স্থান থেকে বহির্গমন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যায় না সেখানে অতিরিক্ত এক্সিট সাইন ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে পথ নির্দেশক সাইন থাকতে হবে।
  • ফায়ার স্প্রিংকলার ও ফায়ার হাইড্রেন্ট – গঠন, কার্যপ্রনালী ও প্রয়োজনীয় আইন

    ফায়ার স্প্রিংকলার ও ফায়ার হাইড্রেন্ট – গঠন, কার্যপ্রনালী ও প্রয়োজনীয় আইন

    ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেম – Fire Sprinkler System

    স্প্রিংকলার সিস্টেম হলো স্থায়ী সেন্সর ও অটোমেটিক অগ্নি নির্বাপণী ব্যবস্থা। এর হেডে একটি বাল্ব থাকে যাতে তাপমাত্রা পূর্ব থেকে নির্দিষ্ট করে দেয়া থাকে। সাধারণত তাপমাত্রা ঐ তাপমাত্রা অতিক্রম করলেই স্প্রিংকলার হেডের বাল্বটি ভেঙ্গে স্বয়ংক্রিয় পানি ছিটিয়ে অগ্নি নির্বাপণ করে। পানি পরিবর্তে অন্যান্য অগ্নি নির্বাপক পদার্থ ফোম,নিষ্ক্রিয় গ্যাস, কার্বন ডাই অক্সাইড ও ড্রাই কেমিক্যাল পাউডারও এ স্প্রিংকলারে ব্যবহার করা হয়।
     
    বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ফায়ার স্প্রিংকলার কোন ভবনে সঠিকভাবে স্থাপন করলে ৯০% আগুন এটি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। ১৮৭৪ সালে হেনরি এস পারমালি সর্বপ্রথম অটোমেটিক ফায়ার স্প্রিংকলার স্থাপন করেন যেখানে পানির পাইপের মুখে এক ধরনের ধাতব পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা অতিরিক্ত তাপে গলে আগুন নিভে যেত। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমানে আধুনিক ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেম ব্যবহার করা হচ্ছে।
     
     

    স্প্রিংকলারের প্রকারভেদ – Types of Fire Sprinkler

    বর্তমানে বিভিন্ন রকমের ফায়ার স্প্রিংকলার পাওয়া যায়। যেমনঃ
     

    ● অয়েট পাইপ

    এ ধরণের ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেমে পানির পাইপ সবসময় নির্দিষ্ট চাপে পানি দিয়ে পূর্ণ থাকে।
     

    ● ড্রাই পাইপ

    যেখানে পানি জমে থাকার সম্ভবনা থাকে বা শীত প্রধান দেশে এ ধরণের স্প্রিংকলার ব্যবহার করা হয়। এ স্প্রিংকলারে পাইপ সঙ্কুচিত বায়ু দ্বারা পূর্ণ থাকে।
     

    ● প্রি অকশান ড্রাই পাইপ

    এটি মূলত ফায়ার ডিটেকশন সিস্টেম ও ফায়ার স্প্রিংকলার সিস্টেমের যৌথ রূপ।
    এগুলো ছারাও আরো কিছু জনপ্রিয়ো ফায়ার স্প্রিংকলার রয়েছে।
     
    সে গুলো হলঃ
    ▪ রেসিডেন্সিয়াল,
    ▪ কুইক রেসপ্নস,
    ▪ স্ট্যান্ডার্ড রেসপ্নস,
    ▪ কন্ট্রোল মোড স্পেসিফিক এপ্লিকেশন ইত্যাদি।
     
     

    ফায়ার স্প্রিংকলারের গঠন ও কার্যপ্রনালী – Fire Sprinkler Testing Procedure

    এটি পূর্ব নির্ধারিত তাপে কাজ করা শুরু করে। এতে গলনশীল ধাতু বা ভঙ্গুর কাচের বাল্ব ব্যবহার করা হয়। পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা পূর্ব নির্ধারিত তাপমাত্রার উপরে উঠলেই স্প্রিংকলারগুলো কাজ শুরু করে।
     
    স্প্রিংকলারগুলো কোন তাপমাত্রায় কাজ করবে তার কালার কোড আছে। তা হলোঃ

    ম্যাক্সিমাম ছিলিং টেম্পারেচার

    টেম্পারেচার রেটিং

    টেম্পারেচার ক্লাসিফিকেশন

    কালার কোড

    গ্যাস বাল্ব্ব কালার

    ১০০

    ১৩৫-১৭০ / ৫৭-৭৭

    অরডিনিয়ারী

    ব্লাক/আনকালারড

    ওরেঞ্জ(১৩৫F/৫৭C)

    রেড(১৫৫F/৬৮C)

    ১৫০

    ১৭৫-২২৫ / ৭৯-১০৭

    ইন্টারমিডিয়েট

    হোয়াইড

    ইউলো(১৭৫F/৭৯C)

    গ্রিন(২০০F/৯৩F)

    ২২৫

    ২৫০-৩০০ / ১২১-১৪৯

    হাই

    ব্লু

    ব্লু

    ৩০০

    ৩২৫-৩৭৫ / ১৬৩-১৯১

    এক্সট্রা হাই

    রেড

    প্যারপেল

    ৩৭৫

    ৪০০-৪৭৫ / ২০৪-২৪৬

    ভেরি এক্সট্রা হাই

    গ্রীন

    ব্লাক

    ৪৭৫

    ৫০০-৫৭৫ / ২৬০-৩০২

    আলট্রা হাই

    ওরেঞ্জ

    ব্লাক

    ৬২৫

    ৬৫০ / ৩৪৩

    আলট্রা হাই

    ওরেঞ্জ

    ব্লাক

     

    ফায়ার স্প্রিংকলার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Fire Sprinkler Laws

    ● ৭৫ ফুট বা ২৩ মিটার এর উচু ভবনের প্রতি তলায় স্প্রিংকলার স্থাপন করতে হবে,
    ● দ্বিতীয় তলার উপরের কোন একজিসটং বিল্ডিং যদি নন রেটেড কন্সট্রাকশন হয় ও তার প্রতি
    ফ্লোর এর ক্ষেত্রফল যদি ২০০০ বর্গ মিটার বা ২২০০০ বর্গ ফুট এর অধিক হয় তবে তার
    প্রতি তলায় ফায়ার স্প্রিংকলার স্থাপন করতে হবে,
    ● প্রতি ১৩০ বর্গ ফুট বা ১২.১ বর্গ মিটারের জন্য একটি স্প্রিংকলার ইউস করতে হবে,
    ● ফায়ার স্প্রিংকলারের পানির চাপ ১০০ কেপিএ হতে হবে,
    ● ফায়ার স্প্রিংকলারের জন্য প্রয়োজনীয় পানির রির্জাবের মাপ ও পানির প্রবাহ কেমন হতে হবে তা নিন্মরূপঃ

    বিল্ডিং এর উচ্চতা

    রির্জাবের আয়তন

    পানির প্রবাহ (লিটার)

    সময় (মিনিট)

    ৫১ মিটার পর্যন্ত

    ২,৪০,০০০ লি. বা ৫৩,৩৩৩ গ্যালন

    ৩২০০

    ৭৫

    ৫১ থেকে ১০২ মি.

    ৩০০,০০০ লি. বা ৬৬,৬৬৬ গ্যালন

    ৩২০০

    ৯৩.৭৫

    ১০২ মি. থেকে উপরে

    ৩৬০,০০০ লি. বা ৮০,০০০ গ্যালন

    ৩২০০

    ১১২.৫

     

    ● স্প্রিংকলারের পানির পাইপের ডাইয়া হতে হবে ৫, ৬ বা ৮ ইঞ্চি।

     

    ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম – Fire Hydrant System

    আগুন নিবানোর জন্য পানি অপরিহার্য। শহরে বা শিল্পাঞ্চলের নিকটে পুকুর বা জলাশয় না থাকায় এ ব্যবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এটি মূলত স্ট্যান্ড পাইপ, স্প্রিংকলার, হোস রীল পাইপের সম্মিলিত রূপ।
     
    মাটির নীচ থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে পানির প্রবাহ সৃষ্টির পদ্ধতিকে হাইড্রেন্ট ব্যবস্থা বলে। ধারণা করা হয় চীন সর্ব প্রথম ফায়ার হাইড্রেন্ট ব্যবহার করে।
     
     

    ফায়ার হাইড্রেন্টের প্রকারভেদ – Types of Fire Hydrants

    কাজের সুবিধার উপর নির্বর করে ফায়ার হাইড্রেন্টকে নিন্মোক্ত ভাবে ভাগ করা হয়েছে। যথাঃ
     

    ● ড্রাই ব্যারেল টাইপ

    এ হাইড্রেন্টে বাল্বগুলো মাটির নিচে থাকে ও একটি রড বাল্ব থেকে সিল গালা দিয়ে উপরে আসে। এ ক্ষেত্রে একটি পরিসর দিয়ে পোর্ট থেকে পানি নেওয়া যায়।
     

    ● ওয়েট ব্যারেল টাইপ

    এ ক্ষেত্রে হাইড্রেন্টে বাল্বগুলো মাটির উপরে থাকে ও যখন খুশি বাল্ব খুলে প্রত্যেক পোর্ট থেকে পানি নেওয়া যায়।
     

    ● ফিক্সড ওয়াটার টাইপ

    এ ব্যবস্থায় হাইড্রেন্টের সকল অংশ নির্দিষ্ট জায়গায় স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে। ফ্যায়ারম্যানরা চলনশীল অংশগুলো বহন করে নিয়ে যায় ও পানি ব্যবহার করে আগুন নিভানো হয়।

     

    ● ফিক্সড নন ওয়াটার টাইপ

    এ ব্যবস্থায় হাইড্রেন্টের সকল অংশ নির্দিষ্ট জায়গায় স্থায়ীভাবে লাগানো থাকে। ফ্যায়ারম্যানরা চলনশীল অংশগুলো বহন করে নিয়ে যায় ও ড্রাই ক্যামিকাল পাউডার, ফোম ইত্যাদি ব্যবহার করে আগুন নিভানো হয়।
     

    ● সুইচ বাল্ব টাইপ

    এ হাইড্রেন্টটি মেইন লাইনের উপর না বসিয়ে পাশাপাশি বসানো হয়। ফলে পানির চাপ স্বাভাবিক থাকে ও সমান্তরাল ভাবে প্রবাহিত হয়।
     
     

    হাইড্রেন্টের গঠন ও কার্যপ্রনালী – Fire Hydrant Maintenance Procedure

    বিভিন্ন প্রকার হাইড্রেন্ট বিভিন্নভাবে কাজ করে। তবে এর একটি কালার কোড অনুসরণ করে।
     
    তা হলোঃ

    কালার

    ক্লাস

    এভেইলেবল ফ্লো

    ব্লু

    AA

    ১৫০০ জিপিএম/মোর

    গ্রীন

    A

    ১০০-১৪৯৯ জিপিএম

    অরেঞ্জ

    B

    ৫০০-৯৯৯ জিপিএম

    রেড

    C

    বিলও ৫০০ জিপিএম

     

    • জিপিএম (GPM) = গ্যালন পার মিনিট
    হাইড্রেন্ট সিস্টেম তিন ভাবে পানি সরবরাহ করে। যথাঃ
    ১. গভীর নলকূপের মাধ্যমে,
    ২. পাম্পের মাধ্যমে সরাসরি,
    ৩. ভবনের ছাদের পানির রিজার্ভারের মাধ্যমে।

    ফায়ার হাইড্রেন্ট সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইন – Fire Hydrant Laws

    ● ভবন নতুন বা পুরাতন যাই হোক তার উচ্চতা ১০ মিটার বা ৩৩ ফুট অতিক্রম করলেই সেখানে স্ট্যান্ডপাইপ সিস্টেম প্রযোজ্য।
    ● ফায়ার হাইড্রেন্টের জন্য প্রয়োজনীয় পানির রির্জাবের মাপ ও পানির প্রবাহ কেমন হতে হবে তা নিন্মরূপঃ

    বিল্ডিং এর উচ্চতা

    রির্জাবের আয়তন

    পানির প্রবাহ (লিটার)

    সময় (মিনিট)

    ৫১ মিটার পর্যন্ত

    ১,৪২,৫০০ লিটার

    ১৯০০

    ৭৫

    ৫১ থেকে ১০২ মি.

    ১,৭৮,১২৫ লিটার

    ১৯০০

    ৯৩.৭৫

    ১০২ মি. থেকে উপরে

    ২,১৩,৭৫০ লিটার

    ১৯০০

    ১১২.৫

     

    ● ফায়ার হাইড্রেন্টের পানির চাপ ৪৫০ কেপিএ হতে হবে,
    ● প্রতিটি ফ্লোরের আয়তন ৭৫০ বর্গ মিটার অথবা এর বেশি হলে সেখানে হাইড্রেন্ট ব্যবস্থা রাখতে হবে,
    ● হাইড্রেন্ট ও স্ট্যান্ড পাইপ সিস্টেমের জন্য পানির পাইপের ডাইয়া হতে হবে ৫ বা ৬ ইঞ্চি।

     

  • ফায়ার লিফট ও ধূমপান – ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় ও ভবনে ধূমপান বিষয়ে আইন

    ফায়ার লিফট ও ধূমপান – ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় ও ভবনে ধূমপান বিষয়ে আইন

    ফায়ার লিফট – Fire Lift

    ফায়ার লিফট (Fire Lift) এমন একটি লিফট যা শুধুমাত্র আগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে ব্যবহার করা হয়। এটি নিচ তলার সাথে যুক্ত থাকে ও নির্দিষ্ট একজন ব্যক্তির হাতে এর নিয়ন্ত্রন থাকে।
     
     
    ফায়ার লিফটের বিবেচ্য বিষয় বা বিধান সমূহঃ
    ● ২০ মিটারের অধিক উচ্চতাবিশিষ্ট ভবনে ফায়ার লিফট ব্যবহার করতে হবে,
    ● গ্রাউন্ড ফ্লোর বা সমতল ভূমি থেকে অটোমেটেড হতে হবে,
    ● এটি ন্যূনতম ৮ জন ধারণক্ষমতার হতে হবে,
    ● দ্বিমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকতে হবে,
    ● এ লিফট পরিচালনার জন্য একজন নির্দিষ্ট করা থাকবে কিন্তু আগুন লাগলে সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফায়ার ম্যান এটি নিয়ন্ত্রণ করবে,
    ● কোন স্থানে ফায়ার লিফট হবে ও কয়টি প্রয়োজন তা নির্ভর করবে কতটুকু জায়গা আছে ও মোট কতজন কাজ করে।
     
     

    ধূমপান – Smoking

    সিগারেটের অবশিষ্টাংশ থেকে প্রতি বছর ছোট বা বড় রকমের অগ্নিপাতের সূত্র হয়। তাই ভবনের ভেতরে ও তার আশেপাশে যেখানে বিপদ জনক রাসায়নিক পদার্থ, দাহ্য পদার্থ বা গুদাম ঘর রয়েছে সে স্থান চিহ্নিত করণ পূর্বক উক্ত স্থানে ধূমপানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। প্রয়োজনে আলাদা স্মোকিং জোন নির্দিষ্ট করে দিতে হবে।
     
     
    ভবনে ধূমপান নিষেধের বিষয়ে যে সকল আইন ও নীতি রয়েছে সে গুলো হলঃ
    ● সকল ভবনের প্রবেশ পথে বা মুখে “ধূমপান নিষেধ” লিখা সম্বলিত সাইন প্রদর্শন করতে হবে,
    ● যে কোন কারখানায় যেখানে আলাদা স্টোরেজ রয়েছে সেখানে ধূমপান নিষিদ্ধ করতে হবে,
    ● ধূমপান নিষেধ সম্বলিত পোষ্টার দেয়ালে স্থাপন করতে হবে,
    ● ভবনের বাহিরে এক বা একাদিক স্থানে ধূমপানের জন্য যদি আলাদা স্থান নির্ধারন করা হয় তবে তার অবস্থান ও অন্যান্য তথ্য ধূমপান নিষেধ সাইন বোর্ডে উল্লেখ করতে হবে,
    ● পরিদর্শক যে সকল স্থানকে বিপদজ্জনক বলে চিহ্নিত করবেন সে সকল স্থানে ধূমপান নিষেধ করে প্রয়োজনে উপযুক্ত প্রতিক বা চিহ্ন (যেমনঃদেয়াশলাই,গ্যাস লাইটার ইত্যাদি) ব্যবহার করে নিষেধ করতে হবে এবং আগুন লাগার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় গৃহীতব্য সাবধানতা সম্পর্কে নোটিস সকলের দৃষ্টিগ্রাহ্য হয় এমন স্থানে টানাতে হবে।
     
  • অগ্নিকান্ড থেকে নিরাপত্তায় করণীয় – যা আপনাকে জানতেই হবে

    অগ্নিকান্ড থেকে নিরাপত্তায় করণীয় – যা আপনাকে জানতেই হবে

    অগ্নিকান্ড থেকে নিরাপত্তায় করনীয় [Task of Fire Safety]

    অধিকাংশ অগ্নিকান্ডের জন্য দায়ী বৈদ্যুতিক ব্যস্থাপনার ত্রুটি ও অবেহেলা। তাই অগ্নিকান্ড থেকে নিরাপত্তার জন্য আমাদের জানতে হবে সঠিক বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে, সব সময় সচেতন ও প্রস্তুত থাকতে হবে। অগ্নি নির্বাপক সামগ্রী সম্পর্কে থাকতে হবে বাস্তব জ্ঞান।
     
     
    নিচে অগ্নিকান্ড থেকে নিরাপত্তায় কি কি ব্যবস্থা নেয়া জরুরী তা উল্ল্যেখ করা হলঃ
    ● প্রচুর পানি ও বালি মজুদ থাকতে হবে,
    ● পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক সামগ্রী উপস্থিতি থাকতে হবে,
    ● রান্নার পর চুলা বন্ধ করে পুনরায় তা দেখে নিশ্চিত হতে হবে,
    ● আগুন লাগার সাথে সাথে দ্রুত মেইন সুইচ বন্ধ করে দিতে হবে,
    ● আগুন লাগলে আতঙ্কিত না হয়ে কি করা উচিত তা ঠিক করতে হবে,
    ● বিভিন্ন পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগ করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে হবে,
    ● ফায়ার সার্ভিসের টেলিফোন নাম্বার মুখস্ত করে রাখতে হবে ও দেয়ালে লিখে রাখতে হবে,
    ● ভবন ও এর গুরুত্বপূর্ন অংশ (দরজা, জানালা, সিঁড়ি) অগ্নি প্রতিরোধক ব্যবহার করা,
    ● খোলা বাতির ব্যবহার পরিহার করতে হবে,
    ● গৃহ ও তার আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিপাটি থাকতে হবে,
    ● প্রতি মাসে বা মাঝে মাঝে বৈদ্যুতিক সংযোগগুলো পরিক্ষা করা,
    ● গৃহে ও কর্মস্থলে অগ্নিকান্ড সংগঠিত হলে কার কি দায়িত্ব তা ঠিক করে রাখতে হবে,
    ● নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর গৃহে অগ্নি মহড়ার আয়োজন করতে হবে,
    ● দিয়াশলাই বা গ্যাস লাইটার সাবধানে ব্যবহার করতে হবে এবং ব্যবহার শেষে নিরাপদে সংরক্ষণ করতে হবে,
    ● আগুন বা সহজে আগুনের স্পর্সে আসতে পারে এমন কোন খেলনা বা কোন কিছু বাচ্চাদের হাতে দেয়া যাবে না।
     
     
     

    কাজের স্থানে ও কর্মরত অবস্থায় অগ্নি নিরাপত্তা করনীয় [Fire Prevention in the Workplace]

    ● ঝুকিপূর্ণ রাসায়নিক পদার্থসমূহ নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা ও তা ব্যবহার, পরিবহনে প্রশিক্ষিত লোক রাখতে হবে,
    ● কারখানা ও গুদামঘরে দিয়াশলাই বা গ্যাস লাইটার নিয়ে প্রবেশ না করা,
    ● প্রয়োজনীয় সংখ্যক অগ্নি নির্বাপক সামগ্রী রাখতে হবে,
    ● কাজের পরিবেশ ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে,
    ● প্রতি ছয় মাস অন্তর অন্তর একবার ফায়ার ড্রিলের আয়োজন করা,
    ● মোট কর্মকর্তা-কর্মচারি বা শ্রমিকের ১৮% লোককে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষিত হতে হবে,
    ● চাহিদা অনুসারে দেয়াল, সিঁড়ি ও রুম অগ্নি প্রতিরোধক করে নির্মান করতে হবে ও অগ্নি প্রতিরোধক দরজা ও জানালা ব্যবহার করতে হবে,
    ● সকল বৈদ্যুতিক সংযোগগুলো নির্দিষ্ট সময় পর পর পরিক্ষা করা। ত্রুটিপূর্ণ ও পুরানো সরঞ্জাম পরির্বতন করে নতুন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা,
    ● ফায়ার এলার্ম বাজার সাথে সাথে কর্মস্থল ত্যগ করে সাড়িবদ্ধ হয়ে নিরাপদ স্থানে আসা,
    ● একাধিক ইমার্জেন্সি বর্হিগমন পথ ও ইমার্জেন্সি লাইটিং এর ব্যবস্থা রাখতে হবে,
    ● বর্হিগমনের পথ সর্বদা বাধামুক্ত ও খোলা রাখা,
    ● চলাচলের রাস্তায় কোন কিছু রাখা যাবে না,
    ● টিম গঠন করে প্রত্যেককে সুস্পষ্টভাবে দায়িত্ব দেয়া,
    ● কোথাও অগ্নি ঝুকির তথ্য পেলে দ্রুত স্থান পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া,
    ● কারখানার ছাদে টিন শেড ব্যবহার করা যাবে না, করলে আইননুযায়ী সামনের ২৫ ভাগ খোলা রাখতে হবে,
    ● কাজ চলাকালীন সময়ে রুমের দরজা ও মূল গেট আটকিয়ে রাখা বা তালা দেয়া যাবে না,
    ● গায়ে লাগুন লাগলে সে ক্ষেত্রে দৌড়ানো যাবে না, মাটিতে গড়াগড়ি দিতে হবে,
    ● যদি কখনো ধোঁয়ায় সম্পূর্ণ গুম আচ্ছন্ন হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে হামাগুড়ি দিয়ে বের হয়ে আসতে হবে। উক্ত সময় মাস্ক বা রুমাল, কাপড়ের টুকরো বা অন্যকিছু দিয়ে নাক ও মুখ চেপে ধরে বা বেঁধে বের হয়ে আসা।
  • ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহারের নিয়ম ও দাম ২০২

    ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহারের নিয়ম ও দাম ২০২

    ফায়ার এক্সটিংগুইশার ব্যবহারের নিয়ম

    ফায়ার এক্সটিংগুইসার ব্যবহার করে আগুন নেভাতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে আগুনের ধরণ। ধরণ অনুসারে এক্সটিংগুইসারটি নির্ধারিত স্থান হতে ক্যারি হ্যান্ডেল ধরে নিয়ে আসতে হবে। সেফটি পিনটি খুলে আগুনের উৎসের দিকে তাক করে ধরুন। এবার হ্যান্ডেলে চাপ দিলেই অগ্নি নির্বাপক পদার্থ বের হয়ে আগুন নিভে যাবে।
     
     
    পুরো বিষটি আরও সুন্দর করে বুঝতে ও মনে রাখতে “PASS” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এর অর্থ হলোঃ
     
    পর্টেবল ফায়ার এক্সটিংগুইশার
     
    P = PULL the pin (সেফটি পিনটি টেনে খুলুন)
    A = AIM nozzle at base of fire (নজেলকে আগুনের উৎসের দিকে তাক করুন)
    S = SQUEEZE the handle (হাতলের লিডারকে চাপ দিন)
    S = SWEEP nozzle side to side (নজেলকে সঠিক ভাবে ঘুরিয়ে আগুন নেভান)
     
     
    বিঃদ্রঃ পর্টেবল ফায়ার এক্সটেংগিসার ব্যবহারের সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ২ থেকে ৩ মিটার দূরে থেকে সাবধনতার সাথে ধীরে ধীরে ব্যবহার করতে হবে। যতক্ষণ পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিভে না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে তা চালিয়ে যেতে হবে।
     
     
    আগুন নিভে গেলে আগুনের চারপাশ পুনরায় আরেকবার পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোথাও কোন আগুন অবশিষ্ট রয়েছে কিনা। কারন ছোট-খাটো কোন আগুন বা ফুল্কির কারনে পুনরায় আগুন জ্বলে উঠতে পারে।
     

     

    ফায়ার এক্সটিংগুইশার কত প্রকার ও কি কি?

    উত্তরঃ ফায়ার এক্সটিংগুইশার চার প্রকার। যথাঃ
    ১. ডিসিপি (Dry Chemical Powder – DCP)
    ২. সিওটু (C)
    ৩. ফোম টাইপ (Foam Type)
    ৪. ওয়াটার টাইপ (Water Type)

    আগুন নেভাতে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?

    উত্তরঃ আগুন নেভাতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

    ফায়ার এক্সটিংগুইশার দাম

    উত্তরঃ ফায়ার এক্সটিংগুইশার দাম ক্যামিকেলের ধরন অনুযায়ী ১,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।